জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
স্বামী এবং স্ত্রী সম্পর্ক এমন হওয়া উচিত হাত আর চোখ।হাতে ব্যথা পাইলে চোখে পানি পড়বে আবার চোখ দিয়ে পানি পড়লে হাত দিয়ে মুছে দিবে।আবার একজন রেগে গেলে আরেকজন চুপ থাকবে।বাস্তবতা অবশ্যই ভিন্ন কথা বলে।যতটা বলা সহজ রক্ষা করা তার চেয়ে কঠিন।কিন্তু দুইজনই যদি সেক্রিফাইস করতে পারে ও পরস্পরকে বুঝে তাহলে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার রহমতে সবকিছু মানিয়ে নেয়া যায় এবং সম্পর্কটাও অনেক মজবুত হয়(ইন শা আল্লাহ)।স্বামী এবং স্ত্রী সম্পর্ক শুধু ইহকাল নয় বরং ইহকাল এবং পরকাল দুইটা যাতে কল্যাণ হয় এমন মানুষ নির্বাচন করা উচিত।পৃথিবীতে কোন মানুষ পরিপূর্ণ নয়।আমিও না,আপনি না।আমরা সবাই পাপী,তবে পাপীদের তারা উত্তম যারা তওবা করে মহান আল্লাহ কাছে ফিরে আসেন।আমি চাইলেও পরিপূর্ণ কোন মানুষ পাবো না আপনি চাইলেও পাবেন না।কারণ এই পৃথিবীতে যদি সবাই পরিপূর্ণ হতো তাহলে জান্নাত কাদের জন্য?এই পৃথিবীটাই পরীক্ষা কেন্দ্র।এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে সংসার হলো একটা যুদ্ধক্ষেত্র।।সংসার জীবনটা একটা ইবাদত।মহান আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করলে সবকিছু মানিয়ে নেয়া যায় এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সবকিছু সহজ করে দেন।যে মানুষ সবকিছু মানিয়ে নিতে পারে,যে কেবল মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার জন্য একে অপরকে ভালোবাসে এবং মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার সন্তুষ্টির জন্য সাহায্য করে বিনিময় কেবল মহান আল্লাহ কাছে আশা করেন এমন মানুষকে ভালো লাগে।সৌন্দর্য কখনো স্থায়ী হয় না কিন্তু ভালো মন-মানসিকতার মানুষ ও মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা এবং আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে ভালোবাসেন এমন মানুষ পাওয়ার সবারই ইচ্ছা থাকে।ভালোবাসা কেবল মুখে নয় বরং কাজেও এমনটা হওয়া দরকার কারণ অন্তরের ভালোবাসা মানে প্রকৃত ভালোবাসা।কাজেই যে মহান আল্লাহর আদেশ মেনে চলে এবং প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আর্দশ অনুসরণ করেন এমন মানুষ মহান আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি (ইন শা আল্লাহ)।যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার আরও কাছে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি।অর্থাৎ,একজন চক্ষুশীতলকারী,তাকওয়াবান,ধৈর্যশীল,ন্যায়বিচারকারী,যৌতুক বিরোধী,দ্বীনদার,নম্র,ভদ্র ও বিনয়কারী,সহজ সরল ও মিশুক,প্র্যাক্টিসিং মুসলিম,প্রতিনিয়ত তওবা করে রবের নিকট ফিরে আসে,মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার জন্য তার বান্দাদের প্রতি যে দয়া করে,নন-মাহরাম ও মাহরাম মেইনটেইন করে,বউয়ের খাস পর্দার করার সহযোগিতা করবে,সৎ,দান সদকাকারী,হারাম বর্জন করে চলে,সুন্নতি পোশাক ও সুন্নতি দাড়ি আছে এমন,মা বাবার হক,ভাইবোনদের হক ও প্রত্যেকের হক আদায় করে,আমি যেমন তার ফ্যামিলিকে আপন করে নিবো তেমনি যে আমার ফ্যামিলিকে আপন করে নিবে,যে একমাত্র মহান আল্লাহর জন্য আমাকে পছন্দ করবে ও আমিও একমাত্র মহান আল্লাহর জন্য তাকে পছন্দ করবো,যে গালাগালি এবং অশ্লীল ভাষা অপছন্দ করে,যার দ্বীনি ইলম অর্জন করার অধিক আগ্রহ ও যে এই ক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগিতা করে,যে জামায়াতে নামাজ আদায় করেন,প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর সুন্নাহ অনুসরণ করেন,যে কেবল মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার জন্য সবকিছু ভালোবাসে,খারাপ কাজ মহান আল্লাহ ভয়ে ছেড়ে দেন,প্রতিটি বিপদে যে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার উপর তাওয়াক্কুল(ভরসা) করে এবং এই অবস্থায় মুচকি হাসি দিয়ে বলে আলহামদুলিল্লাহ।এমন একজন মানুষ প্রতিনিয়ত মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে চাই।নিশ্চয়ই কবুল করার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা। **সরাসরি শুধু ছেলে এবং মহিলা দেখতে পারবে(ইন শা আল্লাহ)।কোন ছবি দেয়া হবে না (ইন শা আল্লাহ)।বিয়ে একদম সুন্নত মোতাবেক হবে (ইন শা আল্লাহ)।আমি যৌতুক বিরোধী ও পর্দা ব্যাপারে কঠোর।আপনি ও আপনার পরিবার যদি খাস পর্দা পছন্দ করেন তাহলে বায়োডাটা কিনবেন(ইন শা আল্লাহ)। জাযাকাল্লাহু খইরন।
|