| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
এবার ভিন্ন কিছু হোক, শয়তানের ওয়াসওয়াসা, ফাজায়েলে আমল , মুন্তাখাব হাদিস , প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ , বেলা ফুরাবার আগে , কবর কি পেহলি রাত,নব মুসলিমের ইসলাম গ্রহণের সাক্ষাৎকার, আর রহিকুল মাখতুম, ইনজয় ইউর লাইফ ইত্যাদি।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
ব্যক্তিগতভাবে আমি একজন শালীন,মার্জিত রুচিবোধের অধিকারী। শান্ত,নম্র, ভদ্র, অনুগত, যত্নশীল, ধৈর্যশীল , মিতব্যয়ী, সাংসারিক ,নরম মনের অধিকারী। সাধারনভাবে থাকতে ভালোবাসি। কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি পছন্দ নয়। আল্লাহর খুব প্রিয় একজন বান্দি হওয়ার ইচ্ছে। চেষ্টা করি আত্মশুদ্ধি ও আত্মউন্নয়নের;আল্লাহ পাকের বিধি নিষেধ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে। অপছন্দ মিথ্যে কথা বলা ,অপচয় করা,অযথা সময় নষ্ট করা, সময় ও কাজের গুরুত্ব না দেওয়া , অতিরিক্ত রাগী মানুষ ,না বুঝে একটুতেই রেগে যাওয়া, অন্যকে ছোট করে দেখা , নিজের কাজ, দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি অসচেতনতা বা উদাসীনতা , অন্যের মতামতে গুরুত্ব না দেওয়া,গায়রত বোধহীনতা এবং কথা দিয়ে কথা না রাখা আমার ভীষণ অপছন্দ। বর্তমান প্রজন্মের টিকটক,ট্রেন্ডিং,সো অফ করা, বিভিন্ন দিবস বিশেষ ভাবে পহেলা বৈশাখ খুবই অপছন্দ। ভালো লাগে রাতের বেলা আকাশ দেখতে,বৃষ্টি,জোনাকি, জ্যোৎস্না,নদীর তীরে গৌধূলি বা বিকেল। রজনীগন্ধা,বেলি ফুলের গন্ধ,ঝিরঝিরে বাতাস আমার খুব পছন্দ। প্রকৃতির প্রেমে হারিয়ে যেতে ভীষণ ভালো লাগে। গল্প উপন্যাসের থেকে ইসলামিক বই বেশি পছন্দ।হাদিস একটু বেশীই, হাদিস পড়তে পড়তে সে সময়ে হারিয়ে যেতে ভীষণ ভালো লাগে। নতুন নতুন রেসিপি রান্না করতে এবং সবাই মিলে একসাথে খাওয়া দাওয়া উপভোগ করতে, দ্বীনি পরিবারের সাথে মিশতে , দ্বীনের খেদমত ও উম্মার জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করতে ও ভাবতে, ছোট বাচ্চাদের আদর করতে ও তাদেরকে সময় দিতে,ঘর গোছাতে, বিভিন্ন জিনিস তৈরি করতে, নতুন বিষয়ে জানতে , সৃজনশীল, উন্নত ভাবনা চিন্তা করতে, কাছের মানুষের সাথে অভিমান করতে,হুট করে কোথাও ঘুরতে যেতে পছন্দ করি। অন্যকে হাদিয়া দেওয়া এবং নিজেও হাদিয়া পেতে পছন্দ করি সেটা খুব সামান্য কিছু হলেও। ব্যক্তিগত ভাবে আমার ফুল,ফল,চিরকুট,বই পড়া, এসব পছন্দ। গাছ লাগানো ও পশু -পাখি পালনের প্রতি ভীষণ দুর্বলতা রয়েছে আত্মসম্মান বোধ রয়েছে।কেউ আমার জন্য কিছু করলে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে এবং তার জন্য আমার সাধ্য অনুযায়ী কিছু করতে কুণ্ঠা বোধ করি না।অন্যের উপকার করতে ভালো লাগে। একজন প্র্যাকটিসিং মুসলিম হিসেবে সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পরিবারকে সাথে নিয়ে জান্নাতে থাকা। একটাই তো জীবন তাই এই জীবন দিয়ে যেন আল্লাহকে সন্তুষ্টি করে যেতে পারি। ইচ্ছে আছে একজন কুরআনের হাফেজা হওয়ার। স্বপ্ন দেখি কোনো এক শান্ত নিঝুম রাত্তিরে প্রিয় হাবিব নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সাক্ষাত পাওয়ার। একটা বিশেষ ইচ্ছে আছে আমার, আমি চাই বিবাহের পর নতুন জীবনটা যেন আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করে শুরু করতে পারি। (আল্লাহ পাক কবুল করুন।) বর্তমান ক্যারিয়ার সচেতন দুনিয়ায় গতানুগতিক চাকরির বাইরে গিয়ে আমার ইচ্ছে নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার। আমি আমার জায়গা থেকে প্রথমেই নিজেকে জ্ঞানে, মেধা ও মননে শাণিত করে আলোকিত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। স্বাবলম্বী এবং আর্থিকভাবে স্বচ্ছল বিত্তশালী হওয়ার মানসিকতা রাখি।রাস্তাঘাটে মসজিদ মাদ্রাসার জন্য হাত পেতে টাকা তুলা বিষয়টি আমাকে আন্তরিকভাবে ব্যথিত করে। আমি মনে করি মুসলিম জাতি হবে জ্ঞানে ধনে শক্তিশালী। তাদের দুর্বল বলে পায়ে পিষে ফেলার আগে, ছোট করার আগে একবার দুবার নয়, হাজার বার ভাবতে হবে। আমাদের দুর্বল হওয়ার কারণ হিসেবে আমি মনে করি আমাদের দ্বীন থেকে সরে যাওয়া। তাই একজন নারী হিসেবে আমার ভাবনা এমন কাজ করার যেখানে আমি স্বাধীনভাবে,পর্দার সাথে অনেকগুলো বিবেকবান, সুশিক্ষিত মানুষ গড়ার সুযোগ পাবো,রাস্তা থেকে ফুল কুড়িয়ে এনে একটা সুন্দর বাগান গড়ে তুলার প্রচেষ্টা করব
|