| পেশা |
আমি এমন একজন পাত্রীর জন্য আশা করি, যিনি ইসলামী শিক্ষায় পরিপূর্ণ এবং দ্বীনের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখেন। পাত্রী হাফেজা/আলেমা বা সরকারি মাদ্রাসা থেকে আলিম/ফাজিল হলে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় হবে। তবে, সবসময় একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হবে যে, তিনি হানাফি মাজহাবের অনুসারী হবেন এবং তার পরিবারও ধর্মীয় মূল্যবোধে পিতৃপুরাণিত এবং দ্বীনের প্রতি অনুগত হবে। শারীরিকভাবে, আমি চাই পাত্রীর উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চির উপরে এবং তার গায়ের রং ফর্সা হলে আরও ভালো। তার চরিত্র হবে নম্র, ভদ্র এবং মেন্টালিটি অত্যন্ত ভালো। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যার আখলাক ও চরিত্র হবে সত্, মাধুর্যপূর্ণ এবং ইসলামী আদর্শে দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। দ্বীনের প্রতি তার মনোভাব সবসময় ইতিবাচক এবং দৃঢ় থাকবে। আমি আশা করি, তিনি সর্বদা আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করবেন এবং সঠিক ইসলামী বিধান মেনে চলবেন। পর্দা মেনে চলা, তার জীবনযাপনে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন এবং শালীনতা থাকবে, যা আমাদের দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর এবং সঠিক পথে পরিচালিত করবে। অধিকন্তু, তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য দোয়া করবেন এবং সেবামূলক কার্যক্রমে এগিয়ে থাকবেন। তার অন্তর থাকবে সহানুভূতি, প্রেম এবং দয়া, যা তাকে একে অপরের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা দেখাতে সহায়তা করবে। আমি চাই, তিনি তাঁর পরিবার ও সমাজে সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবেন এবং দ্বীনের আলোয় জীবন কাটাবেন। আমার প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী এমন একজন হবেন, যিনি ইসলামের আদর্শে চলবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে একে অপরকে সহায়তা করবেন এবং আমাদের দাম্পত্য জীবন আল্লাহর ইবাদত ও দ্বীনের পথে পরিচালিত করবে।
|
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
একজন প্রকৃত দ্বীনদার মানুষ চাই যিনি আল্লাহ সুবহানাতাআলা কে ভালোবেসে অর্ধেক দ্বীন পূরণ করবেন। যিনি স্ট্রিকলি ইসলাম মানবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই দ্বীনদার। যিনি ফরজ এবং সুন্নাহ আহকাম হুকুম মেনে চলেন, আকিদা, তাওহীদ, তাকওয়া, শিরক এবং বিদাত নিয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখে। সাদাসিধা জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন দ্বীনের কাজে সাহায্যকারী জীবনসঙ্গী খুজছিলাম । যার মধ্যে দুনিয়াবি কোন চাহিদা থাকবে না । সর্বদা আখেরাতমুখী হবে, সুখে-দুখে পাশে থাকবে । অল্পতেই তুষ্ট থাকবে এবং যা আছে তা নিয়ে শুকরিয়া করবে । বুদ্ধিমতী, ধৈর্যশীল, হাসিখুশি চঞ্চল দায়িত্বশীল কথায় ভারসাম্য রাখা । উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে হবে । অবশ্যই দ্বীন পালনে সচেষ্ট থাকতে হবে । দ্বীনের ব্যাপারে কোন ছাড় দেবে না কঠোর হবে এবং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু করতে পারার মানসিকতা থাকবে । মূলত তাওয়াক্কুলওয়ালা তাকওয়াবান নারী, দ্বীন পালনে একজন সহযোগী ও সহ যোদ্ধা হবে আশা করি । যে সবকিছুর জন্য আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট ! আমি চাই আল্লাহ আমকে এমন জীবন সঙ্গী দান করুক যে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু করবে । যার প্রতি মহান আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকে তার কোন কিছুই অপূর্ণ থাকে না । আল্লাহ সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ । আমরা একে অপরের জন্য কমফোর্ট জোন হতে চাই । একে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল, দায়িত্বশী, শ্রদ্ধাশীল, একে অন্যের মতামতের পার্থক্যকে সম্মান করে । সবশেষে, যে তার সঙ্গীর প্রকৃত গুরুত্ব বুঝে এবং যার উপর আমি বিশ্বাস করতে পারি নিঃসন্দেহে মৃত্যু পর্যন্ত । আমি বিশ্বাস করি একে অপরের প্রতি আনুগত্য, শ্রদ্ধা, ভক্তি, সম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তুলতে পারে একটি সুখী দাম্পত্য জীবন । আমি শুধুমাত্র আমার স্ত্রীকেই চাচ্ছি না, আমি আমার স্ত্রীর মাধ্যমে আমার প্রজন্মের একজন উত্তম মা'কেও চাচ্ছি । যার কাছ থেকে একটা প্রজন্ম সব সময় দুনিয়া ও আখেরাতের পজেটিভ চিন্তাধারা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমি পূর্ণ তাওয়াককুল রাখি আমার প্রতিপালক এর প্রতি যিনি আমার মতো নগন্য অধম বান্দাকে উওম সেরা জীবনসঙ্গী দান করবেন , *জীবন সঙ্গীনীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আমি আশা করি (গায়রতবান মেয়ে):* আমি আশা করি, আমার জীবন সঙ্গী এমন একজন গায়রতবান মেয়ে হবেন, যার মধ্যে ইসলামের প্রতি গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং নিষ্ঠা থাকবে। তিনি দ্বীনের প্রতি অটল থাকবে এবং দ্বীনের যেকোনো বিষয় সম্পর্কে কোনরকম ছাড় দেবেন না। তার মধ্যে গায়রত বা আত্মমর্যাদার অনুভূতি হবে, বিশেষ করে ইসলামের প্রতি। আল্লাহর হুকুম ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুসরণ করা তার জীবনের উদ্দেশ্য হবে। আমি চাই, তিনি এমন একজন মেয়ে হবেন, যিনি ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শে উজ্জ্বল, নম্র, ভদ্র এবং সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। তার জীবনে শালীনতা এবং পর্দার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ থাকবে, এবং তিনি সবসময় ইসলামের শালীনতা ও সঠিক পথে চলবেন। তার সকল কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং দ্বীনের আলোতে হবে। আমি আশা করি, তিনি জীবনে কঠোর পরিশ্রমী, আত্মত্যাগী এবং সহানুভূতিশীল হবেন। তার মনোভাব সবসময় ইতিবাচক থাকবে, এবং দাম্পত্য জীবনসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করবেন। তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য দোয়া করবেন এবং সেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। তাঁর হৃদয়ে সহানুভূতি, দয়া এবং ভালোবাসা থাকবে, যা আমাদের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় ও সুন্দর করবে। এছাড়া, তার মধ্যে ধৈর্য এবং দৃঢ়তা থাকবে, যেন জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জে তিনি ইসলামী নীতিতে অবিচল থাকতে পারেন। তার পরিবার এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকবে, এবং তিনি দ্বীনের
|