| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ,, বালেগ হওয়ার আগে থেকেই,, |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ হয় না,,তবে সফরে থাকলে অনাকাংখিত কাজা হয়ে যায়,, |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জ্বি না,,তবে প্রাকৃতিক কারণে জর ঠান্ডা হতে পারে,,
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
এটা শুধুমাত্র একটা কবর ছাড়া কিছুই নয়,,এখানে সেজদা করা বা মান্নত করা শিরকি ও হারাম কাজ,,তবে চাইলে যিয়ারতের উদ্যেশ্য নিয়ে গমন করা যেতে পারে,, তবে না যাওয়াই উত্তম,,
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর রহিকুল মাখতুম,,জীবন পথের পাথেয়,,কলমের অশ্রু,,এছাড়াও বহু দ্বীনি বই ও ইসলামিক উপন্যাস,,
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস সাহেব দা:বা:,,,, আবু তাহের মিসবাহ,,,,,, আব্দুল মালেক সাহেব,
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নতুন নতুন কাজ শিখতে ভালোবাসি,,ঘুরতে পছন্দ করি,,খাবার প্রিয়,, নিজেকে মানুষের সামনে প্রাকাশ করাকে পছন্দ করিনা (নিজেকে বড় বলে প্রকাশ করতে),, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং গোছালো থাকতে এবং দেখতে পছন্দ করি, স্বপ্ন বাইতুল্লা জিয়ারত,, হেসে খেলে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করি এবং তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন টাকেই পছন্দ করি,, বেয়াদব বা উগ্র মেজাজি কাউকে পছন্দ করি না,, বাচ্চাদেরকে ভালোবাসি,,,, বাহিরে অনর্থক ঘোরাঘুরির সময় নষ্ট করা বা বাজে মানুষদের সঙ্গে মিশা পছন্দ করি না,,, যতটুকু সম্ভব সব সময় নিজের পরিবেশের সঙ্গে মিশে থাকার চেষ্টা করি,, অবসর সময়ে কোরআন তেলোয়াত ইসলামিক বই ইসলামিক উপন্যাস পড়া পছন্দ করি,, এবং পিতা মাতার কাজে সাহায্য করাকে পছন্দ করি, জীবনসঙ্গীন হিসেবে এমন কাউকে আশা করি যে আমার পরিবারের বউ নয় পরিবারের মেয়ে হয়ে আসবে,, এবং আমার আব্বু আম্মুকে নিজের আব্বু আম্মুর মত করে দেখাশোনা করবে,, এবং অবশ্যই তাকে লাজুক প্রকৃতির হতে হবে ধৈর্যশীল এবং সংসারকে গুছিয়ে নেওয়ার মতো সাহস তার ভিতরে থাকতে হবে,,, নদীর পাড়ে বসে থাকতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। ব্যস্ত শহরের কোলাহল, মানুষের অসংখ্য শব্দ আর জীবনের হাজারো চাপের মাঝেও নদীর তীরে গিয়ে বসলে মনে হয় যেন পৃথিবীটা হঠাৎ শান্ত হয়ে গেছে। নদীর ধীর স্রোত, বাতাসের কোমল ছোঁয়া আর দূরের সবুজ গাছপালার মায়া আমাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যায়। সেখানে নেই কোনো কৃত্রিমতা, নেই কোনো ক্লান্তি—শুধু আছে প্রকৃতির নিঃশব্দ ভালোবাসা। সবুজ প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। গাছের পাতায় বাতাসের দোলা, পাখির ডাক, মাটির গন্ধ—এসব যেন হৃদয়ের গভীরে এক অদ্ভুত প্রশান্তি এনে দেয়। মনে হয় প্রকৃতি তার আপন হাতে আমার মনকে শান্ত করে দিচ্ছে। জীবনের যত দুঃখ, হতাশা আর অস্থিরতা আছে, সব যেন ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। নদীর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত দেখতে আমার খুব প্রিয়। লালচে আকাশ যখন নদীর জলে নিজের রঙ ছড়িয়ে দেয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের হাতে একটি জীবন্ত ছবি এঁকে চলেছে। সেই মুহূর্তে আমি শুধু তাকিয়ে থাকি আর ভাবি—এই পৃথিবী কত সুন্দর! মানুষের তৈরি হাজারো সৌন্দর্যের চেয়েও প্রকৃতির এই সরল সৌন্দর্য অনেক বেশি গভীর এবং সত্য। প্রকৃতির কাছে গেলে আমি নিজেকে নতুনভাবে খুঁজে পাই। সেখানে গিয়ে মনে হয় মানুষ আসলে কত ছোট, আর প্রকৃতি কত বিশাল। সবুজ মাঠ, নদীর ঢেউ, নীল আকাশ—এসবের মাঝে দাঁড়িয়ে হৃদয় যেন বিনয়ী হয়ে যায়। আমি তখন নিজের স্বপ্ন, অনুভূতি আর জীবনের অর্থ নিয়ে ভাবতে ভালোবাসি। আমার কাছে প্রকৃতি শুধু সৌন্দর্যের নাম নয়, এটি এক ধরনের আশ্রয়। যখন মন খারাপ হয়, যখন চারপাশের সবকিছু অসহ্য মনে হয়, তখন আমি প্রকৃতির কাছেই ফিরে যেতে চাই। কারণ প্রকৃতি কখনো কাউকে বিচার করে না, কখনো ক্লান্ত হয় না; সে শুধু নীরবে তার সৌন্দর্য দিয়ে মানুষকে বাঁচতে শেখায়। তাই নদীর পাড়, সবুজ গাছপালা আর খোলা আকাশ আমার হৃদয়ের খুব কাছের। প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে গিয়ে আমি যেন নিজেকেই নতুন করে খুঁজে পাই।
|