| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়,মাঝেমধ্যে ব্যস্ততার কারণে কাজা করতে হয়। বিগত ১০ বছর যাবত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করছি। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
মাঝে মাঝে আনুমানিক দুই তিন ওয়াক্ত হয়,আবার অনেক সময় একদম হয় না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না,আলহামদুলিল্লাহ আমি পরিপূর্ণ সুস্থ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার শব্দটি আরবি,যার অর্থ “ভ্রমণ করা” বা “সাক্ষাৎ করা”। সাধারণত এটি এমন স্থানের জন্য ব্যবহৃত হয় যেখানে কোনো আল্লাহর বন্ধু (ওলী, আলেম, মুজাহিদ, সাহাবি ইত্যাদি) সমাধিস্থ আছেন। ইসলাম মাজার পরিদর্শনের অনুমতি দেয় কি? হ্যাঁ, ইসলাম কবর জিয়ারতের অনুমতি দেয় -বরং উৎসাহিতও করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: > "كنت نهيتكم عن زيارة القبور ألا فزوروها فإنها تذكركم الآخرة" “আমি তোমাদের কবর জিয়ারত থেকে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা তা জিয়ারত করো; এটি তোমাদের আখিরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।” (সহিহ মুসলিম: 977) অর্থাৎ, কবর পরিদর্শনের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত- মৃতকে স্মরণ করা -নিজের মৃত্যু ও আখিরাতের কথা চিন্তা করা- মৃতের জন্য দোয়া করা- কিন্তু কোনো প্রকার দোয়া বা সাহায্য মৃত ব্যক্তির কাছে চাওয়া নয়। অনেক স্থানে কিছু মানুষ মাজারকে অতিরিক্ত পবিত্র করে এমন কিছু কাজ করে যা ইসলামে শিরক বা বিদআত। যেমন: মাজারে গিয়ে মানত ধরা,মাজারে গিয়ে “হুজুর, আমার সমস্যা দূর করুন” বলা,মাজারে চাদর দেওয়া, ফুল দেওয়া, ধূপ জ্বালানো, মাজারের ধুলা, পানি, বা দেয়ালে হাত দিয়ে বরকত নেওয়া, ওলী আমাকে সন্তান দিবেন, রিজিক দিবেন” এমন বিশ্বাস করা,এসব কাজ সরাসরি তাওহীদের পরিপন্থী, কারণ আল্লাহ ছাড়া কেউ কিছু দিতে বা ফিরিয়ে নিতে পারে না। আমি বিশ্বাস করি- মাজারে শুয়ে আছেন আল্লাহর প্রিয় বান্দা, যিনি জীবনে অনেক আমল করেছেন। আমরা তাদের সম্মান করব, কিন্তু ইবাদত করব না। আমরা সেখানে গিয়ে তাদের জন্য দোয়া করব — “আল্লাহ, এই বান্দাকে ক্ষমা করুন।” নিজেদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করব- কিন্তু ওলির কাছে কিছু চাইবো না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ,কোরানে বর্ণিত সত্য ঘটনা, চোখে দেখা কবরের আজাব।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
ডাক্তার জাকির নায়েক, ডক্টর মিজানুর রহমান আজহারী, মুফতি আরিফ বিন হাবিব।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
> “আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন দ্বীনদার মানুষ হওয়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে একটি মাদরাসায় দায়িত্ব পালন করছি। ভবিষ্যতে নিজে একটি প্রতিষ্ঠান করার ইচ্ছা রয়েছে অথবা কোন হালাল ব্যবসা করার ইচ্ছা রয়েছে। > “দাওয়াত ও শিক্ষা, এই দুই দিকেই আমার আগ্রহ বেশি। আমি চাই জীবনের সবকিছু ইসলামি নীতিতে পরিচালিত হোক।” > “আমি শান্ত স্বভাবের মানুষ। অন্যকে সম্মান করতে ভালোবাসি। সব কিছুতে সরলতা ও সত্যবাদিতা পছন্দ করি। কখনো তর্কে না গিয়ে যুক্তি ও আদবের মাধ্যমে বোঝাতে চেষ্টা করি।” > “আমি পারিবারিক মানুষ — পরিবারের সুখ, সম্মান ও দায়িত্বকে গুরুত্ব দিই।” > “বর্তমানে মাদরাসার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধির প্রচেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে আরও উন্নতভাবে ইসলামী শিক্ষা ও সমাজসেবার কাজ বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।” > “আমি চাই এমন জীবনসঙ্গী, যিনি দ্বীনকে ভালোবাসবেন, পর্দা রক্ষা করবেন এবং আমাদের সংসার হবে ভালোবাসা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও ইসলামি আদর্শে গঠিত।” > “আমি বিশ্বাস করি, দাম্পত্য জীবনে আল্লাহভীতি, সহানুভূতি আর সম্মান — এই তিনটি থাকলে জীবন সুখী হয়।” > “আমি পরিপূর্ণ নই — আমিও ভুল করি। তবে চেষ্টা করি নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে এবং উন্নতি করতে।” > “আমার মূল চাওয়া একটাই — আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা, আর এমন জীবনসঙ্গী পাওয়া যিনি সেই পথে পাশে থাকবেন।”
|