| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ পড়ি। প্রায় ২ বছর থেকে ইস্তিকামাতের সাথে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
মাঝে মাঝে গাফলতি চলে আসে, আল্লহ মাফ করুন।সর্বোচ্চ দুই ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয়, তবে প্রতি সপ্তাহে নয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ পারি, বিভিন্ন লেহানে তিলাওয়াত করতে ভালবাসি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
কবর জিয়ারত করা সুন্নত, কারণ কবরের পরিবেশ মানুষের দিলে মৃত্যুর খেয়াল নিয়ে আসে।তবে বর্তমানে মাজারের পরিবেশ বিদআত ও শিরকিয়াতে লিপ্ত,আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা কখনো বিদআত ও শিরক মিশ্রিত হতে পারে না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, ২। কষ্টি পাথর, ৩। ফেরা।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১। ডক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার রহিমাহুল্লাহ, ২। শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ , ৩।আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক হাফিজাল্লাহ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের শখঃ শখের কথা বলতে গেলে ছোটবেলার একটি ঘটনা উল্লেখ করতে হয়। আমার চাচা একজন পরিচিত অভিনেতা। ছোটবেলায় তিনি যখন লক্ষ্য করলেন যে আমার কণ্ঠে আল্লাহ বিশেষ বারাকাহ দান করেছেন, তখন তিনি আমাকে সংগীত জগতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। তখন আমার বয়স ছিল প্রায় ৮ বা ৯ বছর। সে সময় আম্মু খুব বেশি প্র্যাকটিসিং না হলেও অন্তত ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখতেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল—আমি যদি গান করি, তবে যেন ইসলামী সংগীতই করি, অন্য কিছু নয়। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমত ও মায়ের উৎসাহে ইসলামী সংগীত জগতে আমার পদার্পণ ঘটে। সেই ছোটবেলা থেকে আজ পর্যন্ত ইসলামী সংগীত করাই আমার সবচেয়ে প্রিয় শখ। তবে বর্তমান সময়ে ইসলামী সংগীতের নামে যেসব নষ্ট সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে, সেগুলোর আমি দৃঢ়ভাবে বিরোধিতা করি। পছন্দ-অপছন্দঃ সময়ের সাথে সাথে মানুষের পছন্দের তালিকা বোধহয় ছোট হতে থাকে, তাই হঠাৎ করে বিশেষ কিছু মনে আসে না। ছোটবেলায় কেউ পছন্দের কথা জিজ্ঞেস করলে নির্দ্বিধায় আইসক্রিমের কথাই বলতাম। তবে কক্সবাজারে গিয়ে সাগর আর পাহাড়ের অপূর্ব মেলবন্ধন দেখার পর থেকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণে আমার বিশেষ ভালো লাগে। ক্রিকেট ও ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলাধুলা অনেক আগেই দেখা ছেড়ে দিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ। তবে ফজরের পরে দ্বীনি ভাইদের সাথে মাঝে মাঝে ক্রিকেট খেলতে ভালো লাগে, যদিও ফুটবল আমার পছন্দের তালিকায় নেই। সত্যবাদী মানুষের প্রতি আমার বিশেষ শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে, আর মিথ্যাকে অত্যন্ত ঘৃণা করি। এমনকি খুব কাছের মানুষের সাথেও মিথ্যা বলার কারণে সম্পর্কে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। রাগী বা বদমেজাজী স্বভাবের মানুষ আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। আলহামদুলিল্লাহ, নিজের মধ্যে লোভ বা হিংসা অনুভব করি না এবং এই দুটি বিষয়কেও অপছন্দ করি। মৃতপ্রায় সুন্নতগুলোকে জীবিত করার প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাবরি রাখা, আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি বা অবহেলা—কোনোটিই আমার পছন্দ নয়; বরং মধ্যপন্থাই আমার কাছে গ্রহণযোগ্য। রুচিবোধঃ আমি নিজে খুব বেশি গোছালো বা পরিপাটি না হলেও অপরিচ্ছন্নতা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। নিজেকে অল্পে তুষ্ট বলব না, তবে মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশাও করি না। মাঝে মাঝে ভালো খাবার খাওয়া কিংবা সামান্য শপিং করা আমার ভালো লাগে। স্বপ্নঃ স্বপ্নের কথা বলতে গেলে—খুলাফায়ে রাশেদার সেই সোনালী যুগের আদর্শ আবার দেখতে চাই। বর্তমান সমাজের অনাচার, অবিচার ও দুর্নীতিগ্রস্ত অবস্থা দেখে হৃদয় ব্যথিত হয়। একজন মুমিনের চূড়ান্ত সফলতা হলো জান্নাত—সেই মহাসাফল্যের স্বপ্নই দেখি। যদিও এই মহাপুরস্কার অর্জনের জন্য যতটুকু চেষ্টা করা প্রয়োজন, তার তুলনায় আমার আমল খুবই সামান্য। আল্লাহুম্মাগফিরলী। আর এটাও চাই—দুনিয়ায় যে মানুষটির মাধ্যমে আমার অর্ধেক দ্বীন পূর্ণ হবে, তিনি যেন জান্নাতেও আমার সঙ্গী হন। আমি হানাফী মাযহাবের অনুসারী হলেও, কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক সহীহ হাদিস ও সঠিকটাকে গ্রহণ করি। তাই অনেকটা সালাফি মতাদর্শ ধারন করি। আবার দ্বীনের দাওয়াত প্রচারে তাবলীগ জামায়াতের সাথেও কাজ করি। আসলে হাদিস ও সুন্নাহর ব্যাপারে সাহাবা আজমাইন, তাবেঈনদের মধ্যেও বৈপরীত্য ছিল। সুন্নাহ মানায় কম বেশি থাকাটা স্বাভাবিক। কেননা প্রিয় নবী (সা) এর জীবনাদর্শ পুরোপুরি কেউ ধারন করতে পারবে না। এগুলো বিষয়ে তর্ক বিতর্ক করাটা উম্মাহর ইজামতকে নষ্ট করে। আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত সমর্থিত অনুসারীদের মতামতকে যথেষ্ট সম্মান করি। তাই তাবলীগ, মাজহাব, সালাফী, জামায়েতে ইসলামিসহ সবার মতাদর্শের সঠিকটাকে গ্রহণ ও সম্মা
|