| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা, ২০০৯ এ তাবলীগে চিল্লা দেই। তখন থেকেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা গাফিলতিতে পড়ে গিয়েছিলাম। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
৩-৪ ওয়াক্ত |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি, ইউনিভার্সিটিতে থাকতে কওমী মাদ্রাসার এক ওস্তাদের নিকট হতে শুদ্ধ তিলাওয়াত এর জন্য দেড় মাসের মত উনার থেকে ছবক নিয়েছিলাম। তিলাওয়াত আমার খুব চমৎকার তা নয় তবে শুদ্ধ বলা চলে। সূরা আর-রাহমান, সূরা ওয়াক্বিয়া, সূরা মূলক, সূরা ক্বফ, সহ ছোট আরো ২০টার মত সূরা মুখস্থ আছে।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
বড় কোন রোগ নেই, আলহামদুলিল্লাহ
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
কোন মাজারে কোন বুজুর্গ ব্যাক্তির কবর থেকে থাকলে সেটা শুধুই কবর, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কি হারালো, ফাজায়েলে সাদাক্বাত, MUHAMMAD: his life based on the earliest sources
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী(রহ), মাওলানা এনামুল হাসান সাব(রহ), মাওলানা মাহমুদুল হাসান সাব যাত্রাবাড়ি মাদ্রাসা, মাওলানা তারিক জামিল, আহমেদ মুসা জিব্রিল
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
পাত্র বা পাত্রীর মনোজগৎ, তার চিন্তাধারা, ব্যবহার ইত্যাদি সম্পর্কে সামগ্রিক একটা ধারণা পাওয়া বিয়ের পূর্বে অনেক বেশি জরুরী একটি বিষয়। কিছু বিষয় লিখছি এখানে। এরপরেও আরো কিছু জানার থাকলে ইমেইলে জিজ্ঞাসা করার অনুরোধ রইল। আমার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়াতে হলেও গ্রামে আগে কখনো থাকা হয়নি। আব্বুর চাকরির দরুণ আমাকে অনেক ছোটবেলাতেই আব্বু আম্মুর সাথে জামালপুর জেলা শহরে বড় হতে হয়েছে। জামালপুর জিলা স্কুল থেকেই আমি এস.এস.সি পরীক্ষা দিয়েছি। পরবর্তীকালে ময়মনসিংহ শহরে এবং ইউনিভার্সিটি পিরিয়ডে রাজশাহী শহরে থেকেছি। ২০১৯ সালে বাবার রিটায়ারের সময় হলে আমরা পরিবারের সবাই নিজ পিতৃপুরুষের ভূমি-গ্রামমুখী হই। এখানে থেকেই আমি বিসিএস এর প্রিপারেশন নিই। আল্লাহর ফজলে পাশের থানাতেই ৪১ বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে কর্মস্থল নির্দিষ্ট হয়। বাড়ি থেকেই সেখানে যাতায়াত করছি। বাস্তবিক জীবনে আমি কম কথা বলি, বিশেষ করে বাইরের মানুষদের সাথে। পরিবারের সবার সাথেই খুব বেশি আন্তরিক। অসদাচারণ, নিজের ওজনের তুলনায় নিজেকে বেশি বলে জাহির করা, ইত্যাদি ব্যাপার খুব বেশি অপছন্দনীয়। ইউনিভার্সিটিতে থাকাকালীন সময়ে আমি ফ্রিল্যান্সিং করতাম। বেশ কিছু আমেরিকান, ব্রিটিশ ও ইটালিয়ান ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।তৎকালীন সময়ে ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপার হিসেবে কাজ করেছি। এর সাথে সাথে PHP ল্যাঙ্গুয়েজেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এগুলো নিয়েই ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা ছিল। তবে মাঝপথে সেটি পরিবর্তন করে সরকারি চাকরির প্রিপারেশন নেয়া শুরু করেছিলাম। বর্তমানে চাকরির পাশাপাশি JAVA ল্যাঙ্গুয়েজ এবং এর ফ্রেমওয়ার্ক স্প্রিং এন্ড স্প্রিং-বুট নিয়ে পড়াশোনা করছি। এছাড়া ইউনিভার্সিটির কোর্সে সি, সি++, MATLAB, Fortran ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডি করার কারণে এগুলো সম্পর্কে ফাউন্ডেশনাল নলেজ রয়েছে। তাবলীগের মাধ্যমে আমার দ্বীনের পথে চলা শুরু। তবে ইসলামের কোর বিলিফ হোল্ড করে এমন সকল ইসলামী আন্দোলনের প্রতিই সহমর্মিতা রয়েছে। পৃথিবীতে মানুষের অবস্থানের সময়কাল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। মানুষ কী, কেন, কোথা হতে এসেছে, এসব কিছু আমার চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনে ঠিক ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার সময়টাতে। বিভিন্ন পুস্তক ঘাটাঘাটি করে আমি দ্বীনের পথে এগোনোর সিদ্ধান্ত নিই। দাঁড়ি লম্বা রাখা শুরু করি। এর মাঝেই ক্যাম্পাসের কিছু তবলীগের ভাইদের সাথে, কতক গুণী শিক্ষকদের সাথে যারা ইসলামকে মনে প্রাণে লালন করেন এমন ব্যাক্তিদের সাথে পরিচয় হয়। এভাবেই দ্বীনের পথে হাটি হাটি পা পা করে আমার চলা শুরু হয়। এমন কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চাচ্ছি যিনি সকল পরিস্থিতিতে আল্লাহকে, আল্লাহর মনোনীত জীবনযাপন পদ্ধতিকে সব কিছুর উপরে প্রাধান্য দেন। যিনি আখিরাতকে সামনে রেখে জীবনকে পরিচালনা করেন। দুনিয়ার চাকচিক্যে খুব বেশি মাতোয়ারা হয়ে যান না। মানুষের মানবিক দূর্বলতাকে ওভারলুক করেন। আপাত-অসীম মহাশূন্যের অন্তে যে যাত্রা, সে যাত্রার যাত্রী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করতে যিনি সদা তৎপর।
|