জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
অবশ্যই দ্বীন সম্পর্কে জানাশোনা থাকতে হবে। বিশেষভাবে বলতে গেলে পাঁচ ওয়াক্ত স্বলাত জামাতের সাথে আদায় করতে সদা সচেষ্ট। যানবাহন,সফর, চাকরি, ক্লাস বা কোথাও গেলে যিনি স্বলাত আদায়ের ব্যাপারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সেইভাবে শিডিউল তৈরি করেন।টাখনুর উপর সবসময় কাপড় পড়েন, সুন্নতি দাঁড়ি আছে । বিশুদ্ধ আকিদা লালন করেন। হালাল হারাম খুব সতর্কতার সহিত মেনে চলার সর্বোচ চেষ্টা করেন মাহরাম -নন মাহরাম মেনে চলেন , নজরের হেফাজতের ব্যাপারে সচেতন , উপার্জন (সুদ ঘুষ মুক্ত হালাল)। প্রতিদিন কম হোক বেশী কুরআন তিলাওয়াত করেন,তাদাব্বুর করার চেষ্টা করেন। গায়রতওয়ালা, তাকওয়াবান, বদমেজাজি নন, পরিশ্রমী-ধৈর্যশীল, দায়িত্বশীল,ভদ্র -নম্র স্বভাবের ,গিবত বলা বা শোনা থেকে বিরত থাকেন। সর্বোপরি উত্তম আখলাকসম্পন্ন হবেন। যেকোনো ধরনের মিউজিক, সিনেমা, নাটক , আন্তর্জাতিক খেলা প্রভৃতি দেখেন না।সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি আপলোড করা থেকে নিজেকে হেফাজত করেন। নিজের+আমার পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। যিনি দ্বীন পালনে আমার সহযোগী হবেন , অনাগত সন্তানদের দ্বীনি পরিবেশ ও দ্বীনি শিক্ষা দিবেন ইন শা আল্লাহ্। বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ: ১.আমরা ৪ বোন ১ ভাই। ভাইয়া প্রায় ১৩ বছর পূর্বে এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যান (আনুমানিক ২৬-২৭ বছর বয়সে, অবিবাহিত ছিলেন)। আমি বাদে বাকি সব আপুদের বিয়ে হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।। বাবার বয়স হয়ে যাওয়ায় এখন পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ও নেই,,, ,, যাইহোক, এখন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি না থাকায় মা বাবা, আপুরা আমাকে পড়াশোনার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাপোর্ট দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। তাদের প্রত্যাশা+আমিও ভেবেছিলাম পড়াশোনা শেষে কোনো জব সেক্টরে কাজ করব, বিশেষত আব্বুর স্বপ্ন মেয়ে বিসিএস ক্যাডার হবে। আমার অনার্স সম্প্রতি শেষ হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ ।বাবা আশায় আছেন আমি বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করব কিন্তু আমার তেমনটি ইচ্ছে নেই, যদিও তাকে সরাসরি বিষয়টি বলিনি। পরিবারের (যেহেতু উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই)কথা চিন্তা করে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি,,পরিবার চাচ্ছে আমি চাকরি করি,, মোটকথা,সব পরিস্থিতি বিবেচনায় আমার পরিবারের একটি রেগুলার ফিন্যান্সিয়াল সাপোর্ট দরকার। কিভাবে কি অগ্রসর হব বুঝতে পারছি না। আগ্রহী পক্ষের সাথে বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষ ব্যাপার। আশা করি তারা আমার পরিবারের জন্য শরীয়তসম্মত পন্থায় সাপোর্ট করার সুযোগ দিবেন ইন শা আল্লাহ্), বিস্তারিত পরে জানানো হবে ইন শা আল্লাহ্ ২.অনুগ্রহপূর্বক কেউ ছবি চাইবেন না। এমনকি দেখতে আসা মহিলারা ও দয়া করে ছবির জন্য জোরাজুরি করবেন না। ৩.যৌতুক নেওয়ার মানসিকতা থাকবে না,হোক সেটা গিফটের নামে। ৪.বিয়ে হবে সম্পূর্ণ সুন্নাহ মেইনটেইন করে ইন শা আল্লাহ্। কোনো জাঁকজমক হবে না। ৫.কাপুরুষ, ব্যক্তিত্বহীন,আর দ্বীনের লেবাসে নিজের আসল চেহারা লুকিয়ে রাখা মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।
|