Profile

বায়োডাটা নং : 11821

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2003
উচ্চতা ৫′ ৫″
গাত্রবর্ন উজ্জ্বল শ্যামলা
ওজন ৫৮ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা অভয়নগর, যশোর, খুলনা
এলাকা/গ্রামের নাম: একতারপুর গ্রাম
বর্তমান ঠিকানা রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা
এলাকা/গ্রামের নাম: রূপগঞ্জ
কোথায় বড় হয়েছেন? নিজ এলাকায়
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম আলিয়া
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চলমান
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন 2021
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ-
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন 2023
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল সি
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? ফাযিল 2nd
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গাজীপুর রউফিয়া কামিল মাদ্রাসা। অভয়নগর যশোর
এখন কোন বর্ষে পড়ছেন? ফাযিল ২য় বর্ষে
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ দিনমজুর, কৃষক
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ HOUSEWIFE
আপনার কতজন ভাই আছে? ১ জন
ভাইদের তথ্য আমার ছোট ভাই বর্তমানে প্রায় ১৪-১৫ বছর বয়সী। সে পবিত্র কুরআনের হিফজ বিভাগে অধ্যয়নরত।
আপনার কতজন বোন আছে? ২ জন
বোনদের তথ্য আমার বড় দুজন বোন আছে। তারা দুজনই বিবাহিত।
চাচা মামাদের পেশা আমার দুইটা চাচা। ১|বড় চাচা মাছ চাষ করে ও পানের বরজ আছে। ২| আর ছোট চাচা গাছ কাটার কাজ করে। আমার তিনটা মামা। ১| বড় মামা মারা গেছে। ২| মেজ মামা দোকান ও কৃষি কাজ করে। ৩| আর ছোট মামা সরকারি চাকরি করে।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্ন মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আমি একটি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে উঠেছি। আমার আব্বু একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ। তাঁর আয়ে আমাদের পরিবার সাদামাটা জীবনযাপন করলেও, সম্মান ও আত্মমর্যাদার সাথে চলে। আমাদের নিজস্ব ১০ শতক জমি রয়েছে, যেখানে একটি পাকা ঘর রয়েছে। ঘরের একটি রুম সম্পূর্ণ প্লাস্টার করা, আর বাকি দুটি এখনও প্লাস্টার হয়নি। ওপরে টিনের ছাউনি। একটি পাকা গোয়ালঘর রয়েছে। নিজস্ব আমাদের ধানী জমি খুব সীমিত। কিন্তু বন্ধক এবং ভাগে কৃষি জমি চাষ করা হয়।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? আলহামদুলিল্লাহ। আমি চেষ্টা করি যথাসম্ভব মাহরাম-নন মাহরামের নিয়ম মেনে চলতে। আমার জীবনসঙ্গিনী হলে ১০০% দ্বীনি পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? ৪-৫ বছর বয়স থেকেই আব্বুর সঙ্গে নামাজে যাওয়া আমার অভ্যাস ছিল। আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ১০ বছর ধরে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার চেষ্টা করছি।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? 5/6
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? না, আলহামদুলিল্লাহ
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? ইসলামে কবর জিয়ারত করা সুন্নাহ, তবে মাজারকে উপাসনার স্থান বানানো, সেখানে দোয়া চাওয়া, মানত করা বা তওয়াফ করা — এসব শিরক ও বিদআতের অন্তর্ভুক্ত। রাসূল ﷺ কঠোরভাবে এ থেকে নিষেধ করেছেন।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন দা রিভাটস ফিরে আসার গল্প। আর রাহীকুল মাখতুম
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানী। মাহমুদ হাসান গুনবী। তামিম আল আদনান। শায়েখ আহমাদুল্লাহ।আবু ত্বহা আদনান।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন 🔹 পছন্দ: আমার প্রিয় শখ হলো ভ্রমণ করা—নতুন স্থান দেখা, এবং সৃষ্টির মধ্যে আল্লাহর নিদর্শন অনুভব করা। ব্যক্তিগতভাবে আমি সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করি এমন মানুষদের যারা ধৈর্যশীল, তাকওয়াবান, সচ্চরিত্র, সত্যবাদী ও স্পষ্টভাষী। আমি পছন্দ করি সেইসব মানুষকে, যারা সত্যকে আলিঙ্গন করে, ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য স্পষ্টভাবে বুঝে চলে, জ্ঞানচর্চা করে, দায়িত্বশীল, আমানতদার, ন্যায়পরায়ণ ও মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসতে সাহস রাখে। --- 🔹 অপছন্দ: অধৈর্যতা, রাগ, মিথ্যাচার ও বদমেজাজ—এই চারটি গুণ আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আমি অপছন্দ করি সেইসব মানুষকে, যারা অসত্যকে ঢাকতে চায়, অস্পষ্ট কথা বলে বিভ্রান্ত করে, অশ্লীল ভাষায় কথা বলে, জুলুম করে কিংবা যাদের উপর দায়িত্ব দেওয়া যায় না, কারণ তারা আমানতের খেয়ানত করে। মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু যারা ভুল স্বীকার না করে গোঁজামিল দেয়, সত্যকে চেপে রাখে, অহংকারী আচরণ করে—এদের আমি মন থেকে দূরে রাখি। --- 🔹 স্বপ্ন: আমার জীবনের বড় স্বপ্ন হলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং সে উদ্দেশ্যে এমন জীবন গঠন করা যা এই দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ বয়ে আনে। আল্লাহ তৌফিক দিলে আমি চাই, একদিন আমার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনসহ বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারি, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওজা মোবারকে সালাম দিতে পারি। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন সমাজে কুরআনের আইন ও আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি চাই, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করতে।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? আমি সাধারণত প্রয়োজন ও পরিবেশ অনুযায়ী টি-শার্ট, টুপি, পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, প্যান্ট, ট্রাউজার ও পায়জামা পরিধান করি।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? বায়োলজিক্যাল কারণে আমার দাড়ি খুবই কম উঠেছে। চার বছর ধরে।
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? জি পড়ি
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? যথাসাধ্য চেষ্টা করি। সকল পরিস্থিতিতেই আমি মাহরাম ও নন মাহরাম মেনে চলার চেষ্টা করি।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? তুর্কি সিরিজ দেখি।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আমি মুসলিম—এটাই আমার প্রধান ও মৌলিক পরিচয়। আমার কাছে দ্বীন শুধু ব্যক্তিগত কিছু ইবাদত-বন্দেগির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং জীবনের সকল ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর নির্দেশনাকে মেনে চলাই একজন মুসলিমের প্রকৃত দায়িত্ব বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার উপযুক্ত বা চূড়ান্ত মাধ্যম মনে করি না। আমার বিশ্বাস, আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে মানুষের তৈরি আইনকে চূড়ান্ত কর্তৃত্ব দেওয়া একজন মুসলিমের আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষা হতে পারে না। তাই আমি এমন কোনো রাজনৈতিক দল, মতাদর্শ বা ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত মনে করি না, যার মূল ভিত্তি গণতন্ত্র এবং যেখানে মানুষের তৈরি বিধানকে আল্লাহর বিধানের ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়। আমার আকাঙ্ক্ষা হলো—জমিনে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত হবে, আল্লাহর আইন অনুযায়ী বিচার-ফয়সালা হবে এবং মানুষের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও সামগ্রিক জীবন আল্লাহর বিধান ও শরিয়াহর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে। অর্থাৎ সমাজ ও রাষ্ট্রের কার্যক্রমও আল্লাহর বিধানকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হওয়া উচিত—এটাই আমার বিশ্বাস ও প্রত্যাশা। এই কারণেই জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আমার চিন্তা-চেতনা ও দ্বীনি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি এমন কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই না, যিনি গণতন্ত্রকে আদর্শ বা চূড়ান্ত ব্যবস্থা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং আল্লাহর বিধানের পরিবর্তে মানব রচিত বিধানকে প্রাধান্য দেওয়াকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য মনে করেন। বরং আমি এমন একজনকে প্রত্যাশা করি, যিনি আল্লাহর বিধানকে সর্বোচ্চ মনে করবেন এবং শরিয়াহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার আকাঙ্ক্ষা ও বিশ্বাস রাখবেন। বর্তমানে আমি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নই। কারণ, আমার এই বিশ্বাস ও চিন্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এমন কাউকে বা এমন কোনো বৈধ উদ্যোগকে এখনো পাইনি, যার সঙ্গে যুক্ত হওয়া আমার আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। যদি ভবিষ্যতে এমন কোনো বৈধ ও শরিয়াহসম্মত ব্যক্তি, দল বা উদ্যোগ পাই, যার উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম আল্লাহর বিধান অনুযায়ী সমাজ পরিচালনার লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তাহলে ইনশাআল্লাহ আমি তার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করব।
পেশাগত তথ্য
পেশা অন্যান্য
পেশার বিস্তারিত বিবরণ আমার বর্তমান কর্মস্থল রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ কনস্ট্রাকশনের কাজ। ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমি বিশ্বাস করি—মানুষের প্রকৃত মর্যাদা তার তাকওয়া, নিয়ত ও হালাল উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল। তাই কাজটি বড় হোক বা ছোট—যদি তা হালাল হয়, তবে তা কখনোই তুচ্ছ নয়। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী প্রত্যাশা করি, যিনি এই দৃষ্টিভঙ্গিকে মূল্য দেবেন এবং হালাল শ্রমকে সম্মানের চোখে দেখবেন—কারণ হালাল রিজিকেই পরিবারে প্রকৃত শান্তি ও বরকত রয়েছে, ইনশাআল্লাহ।
মাসিক আয় আলহামদুলিল্লাহ,
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি। অবশ্যই রাজি।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? হ্যাঁ, ইনশাআল্লাহ। বিয়ের পর আমার স্ত্রীর পর্দা রক্ষা করা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটি শুধু আমার পারিবারিক প্রত্যাশা নয়; বরং আমার দ্বীন ও গায়রতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন স্বামী হিসেবে স্ত্রীর দ্বীনদারি, শালীনতা ও পর্দার ব্যাপারে আমারও একটি দায়িত্ব রয়েছে, আর সেই দায়িত্ব আমি গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা ও আমানতদারির সঙ্গে গ্রহণ করব, ইনশাআল্লাহ। আমি চাই, আমার স্ত্রী আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে শরিয়াহসম্মত পর্দা মেনে চলবেন এবং তাঁর চলাফেরা, পোশাক-পরিচ্ছদ, বাইরে যাওয়া ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান ও সীমারেখা যথাযথভাবে মেনে চলবেন। বিয়ের পর আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন তিনি সুন্দরভাবে ও নিয়মিতভাবে পর্দা পালন করতে পারেন এবং আমাদের সংসারের পরিবেশও দ্বীনি, শালীন ও পর্দাশীল থাকে। পর্দার বিষয়ে আমি উদাসীন বা আপসপ্রবণ হতে চাই না। বরং এ ব্যাপারে যথাসম্ভব সতর্ক ও দৃঢ় থাকব, ইনশাআল্লাহ। তবে আমার প্রত্যাশা হলো, বিয়ের আগেই এমন একজন জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা, যিনি নিজে থেকেই পর্দার গুরুত্ব বোঝেন, এটিকে আল্লাহর বিধান ও নিজের দ্বীনি দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন এবং বিয়ের পরও আন্তরিকতার সঙ্গে তা পালন করতে প্রস্তুত থাকেন। আমি মনে করি, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক শুধু দুনিয়াবি জীবনের সঙ্গী হওয়ার সম্পর্ক নয়; বরং একে অপরকে আল্লাহর আনুগত্য ও দ্বীনের পথে চলতে সহযোগিতা করারও সম্পর্ক। তাই আমি চাই, আমরা দুজনই একে অপরকে পর্দা, শালীনতা ও ইসলামী জীবনযাপনের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করব। পর্দা রক্ষা করা আমার দ্বীন ও গায়রতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার দায়িত্ব আমি গভীর শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করব। আল্লাহর তাওফিক পেলে, ইনশাআল্লাহ, আমি এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করব এবং আমার স্ত্রীর পর্দা ও সম্মান রক্ষায় যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আমার কাছে এটি এমন একটি বিষয়, যা বিয়ের পর নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়; বরং বিয়ের আগেই উভয়ের মধ্যে এ বিষয়ে পরিষ্কার বোঝাপড়া থাকা উচিত। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পর্দাকে ভালোবাসবেন এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তা পালনে আগ্রহী থাকবেন। আর আমি একজন স্বামী হিসেবে তাঁকে এ পথে সহযোগিতা করব এবং পর্দা রক্ষার ব্যাপারে দৃঢ় ও দায়িত্বশীল থাকব, ইনশাআল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? জীবনসঙ্গিনীর পড়াশোনা আমার কাছে নিষিদ্ধ নয়। তবে সবকিছু পারিবারিক পরিবেশ, পর্দা, প্রয়োজন ও কল্যাণ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? জীবনসঙ্গিনীর চাকরি করার বিষয়টি নির্ভর করবে পরিস্থিতি, প্রয়োজন ও দ্বীনের সীমারেখার উপর। যদি দেখা যায় চাকরি করা দীন ও পর্দা বজায় রেখে কল্যাণকর এবং পারিবারিক জীবনের জন্য উপকারী, তাহলে আমি তা সমর্থন করতে পারি — ইনশাআল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? বিয়ের পর স্ত্রী আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। তাই তার অবস্থান শুধু শারীরিক জায়গায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার মানসিক, সামাজিক ও দ্বীনি মর্যাদা রক্ষায় আমি সর্বোচ্চ যত্নবান। আমি বিশ্বাস করি, স্ত্রীকে এমন জায়গায় রাখা উচিত যেখানে তিনি নিরাপদ, সম্মানিত ও শান্তিতে থাকতে পারেন। আমার দৃষ্টিতে এটি মানে শুধু একটি ঘর বা বসার স্থান নয়, বরং এক সম্পূর্ণ পরিবারিক ও পারিবারিক পরিবেশ যেখানে পর্দা, ইজ্জত ও দ্বীনের আদর্শ সুসম্পন্ন থাকে। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্ত্রী যেন পর্দা ও দ্বীনের বিধান কঠোরভাবে পালন করতে পারেন এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের সম্মান ও দায়িত্ববোধ বজায় থাকে। আমার দৃষ্টিতে, বিয়ের পর স্ত্রীকে সেই পরিবেশে রাখা আমার গাইরাত, দায়িত্ব ও দ্বীনের প্রতি আনুগত্যের পরিচয়। আমি নিজে সর্বদা চেষ্টা করব যাতে আমার স্ত্রী নিরাপদ, সম্মানিত ও স্নেহময় পরিবেশে থাকে। আমি এই দায়িত্ব গভীর আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে পালন করব। ইনশাআল্লাহ।
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? না
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? ইসলামে বিবাহের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল একটি সামাজিক বন্ধন নয়, বরং ঈমানের অর্ধেক সম্পূর্ণ করার এক পবিত্র মাধ্যম। বিবাহের মাধ্যমে অর্জিত হয়: ১. চরিত্রের পবিত্রতা: বিবাহ মানুষকে সুচরিত্রবান ও শালীন হতে সাহায্য করে। ২. দৃষ্টি ও লজ্জাস্থানের হেফাজত: এটি কুনজর থেকে চোখকে সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে হারাম থেকে রক্ষা করে। ৩. উম্মতের বৃদ্ধি: বিবাহের মাধ্যমে হালাল উপায়ে নতুন মুসলিম প্রজন্মের আগমন ঘটে, যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই একাকী থাকতে পারে না, সমাজবদ্ধ হয়ে বাঁচতে ভালোবাসে। মানুষের প্রবৃত্তিগত চাহিদাকে সুশৃঙ্খল ও পবিত্র উপায়ে পূরণের একমাত্র শরীয়াহসম্মত পথ হলো বিবাহ। মানসিক শান্তি ও আত্মিক নিরাপত্তা: বিবাহ হৃদয়ে স্থিরতা, মনে প্রশান্তি এবং জীবনে সুকুন (প্রশান্তি) নিয়ে আসে। জীবনের উত্থান-পতনের নানা মুহূর্তে একজন দ্বীনদার সঙ্গীর উপস্থিতি আত্মিক ও মানসিক শক্তি যোগায়। ইসলামী মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা দাম্পত্য জীবন নারী ও পুরুষকে এক পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ করে—যেখানে থাকে গভীর ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ত্যাগ এবং দ্বীনের পথে একসাথে চলার দৃঢ় অঙ্গীকার।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-21
উচ্চতা 5 ফুট এবং তার ঊর্ধ্বে যেকোন।
গাত্রবর্ন কালো, শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জল ফর্সা
পেশা সর্বনিম্ন 9/10 —বিয়ের মাধ্যমে ‘ঈমানের অর্ধেক’ সম্পন্ন করার জন্য কেবল উচ্চতর প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়; আসল যোগ্যতা লুকিয়ে থাকে সুন্দর চরিত্র, উত্তম ব্যবহার, দ্বীনি জ্ঞান এবং দায়িত্ববোধের মাঝে। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে আমাদের প্রত্যাশা এমন এক সঙ্গীর, যার সবচেয়ে বড় শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে— দ্বীনের সঠিক অনুধাবন: হালাল-হারামের স্পষ্ট জ্ঞান এবং সুন্নাহ মেনে চলার মানসিকতা। নৈতিক শিক্ষা ও শিষ্টাচার: পরিবার ও সমাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, বিনয় এবং উত্তম চরিত্র। মানসিক পরিপক্কতা: জীবনের ওঠা-নামায় একে অপরের পাশে থাকার ও ধৈর্য ধরার সক্ষমতা। পার্থিব সনদের চেয়ে হৃদয়ের দ্বীনি শিক্ষা এবং সৎ চরিত্রই একটি বরকতময় ও শান্তিময় পরিবার গড়ার আসল ভিত্তি। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন এবং দ্বীনদার সঙ্গী লাভের তৌফিক দিন। আমিন।
জেলা যে কোনো জেলা।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা না ,
অর্থনৈতিক অবস্থা কুফু মিলায়ে
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
একজন জীবনসঙ্গিনী আল্লাহর পক্ষ থেকে এক পরম আমানত এবং অমূল্য উপহার। আমার দৃষ্টিতে একজন আদর্শ জীবনসঙ্গিনীকে হতে হবে— আল্লাহভীরু ও দ্বীনদার পর্দাশীল ও শালীন বিনয়ী ও নম্র স্বভাবের ধৈর্যশীল ও সহনশীল স্বামীর প্রতি অনুগত ও সহমর্মী স্বল্পে তুষ্ট (কানা’আতসম্পন্ন) বিয়ের পর যেহেতু একটি পুরো জীবন একসাথে কাটাতে হয়, তাই আমি মনে করি—আভিজাত্য বা বাহ্যিকতার চেয়ে চরিত্র, দ্বীনদারিতা এবং মানসিক শান্তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাঁ, এটা সত্য যে—সবাই বিয়ের আগেই পরিপূর্ণ দ্বীনদার থাকে না; এটি স্বাভাবিক। মানুষ সময়ের সাথে শেখে, পরিবর্তন হয় এবং দ্বীনের পথে উন্নতি করে। তবে বিয়ের পর একজন নারীর সদিচ্ছা থাকা উচিত দ্বীন মেনে চলার, স্বামীর প্রতি সম্মানজনক আচরণ করার এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে হাঁটার। তবে বাস্তবতা হলো, মানুষ যখন দ্বীনের সৌন্দর্য ও স্বাদ পেয়ে যায়, তখন সে আর নিচে নামতে চায় না। বিয়ের আগে যে ব্যক্তি একজন দ্বীনদার ও পর্দাশীল সঙ্গীর গুরুত্ব বোঝে, সে কখনোই দ্বীন সম্পর্কে উদাসীন বা গাফেল কাউকে পছন্দ করবে না। আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই—আমি এমন এক জীবনসঙ্গিনী চাই, যিনি আমাকে দুনিয়াতেও প্রশান্তি দেবেন এবং আখিরাতের পথচলাতেও সঙ্গী হবেন। তবে দিনশেষে আমি বিশ্বাস করি—আল্লাহ আমার ভাগ্যে যা নির্ধারণ করে রেখেছেন, সেটাই আমার জন্য সর্বোত্তম। আমরা কেবল চেষ্টা করব, দোয়া করব এবং ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখব। নিঃসন্দেহে তিনিই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

অভয়নগর এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4851

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6363

বয়স
29 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
ডিভোর্সড
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #5547

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
অন্যান্য
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #10711

বয়স
33 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
পেশা
ব্যবসায়ী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1713

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ৭″
পেশা
ইঞ্জিনিয়ার
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #11072

বয়স
32 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
অভয়নগর, যশোর, খুলনা
যশোর জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন