Profile

বায়োডাটা নং : 7471

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2003
উচ্চতা ৫′ ৩″
গাত্রবর্ন ফর্সা
ওজন ৫২ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
এলাকা/গ্রামের নাম: জেলা কিশোরগঞ্জ, থানা, পাকুন্দিয়া, গ্রাম, দাওরাইট
বর্তমান ঠিকানা পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
এলাকা/গ্রামের নাম: জেলা কিশোরগঞ্জ, থানা, পাকুন্দিয়া, গ্রাম, দাওরাইট
কোথায় বড় হয়েছেন? কিশোরগঞ্জ, পাকুন্দিয়া,গ্রাম দাওরাইট
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম কওমী
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা তাকমীল
তাকমীল কোন মাদ্রাসা থেকে পড়েছেন? জামিয়া আরাবিয়া খিদমাতুল কুরআন, ঢাকা
পাসের সন
ফলাফল lang.
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ কৃষক
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ রাব্বাতুল বাইত
আপনার কতজন ভাই আছে? ২ জন
ভাইদের তথ্য আমরা দুই ভাই, আমি ছোট। আমার বড় ভাই জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত। তাঁর বয়স প্রায় ২৮বছর। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি ঢাকার একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক। তাঁর ছেলের বয়স প্রায় ২ বছর। তিনি বর্তমানে পরিবারসহ ঢাকায় বসবাস করছেন। আমার ভাবিও জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ভদ্রমহিলা। আমার বড় ভাইয়ের বিয়ে আমাদের বাড়ির পাশেই, পাকুন্দিয়ায় হয়েছে।
আপনার কতজন বোন আছে? নেই
চাচা মামাদের পেশা আমাদের পরিবারে মোট ৪ জন চাচা ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বড় চাচা ইন্তেকাল করেছেন। বাকি চাচারা সবাই জীবিত এবং তারা সবাই কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। চাচাতো ভাইয়েরা আলহামদুলিল্লাহ, কেউ সরকারি সাকরি করে, আবার কেউ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। সবাই বিবাহিত,। আমাদের মামা আছেন মোট ৫ জন। তাঁদের মধ্যে ২ জন বিদেশে থাকেন এবং ৩ জন ঢাকায় চাকরি করেন। আলহামদুলিল্লাহ, সবাই ভালো উপার্জন করেন। সবাই বিবাহিত এবং সবারই সন্তান আছে।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আমরা গরীব মানুষ, আমাদের বেশি জায়গা-জমি নেই। বাবার দুই খানি ক্ষেত আছে বড় ভাই একটি পাবে, আর আমি একটি পাবো। এর বেশি আমাদের কোনো সম্পদ বা জমি নেই। ক্ষতে ফসল করা হয় ধান চাষ করা হয় আর কিছু করা হয় না, বাবা কৃষক, আর কোন কিছু নাই আমাদের। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, যেভাবে আছি চলতে ফিরতে পারছি। আমাদের কাছে টাকা-পয়সা বা বড় কোনো সম্পদ নেই। আল্লাহ যদি কেন সময় কিছু দান করেন, তাহলে সেটাই আমাদের জন্য বড় নিয়ামত।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? সবাই জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ায় আমাদের বাড়িতে দ্বীনি পরিবেশ কিছুটা কম । তবে আমার ব্যক্তিগত চিন্তা-ভাবনা ও আদর্শ ভিন্ন, আলহামদুলিল্লাহ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার ভবিষ্যৎ স্ত্রীকে সম্পূর্ণ পর্দার মধ্যে রাখবো এবং তাকে একটি সুন্দর, শান্ত ও পূর্ণ দ্বীনি পরিবেশে লালন-পালন করবো, ইনশাআল্লাহ। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন আমার স্ত্রীকে আমি ছাড়া কোনো গায়রে মাহরাম পুরুষ না দেখে। পারিবারিক সীমার মধ্যেও পর্দার বিষয়টি কঠোরভাবে মেনে চলা হবে । শুধুমাত্র আমার বাবা প্রয়োজন অনুযায়ী তাকে দেখতে পারবেন, এর বাইরে অন্য কোনো পুরুষের সামনে তাকে আসতে দেওয়া হবে না। এছাড়া, আমি আমার স্ত্রীকে একটি আলাদা বাসায় রাখবো, যেখানে সম্পূর্ণভাবে দ্বীনি পরিবেশ বজায় থাকবে। যেন সে পরিপূর্ণভাবে ইসলামি জীবনযাপন করতে পারে, ইবাদতে মনোযোগী হতে পারে এবং একটি পবিত্র ও নিরাপদ পরিবেশে জীবন অতিবাহিত করতে পারে, ইনশাআল্লাহ। সবাই জেনারেল পড়ুয়া তাই দ্বীনী পরিবেশ কম আমার বউ কে আমি পর্দায় রাখবো দ্বীনে পরিবেশে রাখবো ইনশাআল্লাহ আমার বউ কে আমি ছারা কোন পুরুষ কে দেখাবো না আমাদের পরিবার মধ্যেই শুধু আমার বাবা দেখতে পারবে আর কোন পুরুষ না এমনকি আমার বড় ভাই ও না বাকি গুলো তু বাদ দিলাম। আলাদা বাসা হবে আলাদা গোসলখানা আলাদা রান্নাঘর সব কিছু আলাদা হবে পর্দা করার জন্য যা যা দরকার সব কিছু তাকে দিমু ইনশাআল্লাহ। আমি একজন আলেম আমার বউ কে এমন ভাবেই রাখবো ইনশাআল্লাহ গায়রতবান স্বামী পরিচয় দিমু সবসময় ইনশাআল্লাহ। আমার আলাদা বাসার মধ্যে আমি আমার বউ কে রাখবো ১০০% দ্বীনে পরিবেশে ইনশাআল্লাহ
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? জি আলহামদুলিল্লাহ ছোট থেকে নামাজ পড়ি
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? ওজর-আপত্তি ছাড়া কখনো নামাজ কাজা করি না,আলহামদুলিল্লাহ। আর বাকি সব ওয়াক্ত নামাজ যথাসময়ে নিয়মিতভাবে আদায় করার চেষ্টা করি এবং সময়মতো আদায় করে থাকি।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি আলহামদুলিল্লাহ
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? মাঝে মাঝে আল্লাহর পক্ষ থেকে কিছু নেয়ামতস্বরূপ শারীরিক কষ্ট এসে যায়—যেমন জ্বর, ঠান্ডা লাগা, কাশি, সর্দি ও এলার্জির সমস্যা—এসব কিছুটা বেশি হয় আমার, তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুর ওপরই আমি সন্তুষ্ট ও কৃতজ্ঞ
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? মাজার আসলে একটি ভালো ও সম্মানিত বিষয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা মাজারে গিয়ে যেসব কাজ করি, তার অনেকগুলোই সঠিক নয় এবং ইসলামের মূল শিক্ষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই আমাদের উচিত মাজারকে সম্মান করা, তবে সেখানে গিয়ে কোনো প্রকার ভুল বা শরীয়তবিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকা।শিরক বিদায়াত
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন আলহামদুলিল্লাহ, আমি কওমি মাদরাসার নূরানী থেকে দাওরা হাদিস পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণ করেছি। এই দীর্ঘ শিক্ষাজীবনে আমি বোখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিজি শরীফ, নাসায়ী শরীফ, মেশকাত শরীফ, বায়যাবী শরীফসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হাদিস ও তাফসিরের কিতাব অধ্যয়ন করেছি। পাশাপাশি নাহব-সারফের কিতাব যেমন কাফিয়া, হেদায়াতুন নাহু, নাহবেমীর ইত্যাদিও পড়েছি। সিলেবাসের বাইরেও আল্লাহর ওলী, পীর-বুজুর্গদের লেখা কিতাবসমূহ অধ্যয়ন করার চেষ্টা করেছি। এছাড়া বিভিন্ন লেখকের, যেমন আরিফ আজাদসহ অন্যান্য সমকালীন লেখকদের বই পড়তেও আমি আগ্রহী, যেগুলো থেকে দ্বীন ও জীবনের নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন আল্লামা মামুনুল হক,,, মুফতি মুস্তাকুন্নবীর কাসেমী,,,, মুফতি তকী উসমানী পাকিস্তান,,, মুফতি আব্দুল মালেক,,, মুফতি আনিছুর রহমান আশরাফী,,,, মুফতি নজরুল ইসলাম কাসেমি,,
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আলহামদুলিল্লাহ, আমি একজন মুসলিম। একজন মুসলিম হিসেবে আমার প্রতিটি কাজকর্ম কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক হওয়া একান্ত জরুরি বলে আমি বিশ্বাস করি। তাই সর্বাবস্থায় আমি চেষ্টা করি আমার জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পরিচালনা করতে এবং আল্লাহ তা’আলা ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে জীবন গড়ে তুলতে। প্রত্যেক মুমিনের প্রথম ও প্রধান আকাঙ্ক্ষা হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা—এটা আমার নিকটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সেই কারণে আমি সবসময় চেষ্টা করি হালাল-হারাম মেনে চলার। যে বিষয়গুলো আল্লাহ পাক হালাল করেছেন, সেগুলো মানার চেষ্টা করি, আর যে বিষয়গুলো হারাম করেছেন, সেগুলো থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত রাখার চেষ্টা করি। আমি সর্বদা চেষ্টা করি আল্লাহকে খুশি করতে এবং তাঁর রাসুল ﷺ-এর প্রতিটি সুন্নাহ নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে। যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-কে ভালোবাসে, আমি তাদেরও ভালোবাসি এবং তাদেরকে নিজের আপনজন মনে করি—তারা ধনী হোক বা গরিব, কালো হোক বা সাদা, এতে আমার কোনো পার্থক্য নেই। আমি তাদের সাথে সম্পর্ক রাখতে, চলতে এবং ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেষ্টা করি। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তোমাদের নিকট তোমাদের সন্তান, পিতা-মাতা এবং সমস্ত সম্পদের চেয়েও বেশি প্রিয় না হই।” এই হাদিসের আলোকে আমি চেষ্টা করি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-কে সর্বাধিক ভালোবাসতে। তাই আমি সেই সকল মানুষকেই আপন মনে করি, যাদের অন্তরে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর ভালোবাসা বিদ্যমান। আমার একটি স্বপ্ন হলো—আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী বেছে নিতে চাই, যাকে পাওয়ার পর আমার জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর নিকটবর্তী হওয়া সহজ হবে। যার মাধ্যমে আমার দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জীবনই কল্যাণময় হবে। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী চাই, যিনি দ্বীনদার, নেককার এবং আল্লাহওয়ালী ও আবেদা হবেন। তার বাহ্যিক রূপ বা অবস্থান আমার কাছে মুখ্য নয়—সে কালো হোক বা গরিব হোক, তার চেহারা যেমনই হোক, এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে আমার জন্য একমাত্র শর্ত হলো, তিনি ১০০% দ্বীনদার হবেন। দ্বীনদারিতা ছাড়া আমি বিয়ে করতে আগ্রহী নই। আমি চাই একটি শান্তিপূর্ণ ও শরিয়তসম্মত পরিবার গড়ে তুলতে। পরিবার নিয়ে হাসিখুশিতে থাকা, শরিয়তের সীমার মধ্যে থেকে জীবন যাপন করা, এবং সুযোগ হলে হালালভাবে ভ্রমণ করা—এগুলো আমার ইচ্ছা। ইনশাআল্লাহ, আমার ইচ্ছা আছে আমার জীবনসঙ্গিনীকে নিয়ে হজ্জ ও উমরাহ করার। আমি চাই, তার দেনমোহর হিসেবে হজ্জ অথবা উমরাহ নির্ধারিত হোক—এই দুইটির মধ্যে যেকোনো একটি গ্রহণ করা হবে। আর যদি তিনি তা করতে না চান, তাহলে হজ্জ বা উমরাহ করতে যে পরিমাণ অর্থ লাগে, তা আমি তাকে বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত থাকব ইনশাআল্লাহ। এরপর সিদ্ধান্ত তার ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। আমি সবসময় দ্বীনি পরিবেশ ভালোবাসি এবং শরিয়তের বাইরে কোনো কাজ পছন্দ করি না, বিশেষ করে বেপর্দা চলাফেরা বা অনুচিত আচরণ একদম অপছন্দ করি। যারা বেপর্দা জীবনযাপন করে, তাদের ব্যাপারে আমি দূরে থাকার চেষ্টা করি। আমি বেশি কথা বলা পছন্দ করি না, অপ্রয়োজনীয় কথা থেকে দূরে থাকি, এবং প্রয়োজন ছাড়া কথা বলি না। চুপচাপ ও শান্তভাবে জীবন যাপন করতে ভালোবাসি। গায়রতহীন মানুষ চাই সে ছেলে হোক বা মেয়ে তাদের প্রতি আমার কোনো আকর্ষণ নেই। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলে আমি মানসিক শান্তি অনুভব করি। আমার বিশ্বাস, এই দুনিয়া অস্থায়ী আর আখিরাত চিরস্থায়ী। তাই আমি অস্থায়ী দুনিয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী জীবন যাপন করার চেষ্টা করি, আর বেশি সময় আখিরাতের চিন্তায় নিজেকে ব্যস্ত রাখিএটাই আমাকে শান্তি দেয়।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? সবসময় পরিপাটি ও সুন্দরভাবে জোব্বা, টুপি, পাঞ্জাবি, পায়জামা, ভালো মানের জুতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় পরিধান করি। চলাফেরা ও কাজকর্মে সবসময়ই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখি।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? জি ছোট থেকে দাড়ি আছে আলহামদুলিল্লাহ
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? জি আলহামদুলিল্লাহ
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি আলহামদুলিল্লাহ
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? যেহেতু এটি একটি ঈমানের অঙ্গ বিষয় তাই অবশ্যই এখানে মিথ্যা বলার কেন অবকাশ নেই সত্যি বলতেই আমি এসব দেখি না কারন এসব দেখা হারাম আর হারাম জিনিস কেন আমি দেখবো
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আলহামদুলিল্লাহ, আমি দ্বীনের দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতের সাথে যুক্ত আছি। পাশাপাশি নিজের ইলম ও আমল ঠিক রাখার চেষ্টা করি।
পেশাগত তথ্য
পেশা মাদ্রাসা শিক্ষক
পেশার বিস্তারিত বিবরণ নুরুল কুরআন হাফিজিয়া কওমি মাদরাসার অনাবাসিক শিক্ষক এবং বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব পাশাপাশি অনলাইনে বিজনেস। বর্তমান একটা ব্যবসার সাথে যুক্ত আছি আলহামদুলিল্লাহ
মাসিক আয় বলতে ইচ্ছুক না
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি আলহামদুলিল্লাহ
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? জি অবশ্যই এটা তো আমার উপর ফরজ। স্বামী হিসেবে আমার দায়িত্ব কর্তব্য, আমি চারা কোন গায়রে মাহরাম পুরুষ থাকে দেকতে পারবে না ইনশাআল্লাহ আমি পর্দা বিষয় খুব কঠোর থাকবো ইনশাআল্লাহ
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? তার চাহিদার ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। যদি সে পড়াশোনা করতে চায়, তবে এতে আমার কোনো আপত্তি নেই; আমি তাকে সবসময় সাপোর্ট করব ইনশাআল্লাহ। আর যদি সে পড়াশোনা না করতে চায়, তাতেও আমার কোনো আপত্তি থাকবে না
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? বউ হলো ঘরের রানি। তাই আমার দৃষ্টিতে তাদের মূল দায়িত্ব ঘর সামলানো, স্বামীর খেদমত করা এবং ঘরে থেকেই দ্বীনের কাজ করা—এটাই আমি বেশি পছন্দ করি। আমি চাই না আমার স্ত্রী চাকরি করুক। তবে শেষ সিদ্ধান্ত আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ীই হবে, এবং তার নিজের ইচ্ছা ও মতামতও অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ—সে কী করতে চায়, সেটাও আমাকে জানতে হবে এবং সম্মান করতে হবে
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? আমার বিশ্বাস, আমি যদি পাহাড়ের উপরেও থাকি, তবুও সে আমার সাথেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমি যেখানে অবস্থান করব, সে সেখানেই আমার পাশে থাকবে এবং আমার সঙ্গেই জীবন কাটাবে এটাই আমার আন্তরিক চাওয়া ও প্রত্যাশা
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? আমি চাই বিয়ের সবকিছু খুবই সহজভাবে, সুন্নাত তরিকায় সম্পন্ন হোক। বিয়েতে অপ্রয়োজনীয় খরচ বা বাড়াবাড়ি একেবারেই চাই না। মসজিদে অল্প খরচে বিয়েটা শেষ করে দিতে চাই ইনশাআল্লাহ। মেয়ের বাবার ওপর কোনো ধরনের আর্থিক চাপ বা খরচের বোঝা দিতে চাই না—এক হাজার টাকা পর্যন্তও খরচ করাতে চাই না। বিয়ের পরও আমি কারও কাছ থেকে কোনো কিছু আশা করব না এবং কিছু গ্রহণও করব না। এমনকি বিয়ের পর দাওয়াত বা অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতারও প্রয়োজন নেই। আমি কারও বাড়িতে গিয়ে খাওয়াদাওয়া বা অতিরিক্ত খরচ করাতে চাই না ।।। আমার মূল চাওয়া হলো—মেয়েটি যেন দ্বীনদার হয়, একজন সৎ ও ভালো মানুষ হয়। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। ইনশাআল্লাহ, এটাই আমার আন্তরিক ইচ্ছা
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে ঈমান রক্ষার জন্য يا معشر الشباب من استطاع منكم الباءة فليتزوج فانه اغض للبصر واحصن للفرج সহীহ বুখারী، সহীহ মুসলিম) ২. নবীর সুন্নাহ النكاح من سنتي فمن رغب عن سنتي فليس مني সুনান ইবনে মাজাহ ৩. অর্ধেক দ্বীন اذا تزوج العبد فقد استكمل نصف الدين فليتق الله في النصف الباقي বায়হাকী “আমি কেন বিয়ে করবো এবং বিয়ের সম্পর্কে আমার ধারণা” বিয়ে ইসলামে শুধু দুনিয়াবি সম্পর্ক না, এটা একটি ইবাদত এবং সুন্নাহ। আমি বিয়ে করবো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, নিজের চরিত্রকে পবিত্র রাখার জন্য এবং একটি শান্তিপূর্ণ পরিবার গড়ার উদ্দেশ্যে। কুরআনের আলোকে: আল্লাহ তাআলা বলেন— “আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি হলো—তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকেই স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” সূরা সূরা আর-রূম এই আয়াত থেকে বুঝি—বিয়ের মূল উদ্দেশ্য হলো শান্তি (সাকিনা), ভালোবাসা (মাওয়াদ্দাহ), এবং দয়া (রহমাহ)। হাদিসের আলোকে: মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন— “বিয়ে আমার সুন্নাহ। যে আমার সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার অন্তর্ভুক্ত নয়।” সহীহ হাদিস তাই বিয়ে করা রাসূল (সা.)-এর গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। আমার বিয়ের ধারণা: বিয়ে মানে শুধু সম্পর্ক না, এটা দায়িত্ব ও আমানত স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সহযোগী ও সাপোর্ট সিস্টেম দুনিয়া ও আখিরাত—দুই জায়গার সফলতার জন্য একসাথে চলা দ্বীনের পথে চলতে একে অপরকে সাহায্য করা একটি হালাল ও বরকতময় জীবন গঠন করা সংক্ষেপে: আমি বিয়ে করবো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের চরিত্র হেফাজতের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ ও দ্বীনদার পরিবার গড়ার জন্য
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-21
উচ্চতা ৪'১"---৫'৩,
গাত্রবর্ন কালো, শ্যামলা, উজ্জল শ্যামলা
পেশা হাফেজা, আলেমা অথবা জেনারেল পড়ুয়া—যে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার হলেও, তিনি অবশ্যই ১০০% দ্বীনদার, পরহেজগার, শরীয়ত মেনে চলেন এমন হতে হবে। তিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেন, ফরজ-ওয়াজিব যথাযথভাবে পালন করেন এবং হারাম ও সন্দেহজনক বিষয় থেকে সম্পূর্ণ দূরে ন নেককার ও চরিত্রবান মানুষ হতে হবে
জেলা যে কোন জেলা হোক সমস্যা নেই
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা মাদ্রাসার ছাএী বা শিক্ষিকা বা অন্য কিছু
অর্থনৈতিক অবস্থা যে কোন একটা হলেও হবে সমস্যা নেই
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
রাসুল সা বলেছেন জীবনসঙ্গিনীর দুনিয়ার সব সম্পতদের চেয়ে ও উওম। সুতরাং এমন জীবনসঙ্গিনীর আশায় আছি সে হবে আমার আহলিয়া তার একটা সুন্দর মন থাকবে নম্র ভদ্র, পর্দা,করে চলে, দ্বীনের জ্ঞান যথেষ্ট পরিমান আচে কুরআন তেলাওয়াত শুদ্ধ করে পরতে পারে হাফেজা হলে আলহামদুলিল্লাহ ভালো হয়। তিনি হবেন আল্লাহর ও রাসুল সা, এবং স্বামীর অনুগত্য কারী, পরিস্কার পরিছন্নতা, রান্না বান্না ও বাড়ির কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, পিতা মাতা ও শাশুড়ীর শশুড় খেদমত করার মনমানসিকতা থাকতে হবে দ্বীনের জন্য দ্বীনের কাজ সহযোগিতা করতে হবে,, সর্বোপরি একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গিনীর চাই। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী কামনা করি যিনি হবপন দ্বীনদার, পর্দাশীল এবং অল্পে তুষ্ট থাকবে। যিনি আল্লাহকে ভয় করবেন সআসময় যার হৃদয়ে থাকবে ইখলাস ও তাকওয়া, যাকে দেখলে চোখ প্রশান্তি হবে। আমি চাই তিনি হোক কোমল হৃদয়ের,, সহানুভূতিশীল একজন সাথি যিনি আমাকে বুঝবেন আমার দুর্বলতাকে সহানুভূতির চোখে দেখবেন জীবনে সবসময়,আমার পাশে থাকবেন সুখে দুঃখে সবসময়। অবিচল ভরসা মতো তার ভালোবাসা হবে নিঃস্বার্থ শান্তির আশ্রয়। জীবনসঙ্গীর এমন হোক! হে রব! আমায় এমন কাউকে দান করুন, যিনি দুনিয়া ও আখেরাতে আমার সঙ্গী হবে। আমাকে দ্বীনের পথে আগলে রাখবে। খুব করে ভালোবাসবে। এমন ভালোবাসা, যা পছন্দ করেন আপনি এবং আপনার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। হে রব! উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিন। যে হবে আপনার রঙে রঙ্গিন। আর ভালোবেসে রাঙিয়ে দেবে আমাকেও আপনার রঙে। ওগো রব! বাহ্যিক দ্বীনদারিত্ব অনেককেই আজ ঘায়েল করে বসেছে। উপরে দ্বীনদারিত্বের মোড়কে নিজেকে আগলে নিলেও, দিলে দ্বীনদারিত্ব আগলে নিতে পারেনি অনেকে। এমন লোক থেকে রব আমাকে হেফাজত করুন। এমন জীবনসঙ্গী দান করুন, যিনি দ্বীনদার, আর আমাকেও দ্বীনদার বানিয়ে আপনার পথে হাঁটতে শেখাবে। হে অন্তরের মালিক! ইলমহীন অন্তর একদম শূন্য। যেকোনো সময় শয়তান ধোঁকা দিতে পারে। এমন একজন জীবনসঙ্গী আমাকে দান করুন, যিনি দ্বীন পালনের মতো সঠিক জ্ঞান রাখে। এমন জ্ঞান যা সমাজে ফিতনা সৃষ্টি করে না। ঈমান ধ্বংস করে না। যার ইলম নিজেকে দ্বীনের পথে রাখতে পারে না তার থেকে আমাকে হেফাজত করুন! এমন একজনকে দান করুন, যিনি শুধু ইলমের অধিকারী না, আমলেরও করেন যথাযথ পাবন্দি। . হে কা'বার মালিক! ফিতনা ভরা যোগে একাকী ঈমান আগলে বাঁচা কঠিন। হে পরওয়ারদিগার! এমন কাউকে দান করুন, যিনি ফিতনা থেকে আমাকে আগলে রাখবে। নিজেও ফিতনা থেকে বেঁচে থাকবে। আমি যে একাকী আর ফিতনার সাথে লড়তে পারছি না মালিক! আমাকে আপনার পছন্দের কাউকে মিলিয়ে দিন, যিনি শুধু আমাকে ভালোবাসবে না, সাথে আপনাকেও ভালোবাসতে শেখাবে। রব আমি যে আপনাকে ভীষণ ভালোবাসতে চাই! চাই প্রিয়মানুষটাকে সঙ্গে নিয়ে আপনার সিজদায় মন ভরে কাঁদতে। . হে আরশের অধিপতি! এমন কাউকে দান করুন, যার মাধ্যমে পৃথিবীতে আসবে নেক সন্তান! যে হবে ইলমের ময়দানে আলিমগণের রাহবার আর জি-হা-দের ময়দানে মু-জা-হিদদের সিপাহসালার! হে মালিক! আমাদের এমন সন্তান দান করুন! যে জন্ম দেবে আপনার ঘর মসজিদে আকসা উদ্ধারকারী সন্তান। যে হবে গজওয়াতুল হিন্দের অংশীদার। হে রব! দ্বীনের পূর্ণতা দানে আমার জীবনসঙ্গীকে উত্তমরূপে আমার জীবনে মিলিয়ে দিন। যাকে দেখে এক দেখায় আমার মন ভরে যাবে। আর তখন আপনার দুয়ারে কৃতজ্ঞতা আদায় করে বলব—মালিক আলহামদুলিল্লাহ! আমি জিতেছি, চাওয়া জিনিসটা থেকেও আপনার কাছে ভীষণ বেশি পেয়েছি।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

পাকুন্দিয়া এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #3266

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৭″
পেশা
ডাক্তার
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1408

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6218

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′ ৮″
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4079

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #3917

বয়স
27 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
প্রবাসী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #4582

বয়স
27 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ, ঢাকা
কিশোরগঞ্জ জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন