Profile

বায়োডাটা নং : 11533

বায়োডাটার ধরণ পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2006
উচ্চতা ৫′ ১″
গাত্রবর্ন শ্যামলা
ওজন ৫২ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ ও পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা , চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: চট্টগ্রাম, রাহাত্তারপুল
বর্তমান ঠিকানা , চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: চট্টগ্রাম, রাহাত্তারপুল
কোথায় বড় হয়েছেন? শহরে নিজ বাড়িতে
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০২৩
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ-
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন ২০২৫
বিভাগ মানবিক বিভাগ
ফলাফল এ-
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ প্রবাসী
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ রব্বাতুল বাইত
আপনার কতজন ভাই আছে? ১ জন
ভাইদের তথ্য ছোট ভাই ৭ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার কতজন বোন আছে? ১ জন
বোনদের তথ্য বড় বোন ডিগ্রী চূড়ান্ত পরীক্ষা দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। বোনের engagement হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
চাচা মামাদের পেশা চাচা ২জন আলহামদুলিল্লাহ। উভয়েই প্রবাসী। মামা ১জন আলহামদুলিল্লাহ। মামা চাকরিজীবী।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ বাড়িতে যা জায়গা আছে তাই আলহামদুলিল্লাহ। আলাদা কোনো জমিজমা সম্পত্তি নেই।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? আলহামদুলিল্লাহ, পরিবারে দ্বীনি পরিবেশ একেবারে নেই এমন না, পরিবারের সদস্যগণ মোটামুটি দ্বীন পালন করে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে দ্বীনের আবহে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে কিছুটা ঘাটতি আছে। আমি নিজে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার তাওফীকে দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করি এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতিও মুহাব্বাত ও হিকমাহর সঙ্গে দ্বীনের পথে আসার জন্য নিয়মিত তাগিদ ও মুজাহাদা চালিয়ে যাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? আলহামদুলিল্লাহ, জ্বি। ছোটবেলা থেকে টুকটাক স্বলাত আদায় করতাম। তবে পরিপূর্ণ ভাবে শুরু করি ২০২০ সাল থেকে আলহামদুলিল্লাহ অর্থাৎ দ্বীনের বুঝ আসার পর থেকে।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার অশেষ মেহেরবানীতে আমার কোনো ওয়াক্তের নামাজ সাধারণত কাযা হয় না। তবে ওযরবশত খুব বেশি রাত করে ঘুমালে মাসে হয়তো একদিন ফজরের নামাজ ছুটে যায়, রব্বিগফিরলি। পরে ঘুম থেকে উঠে কাযা আদায় করে নিই আলহামদুলিল্লাহ।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? আলহামদুলিল্লাহ, জ্বি।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? আমার জানা মতে নেই, আলহামদুলিল্লাহ।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? মাজারে যিনি শুইয়ে আছেন উনার জন্য কবর জিয়ারত করা যাবে কিন্তু উনার উসিলা ধরে মুনাজাত করা, কোনো কিছু চাওয়া এবং মাজারে সিজদাহ করা স্পষ্ট শিরক।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন আই লাভ কুরআন, রাসূলে আরাবি ﷺ, উমরাহ সফরের গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন শায়েখ আহমাদুল্লাহ, জাকারিয়া মাসুদ এবং ড. জাকির নায়েক (হাফিজাহুমুল্লহ) ইত্যাদি।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন, আমি আমার রব্বে কারীমের একজন অতি নগণ্য বান্দি। নিজের পরিচয় দিতে গেলেই সর্বপ্রথম মনে হয় যে, আমি কেবল আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার রহমত, মেহেরবানী ও হিদায়াতের মুখাপেক্ষী একজন দুর্বল বান্দি, তাই পরিপূর্ণ দ্বীন মেনে চলা, সুন্নাহ মোতাবেক জীবনকে সাজানো এবং রব্বে কারীমের সন্তুষ্টির পথে নিজেকে গড়ে তোলাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় চাওয়া আলহামদুলিল্লাহ। বিদআত, শিরক, কুফর, গীবত, পরনিন্দা, হিংসা, অহংকার ও নফসের অন্যান্য অনিষ্ট থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার সর্বোচ্চ মুজাহাদা করি এবং ভুল-ত্রুটি হয়ে গেলে তাওবা করে আবার রবের দিকে ফিরে আসি আলহামদুলিল্লাহ। ত্বলিবাতুল ইলম হয়ে থাকতে আমার খুব ভালো লাগে এবং কিতাবের পাতা খুলে ইলমের খুশবু নেওয়া, মুতালা‘আ করা, জানা বিষয়কে আমলে আনার চেষ্টা করা এবং নিজের আমলের মাধ্যমে অন্যকেও নেক আমলের দিকে উৎসাহিত করা আমার খুব পছন্দের কাজ আলহামদুলিল্লাহ। খুব সাধারণ, সাদাসিধে ও পর্দাশীল জীবনযাপনে-ই আমার প্রশান্তি, দুনিয়ার অতিরিক্ত চাকচিক্য বা প্রদর্শন আমার রুচির বিষয় না। ব্যক্তিগতভাবে ছবি/ভিডিও করা মোটেও পছন্দ না। কোনো পেরেশানি এলে সর্বপ্রথম আমার রব্বে কারীমের উপর তাওয়াক্কুল করার চেষ্টা করি, সবরের সঙ্গে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাই এবং বিশ্বাস রাখি আল্লাহ তাআলার ফয়সালায় বান্দার জন্য এমন কল্যাণ থাকে, যেটা বান্দা সবসময় সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারে না। বে-ইনসাফি চোখে পড়লে যথাসম্ভব ইনসাফ কায়েমের মুজাহাদা করি, তবে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা ও বিতর্ক পছন্দ করি না। প্রয়োজনীয় কথা বলি, প্রয়োজন ফুরালে চুপ থাকতেই স্বস্তি পাই। মানুষের সঙ্গে খুব দ্রুত মিশে যেতে পারি না, কিছুটা সময় লাগে। আমি স্বভাবতই একজন ইন্ট্রোভার্ট বান্দি, যদিও ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজন অনুযায়ী এক্সট্রোভার্টও হতে পারি, আর আলহামদুলিল্লাহ অন্তর থেকে খুব হাসিখুশি ও প্রফুল্ল থাকতে পছন্দ করি। অবসর সময়ে কিতাব মুতালা‘আ করা, উপকারী কিছু শেখা, কুরআন তেলাওয়াত শোনা বা তেলাওয়াত করা এবং নিজের সময়কে অর্থবহ কাজে ব্যয় করাই আমার আনন্দ। হাফেজা+আলেমা হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করি ইনশাআল্লাহ। আমি কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে চলি, বিশেষ করে যেখানে গীবত, পরনিন্দা বা অনর্থক কথাবার্তায় জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে সেখান থেকে নিজেকে দূরে রাখতেই স্বস্তি বোধ করি। কোনো বিষয়ে নিজেকে সঠিক মনে হলেও অহেতুক তর্ক-বিতর্কে জড়াতে চাই না, কারণ সব কথা জিতে যাওয়া জরুরি না, কখনো নীরবতাও অনেক সুন্দর জবাব হয়। তবে দ্বীনের বিষয়ে আপোষ করার মানসিকতা আমার নেই এবং সত্যকে সত্য হিসেবে আঁকড়ে ধরে থাকার চেষ্টা করি। নিজের ব্যক্তিগত যিন্দেগীকে মুহাব্বাত করি। নির্জনতা, সরলতা, পর্দা, কিতাব, ইবাদত আর রব্বে কারীমের সঙ্গে একান্ত কথোপকথনের মুহূর্তগুলো আমার কাছে খুব প্রিয় আলহামদুলিল্লাহ। সর্বদা চেষ্টা করি আমার রবের সঙ্গে কথা বলতে, নিজের দুঃখ-পেরেশানি, চাওয়া-পাওয়া ও অন্তরের কথা তাঁর কাছেই পেশ করতে এবং মানুষের প্রশংসার চেয়ে রবের সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিতে। গোপন ইবাদতের প্রতি আলাদা টান অনুভব করি অর্থাৎ যে আমল সম্পর্কে মানুষ জানে না, অথচ আমার রব জানেন, এমন আমল আমার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। সময়ের অপচয় অপছন্দ করি, কারণ চলে যাওয়া সময় আর ফিরে আসে না। মিথ্যা কথা বলি না এবং মিথ্যাকে পছন্দ করি না। যা নিজে আমল করার চেষ্টা করি, অন্যকেও তা সুন্দরভাবে আমলের দিকে উৎসাহিত করতে ভালোবাসি। অনলাইন কিংবা অফলাইনে নিজেকে প্রদর্শন করা আমার রুচির বিষয় না, বিশেষ করে নিজের ছবি বা ভিডিও এবং অন্য কারো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে পছন্দ করি, আলহামদুলিল্লাহ, গাইরতকে মূল্য দিই এবং নিজের সীমারেখা, পর্দা, মর্যাদা ও হায়াকে সংরক্ষণ করে চলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পছন্দ করি। রব্বে কারীমের ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করি। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে পছন্দ করি না, নিজের ঘর, নিজের কিতাব আর শান্ত পরিবেশেই অধিক স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করি। নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করি এবং নিজের ইচ্ছাকে সবসময় অনুসরণ না করে, কোনটা রবের কাছে পছন্দনীয় সেটা ভেবে চলতে চলি। কিতাব সংগ্রহ করতে ভালোবাসি, আর পাশাপাশি বোরকা, হিজাব, নিকাব, হাত ও পা-মোজা, আতর, মিসওয়াক ইত্যাদি সুন্নাহসম্মত ও পর্দাশীল জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ করতেও ভালো লাগে আলহামদুলিল্লাহ। আমার স্বপ্ন এমন একটা সুন্নাহময়, হায়াপূর্ণ, পর্দাশীল, শান্ত ও বরকতময় সংসার, যেখানে দ্বীন হবে জীবনের কেন্দ্র, কুরআন-সুন্নাহ হবে পথের দিশা, আহল ও আহলিয়া একে অপরকে নেকির পথে সহযোগিতা করবে এবং ঘরের পরিবেশে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার যিকর, ইলম ও মুহাব্বাতে মুস্তফা ﷺ এর সুবাস থাকবে অর্সুথাৎ প্রকৃত উত্তম দ্বীনদার গাইরতবান জীবনসঙ্গীর সাথে জান্নাতি পরিবার গড়ে তুলাই আমার স্বপ্ন ইনশাআল্লাহ। সুন্নাহ মোতাবেক বিবাহ আমার পছন্দ এবং ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর সঙ্গে দুনিয়ার সফরের পাশাপাশি আখিরাতের সফরেও একে অপরের সহযাত্রী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা রাখি বিইযনিল্লাহ। আর আমি প্রতিদিন অল্প হলেও কোনো না কোনো নেক আমল করার চেষ্টা করি। অল্প হলেও নিয়মিত আমলকে আমি অনেক ভালোবাসি। মা-বাবার আদেশ-নিষেধ মেনে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি এবং তাঁদের সন্তুষ্টিকে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ আমানত মনে করি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিপাটি, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভালো লাগে, অপরিচ্ছন্নতা একেবারেই অপছন্দ! আমি স্বভাবে খুব সহজ-সরল একজন বান্দি। আর মানুষের কটু কথা সহজে ভুলতে পারি না, একটু কঠিন বা তীক্ষ্ণ কথা বললেও অন্তরে কষ্ট জমে যায়, কারণ ছোটবেলা থেকেই এমন পরিবেশে বড় হয়েছি যেখানে আমার কটু কথা শোনার অভ্যাস তৈরি হয়নি, তাই কথাবার্তায় কোমলতা, আদব, হায়া ও মায়া আমার কাছে খুব মূল্যবান। আমি এমন জীবনই পছন্দ করি যেখানে অপ্রয়োজনীয় প্রদর্শনের পরিবর্তে ইখলাস থাকবে, কোলাহলের পরিবর্তে সুকুন থাকবে, দুনিয়ার চাকচিক্যের পরিবর্তে সুন্নাহর সৌন্দর্য থাকবে আর হৃদয়ের গোপন কোণে থাকবে আমার রব্বে কারীমের সঙ্গে একান্ত সম্পর্ক ও তাঁর হাবীব ﷺ। আমার স্বপ্ন হচ্ছে, বোনদের জন্য মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা ইনশাআল্লাহ। একটা ব্যক্তিগত লাইব্রেরী বা একটা ছোট্ট কিতাবের কর্নার তৈরি করা, রব্বে কারীমের কাছে পুরোপুরি কবুল হয়ে যাওয়া ইনশাআল্লাহ। আমার রবের সন্তুষ্টি হাসিল করা, তাঁর রেযামন্দি নিয়ে জীবনটাকে সাজানো এবং এমন একটি জান্নাতমুখী পরিবার ও পরিবেশ গড়ে তোলা যেখানে দ্বীনের খুশবু থাকবে, ইলমের আলো থাকবে, সুন্নাহর ছায়া থাকবে; ইচ্ছে আছে ইলমের একটি নিরবচ্ছিন্ন ঝর্নাধারা হয়ে উঠার, আল্লাহর তাওফীকে একটি ইসলামিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করার, বোনদের জন্য একটি দ্বীনি মাদ্রাসা গড়ে তোলার, নিজে আমল করে সেই আমলের সৌন্দর্য দিয়ে দাওয়াহ দেওয়া, শহীদী মৃত্যু নসীব হওয়া, উমরাহ ও হজ্ব আদায় করা, আলেমা ও হাফেজা হওয়া যতটুকু পথই হোক, রবের সাহায্য নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে চাই ইনশাআল্লাহু ওয়া তা‘আলা। এমন একটা জীবন পাওয়া, যার প্রতিটা ছোট্ট পছন্দও তাঁকে সন্তুষ্ট করার পথে যায়, আর এমন এক মৃত্যু পাওয়া, যখন আমার রব আমার প্রতি সন্তুষ্ট থাকবে, শহীদি মৃত্যু হবে এবং রব কারীম যদি চাই ওই মৃত্যু হবে মাদিনাতুল মুনাওয়ারায় ইনশাআল্লাহ ইনশাআল্লাহ ইনশাআল্লাহ। বিঃদ্রঃ এই কথা না বললেই নয়, জেনারেল লাইনে পড়ালেখার ওযরে বাহিরে যাতায়াত করতে হতো। ফলে মুখটা কিছুটা Deep হয়ে গিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তবে হাত+পা একদম ফর্সা আলহামদুলিল্লাহ। HSC পর্যন্ত পড়ার পর আলহামদুলিল্লাহ সহশিক্ষা ছেড়ে দিয়েছি। বর্তমানে Islamic Online Madrasah IOM এ আলিম কোর্সে অধ্যয়নরত। ফলে আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ ঘরে থাকা হয়+দ্বীনের খেদমত করা হয়। রবের দেওয়া রঙে সন্তুষ্ট থাকলে তবে-ই অভিভাবক-কে কল দিবেন ইনশাআল্লাহ।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? ঘরের বাইরে সর্বদা কালো ঢিলেঢালা বোরকা, হিজাব, চোখ ঢাকা নিকাব, হাতমোজা ও পা-মোজা পরিধান করা হয় আলহামদুলিল্লাহ।
কবে থেকে নিকাব সহ পর্দা করছেন? ছোটবেলা থেকে টুকটাক পর্দা করতাম আলহামদুলিল্লাহ। দ্বীনের বুঝ আসার পর খাস পর্দা করা শুরু করি ২০২০ সাল থেকে আলহামদুলিল্লাহ।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? আলহামদুলিল্লাহ, জ্বি অবশ্যই।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? জ্বি না, আলহামদুলিল্লাহ।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আলহামদুলিল্লাহ, রব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি হাসিলের জন্য অনলাইনে বোনদের আকিদা, তাজবীদ, দাওয়াহ, সীরাহ এবং এরাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ পড়ানোর সামান্য মেহনতে যুক্ত ছিলাম। আপাতত তাজবিদ, সিরাহ, এরাবিকে আছি আলহামদুলিল্লাহ। ভবিষ্যতে আরও কিছু বিষয়ে পড়ানোর তামান্না রাখি বিইযনিল্লাহ।
পেশাগত তথ্য
পেশা শিক্ষার্থী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ রব্বে কারীমের সন্তুষ্টির নিয়তে বোনদের টুকটাক ইলমে দ্বীন শিক্ষা দেওয়া হয় আলহামদুলিল্লাহ।
মাসিক আয়
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? আলহামদুলিল্লাহ, জ্বি।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সুন্নাহর ইত্তিবা, নিজের ঈমান ও আখলাকের হেফাজত এবং কেবলমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়তে বিয়ে করতে চাচ্ছি। এছাড়া এটা গৃহীত একটা আমানত ও ইবাদত যেখানে একজন জাওজ ও একজন আহলিয়াহ পাশাপাশি পথ চলবে, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া, মাওয়াদ্দাহ ও রহমতকে সঙ্গী করবে, জীবনের উত্থান-পতনে একে অপরের জন্য সুকুন ও মানসিক প্রশান্তির কারণ হবে এবং দ্বীনের সীমানা অটুট রেখে একসাথে রব্বুল আলামীনের ইবাদত ও আনুগত্যের পথে এগিয়ে যাবে। কারণ আমার কাছে বিয়ের সৌন্দর্য কেবল সুখের দিনে একসাথে হাসায় না বরং কঠিন সময়েও একে অপরকে আল্লাহ তাআলার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া, ভুল হলে কোমলভাবে শুধরে দেওয়া, ক্লান্ত হলে প্রশান্তির আশ্রয় হওয়া এবং দুনিয়ার এই ক্ষণস্থায়ী সফরকে আখিরাতের চিরস্থায়ী নাজাতের পথে পারস্পরিক সহযোগিতায় পরিণত করার মধ্যেই। আর সংসার জীবনে উত্থান-পতন তো আসবেই, এটা স্বাভাবিক কিন্তু সেই পরিবর্তনশীল দিনগুলোর মাঝেও যদি দু’জন মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টিকে কেন্দ্র করে একে অপরের হক আদায়ের চেষ্টা করে, নবীজি ﷺ এর নববী আখলাককে নিজেদের দাম্পত্য জীবনের আদর্শ বানায়, মুহাব্বাতকে শুধু অনুভূতিতে না বরং দায়িত্ব, সবর, শ্রদ্ধা, ক্ষমা, বিশ্বস্ততা ও উত্তম আচরণে প্রকাশ করেন।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 23-29
উচ্চতা ৫'৫-৫'৯
গাত্রবর্ন কালো, শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা
পেশা এইচএসসি+
জেলা চট্টগ্রাম, শহরের মধ্যে
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা যেকোনো হালাল ব্যবসা/চাকরিজীবী
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি কেবল বাহ্যিকভাবে দ্বীনদার হবে না, বরং প্রকৃত অর্থে উত্তম দ্বীনদার, গাইরতবান, তাকওয়াবান, মুত্তাকী, পরহেজগার, আমানতদার, দায়িত্বশীল, হায়াসম্পন্ন ও loyal হবে। উনার দ্বীন লেবাসে যেমন প্রকাশ পাবে, তার চেয়েও বেশি প্রকাশ পাবে উনার আকীদা, ইবাদত, আখলাক, আমানতদারি, সৎ, সহনশীল, মুআমালাত ও ব্যক্তিজীবনেও থাকবে। উনার আকীদা বিশুদ্ধ হতে হবে, সকল প্রকার শিরক ও বিদআত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে হবে। নম্র, ভদ্র হতে হবে। ঝগড়াটে হওয়া যাবে না। কটু কথা বলা যাবে না। দ্বীনের ব্যাপারে আপোষহীন হতে হবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার আদেশ-নিষেধকে নিজের জীবনের মাপকাঠি বানাতে হবে। শুধু পরিচয়ে বা লেবাসে না, দিল, আমল ও আখলাকে দ্বীনকে ধারণ করার চেষ্টা থাকতে হবে। তিনি চক্ষু ও জবানের হেফাজতকারী হবেন। বেগানা নারীর ব্যাপারে কঠোরভাবে মাহরাম-গাইরে মাহরাম বজায় রাখবেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতি জরুরত ছাড়া নিজের কিংবা কোনো বেগানা নারীর ছবি/ভিডিও আপলোড করবেন না। গুনাহের দরজা খুলে দেয় এমন সবকিছু থেকে নিজেকে বাঁচানোর ফিকির থাকবে। ধূমপান কিংবা কোনো প্রকার নেশাজাতীয় অভ্যাস থাকা চলবে না। হারাম সবকিছু থেকে দূরে থাকার মুজাহাদা থাকতে হবে। আমি এমন একজনকে চাই, যিনি ফরজ ইবাদতকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার পাশাপাশি নফল ইবাদতেও আগ্রহী, গোপনে এমন কিছু আমল রাখেন যার খবর দুনিয়ার মানুষ জানে না। তাঁর আমল হবে ইখলাসপূর্ণ, রিয়া থেকে নিজেকে হেফাজত করার চেষ্টা থাকবে। মানুষের প্রশংসার জন্য না, রবের সন্তুষ্টির জন্য আমল করার মানসিকতা থাকবে। কারণ, মানুষের চোখে নেককার হওয়া আর আল্লাহর কাছে কবুল হওয়া তো এক কথা না। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যার নির্জনতার আমলও তার প্রকাশ্য জীবনের মতো সুন্দর হবে। যে মানুষকে দেখানোর জন্য না, রবকে রাজিখুশি করানোর জন্য ভালো হতে চায়। নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত স্বলাত জামায়াতের সাথে আদায় করতে হবে। পোশাক-আশাকে কোনো উগ্রতা বা অহংকার থাকা যাবে না। উনার অন্তরে আখিরাতের ফিকির থাকতে হবে। দুনিয়াকে জীবনের চূড়ান্ত গন্তব্য মনে করা যাবে না। দুনিয়া হাতে থাকবে, কিন্তু দিলের মাকাম হবে আখিরাত। আল্লাহ রব্বুল ইজ্জাহ এর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা থাকবে। অল্প হোক, কিন্তু ইনকাম অবশ্যই হালাল হতে হবে। হারাম বা সন্দেহযুক্ত উপার্জনের প্রতি কোনো লোভ থাকবে না। যৌতুকলোভী বা দুনিয়াবি লোভী হওয়া যাবে না। আমানতদার, সত্যবাদী, বিনয়ী, দানশীল, সহযোগী ও নরম দিলের অধিকারী হতে হবে। অহংকারমুক্ত হতে হবে। কটু কথা, অকারণে রাগ, গালিগালাজ, অভিশাপ, খিটখিটে মেজাজৎএসব থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা থাকতে হবে। জবানে সর্বদা শালীনতা ও আদব থাকতে হবে। রাগের সময় নিজেকে সামলানোর মুজাহাদা, নফসকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা এবং গুনাহ থেকে নিজেকে হেফাজত করার ফিকির থাকতে হবে। ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া স্বভাব হবে না। ভুল হলে ভুল স্বীকার করার মানসিকতা থাকবে। আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করবে। যিনি আমাকে কেবল নিজের আহলিয়া হিসেবে না, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে অর্পিত আমানত হিসেবে দেখবেন, আমার প্রতি উনার সম্মান থাকবে, নিরাপত্তা থাকবে, হক থাকবে, মুহাব্বাত থাকবে। পূর্ণ পর্দার ব্যবস্থা করে দিতে হবে, দ্বীনি ইলম হাসিলের পথে সহযোগী হতে হবে। কোনো ভুলত্রুটি হলে অপমান, তিরস্কার বা কটু কথায় না বলে আদব, হিকমাহ ও মুহাব্বাতের সঙ্গে শুধরে দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। যে হাতে সংসারের দায়িত্ব থাকবে, সেই হাত যেন জুলুমের হাত না হয়। যে জবান সংশোধন করবে, সেই জবান যেন অপমানের জবান না হয়। আমার সকল হক আদায় করার চেষ্টা থাকতে হবে, প্রয়োজন-হাজতগুলো পূরণ করার দায়িত্বশীলতা থাকতে হবে। আমি অসুস্থ বা ক্লান্ত থাকলে ঘরের কাজে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকতে হবে। ছোটখাটো ভুলত্রুটিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অভ্যাস থাকতে হবে। কথায় কথায় পুরোনো ভুল টেনে এনে খোঁটা দেওয়া যাবে না। অকারণে সন্দেহ করা যাবে না। কৃপণ হওয়া যাবে না, আবার অপচয়কারীও হওয়া যাবে না। স্ত্রীর প্রতি সম্মান, কোমলতা, বিশ্বস্ততা ও দায়িত্ববোধ থাকতে হবে। আহলিয়াকে নিজের দ্বীনের পথে সহযোগী হিসেবে দেখতে হবে, প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না। আমাকে দ্বীনের বিষয়ে সহযোগিতা করতে হবে। আমার দ্বীনি ইলম হাসিল, আমল, দাওয়াহ ও নেক কাজের পথে সঙ্গী হতে হবে। আমি যেন তাঁর সঙ্গে থেকে আল্লাহ তাআলার দিকে আরো এগিয়ে যেতে পারি এই আকাঙ্ক্ষা থাকবে ইনশাআল্লাহ। পোশাক-আশাক ও চালচলনে রাসূলে আরাবি ﷺ এর সুন্নাহর ইত্তেবা করার আন্তরিক চেষ্টা থাকতে হবে। যেমন সুন্নতি দাঁড়ি, বাবরি চুল, পাঞ্জাবি বা জুব্বা, মেসওয়াক করা এবং সর্বোপরি নববী আখলাক ধারণের চেষ্টা। তবে শুধু বাহ্যিক সুন্নাহ না, সত্যবাদিতা, আমানতদারি, নম্রতা, ক্ষমাশীলতা, দয়া, সবর, গাইরত, উত্তম মুআমালাত ও উত্তম আখলাকেও সুন্নাহর অংশ হিসেবে নিজের জীবনে আনার চেষ্টা থাকতে হবে। উনার বই পড়ুয়া হতে হবে, ত্বলিবুল ইলম হওয়ার চেষ্টা থাকতে হবে। শুধু ইলম সংগ্রহ করে রাখা না, ইলম অনুযায়ী আমল করার মেহনত থাকতে হবে। দ্বীনের দাওয়াহ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে এবং দ্বীনের সাচ্চা দাঈ হওয়ার চেষ্টা থাকতে হবে। উম্মতের জন্য দিলের মধ্যে দরদ থাকতে হবে। উম্মতের দুঃখ-কষ্টকে একেবারে নিজের থেকে বিচ্ছিন্ন মনে করা যাবে না। নিজের পরিবারকে ইসলামিক পরিবেশে গড়ে তোলার ফিকির থাকতে হবে। আমি এমন একজনকে চাই, যিনি নিজের পরিবার ও আহলিয়াকে যেকোনো অন্যায়, পাপাচার এবং শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি থেকে হেফাজত করার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রাখবেন। সন্তান হলে তাদের শুধু দুনিয়ার সফলতার জন্য না, মুজাহিদ মানসিকতার, দ্বীনদার, তাকওয়াবান ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার হিম্মত থাকবে। সন্তানদের জন্য বড় বাড়ি, বড় গাড়ি, দুনিয়াবি পরিচয়ের আগে তাঁদের ঈমান, আকীদা, আখলাক ও আখিরাত নিয়ে চিন্তা থাকবে। উনি অলস হবেন না। হালাল উপায়ে কঠোর পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকবে। সংসারের দায়িত্ব থেকে পালিয়ে না গিয়ে আমানত হিসেবে গ্রহণ করবেন। প্রচুর সবর করার মানসিকতা থাকতে হবে। জীবনে মতভেদ আসতেই পারে, ক্লান্তি আসতেই পারে, কঠিন সময় আসতেই পারে কিন্তু প্রতিটা সমস্যাকে ঝগড়া, গালি, অপমান কিংবা বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দেওয়া না বরং সবর, শূরা, হিকমাহ ও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার দিকে ফিরে সমাধানের চেষ্টা থাকতে হবে। নিজের নফস, রাগ ও আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করার মেহনত থাকতে হবে। কুফু অবশ্যই মিলতে হবে। দ্বীন, আকীদা, চিন্তাধারা, জীবনদর্শন ও পারিবারিক মূল্যবোধে সামঞ্জস্য থাকা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। মা-বাবার বাধ্য সন্তান হতে হবে। তাঁদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করতে হবে। একই সঙ্গে স্ত্রী ও নিজের পরিবারের প্রত্যেকের হক বুঝে ন্যায় ও হিকমাহর সঙ্গে চলার মানসিকতা থাকতে হবে। আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে। পরিবারকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেওয়া যাবে না, আবার কোনো অন্যায়ের পক্ষেও দাঁড়ানো যাবে না। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যিনি চট্টগ্রামের প্রচলিত সংস্কৃতির এমন কোনো রীতি-রেওয়াজের অনুসরণ করবে না যেটা শরিয়াহসম্মত না, এবং বিশেষত চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী নামে প্রচলিত বিদআতপূর্ণ আয়োজন থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকতে হবে। দ্বীনের ব্যাপারে আপোষ না করে কুরআন-সুন্নাহ ও বিশুদ্ধ আকীদার ওপর অটল থাকার চেষ্টা থাকবে। আর বিবাহিত জীবনে একাধিক বিবাহের পরিবর্তে আমাতেই সন্তুষ্ট থাকার মানসিকতা থাকতে হবে। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যিনি স্ত্রীকে নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে না রেখে বিশ্বস্ততা, দায়িত্ব ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে সংসার করার অঙ্গীকারকে গুরুত্ব দেবেন। সবশেষে, এতগুলো গুণের ভিড়ে আমার আসল চাওয়াটা খুব ছোট্ট। তিনি যেন আল্লাহকে ভয় করেন, প্রকৃত উত্তম দ্বীনদার হন। কারণ মানুষ যদি সত্যিই আল্লাহকে ভয় করেন, তাহলে আমি আশা করতে পারি তিনি আমানতদার হবেন, সত্যবাদী হবেন, গাইরতবান হবেন, আহলিয়ার হক বুঝবেন, চোখের হেফাজত করবেন, জবান সামলাবেন, রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন, হারাম থেকে বাঁচবেন, সন্তানদের দ্বীনের ওপর গড়ে তুলবেন এবং ভুল হলে ফিরে আসার সাহস রাখবেন। আমি চাই, তিনি আমাকে দুনিয়ার মোহে না গিয়ে, রবের সন্তুষ্টির জন্য মুহাব্বাত করবেন। আমার প্রতি উনার মুহাব্বাত যেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার জন্য হয়, আর আমার সঙ্গে উনার জীবনযাপন যেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটা মাধ্যম হয় ইনশাআল্লাহ। আমি উনার কাছে পরিপূর্ণ মানুষ হতে চাই না কারণ পরিপূর্ণতা মানুষের জন্য না। বরং এমন একজন মানুষ চাই, যিনি নিজের অপূর্ণতা চিনবেন, ভুল হলে ফিরে আসবেন, ইলম শিখবেন, আমল বাড়াবেন এবং প্রতিদিন নিজেকে আল্লাহ তাআলার কাছে আরো উত্তম বানানোর চেষ্টা করবেন। আমি এমন একজন সঙ্গী চাই না, যে আমাকে শুধু দুনিয়ার পথে পাশে রাখবে, আমি এমন একজন জাওজ চাই, যার হাত ধরে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার দিকে হাঁটতে পারব ইনশাআল্লাহ। যার সঙ্গে কিতাব পড়া যাবে, ইলম শেখা যাবে, সুন্নাহ নিয়ে আলোচনা করা যাবে, একে অপরকে নেক কাজে উৎসাহ দেওয়া যাবে, যার সঙ্গে এই দুনিয়ার পথ পেরিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের দরজা পর্যন্ত চলার হিম্মত থাকবে। আমিও চাই, তাঁর জন্য দ্বীনের পথে সহযোগী হতে; তাঁর নেক মেহনতের সঙ্গী হতে; তাঁকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে উৎসাহ দিতে। যিনি প্রকৃত উত্তম দ্বীনদার, বিশুদ্ধ আকীদার অধিকারী, মুত্তাকী, গাইরতবান, আমানতদার, বিশ্বস্ত, দায়িত্বশীল, উত্তম আখলাকের অধিকারী, ত্বলিবুল ইলম, সুন্নাহপ্রেমী (দাঁড়ি, টুপি, বাবরি চুল, পাঞ্জাবি, পায়জামা, টাখনুর উপরে পায়জামা পরিধান করতে হবে), সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল থাকবে, হানাফি মাযহাব অনুসরণ করবে, উম্মতের জন্য দরদী এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবন পরিচালনাকারী একজন মানুষ হবেন। গান-বাজনা বা হারাম সবকিছু থেকে দূরে থাকতে হবে ইনশাআল্লাহ। সময়ের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। রাগ, গীবত, পরনিন্দা, হিংসা, অহংকার, ঝগড়াটে এই রোগে আক্রান্ত হওয়া যাবে না। অন্যের দোষ না খুজে নিজেকে দেখার মন-মানসিকতা থাকতে হবে। আত্মসমালোচনা করতে হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি আহলিয়ার দ্বীনের কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি ঘরের কাজে সহযোগিতা করার মন-মানসিকতা রাখবেন ইনশাআল্লাহ। সুন্নতি বিবাহ করতে হবে ইনশাআল্লাহ। বিঃদ্রঃ জীবনসঙ্গীর পরিবারও প্রকৃত উত্তম দ্বীনদার হবে ইনশাআল্লাহ। অন্তত ফরজ বিধান পালন করতে হবে ইখলাসের সহিত ইনশাআল্লাহ। আর রবের দেওয়া রঙ কালো/শ্যামলা রঙ, এমন রঙের অধিকারী আহলিয়াকে পছন্দ করবেন এমন হতে হবে ইনশাআল্লাহ! উপরিউক্ত আলোচনা অনুযায়ী অবশ্যই কুফু মিলিয়ে ইস্তিখারা করে অভিভাবক-কে কল দিবেন মিন ফাদ্বলিক।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

চট্টগ্রাম এলাকার আরও পাত্রীর বায়োডাটা

Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1532

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4802

বয়স
20 বছর
উচ্চতা
৫′
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4861

বয়স
22 বছর
উচ্চতা
৫′ ২″
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
মীরসরাই, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1414

বয়স
22 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
গাত্রবর্ন
শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
রাউজান, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1277

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′
গাত্রবর্ন
ফর্সা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রীর বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6130

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
গাত্রবর্ন
উজ্জ্বল শ্যামলা
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম জেলার সব পাত্রীর বায়োডাটা দেখুন