| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়। চেষ্টা করি জামাতের সাথেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার। ২০১৬ সাল থেকে নিয়মিত নামাজ পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে ৪-৫ ওয়াক্ত কাযা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করার তাউফিক দিয়েছেন আল্লাহ তা'আলা। আমি সিবাওয়াহতে আরবি ভাষার কোর্স করেছিলাম। প্রায় ৪০ টার বেশি ক্লাস শেষ করলেও কোর্স শেষ করতে পারিনি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো অসুস্থতা নেই। একবার খেলতে যেয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ভারী কাজ অনেকক্ষণ ধরে করলে ব্যথা অনুভব হয়। একবার কনিষ্ঠ আঙুলেও ব্যথা পেয়েছিলাম যেটার জন্য ডাক্তার দেখানো হয়নি (বিষয়টা খুব গুরুতর কিছু মনে হয়নি। তাই ডাক্তার দেখানো বা ওষুধ খাওয়া হয়নি)। এটাতেও অল্প অল্প ব্যথা হয় মাঝেমধ্যে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে যাওয়া পছন্দ করি না। অধিকাংশ কার্যক্রমই শিরকের অন্তর্ভুক্ত। বর্তমান সময়ে এটা একটা আধুনিক ব্যবসা হয়ে উঠেছে কতিপয় ভন্ডদের কাছে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর রাহিকুল মাখতুম, রাসূলের চোখে দুনিয়া, অশ্রুজলে লেখা। আরও অনেক বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এর মধ্যে ফেরা সিরিজ, তিনিই আমার রব, পড়ো, আরিফ আজাদের কিছু বই, শেষের অশ্রু, আত্মশুদ্ধি, ইয়াসমিন, রিক্লেইম ইয়োর হার্ট পছন্দের বই।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আব্দুল মালেক হাফিজাহুল্লাহ, শায়েখ আহমাদ উল্লাহ, খোন্দকার ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিমাহুল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
অতি সাধারণ একজন মানুষ আমি। সাধারণভাবে যাপিত জীবনই আমার পছন্দের। অযথা লৌকিকতা প্রদর্শন আমার অপছন্দ। বিলাসিতা করে জীবনকে কঠিন করার কোনো প্রয়োজনীয়তা দেখি না। তবে, যতটুকু প্রয়োজনীয় ততটুকু অবশ্যই করতে পছন্দ করি। কৃপণতা কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। বেশি কৃপণতা ক্ষতি বয়ে আনে। আমি পছন্দ করি নিজেকে গুছিয়ে রাখতে, পরিপাটি থাকতে। মানুষ হিসেবে স্পষ্টভাষী। ইনিয়ে বিনিয়ে মিথ্যা বলা খুবই অপছন্দের কাজ। নিজে ভুল করলে সেটা বুঝার চেষ্টা করি। সরি বলতেও আমার সমস্যা হয় না। অপ্রোয়জনীয় বেশি কথা বলা অপছন্দ করি। তবে কাছের মানুষদের সাথে হলে ভিন্ন কথা। মন খুলে কথা বলি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যের জন্য কোনো কিছু সহজ করতে পারলে ভালো লাগে; করার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। পিচ্ছি পাচ্ছা খুউব পছন্দের আমার আলহামদুলিল্লাহ। নতুন করে ঘোরাঘুরি করাটাও পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। শখের মধ্যে আছে, মাছ ধরা একটা সময় খুব পছন্দের ছিলো। এখন সেভাবে মাছ ধরার সুযোগ হয় না। রান্নাবান্না মোটামুটি চালিয়ে নেয়ার মতো করতে পারি। আরবিটা শিখতে চাই। নামাজে দাঁড়ালে কষ্ট লাগে এই ভেবে যে, আল্লাহ তা'আলা আমাদের জন্য কুরআন পাঠালেন, সেই কুরআন পঠিত হচ্ছে অথচ আমি অধম বুঝতে পারছি না। আব্বা আম্মা যদিও উমরাহ করে এসেছেন। তবুও, উনারা বেঁচে থাকতে আল্লাহ আমাকে সামর্থ্য দিলে আহলিয়া এবং আব্বা আম্মা সহ উমরাহ করতে চাই একসাথে। বেশি সামর্থ দিলে বোনদেরকেও উমরাহ করাতে চাই ইনশা আল্লাহ। এবং আমি নিজে আহলিয়া সহ একটা লম্বা সময় মক্কা মদিনায় থাকতে চাই এবং অলিগলি ঘুরে বেড়াতে চাই। আল্লাহ তা'আলা পূরণ করবেন ইনশা আল্লাহ। রুচিবোধ ভালো আছে আলহামদুলিল্লাহ। রুচিবোধ কীভাবে লিখে প্রকাশ করবো বুঝতে পারছি না। স্বপ্ন হলো, সুন্দর একটা প্রজন্ম গড়া। যাদেরকে দেখলেই আমাদের অন্তরাত্মা শান্ত হয়ে যাবে, চোখজোড়া জুড়িয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ তা'আলা যেন দুনিয়াতে উনার দ্বীনের গোলাম হিসেবে নিযুক্ত রাখেন, দ্বীনের উপর যেন অটল রাখেন। দুনিয়া নিয়ে আসলে কোনোকালেই আমার তেমন কোনো চাওয়া ছিলো না, এখনো নেই। দু'বেলা দুমুঠো খেয়ে যেন বাঁচতে পারি আর সম্মানের সাথে যেন দুনিয়া ত্যাগ করতে পারি এইটুকুই চাওয়া। কিছু ভালো কাজ যেন রেখে যেতে পারি, যেগুলো দেখে আমি মারা গেলেও মানুষ আমার জন্য দু'আ করবে। সন্তানদেরকে এমনভাবে গড়তে চাই, যেন আমি/আমরা কবরে শুয়েও সে ফল ভোগ করতে পারি। ওরা যেন আমাদের নাজাতের উসিলা হতে পারে ইনশা আল্লাহ। এইতো!
|