জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি যিনি এত মানুষের ভিরে আমার মত গুনাহগারকে হিদায়াত দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল, ◾আল্লাহ কাছে এমন একজন নেককার জীবনসঙ্গী চাই যাকে নিয়ে দুনিয়া থেকে জান্নাত পযর্ন্ত পৌঁছাতে পারি। যাকে ফেলে তাহাজ্জুদ মিস হবেনা তাহাজ্জুদ গুজারি হবে,তাকওয়াবান সৎ চরিত্রবান গায়রতবান হতে হবে। সলাত আদায়ের অবহেলাকারি হওয়া যাবেনা। সলাত এর ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। 📌 বিশেষ নোট: বায়োডাটা সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল,, আমি আলিম সম্পন্ন করার পর জেনারেল লাইনে অনার্সে ভর্তি হয়েছিলাম। তবে দ্বীনি ইলম অর্জনের প্রতি আগ্রহ থেকে আমি পরবর্তীতে মাদ্রাসায় পড়ার সিদ্ধান্ত নিই। মাঝখানে সময়ের ব্যবধান হওয়ার কারণে আমাকে প্রাইভেটে ভর্তি হতে হতো, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমাদের আশেপাশে মাদ্রাসায় প্রাইভেটে পড়ার মতো কোনো সুযোগ নেই। সেজন্য এইটুকুতে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়,আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি যিনি বিয়ের পর আমার এই দ্বীনি শিক্ষা ও ইলম অর্জনের ইচ্ছাকে সম্মান করবে, আমাকে ইলম অর্জন করতে সর্বোচ্চ সাপোর্ট করবে বিবাহ বন্ধন জান্নাতি বন্ধন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী ছাড়া এই ফিতনার যুগে দ্বীন পালন অনেক কঠিন। এমন জীবনসঙ্গী চাই যার উপস্থিতিতে আল্লাহ কথা স্মরণ হবে, যার মধ্যে তাকওয়া আছে রাসুল (সাঃ) এর সুন্নাহ আছে থাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চাই ইংশা আল্লহ ◾স্ত্রীকে ১০০% পর্দায় রাখতে সক্ষম হতে হবে এই বিষয়ে যেন কোন ছাড় না দেয়। আমি দাইয়্যুস এর স্ত্রী হতে চাই না একজন মুজাহিদ এর স্ত্রী হতে চাই ইংশা আল্লহ। আল্লাহ তায়ালা দাইয়্যুস এর জন্য জান্নাত হারাম করে দিয়েছে আমাকে পর্দায় রাখতে না পারলে তো আপনি দাইয়্যুস। প্রয়োজনে নিজেকে কোরবানি করে দিবে তবুও নিজে দাইয়্যুস হবে না এইরকম সঙ্গী চাই ইংশা আল্লহ। ◾পর্দার শতঃ আমার পর্দার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে কোন গাইয়ের মাহরাম যেন এক চুল পরিমাণ কিছু দেখতে না পাই। যে যেমন বলুক যেখানে পর্দার খেলাপ হবে সেখানে যাওয়া যাবেনা এই বিষয়ে কঠোর হতে হবে।বাড়িতে ১০০% পর্দার পরিবেশ করে দিতে হবে, আপনার পরিবার যেন পর্দার ব্যাপারে কোন বাধা হয়ে যেন না দাড়ায় এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে, ◾গাইয়ের মাহরাম এর ব্যাপারে শর্তঃ আপনার বাসায় কোন গাইয়ের মাহরাম আসলে তার সামনে আপনি বা আপনার পরিবার যেন যেতে বাধ্য না করে। অনেক পরিবার আছে মামা শ্বশুর চাচা শ্বশুর কাজিনদের সামনে যেতে বাধ্য করে, মেহমান আসলে আমার পর্দার খেলাপ যেন না হয়, যদি মনে করেন খাস পর্দা তো বাইরে করতে হয় এইখানে একজন মানুষ তার সামনে অত পর্দা করতে হবেনা তাহলে আমি আপনার যোগ্য নই। বাইরে যাওয়ার সময় যেরকম খাস পর্দা করতে হবে ঠিক তেমনি গাইয়ের মাহরাম একজন হলেও তার সামনে সেরকম পর্দা করতে হবে, দুনিয়ার মানুষ যে যেমন বলুক আল্লাহ হুকুম অমান্য করা যাবেনা ইংশা আল্লহ ◾সলাত এর শর্তঃ সলাত কোন অবস্থাতে ত্যাগ করা যাবেনা ফরজ ওয়াজিব এর ব্যাপারে কঠোর হতে হবে, এইরকম যদি মনে করেন আপনি এক ওয়াক্ত সলাত আদায় করেননি পরে কোন সময় কাযা পড়বেন মনে করেছেন এই সময় যদি মৃত্যু হয় তাহলে কি অবস্থা হবে?? কোন অবস্থাতে সলাত কাযা করে যাবেনা যদি কাযা হয় তাহলে সাথে সাথে আদায় করে নিতে হবে, বাড়িতে শত মেহমান আসলেও আমার সলাত কাযা না হয় এই বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে, আমি এইটা আশা করিনা আগে মেহমানদারি তারপর সলাত, এমন কাউকে চাই যে বলবে আগে আল্লাহ ফরজ সলাত তারপর মেহমান, অনেক পরিবার আছে মেহমান আসলে আল্লাহকে ভুলে যেতে হয় বলে আগে মেহমানদারি কর তারপর বাকী গুলো সলাত তো প্রত্যেক দিন পড় মেহমান তো প্রত্যেক দিন আসেনা এই কথাটা আমার শ্বশুর বাড়ির কারো থেকে আশা করতেছিনা আল্লাহ মাপ করুক, ◾সব কিছু আল্লাহ সন্তুষ্টির জন্য করতে হবে মানুষ কে দেখানোর জন্য না। আল্লাহ জন্য সব কিছু ছাড়তে রাজি থাকতে হবে, সব সময় এইটা মনে রেখে চলতে হবে আমার এই মুহূর্তে যেকোনো সময় মালাকুল মাউত চলে আসতে পারে আমি এখনি দুনিয়া থেকে চলে যেতে পারি, তাহলে তাকওয়া অর্জন করতে সহজ হবে,দুনিয়ার জীবন ধোকা ছাড়া আর কিছু না, ◾জীবনসঙ্গী হিসেবে আমার পছন্দ একজন শান্ত, বিনয়ী ও ধৈর্যশীল মানুষ। জীবনের কঠিন সময়েও যিনি ধৈর্যহারা না হয়ে স্থির থাকতে পারেন এবং যাঁর ব্যক্তিত্বে নম্রতা ও শালীনতার এক সুন্দর সমন্বয় রয়েছে, ◾জীবনসঙ্গী হিসেবে আমি এমন একজনকে প্রত্যাশা করি, যিনি হালাল-হারামের ব্যাপারে আপসহীন। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও যেন তিনি হারামের পথে পা না বাড়ান এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে হালাল উপার্জনের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করার মানসিকতা রাখেন। আমি দুনিয়াবি মোহমুক্ত এবং পরকাল সচেতন একজন জীবনসঙ্গী খুঁজছি, যিনি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করবেন যে আমাদের শেষ গন্তব্য কেবলই কবর, ◾আমি চাই আমার জীবনসঙ্গী আমাকে বুঝবে সুখে দুঃখে আমার পাশে থাকবে, আমি যদি ভুল করি সেটা অন্য কাউকে না বলে আমাকে বলবে আমি নিজেকে শুধরে নিব ইংশা আল্লহ, যদি আমার থেকে কোন কিছু জানা না থাকে যেটা লজ্জা না দিয়ে শিক্ষিয়ে দিবে এইটাই চাই, স্বামীর আদর্শ স্ত্রী সন্তানের আদর্শ মা হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইংশা আল্লহ, দ্বীনহীন মা কখনোই আদর্শ জাতি গঠে তুলতে পারে না, সন্তানদের জন্য মা প্রধান শিক্ষক বাবা দ্বীনি শিক্ষিত হলেও সে তো বাড়িতে সব সময় থাকেনা মা সব সময় থাকে সেজন্য মা থেকে দ্বীনি শিক্ষিত বেশি হওয়া জরুরি, ভবিষ্যতে দুনিয়াতে সম্পদ হিসেবে নেককার সন্তান রেখে যাওয়ার ইচ্ছা আল্লাহ কবুল করুক আমিন, তার জন্য দ্বীনদার সঙ্গীর কোন বিকল্প নেই, আমার ইচ্ছা সন্তানদেরকে দ্বীন দাঈ হাফেজ আলেম আলেমা বানানো, দ্বীনি পরিবার গড়ে তুলা সন্তানদের কে দ্বীন দাঈ করার জন্য দ্বীনি পরিবেশ খুব প্রয়োজন, তাদেরকে আলেম আলেমা বানাবো ইংশা আল্লহ যাদের যোগাযোগ না করার অনুরোধ রইল (সতর্কবার্তা): ⛔ নিচের বিষয়গুলোর সাথে মিল থাকলে দয়া করে প্রস্তাব পাঠাবেন না: * যারা নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন না,এবং ফরজ ওয়াজিব পালনে কঠোর না *যাদের মধ্যে দ্বীনের ন্যূনতম মৌলিক জ্ঞান নেই, * অনলাইনে অফলাইনে গাইয়ে মাহরাম মেইনটেইন করে না, নজর হেফাজত করতে পারে না, * যাদের অতীতে কোনো হারাম রিলেশনের ইতিহাস রয়েছে। এবং যার মধ্যে এখনো নাটক সিনেমা দেখা অভ্যাস রয়েছে গেছে, * যাদের পরিবার সরাসরি শিরক,বিদায়াতি এবং মাজারপূজারীতে লিপ্ত, তারা দয়া করে যোগাযোগ করবেন না, *যারা ধূমপান বা কোনো ধরনের নেশায় অভ্যস্ত এবং যাদের উপার্জনের উৎস সম্পূর্ণ হালাল নয়। ◾শর্তঃ পাত্র সুন্নতি দাড়ি থাকতে হবে, অনলাইনে অফলাইনে গাইয়ের মাহরাম মেইনটেইন করতে হবে, সব সময় চোখ হেফাজত করে চলতে হবে, সেখানে চোখ হেফাজত করা যাবে না সেরকম জায়গায় গুলো আল্লাহ ভয়ে এড়িয়ে চলতে হবে, অপ্রয়োজনে কোন গাইয়ের মাহরাম এর সাথে কথা বলা যাবেনা কোন অবস্থাতে না, গাইয়ের মাহরাম যত কাছের রিলেটিভ হউক না কেন এড়িয়ে চলতে হবে, আর আপনার থেকে যদি মনে হয় আল্লাহ বিধান এত কঠিন এই মানতে পারবনা আমার এত কাছের মানুষ কিভাবে কথা না বলি তাহলে আপনি আমার বায়োডাটা না কিনার অনুরোধ রইল, মেয়েদের সাথে কথা বলা আমি পছন্দ করিনা, কোন গাইয়ের মাহরাম এর সাথে কথা বলতে দেখলে আমি সহ্য করতে পারবনা, আপনি যদি আল্লাহ ফরজ বিধান মানতে না পারেন তাহলে বায়োডাটা কিনার কোন প্রয়োজন নেই আল্লাহকে ভয় করুন, ◾শর্তঃ যৌতুক লোভী হলে হবেনা, পাত্রর থেকে গ্যারান্টি দিতে হবে বিয়ের পর পাত্র এবং তার পরিবার যৌতুক দাবি করবেনা, আমার পরিবারের থেকে গিফট হিসেবে আমি যাব আর কিছু যাবেনা ইংশা আল্লহ, গিফট নামের যৌতুক এর আশা যেন আপনি এবং আপনার পরিবার না করে আমি বেচে থাকতে আপনার পরিবারের থেকে গিফট হিসেবে যৌতুক কিছু যাবেনা, আমার পরিবার আমাকে নিঃস্বার্থ ভাবে বড় করছে আমি কোন দিন এক একটাকা ইনকাম করিনি তারা যেমন আমার থেকে টাকার আশা করেনি আপনার পরিবারও যেন না করে, একটা সুতার ও আশা করবেন না গিফট দিলে তো নেওয়া যায় এইকথা বলার আগে একবার ভাবুন আপনাদের কে কেন ফার্নিচার গিফট করবে ঈদের কাপড় কোরবানি গরু ছাগল ইত্যাদি কেন আপনাদের কে দিবে মানুষ কি আর খুঁজে পাচ্ছেনা,?? গিফট হিসেবে কি কাউকে ফার্নিচার গরু ছাগল ইত্যাদি দেয়?? আমার পরিবার যেমন নিঃস্বার্থ ভাবে বড় করেছে, আপনার পরিবারও আমাকে নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসবে এইটাই চাই,আমিও নিজের পরিবার মনে করব ইংশা আল্লহ, আমি পরিবারের বড় মেয়ে সেজন্য জীবনসঙ্গীকে আমার পরিবার নিজের ছেলের মত ভালোবাসবে, ভালোবাসার কমতি রাখার চেষ্টা করবেনা ইংশা আল্লহ, আমার পরিবারকে এক পয়সা দিয়ে ও হেল্প করতে হবেনা ইংশা আল্লহ ◾ শর্তঃ ছবি দেওয়া হবেনা বায়োডাটা পছন্দ হলে অভিভাবক এর সাথে কথা বলে সরাসরি এসে দেখে যাবেন ইংশা আল্লহ ছবি চাওয়ার ইচ্ছা থাকলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ রইল, কোন অবস্থাতে ছবির চাওয়ার কথা বলবেন না, দেখতে আসলে সাথে কোন গাইয়ের মাহরামকে নিয়ে আসবেন না আপনার বাবাও আমার মাহরাম না, ◾শর্তঃআমি সাধারণ ও মধ্যবিত্ত দ্বীনদার পরিবার বেশি পছন্দ করি; উচ্চবিত্ত বা বিলাসিতা আমার প্রধান লক্ষ্য নয়।আমার কাছে পাত্রের বংশমর্যাদা বা অঢেল সম্পদের চেয়ে পাত্র এবং তার পরিবারের মানুষগুলোর চারিত্রিক গুণাবলী ও ভালো মানুষ হওয়াটাই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ টাকা দিয়ে গাড়ি-বাড়ি কেনা সম্ভব হলেও মানসিক শান্তি কেনা যায় না। পরিবারের মানুষগুলো ভালো হলে এবং একে অপরকে মানিয়ে নিতে পারলে সামান্য আয়েও একটি জীবন সুন্দর ও আনন্দময় করা সম্ভব। ◾ শতঃ দায়িত্বশীল হওয়া চাইঃ আমি একজন জ্ঞানী ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী খুঁজি। আমার কাছে পুরুষের আসল সৌন্দর্য হলো তার দায়িত্ববোধ। আমি এমন মানুষ পছন্দ করি যিনি কোনো কিছু অপছন্দ হলেও তর্কে জড়াবেন না, বরং ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলে নেবেন। আল্লাহ মানুষকে বিবেক দিয়েছেন ভালো-মন্দ বোঝার জন্য, তাই আমার জীবনসঙ্গীর মধ্যেও সেই বিচারবুদ্ধি থাকা চাই যেন তিনি অন্যের কথায় কান না দিয়ে যেকোনো সত্য যাচাই করতে পারেন। সেই সাথে আমার অধিকার ও হকের ব্যাপারেও তাকে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। ◾মোটকথা,যার থেকে দুনিয়া থেকে বেশি আল্লাহ রাসুল (সাঃ) এর প্রতি ভালোবাসা আছে যে দুনিয়াবি থেকে দ্বীনকে বেশি প্রধান্য দিবে এইরকম কাউকে চাই, আমার বায়োডাটা ভালো করে পড়বেন ভাববেন আমি আপনার যোগ্য কিনা, আমার শর্তগুলো মানতে পারবেন কিনা, দ্বীনের দিকটা ছাড় দেওয়া হবে না ইংশা আল্লহ, ◾বায়োডাটার কোন অপশনের লিখাকে গল্প মনে করবেন না, আমার নিজের চিন্তা ভাবনা থেকে লিখছি হাতের পাচঁ আঙ্গুল যেমন সমান না সবার চাওয়া ও কথা এক না, সেজন্য কেউ গল্প মনে করবেন না, নিজেকে ভালো সাজানোর জন্য লিখি নাই আল্লাহ উওম পরিকল্পনাশীল আমি যতই নিজেকে ভালো সাজাতে চাই না কেন উওম কাউকে পাওয়ার জন্য আল্লাহ যদি না চাই তাহলে কখনোই সম্ভব না, একটা পয়েন্ট ও মিথ্যা বলিনি আমার যতটুকু সম্ভব সব লিখে দিছি কারো মনের মধ্যে যদি দুইটানা থাকে তাহলে যোগাযোগ না করাই উওম, আল্লাহ উওম পরিকল্পনাশীল, কেউ ১০০% পারফেক্ট হয় না তেমনি আমি ও পারফেক্ট না কেউ চাইলে পারফেক্ট করে নিতে পারবে ইংশা আল্লহ, ◾আল্লাহ আমাদের সবাই কে দ্বীনের পথে অটল থাকার তাওফিক দিক আমিন, আমার বায়োডাটা কেউ দেখলে আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ যেন আমাকে একজন উওম সৎ তাকওয়াবান গায়রতবান জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দেন আমিন, বায়োডাটা পছন্দ হলে ইস্তেখারা করবেন জাযাকাল্লাহু খইরন ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ,
|