| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ পড়ি।আড়াই বছর+ যাবত পড়ছি আলহামদুলিল্লাহ।এর আগেও পড়তাম আলহামদুলিল্লাহ।তবে বিষয়টা অনেকটা এমন ছিল যে,ভালো লাগলে পড়বো,ভালো না লাগলে না পড়লেও সমস্যা নেই।সালাত যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলার ফরজ একটা বিধান,সালাত যে প্রতিদিন আন্তরিকতার সাথে পাঁচ ওয়াক্ত পড়তেই হবে,এটা ভেবে কখনোই সালাত আদায় করিনি।আল্লাহুম্মাগফিরলী! |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
প্রত্যেক সপ্তাহে হয় না আলহামদুলিল্লাহ।মাসে ২-৩ ওয়াক্ত ক্বাযা হয়(ফজরের সালাত)। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি আলহামদুলিল্লাহ।আরো ইম্প্রুভ করার চেষ্টা করছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ নেই
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক ব্যতীত কিছুই নয়।সাধারণ একটা কবরকে কেন্দ্র করে যে কাজগুলো করা হয় সেগুলোকে চরমভাবে ঘৃণা করি।যিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করাও জায়েজ নেই।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক,পর্দা ও দেহসজ্জা,কিতাবুত তাওহীদ,এক,স্বলাতে মুবাশ্বির,তিনিই আমার রব,প্রত্যাবর্তন,হাদীসের নামে জালিয়াতি,উসুলুল ঈমান,আর রাহীকুল মাখতুম,ইসলামি আকিদা,জীবন যদি হতো নারী সাহাবীর মতো,আদর্শ রমণী ইত্যাদি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শাইখ ড.খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার(রহিমাহুল্লাহ) , শাইখ সালেহ আল ফাওযান, শাইখ ড. আবু বকর যাকারিয়া,শাইখ মতিউর রহমান মাদানী, শাইখ ড. মানজুরে ইলাহী,শাইখ আসিম আল হাকিম,শাইখ আব্দুল হামীদ ফাইযী আল মাদানী,ইঞ্জিনিয়ার ড. এনামুল হক চৌধুরী,শাইখ আহমাদুল্লাহ,উস্তাজ মুহাম্মাদ নাসীল শাহরুখ,উস্তাজ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক[হাফিজাহুমুল্লাহ] ইত্যাদি।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।নিজেকে নিয়ে লেখাটা সবচেয়ে কঠিন।আমি কেমন সে সম্বন্ধে পরিপূর্ণ ধারণা কখনোই দিতে পারবো না।তারপরও আমার পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি নিয়ে লিখছি ইনশাআল্লাহ। আমি মহান রবের অত্যন্ত গুনাহগার একজন বান্দা।জীবনের অনেকটা সময় রবের অবাধ্যতায় কেটেছে।বুঝে না বুঝে অনেক গুনাহ করেছি।তবে যেদিন থেকে দয়ালু রব আমার অন্তরে দ্বীনের বুঝ দান করেছেন সেদিন থেকে শুধুমাত্র মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি।এখনো যে গুনাহ হয়না তা নাহ।প্রতিদিনই বুঝে না বুঝে অনেক গুনাহ হয়ে যাচ্ছে।শয়তান প্রতিনিয়ত গাফিল করার চেষ্টা করছে।তবে এখন প্রতিদিন মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে মাফ চাই,ইস্তিগফার করি আলহামদুলিল্লাহ।এই বিশ্বাস নিয়েই ক্ষমা চাই যে আমাদের দয়ালু রব নিশ্চয়ই আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। দ্বীনে ফেরার আগে বাগান করাটা অন্যতম শখ ছিল,এখনো আছে অবশ্য।তখন বিভিন্ন গাছ এনে ছাদে নিজ হাতে রোপণ করতাম।পর্দার কারণে এখন আর করা হয়না।এটার জন্য অবশ্য আফসোস নেই।বই পড়তে ভালো লাগে।ঝগড়া-বিবাদ একদমই অপছন্দ করি।ঝগড়াকে ভয় পাই খুব।গীবত করা এবং শোনাকে ঘৃণা করি।উগ্র আচরণ একদমই সহ্য করতে পারিনা। মহান রব যতটুকু দ্বীনী ইলম অর্জন করার তাওফিক্ব দিচ্ছেন তদানুযায়ী আমল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে ভালো লাগে।তেমন একটা সুযোগ হয়নি যদিও।আকাশ,প্রকৃতি,সমুদ্র দেখতে অনেক ভালো লাগে।আকাশের বিশালতা এত মনোমুগ্ধকর!সুবহানাল্লাহ!সমুদ্র বরাবরই ভালো লাগে।সমুদ্রের তীরহারা দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি আমাকে সবসময়ই মুগ্ধ করে আলহামদুলিল্লাহ।মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন যদি চান তবে জীবনসঙ্গীকে নিয়ে এই ভালো লাগা এবং পছন্দগুলো উপভোগ করতে চাই ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলা সহজ করুন।উনাকে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর অনেক ইচ্ছা।এটা স্বপ্ন বললে ভুল হবেনা বোধহয়।বিশেষ করে সমুদ্রপাড়ে।উনিও যদি ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন তাহলে দুইজনে মিলে ইচ্ছেমতো বেড়াবো ইনশাআল্লাহ।বদমেজাজী মানুষ একদমই পছন্দ না।আমি নিজেও বদমেজাজী নই আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহু 'আলাম।আমি এমন একজন মানুষকে চাই যিনি আমাকে উনার মতো করে ভালোভাবে বুঝবেন।মহান রবের জন্য আমাকে অনেক বেশি ভালোবাসবেন। পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং থাকতে ভালোবাসি।নিজের যত্ন নিতে ভালোবাসি।অবশ্য যতটুকু যত্ন না নিলেই নয় ততটুকুই।কোনোকিছুতেই অতিরিক্ততা পছন্দ না। ভীষণ চা প্রিয় মানুষ।এটা ছোটবেলা থেকেই।যদিও এটা বলাটা খুব একটা প্রয়োজনীয় নয়।তারপরও বলছি। সাধ্য অনুযায়ী স্বদাকাহ করতে ভালোবাসি।মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসি। বায়তুল্লাহ এবং মাদীনায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর।রব্বে কারীম কবুল করুন আমিন। বিয়ের মাধ্যমে উম্মাহ বৃদ্ধি করে সুন্দর একটা দ্বীনী পরিবার গঠন করা স্বপ্ন।সবাই মিলে একসাথে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা'আলার সর্বশ্রেষ্ঠ নি'আমাত জান্নাতযাওয়া স্বপ্ন। আরেকটা ইচ্ছা মহান রবের সন্তুষ্টির জন্য স্বামীর আনুগত্য করা।মনপ্রাণ ভরে উনার সেবা করতে চাই ইনশাআল্লাহ।এই বিষয়টার প্রতি আমার কেন জানি আবেগ কাজ করে খুব!অনেকের কাছে হয়তো বিষয়টা ফ্যান্টাসিও মনে হতে পারে।আমারও মনে হয় মাঝে মাঝে।কিন্তু যখনই মনে পড়ে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে,"চারটি কাজ করলে মেয়েরা যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে ঢুকতে পারবে।পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা,রমাদ্বানে সিয়াম রাখা,লজ্জাস্থানের হিফাযত করা এবং স্বামীর আনুগত্য করা"।তখনই বিষয়টা আমার কাছে আর ফ্যান্টাসি মনে হয় না।মনে হয় যে এই পবিত্র ইচ্ছাটা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা অনেক বড় রহমত।সুবহানাল্লাহ!
|