| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা, আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময় মত আদায় করি । প্রায় চার বছর । |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
হয় না বললেই চলে। দু তিন মাসে দেখা গেল হয়তোবা একদিন ঘুমের কারণে ফজরে । |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জী আলহামদুলিল্লাহ পারি। মোবাইল ফোনের থেকে হুজুরের মাধ্যমে শিখেছি, আরো ভালোভাবে শেখার চেষ্টা করছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আমার জানামতে নেই । বাকিটা আল্লাহতায়ালা ভালো জানেন। তবে ঠান্ডা গলা ব্যথা হয় মাঝে মধ্যে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক করা হয়।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আদর্শ নারী, কে বড় লাভবান, আইনে রাসুল, (লেখক : আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ)। ইসলামি আকিদা, পোশাক পদ্মা ও দেহসজ্জা (লেখক :খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর)।রিজিক ( লেখক :আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক ) কেন হব অবরোধবাসিনী( লেখক:উম্মে মারিয়াম রাজিয়া বিনতে আজিজুর রহমান) প্যারাক্সিক্যাল সাজিদ, জীবন যেখানে যেমন( লেখক: আরিফ আজাদ )
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ, শায়খ আহমাদুল্লাহ, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রহিম বিন আব্দুর রাজ্জাক, জামশেদ মজুমদার, মতিউর রহমান মাদানী , প্রফেসর মোখতার আহমেদ , খন্দকার জাহাঙ্গীর স্যার আরো অনেকে আছেন।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার এক গুনাহাগার বান্দা আমি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ক্ষমাশীল। তাইতো প্রতিনিয়ত নিজের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা চেয়ে তার দেয়া বিধান অনুযায়ী জীবন যাপনের চেষ্টা করছি। রাসূলের দেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখি। আমি আমার রব ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি । জীবনটা কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী সাজাতে চাই। সর্বদা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করি। সাধ্যমত নফল ইবাদত করার চেষ্টা করি। দ্বীনের দায় এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে চাই । এ দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী। এখানে চাইলেও সারাজীবন থাকতে পারবো না । তাই নেক সন্তান, সদকায় জারিয়া, উপকারী জ্ঞান দুনিয়ার জীবনে রেখে যাওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি । ***সারাদিনে যেন কোন প্রকার গুনাহের লিপ্ত না হয় আর জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি । ***নফল রোজা রাখার চেষ্টা করি। ***শেষ রাতে রবের সাথে সাক্ষাৎটা যেন রবের সন্তুষ্টি ও ভেজা চোখে হয় সে চেষ্টাই করি। ***সকাল সন্ধ্যা জিকির করি, ফরজ নামাজের পরে যে মিতালী লাগছে সেগুলো পাঠ করি । কোরআন হাদিস অনুযায়ী বর্ণিত দোয়া গুলো মুখস্ত করার চেষ্টা করি। *** বাড়িতে এমন একটি কর্নার চাই যেখানে প্রশান্তির জন্য সালাত আদায় করার জন্য একটু আলাদা ব্যবস্থা চাই। একটু নিরিবিলি পরিবেশ একান্ত পরিবেশ। যেখানে আমার এবং আমার রবের ভেতর কথা হবে । এটা একটা শখ। ***বিড়াল পুষতে ভালোবাসি । ***আমি খুবই সাধারণ ঘরের একটি সাধারন মেয়ে। জীবনযাপন পছন্দ যেখানে হারাম কোন বিষয় থাকবে না। সামাজিকতার নাম দিয়ে ধর্মকে পিছনে রাখা যাবে না। *** আমি কষ্ট সহিষ্ণু তবে একটু রাগী । ধর্মকে যখন কেউ অবজ্ঞা করে, সামাজিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে ধর্মীয় বিষয়কে পিছনে রাখতে বলে তখন নিজেকে আর সামলিয় রাখতে পারি না আত্মীয়স্বজন হোক বা যাই হোক যেটা উচিত সেটা বলি। তবে ইদানিং বড় আপুর পরামর্শ মতে আগের থেকে অনেকটা কন্ট্রোল করতে পারি নিজেকে । ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলাই কেউ কটু কথা বললে এখন আর কি কেয়ার করি না । আমি গোছগাছ অনেক পছন্দ করি । কোন কিছু ভুল হলে তার সংশোধন করে নি। মিতব্যায়ী, কার্পণ্য, অপচয় অপছন্দ করি । অবসর সময়ে ছোটদের সাথে খেলাধুলা করতে পছন্দ করি। আমি সৌখিন মানুষ। টুকিটাকি শখের জিনিসপত্র কিনতে পছন্দ করি । ***ইসলামিক লেকচার শোনা, কুরআন তেলাওয়াত ইসলামিক বই পত্র পড়তে পছন্দ করি। 💕💞 হারাম রিলেশনে কখনো জড়াইনি । তাই পবিত্র তাকওয়াবান কাউকেই চাচ্ছি। আল্লাহ তাআয়ালা কুরআনের আয়াতে বলেছেন তোমরা নিজেদের প্রশংসা করো না আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন কে আল্লাহ ভীরু। আমি লোক দেখানোর জন্য বলি নাই এখানে শুধুমাত্র পাত্র আমার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন এজন্যই লিখা। আল্লাহতায়ালা আমাকে মাফ করুন ( আমিন)। কিছু শর্তাবলী : 👇👇👇 ★যদি বায়োডাটা কারো পছন্দ হয় ফ্যামিলির সাথে আমাদের পারিবারিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক স্থান ফ্যামিলির লোকজনকে ভালোভাবে জানিয়ে তবে আসবেন। ★পাত্রী কে শুধুমাত্র পাত্র, পাত্রের বাড়ির মহিলা সদস্য গণ দেখতে পারবেন, পাত্রের সাথে পুরুষ সদস্য আসতে পারেন তবে পাত্রী দেখতে পারবেন না । পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ🫱 তিন থেকে চার জন আসতে পারবেন । এটা বলছি কারণ অপ্রয়োজনে ১০-১২ জন লোক দেখতে আসার কোন প্রয়োজন আমি মনে করি না । কারণ এখানে বিবাহ হচ্ছে না শুধুমাত্র দেখতে আসছেন , পছন্দর ও একটা বিষয় আছে। কোন কারনে আল্লাহ তাআলা না চাইলে সেখানে বিবাহের ব্যবস্থা না হয় তবে সমাজে কথার সৃষ্টি হয়। ★পাত্রী দেখতে এসে পছন্দ হলে, পাত্রীকে পাত্র ব্যতীত অন্যান্য পুরুষের সামনে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য যাওয়ার কথা বলা যাবে না । ★ বিবাহ করবেন আপনি আর আপনার যত আত্মীয়-স্বজন আছে লোকজন আছে হোক তা ১০০/১৫০ জন। তা এনে শশুরের ঘাড়ে ফেলবেন তা হবে না।ভাবছেন মেয়ের বাবার সামর্থ্য নাই তাই এভাবে লিখছে । তাহলে বলবো আপনার চিন্তাটা সম্পূর্ণ ভুল ।যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে আল্লাহর রহমতে। তবে আমি চাই না আমার বিয়েতে সুন্নাহ বিরোধী কিছু হোক । আমার মত আপনি বিয়ে করছেন সামর্থ্য অনুযায়ী আপনি আপনার আত্মীয় স্বজন নিয়ে আনন্দ করেন খাওয়ান। এটাই তো প্রকৃত সুন্নাহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওলীমা করতে উৎসাহ দিয়েছেন সামর্থ্য অনুযায়ী। যেখানে একজন বাবা তার অবলম্বন কন্যাকে আপনার হাতে তুলে দেন সারা জীবনের জন্য সেখানে কাপুরুষতা ও ব্যক্তিত্বহীনতার কোন পরিচয় দিবেন না আশা করি।
|