| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
কুরআন,আত্মশুদ্ধি ও তাসাউফ, ম্যাসেজ,হয়রত আবু বকর রা.,আদর্শ মুসলিমাহ,দ্বিনদার নারী যদি হতে চান।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
হাসি খুশি থাকতে পছন্দ করি,তবে নতুন মানুষের সাথে মিশতে সময় লাগে।পরিবারের সাথে সময় কাটাতে, ঘুরতে ভালো লাগে,যদিও ঘুরতে যাওয়া হয়না।ইদানীং বই পড়ার আগ্রহ হয়েছে।পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করি। অপছন্দ : মিথ্যা কথা, কথা দিয়ে কথা না রাখা,অপরিষ্কার থাকা,উচ্চ শব্দ এবং অমার্জিত ভাষায় কথা বলা ভিষণ অপছন্দ। আমি সদ্য দ্বীনের পথে পা দেয়া একজন মানুষ, দ্বীন সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুবই সাধারণ। পরিবারের বাকিরা দ্বীন পালনে উদাসীন এমন অবস্থায় নিজেকে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করছি, এমন অবস্থা দ্বিনি পরিবেশ এবং সঙ্গী ভীষণ ভাবে প্রয়োজনিয় হয়ে উঠেছে। আল্লাহর কাছে এমন একজন ওয়ালিদ চাই যিনি আমার দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য কল্যানকর,যিনি আমার অসম্পূর্ণ জ্ঞানকে আরো বাড়িয়ে দেবেন,দ্বীন শিখতে এবং মানতে সাহায্য করবেন।যার হাত ধরে আমি আর আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আল্লাহর প্রিয় হয়ে উঠব ইনশাআল্লাহ। সাধারণ জীবন যাপন করতে পছন্দ করি।মা মারা যাবার পর কাঙ্ক্ষিত -অনাকাঙ্ক্ষিত অনেক ঘটনা,কথা,নিন্দা, প্রসংশা যাই বলেন না কেন অনেক কিছু ই জিবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।আমি নিজেকে এসবের মধ্যে মানিয়ে নিয়েছি।আমার মা (সৎ) উনি নিজের মায়ের মতন যত্ন করেন না,তবে পৈশাচিক অত্যাচার বা জুলুমও করেননা।আসলে তার প্রতি আমার যে দুরত্ব, একই অবস্থা তারও।তাই হয়তো আমরা দুজনেই একে অপরের সাথে মানসিকতা এক ও ঘনিষ্ঠ হতে পারিনা।এর মাঝে ও যতটা ভালো থাকা যায় চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। মা না থাকা,সৎ মা কিংবা ধৈর্যের পরিক্ষার অংশ হিসেবে কিছু অপ্রত্যাশিত মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয মাঝে মাঝে সেটা প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত।বেশির ভাগ মানুষ আমার এসব কমতি মেনে নিবেন না।তবে আমি কিছু আড়াল রাখতে চাই না।যিনি আল্লাহর হুকুমে আমি পর্যন্ত আসবেন,তারা অবশ্য আমার সব ভালো খারাপ জেনেই আসবেন আশা করি।আর আমি দ্বীনের পথে একেবারে নতুন,জ্ঞান অত্যন্ত সামান্য। চেষ্টা করছি কেবল ফিরতে,শিখতে, জানতে,মানতে।খুব করে চাই আল্লাহর প্রিয় হতে।আর এমন একজন মানুষ যিনি আমার সব জেনে,মেনে আমার দুনিয়া এবং আখিরাতের সঙ্গী হবেন,শিক্ষক হবেন আল্লাহর কাছে যাবার।যিনি হবেন আমার প্রতি সৎ,দয়ালু, বিশ্বাসি,ন্যায়,ধৈর্যশীল,যত্নবান,গায়রতবান,সম্মানি এবং আহেলিয়াকে পরম যত্নে ভালোবেসে আগলে রাখার মত মানুষ। যিনি আল্লাহর বিধানে উত্তম স্বামী ও অভিভাবক, যার কথা আল্লাহ বলেছেন।আর আমিও এমন উত্তম স্ত্রী হতে চাই যার যার বৈশিষ্ট্য আল্লাহ বলেছেন। এবং খুশি হন ইনশাআল্লাহ।
|