| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর অশেষ মেহেরবানী আমি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। ২০০৭ থেকে এখন পর্যন্ত আমি মাদ্রাসায় অধ্যায়ন করছি, তাই ২০০৭ থেকে আমি নিয়মিত নামাজ পড়ছি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমার সপ্তাহে নামাজ কাজা হয় না। তবে মাঝেমধ্যে কোন সপ্তাহে ১,২ ওয়াক্ত কাযা হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ! আমি একজন কুরআনে হাফেজ এবং কারী সাহেব। সেজন্য আমি শুকরিয়ার শহিত বলছি, কুরআন সহীহ শুদ্ধভাবে পড়তে পারি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার যিয়ারত করা হচ্ছে সুন্নত। এবং মাজার পূজা করা হচ্ছে শিরিক।আমি একজন মুসলিম হিসেবে সুন্নতকে অনুসরণ করি এবং শিরিককে বর্জন করি।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১.বিশ্ব নবীর জীবনী। লেখক গোলাম মোস্তফা। ২.প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ১,২ লেখক আরিফ আজাদ। ৩. আর রাহীকুল মাকতুম লেখক আল্লামা শফিউর রহমান মোবারক পুরি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১: সাইফুল ইসলাম বাবর আজম আল আজহারী। ২:আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী সাহেব কেবলা ফুলতলী। ৩: আল্লামা সৈয়দ মুকাররম বাড়ি।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আলহামদুলিল্লাহ আমি একজন মুসলিম। একজন মুসলিম হিসেবে আমার প্রতিটা কাজকর্ম কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক হওয়া একান্ত জরুরী। সেজন্য আমি সর্বাবস্থায় চেষ্টা করি কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক চলাফেরা করার। যে বিষয়গুলো আল্লাহ পাক হালাল করেছেন সেগুলো মানার,এবং যে বিষয়গুলো আল্লাহ পাক হারাম করে দিন সেগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখার। আমি সব সময় চেষ্টা করি আল্লাহকে খুশি করতে এবং তার নবীকে খুশি রাখার। যে ব্যক্তিগুলো আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে পছন্দ করে সে ব্যক্তিগুলোকে আমিও পছন্দ করি। নবীজি বলেছেন তোমারা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবেনা, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমাদের সন্তান, বিবি, বাচ্চা, ধন-সম্পদ সবকিছুর ঊর্ধ্বে যদি আমাকে ভালো না বাসো। তাই আমি ঐ সমস্ত মানুষগুলোকে আপন মানুষ মনে করে, যে মানুষগুলোর ভেতরে আল্লাহ এবং তার রাসূলের ভালোবাসা দেখতে পাই। স্বপ্ন: আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী বাছাই করতে চাই, যাকে পাওয়ার পর আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের নিকট্য অর্জন করতে পারি। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী পেতে চাই, যার মাধ্যমে আমার দুনিয়ার জীবন এবং পরকালের জীবন কল্যাণকর হয়। তাই মহান রবের কাছে একটি প্রার্থনা। আল্লাহ যেন আমাকে এমন একজন জীবনসঙ্গী দান করেন, যিনি হচ্ছেন দ্বীনদার, নেক্কার, ফরহেজগার, আল্লাহওয়ালা। সবকিছুর পরে আমি আল্লাহর উত্তম ফায়সালার উপর অপেক্ষা করছি, আল্লাহ যখন আমাকে জীবনসঙ্গিনী দান করবেন, তিনি যেন উত্তম জীবনসঙ্গিনী আমাকে দান করেন। সে যখনই আসুক, রবের পক্ষ থেকে অফুরন্ত নিয়ামত, বরকত, রহমত নিয়ে আমার জীবনে আসুক।
|