| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জী আলহামদুলিল্লাহ। ২০২০ অথবা ২০২১ এর কোনো এক শীতকাল থেকে। সাল স্পষ্ট মনে নেই। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
ফজর বাদে কোনো ওযর না থাকলে সাধারণত কাযা হয় না। মাঝেমাঝে ঘুম থেকে না উঠতে পারার কারণে ফজর কাযা হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জী আলহামদুলিল্লাহ, তবে আরো শুদ্ধ করার চেষ্টায় আছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
মাঝেমাঝে এলার্জি সামস্যা হয়।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
সাধারণ কবর। তবে একে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বেদআত, শিরক এর কাজ হয়ে থাকে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মুহাম্মদ হামিদুর রহমান রহ. স্মৃতি ও অভিব্যাক্তি, পথের দিশা (মুহাম্মদ আদম আলী), আদাবুল মুআশারাত, এখন যৌবন যার
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মালেক (হাফি.), প্রফেসর হযরত হামিদুর রহমান (রহ.), মাওলানা তাহমিদুল মাওলা (হাফি.), মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ (হাফি.)
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আল্লাহর অসংখ্য নেয়ামতপ্রাপ্ত গুণাহগার বান্দাদের মধ্যেই আমি একজন। করোনায় অনলাইনে বিভিন্ন ইসলামিক লেকচার ও বন্ধুদের দাওয়াতের মাধ্যমে দ্বীনের বুঝ আসতে শুরু করে। ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার আগে পর্যন্ত দ্বীনের সম্পর্কে জানার মাধ্যম শুধু অনলাইন ও কিছু বই পড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ হলেও ঢাকায় ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আলেমদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ, তাঁদের মজলিশে যাওয়া আসার সুযোগ বেড়ে যায়, তারপর থেকে সবকিছু আরো স্ট্রাকচার্ড হওয়া শুরু হয়, টুপি, পাঞ্জাবি পড়া এবং তাবলীগে সময় লাগানো শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ। নিজের বিষয়ে বলতে গেলে, আমি সাধারণত কথা বলার চেয়ে মানুষের কথা শুনতে, নতুন নতুন বিষয় জানতে বেশি আগ্রহি। ছোটবেলা থেকে কম্পিউটারের জগতে থাকার কারণে বই পড়ার খুব বেশি অভ্যাস হয়ে উঠে নি (যা আমার বিশাল কমতি), কিন্তু আমি বিশ্বাস করি জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য সর্বক্ষেত্রে বই পড়ার বিকল্প নেই। ভালো লাগার মধ্যে আল্লাহওয়ালাদের সাথে সাক্ষাৎ করা, পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা, ফিট থাকা - Physical Activities, Brain Exercise, Coding, এইগুলো রয়েছে। ঘুরাঘুরি - বিভিন্ন খাবার দাবার খাওয়াও রয়েছে। কথার মাধ্যমে অন্যকে কষ্ট দেয়, এমন মানুষকে সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করি। বদমেজাজী, নিজেকে জাহির করায় অভ্যস্ত, হিংসা, সময় অপচয় করা এ ধরনের অভ্যাসও অপছন্দনীয়। পরিশেষে উদ্দেশ্য এই, নিজে এবং পরিবার যেনো ইমানওয়ালা, আমলওয়ালা, দ্বীনের দাঈ হতে পারে এবং জান্নাতে আল্লাহর রাসূল(সা) ও তাঁর সাহাবিদের সাথে থাকার ব্যবস্থা করা যায়।
|