| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
🌏 শখ: ভ্রমণ করা (এতে রবের সৃষ্টি নিয়ে ভাবনা ও উনার মহাশক্তি সম্পর্কে ধারণা জন্মে ফলে শোকর আদায় করতে/সিজদায় লুটিয়ে পড়তে মন ব্যাকুল হয়)। 🎁 পছন্দ: পরোপকার, সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষেত্র বুঝে দান করা, সাদাসিধে মিতব্যয়ী ধৈর্যশীল জীবন। আর আহলিয়াকে নিয়ে খুঁনসুটিপূর্ণ কিছু পছন্দনীয় কাজ আছে, যা গাইরত/ইসলামী ব্যক্তিত্ব রক্ষায় পাবলিকলি প্রকাশ করার ইচ্ছে নাই।(এগুলো ক্বলবে দুনিয়া লালন ভাববেন না বরং এগুলো উত্তম নফল ইবাদাহ, ক্ষেত্রবিশেষে এরচেয়েও বেশি!) ⚠️ অপছন্দ: উচ্চবিলাসী খাইখাই স্বভাব, লাইফস্টাইল ও ভোগবিলাস নিয়ে খুব চিন্তিত,ঝগড়াটে ও মুখেমুখে তর্ক করা, পরচর্চা করা, অন্যের সাথে তাল মিলিয়ে সমকক্ষ বা উঁচু হয়ে চলার স্বভাব ও অকৃতজ্ঞ মানুষ। 🟢 রুচিবোধ: সকল খাবার ও তৈজসপত্র পরিচ্ছন্ন হওয়া। অপরিচ্ছন্ন দেখলেই অসহ্য লাগে। আর মিষ্টি ও তৈলাক্ত খাবারে চাহিদা কম তবে অম্লপ্রিয় মানুষ😄। 🔷✈️ স্বপ্ন ও প্রত্যাশা: সামর্থ্য হলে একসাথে বাইতুল্লাহ যেয়ারত করা। দীনি সফর করা তথা বহিঃবিশ্বে ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত সকল স্থান ও নিদর্শনগুলো দেখা। আর সামর্থ্য থাকলে দ্বীনের দাওয়াতি মশাল নিয়ে ঐ দেশগুলোতে যাওয়া, যেথায় এখনো ইসলামের দাওয়াত পৌঁছেনি। যেমন: আফ্রিকা মহাদেশের ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু দেশের সহ অনেক দেশের বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল, অরণ্যে বসবাসরত উপজাতি প্রভৃতি। তবে হ্যাঁ কমপক্ষে অনলাইনের সহযোগিতায় নিজ দেশের গুনে ধরা সমাজ ও রিসেন্টলি দেখা যাচ্ছে পশ্চিমা শয়তানদের প্রচেষ্টায় কিছু অকল্পনীয়, অপ্রকাশযোগ্য পাপ ছড়িয়ে পড়েছে; এসবে জড়িত মানুষদের সহ বহিঃবিশ্বের মুসলিমদের জন্য দাওয়াতি কাজ করার নিয়্যত আছে, এর জন্য যথেষ্ট প্ল্যানও আছে আমার। এক্ষেত্রে জীবনসঙ্গিনীকে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। 🟣 খুব ছোট্ট থেকেই ইচ্ছে ছিল বাড়িতে একটি মহিলা মাদ্রাসা করবো বা অন্তত নিয়মিত সাপ্তাহিক/মাসিক তা'লিম তথা দ্বীনি নসীহার আয়োজন করব। যার প্রধান হবে আহলিয়া। উদ্দেশ্য হলো মহিলা সমাজে যথেষ্ট ইসলামী জ্ঞানের অভাব ও ব্যাপক হারে কুসংস্কার বিদ্যমান, যা দ্বীনি শিক্ষা বা তা'লিমের দ্বারা দূরীকরণ ও দ্বীনের আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া। আর তিনি যদি জেনারেল শিক্ষিত হন তবে অন্তত স্বাভাবিক দ্বীনি ইলম অর্জনের চেষ্টা সহ আমার নির্দেশিত পাঠোধ্যয়ন করে মোটামুটি একজন ইসলামি ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে উঠার মানসিকতা থাকতে হবে। এই গৃহশিক্ষা অর্জনে আমি প্রত্যক্ষভাবে সার্বিক সহযোগিতা করব ও শেখাবো । যেন মহিলাদের তা'লিম তারবিয়াত করতে পারেন। কারণ মেয়ে/মহিলা মানেই আজ কিংবা আগামীর "মা" যিনি হন একটি পরিবারের চালিকা শক্তি সো মা দ্বীনদারতো পরিবার দ্বীনদার, পরিবার দ্বীনদারতো সমাজ হয়ে দেশ, দেশ হয়ে পুরো পৃথিবী হবে দ্বীনদার ইংশাআল্লাহ। আর এ পতাকাবাহীরাই হবে একদিন ইমাম আল-মাহদীর সৈনিক। সর্বোপরি নিজেদেরকে একজন সংস্কারক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যে মিশনে কাজ করেছেন রাসূল সাঃ সহ সকল নবীগণ। 🔴 বিভিন্ন মাধ্যমে/কৌশলে ইসলামি দাওয়াহের কাজ করে যেতে হবে উভয়ে মিলে,হতে পারে তা তা'লিমে,রচনায়,হাঁটাচলা-বৈঠকে কিংবা ওয়াজের মঞ্চে ইত্যাদি। মোট কথা এই উম্মাহকে নিয়ে ভাবতে হবে এবং আল্লাহর যমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের তামান্না থাকতে হবে সব সময়। সূরা ফুরক্বানের ৭৪ নং আয়াত অনুযায়ী মহান রব যেন আমাদেরকে এই উম্মাহের মুত্তাকীদের আদর্শ হিসেবে ক্ববুল করেন। আমীন। ✅ সেতো এমনি চাই যে হবে আমার আনুগত্যশীল ও মায়ের প্রতি যথেষ্ট যত্নশীল। যিনি দায়িত্বশীল জ্ঞানের বিনয়ী মানুষ এবং শিক্ষা সচেতন শিষ্টাচারপূর্ণ দ্বীনদার পরিবারের পর্দাশীলা,মিতব্যয়ী,ধৈর্যশীলা,লাজুক,জ্ঞানী,পড়ুয়া ও নরম মেজাজের সুহাসিনী(কারণ আমি টেনশনে/মন খারাপে/মনোযোগে কিছু করা অবস্থায় ডিস্টার্ব করলে ক্রুদ্ধ হই তবে আমার খুঁনসুটিপূর্ণ আবেগ ও ভালোবাসা এরচেয়ে অনেক গুণ বেশি এবং বন্ধু সুলভ একজন মানুষ)। আরো চাই সে যেন অত্যাধিক অনলাইন/মোবাইল আসক্ত না হয়, বেশি কথা বলা বা জ্ঞান দেওয়া টাইপেরও যেন না হয় কারণ ঝগড়াটে/মুখেমুখে তর্ক করা একদম পছন্দ করিনা। আর জীবনের উত্থান-পতনে সর্বাবস্থায় যে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে। নিজ রূপ-লাবণ্যের কিংবা পৈত্রিক অর্থকড়ি নিয়ে অহংকারী হবেনা, সামর্থ্যের বাহিরে কখনো কোনো দাবী/বল প্রয়োগ করবেনা বরং আয় বুঝে ব্যয় করে মানিয়ে চলবে, উচ্চবিলাসী হবেনা। যুহুদি(অল্পে তুষ্ট/দুনিয়া বিমুখ)হবে। যে আমার আর্থিক অবস্থার অনুপাতে মূল্যায়ন না করে বরং ইসলাম নির্ধারিত স্বামীর মর্যাদায় সর্বোচ্চ আবেগঘন সম্মান ও আনুগত্যের সহিত ভালোবাসবে; যেমনটি ছিলেন আম্মাজান খাদিজা (রাঃ)। যার কাছে ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার সুখ বা চাকচিক্যের চেয়ে আখেরাতের প্রাধান্য বেশি। এমন কি আমি কখনো গাফেল হলে যে আমাকে আগলে রেখে সর্বাবস্থায় দ্বীন পালনে হবে সহযোগী। আমার রক্তের সম্পর্কগুলো ঘনিষ্ঠ রাখতে যে নিজেই থাকবে আগ্রহী। রবের ভয় ও ভালোবাসায় সিক্ত সুশীতল অন্তর ও এক জোড়া চোখ চাই,যার হাত ধরে নিজ বাড়ি জান্নাত পর্যন্ত একসাথে পৌঁছতে পারব। যার অপলক স্নিগ্ধ চাহনিতে হৃদয় জুড়াবে।আর যদি কোনো এক রাত দুপুরে হিমেল হাওয়ায় নিঃশব্দে নিরালায় কখনো হারিয়ে যাই, সে ক্ষণে যে পাশে বসে তাসবীর মালা হাতে ক্ষমা চাইবে মোর এবং সন্তানগুলোকে বানাবে পিতার আদর্শে বলীয়ান বীর মোজাহিদ ও দাঈ ইলাল্লাহ্।(লক্ষ্য যেন হয়, আমাদের হায়াতে ইমাম আল-মাহদির সাক্ষাৎ না পেলেও;উনার প্রকাশকালে আমাদের পরবর্তীদের থেকে উনার সৈনিক হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে কাজ করবে এমন বংশধারা তৈরী করে যাওয়া।) ❇️ আমাকে যদি প্রশ্ন করেন একবাক্যে আপনার জীবনের উদ্দেশ্য বা স্বপ্ন কি বলেন? তবে এর উত্তর হবে, সূরা নাহলের ১২৫ নং আয়াত তথা লক্ষ্য হলো ٱلدَّعْوَةُ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ অর্থাৎ আল্লাহর পথে মানুষকে আহ্বান করা😌। এমন কি আমি মনে করি পুরো জীবনে এক বিন্দুও আমার নিজের জন্য কিছু চাওয়া পাওয়া নেই! প্রশ্ন করবেন কিভাবে সম্ভব!? হ্যাঁ তার উত্তর হলো, সূরা আন'আমের ১৬২ নং আয়াত তথা قُلۡ اِنَّ صَلَاتِیۡ وَنُسُکِیۡ وَمَحۡیَایَ وَمَمَاتِیۡ لِلّٰہِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ۙ অর্থাৎ, আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কোরবাণী এবং আমার জীবন ও মরন বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহর জন্যেই। 🔺আরো সহজ করে বললে আমার জীবন সংসার, রোজগার,বিয়ে,স্ত্রী-পুত্র স্বজন,সম্পদ সবগুলো কেবল দুনিয়া সফরের পাথেয় মনে করি এবং জান ও মাল সহ সবকিছুকে দ্বীনের কাজে ব্যবহার/কুরবান করতেই অর্জন করছি/করব, ফলে এই দুনিয়াবী কাজও ইবাদতে রূপ নিবে,এজন্য বলি দুনিয়ার সফরে আমার জন্য কোনো চাওয়া নেই সবকিছু আল্লাহর জন্য সো ঘুম,খাওয়া,রোজগার, স্ত্রীর প্রয়োজনীয়তা,সন্তান-সন্তুতি,ভাইবোন,মা-বাবার খেদমত প্রভৃতি বাহ্যত দুনিয়াবি কাজ মনে হলেও মূলত সবই ইবাদতে গণ্য। 📖 দলিলঃ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ: "إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوِ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إِلَى مَا هَاجَرَ إِلَيْهِ." অর্থাৎ, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি— “সব আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল এবং প্রত্যেক ব্যক্তি তাই পাবে যা সে নিয়ত করেছে। অতএব যার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্যই গণ্য হবে। আর যার হিজরত দুনিয়া অর্জন বা কোনো নারীকে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে, তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে।” (বুখারী ও মুসলিম) 🔺আবার যদি প্রশ্ন করেন আপনি এমন চিন্তাশীল ও স্বপ্নবিলাসী কেন,কবে হলেন,কিভাবে হলেন? এর উত্তর হলো, হঠাৎ কোনো ঘটনা কেন্দ্রীক হেদায়েত পেয়ে এমন হয়েছি তা নয় আবার এটা আমার নিজ যোগ্যতাও না, ফিৎরাতগতভাবেই এমন। কারণ আমার প্রবল ধারণা নিশ্চয় আমার পূর্ববর্তী কোনো নেককার মানুষের দোয়ার ফসল আমি(বাবা-মা কর্তৃক বর্ণিত,জন্মের পরপরই আমার দ্বারা ঘটিত একটি ঘটনা শুনে ও বুঝ হবার পর থেকে এ পর্যন্ত অনেক নিদর্শন ও নিজ চিন্তাভাবনা দেখে আঁচ করে বলেছি)।যেমন করে রাসূল সাঃ বলেছিলেন, "আমি আমার পিতা ইব্রাহীম আঃ এর দোয়ার ফসল"। এমনিভাবে আমার দীর্ঘ বিশ্বাস কাজ করে আমার দাদুর পূর্ববর্তী কোনো সলেহ বান্দার দোয়া অথবা আমার বাবার দোয়ার ফসল আমি। কারণ বাবা সব সময় এ দোয়া করেন, আল্লাহ আমার বংশে তুমি আলেম জারী রাখিও। আর অপরদিকে দাদুর উর্ধতন বংশধর দাওয়াতি সফরে সুদূর ইয়ামেন থেকে হযরত শাহ্ জালাল রহঃ এর সাথে এ বাংলায় এসেছিলেন। হয়তো উনি/উনার পরবর্তী কারো দোয়ার ছিঁটেফোটা আমায় স্পর্শ করেছে। 🟦 বিঃদ্রঃ অবুঝ থেকেই এমন ছিলাম,এমনও কয়েক সময় গেছে দুনিয়া বিমুখ হয়ে একগুঁয়ে টাইপের হয়ে গেছি মনে হতো, পড়াশোনা সহ যাবতীয় সব বিরক্ত লাগতো, মনে হতো আখেরাতে সফল হওয়া ছাড়া বাকিসব ফাও তাই দুনিয়ার সব কাজ অবহেলিত হয়ে যায় ফলে জেনেশুনে(ছোট ছিলাম তাই হয়তো ভুল সিদ্ধান্তে বা শয়তানের ফাঁদে পড়ে) আমল-আখলাক্ব কমিয়ে ফেলি আর গাফেল হতে শুরু করি😰।ভেবেছিলাম পড়াশোনা সব শেষ করে,সব ঝামেলা আঁটিয়ে আগের মত পূর্ণ দ্বীনে ফিরবো। আর এ বিচ্যুতির জন্য আল্লাহর কাছে কান্না করে ঘনিষ্ঠ হবার একটা সুযোগ পাব। এভাবে বারংবার বিচ্ছিন্ন হই,আবার ফিরে আসি তবে আমার চিন্তা-ভাবনা ও স্বপ্ন এক মুহূর্তের জন্যও ক্বলব থেকে নড়েনি, যার জন্য আমার বিশ্বাস; যা কিছুই করিনা কেন মহান রব আমাকে বারংবার হেদায়েতে টেনে আনেন, এমন কি নিদর্শন লাভ করান আলহামদুলিল্লাহ। এটা আমার উপর উনার এক বিশাল দয়া। যা কোটি কোটি শুকরিয়া করেও মনে হবে কিছুই করা হয়নি। 🔺এখানে উল্লেখ্য যে, কলেজে বন্ধুরা সাধারণ সাবজেক্টগুলো নিলেও আমি কেবল ইসলামি জ্ঞান আহরণের চিন্তা থেকেই শুরুতে চয়েজ দিয়ে ইইস সাবজেক্টি গ্রহণ করি, যদিও জেনারেল মানুষরা এটাকে নরমাল সাবজেক্ট বলে। সবচেয়ে বড় পরিতাপের বিষয় হলো এখানে এসে ফ্রী মিক্সিং পরিবেশে দীর্ঘ সময় স্টাডি লাইফ শেষে যা বুঝলাম, লজ্জা নামক ঈমানের দৌলত হারানোর আতুঁড়ঘর হলো ফ্রী মিক্সিং সহশিক্ষা!😭 এখনো মনে পরে আলিম পর্যন্ত পড়াকালীন মেয়ে/নারী এ জাতীয় শব্দ শুনলেও ভয়,লজ্জায় কেমন যেন কেঁপে উঠতাম! প্রয়োজন সাপেক্ষে কারো সাথে কথা বলতেও ঠোঁট মুখে কথা ভেজে যেতো। আর এখন প্রয়োজন হলে যেকারো সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারি😰, এজন্য আমার খুব আফসোস ও কষ্ট হয় ভাবলে তাই বন্ধুদের বলি কেন যে কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম!😭) 🔺এ সত্য কথাগুলো তুলে ধরলাম শুধু আমার সম্পর্কে জেনে বুঝে আগানোর জন্য, তিনি যেন আমাকে বড় কিছু না ভাবেন। আমলে-আখলাক্বে আমিও এক অধম গুণাহগার বান্দা😰। রব যেন আমাকে ক্ষমা করে, হেদায়তের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখেন এবং দ্বীনি স্বপ্নগুলো কবুল করে, উনার মাক্ববুল পছন্দনীয় বান্দাদের কাতারে শামীল করেন। আর শেষ নিঃশ্বাসটা যেন সকল দ্বীনি স্বপ্ন ও দায়িত্ব পালন শেষে নিজ চোখে এর সফলতা দেখে ওয়ারিশদেরকে এই পবিত্র আমানত গুছিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে তৃপ্ত মনে রবের রাস্তায় শেষ হয় এবং আমার রক্তকে যেন আল্লাহ দ্বীনের জন্য কবুল করে শহীদ হিসেবে কবুল করেন। আমীন। ✴️দ্রষ্টব্য: লেখাগুলো অনেক বেশি হয়ে গেছে 😰 কিন্তু চিন্তাভাবনার সার্বিক বিষয়ে কুফু মিলিয়ে নিতে বিস্তারিত লিখেছি। কারণ দীর্ঘ বছর ধরে মোনাজাতে যাকে চেয়ে বেড়াই, সে যেন ভুল কেউ না হয় বরং আমার মতই ভাবনাশৈলী লালন করা সুস্নিগ্ধা, সোহাগিনী হয়। আফওয়ান! ⛔ বিঃদ্রঃ উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ফিলোসোফি যদি আপনি/আপনাদের বিপরীত হয় বা এরকম স্বপ্নবিলাসী না হোন তবে অনুগ্রহ করে প্রস্তাবটি এড়িয়ে যাবার অনুরোধ রইলো। কারণ আমি শুধুমাত্র আমার জীবনসঙ্গী খুঁজছিনা বরং দ্বীনি স্বপ্ন পূরণে/দ্বীন প্রতিষ্ঠায় একজন বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা ও নিজ সন্তান সহ আগামী প্রজন্মের জন্য একজন আদর্শ মা খুঁজতেছি.... 🛑 আমার কিছু কৃতিত্বপূর্ণ অর্জন 👑 🖍️রেজিস্টার্ড লেখক: জাতীয় আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 🎁বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ: জাতীয় সীরাত প্রতিযোগিতা-২০২৫ (আয়োজনে: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ) 🏅চট্টগ্রাম একাডেমিতে সাহিত্য সম্মাননা পুরষ্কার প্রাপ্ত-২০১৮ 🏆ওয়াওবক্স(জিপি) একাই একশো ক্যাম্পেইন এওয়ার্ড-২০১৭ 📚বইমেলা প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম অমর একুশে বইমেলা-২০১৯ 🔎সাবেক সংবাদ প্রতিনিধি: দৈনিক বাংলাদেশ চিত্র ও আজকের উত্তরবঙ্গ। 🎗️সাবেক চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: কবিসাহিত্যিক ফোরাম বাংলাদেশ-ঢাকা। 📍প্রতিষ্ঠাতা: কলম গণগ্রন্থাগার, শিল্প-সাহিত্য ও আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র (কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে)। 📔 দাওয়াহ হিসেবে সর্বসাধারণের জন্য একটি ইসলামিক পাঠাগার করার ইচ্ছে আছে। 📗 প্রকাশিত লেখা সমূহঃ বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন এবং যৌথ গ্রন্থে ছড়া, কবিতা, প্রবন্ধ-নিবন্ধ,কলাম, গল্প ও ইসলামিক ফিচার সহ বিভিন্ন বিষয়ে লেখা প্রকাশিত হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। কোলকাতা থেকে ফ্রীতে একক গ্রন্থ প্রকাশেরও প্রস্তাব এসেছিল কিন্তু করিনি, বিভিন্ন ব্যস্ততায় তবে সময় সুযোগে বিভিন্ন বিষয়ে বই প্রকাশ ও দ্বীনের রাহে কলম সৈনিক হিসেবে কাজ করার নিয়্যত আছে ইংশাআল্লাহ। এক্ষেত্রে দাওয়াতি খেয়ালে জীবন ঘনিষ্ঠ ইসলামিক গ্রন্থ রচনাই প্রাধান্য পাবে বেশি(যদি সময় সুযোগ অনুকূলে থাকে)।
|