| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জি, ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ,, আল্লাহ ভালো জানেন; সম্ভবত ২০২২ সাল থেকে আল্লাহর রহমতে ৫ ওয়াক্ত পড়া শুরু করেছি। তবে তখনো অনেক সময় কাযা হয়ে যেত; বিশেষ করে ফজর (আল্লাহুম্মাগফিরলী) তবে তা আদায় করে নিতাম। আস্তে আস্তে আল্লাহ উন্নতি দান করছেন ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ,,, কয়েক মাস যাবৎ কাযার পরিমান অনেকাংশে কমে এসেছে। আশা করি আল্লাহ সর্বোচ্চ উন্নতি দান করবেন এবং তার প্রকৃত সালাত আদায়কারী বান্দা হিসেবে কবুল করে নিবেন। আমীন। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ সপ্তাহে হয়না এখন। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ চেষ্টা করি শুদ্ধ করে কায়দা অনুসরণ করে পড়ার। আল্লাহ ভালো জানেন।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ না। (প্রায়শই সর্দি লাগে; তবে হালকা পরিমানে।)
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
এটি মানুষের কবর মাত্র। যাকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে নানা ধরণের শিরক, বিদআত, কুসংস্কারী কারবার ঘটে।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
ইসলামিক বই এখনো খুব বেশি অধ্যায়ন করা হয়নি। যতটুকু পড়া হয়েছে তার মধ্য থেকে 'বেলা ফুরাবার আগে' এবং একটি হাদিসের বই (যেখানে নির্বাচিত হাদিস থেকে কয়েকশ হাদিস উল্লিখিত); এই দুটি বই ভালো লেগেছে। কুরআনের তাফসীর এবং সব হাদিস গ্রন্থ অধ্যায়ন করার ইচ্ছা আছে। (আল্লাহ কবুল করুন, আমীন)
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়খ আহমাদুল্লাহ, খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার, নোমান আলী খান স্যারের বোঝানোর ধরণ ভালো লাগে। তাছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তরিকায় মানুষকে আল্লাহর পথে আহবানকারী সকল আলেমদেরকেই আল্লাহর জন্য পছন্দ করি। (আল্লাহ তাদের প্রতি রহম করুক, ভুল-ত্রুটি মার্জনা করুক এবং উভয় জাহানে উত্তম প্রতিদান ও কামিয়াবী দান করুক, আমীন)
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
একসময় দ্বীন পালনে তৎপর ছিলাম না। আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ; ধীরে ধীরে আল্লাহ দ্বীনের বুঝ দান করেন ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ (আল্লাহ যেন সর্বাবস্থায় ঈমানের উপর টিকিয়ে রাখেন এমনটিই কামনা)। *নিজের আখলাক সম্পর্কে নিজে বলা মুশকিল। আশা করি আগ্রহী অবশ্যই আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে এবং ইস্তিখারা করে আগাবেন। তবে আগ্রহীকে জানানোর নিয়তে এতটুকু বলতে চাই যে, আল্লাহর একজন খাঁটি বান্দা হওয়ার ইচ্ছা লালন করি (আল্লাহ প্রকৃতই তার প্রিয়, মুত্তাকী বান্দা হওয়ার তৌফিক দান করুক, আমীন)। *বিবাহের প্রসঙ্গে, আল্লাহর কাছে এমন একজনকে প্রার্থনা করি; যে ব্যক্তি প্রকৃত অর্থেই আল্লাহকে চিনতে পেরেছে। যে দুনিয়াবিমুখ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঠিক এবং প্রকৃত অনুসারী। যার ব্যক্তিত্ব সুন্দর, চরিত্র উত্তম। ভণ্ডামি, লোভ, নিচু মানসিকতা যার মধ্যে নেই। মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী। জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে যে ব্যক্তি কুরআন সুন্নাহর বাইরে কিছু করেনা। সৎলোকদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের থেকে জ্ঞান/পরামর্শ গ্রহণ করে ঠিকই তবে কারো অন্ধ অনুসরণ করে না, নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করেনা বরং আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে; আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান খাটিয়ে, বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ইসলামকে সঠিকভাবে অনুসরণ করার চেষ্টা করে। আমার পছন্দ :- সাধারণত সাদাসিধে জীবনধারা পছন্দ করি, বিলাসিতা পছন্দ নয়। কোলাহলমুক্ত পরিবেশ পছন্দ। আল্লাহর সৃষ্ট প্রকৃতি দেখতে ভালো লাগে। অপছন্দ :- ইসলাম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা (সঠিক অনুসন্ধান না করে নিজ প্রবৃত্তি থেকে ইসলাম সম্পর্কে বাড়িয়ে বা কমিয়ে বলা) সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করা, অহংকার, অপরিচ্ছন্নতা, নিজেকে অন্যের তুলনায় বড় বা উত্তম মনে করা, অন্যকে ছোট করা, তুচ্ছ/উপহাস করা, কারো অবস্থান/ হালাল পেশাকে ছোট করে দেখা ইত্যাদি বৈশিষ্ট অপছন্দনীয় ( এরূপ হওয়া থেকে আল্লাহ সকলকে হেফাজত করুক, সাথে আমাকেও। আমীন)। *** আরেকটা বিষয় জানিয়ে রাখা প্রয়োজনবোধ করছি যে, আমি বাইরে তৈরী খাবার (হোটেল, রেস্তোরা, বেকারি, স্ট্রিট ফুড ) এভোয়েড করে চলি। আল্লাহ ভালো জানেন; তবে সচরাচর যা দৃশ্যমান, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাইজিন মেইনটেইন করা হয়না বিধায় এ ধরণের খাবার একেবারে খাইনা বললেই চলে। তাই কখনো এ বিষয়টি নিয়ে জোর করা এক প্রকার অপছন্দনীয়। --বিশেষ কিছু প্রসঙ্গে-- * ইসলামী পদ্ধতিতে বিয়ে হবে এমনটি কাম্য। বিয়ে উপলক্ষ্যে প্রচলিত অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা নেই। *বিবাহের আগে বা পরে এমনকি বিবাহের দিনেও পর্দার লঙ্ঘন হয় এমন কিছু না করার অনুরোধ। *বিয়ে উপলক্ষে কোনোপ্রকার ছবি আদান-প্রদান চলবেনা। - আমি মাজহাব বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি অপছন্দ করি। মোটকথা, এ বিষয়ে বিতর্কেই যেতে চাইনা। নিজেকে কেবল মুসলিম হিসেবেই পরিচয় দিতে পছন্দ করি। এবং কোন মত অনুসরণ করি এ প্রশ্নে; আল্লাহ যাকে আদর্শ হিসেবে পাঠিয়েছেন অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরনকেই জীবনে বাস্তবায়ন করতে চাই (আল্লাহ তৌফিক দান করুক, আমীন)। সুতরাং যে এ বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করে, মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং নিজের আসল পরিচয়টাই ভুলে যায় তিনি দয়া করে বায়োডাটাটি এভোয়েড করুন। আল্লাহ আমাদেরকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন নি। (বি দ্রঃ ফিকহের ঘরটি পূরণ করা বাধ্যতামূলক বিধায় প্রথমটি সিলেক্ট করেছি) **শিরক, কুফর, বিদআত, বিভিন্ন কুসংস্কারে লিপ্ত, ভুল আকিদায় বিশ্বাসী, মাজারের সাথে সম্পৃক্ত, কোনো পীরের মুরিদ কিংবা কারো অন্ধ অনুসারী এমন কেউ হলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ রইলো। ** নন মাহরাম মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করা, তাদের সাথে কথা-বার্তা হাসি-তামাশায় মেতে থাকা ইত্যাদি বিষয়কে যে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করে; অনুগ্রহ করে এমন কেউ যোগাযোগ করবেন না। **গান/ নাটক-সিনেমায় আসক্ত, চোখের হেফাজতের ব্যাপারে উদাসীন অথবা কম্পিউটার/মোবাইলসহ যেকোনো ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা বিভিন্ন ভিডিও গেমস এর প্রতি আসক্তি থাকলে; যোগাযোগ না করার অনুরোধ। **(আল্লাহ এসকল থেকে আমাকেও হেফাজত করুক, আমীন)।
|