| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী,অষ্টম ও নবম শ্রেণী থেকেই তবে ৫/৬ বছর থেকে রিগুলার। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত সজ্ঞানে নামাজ কাযা হয় না, ঘুমের জন্য টের না পেলে হঠাৎ ফজর কাযা হয়ে যায় আর সফরে থাকলে নামাজ পড়ার মতো ব্যাবস্থা না থাকলে কাযা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ পারি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তাজবিদ সহকারে শুদ্ধ করে শিখেছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না,আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক।কারন আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে চাওয়া বা মানত করা শিরক। আল্লাহ ছাড়া কেউ কিছু দিতে পারে না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
বেলা ফুরাবার আগে, প্যারাডক্সিকাল সাজিদ, প্রতাবর্তন,ফেরা,এবার ভিন্ন কিছু হোক,জীবন যেখানে যেমন, কবীরা গুনাহ ইত্যাদি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আহমাতুল্লাহ,মিজানুর রহমান আজাহারী,আবু ত্বহা,ড.জাকির, জামসেদ মজুমদার, সৈয়দ মোকারম বারী
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমি স্বভাবে খুব সহজ-সরল,বিনয়ী,পরোপকারী, হাস্যজ্জ্বল ও প্রানজ্জ্বল একটা মেয়ে।সমসময় হাসিমুখে থাকতে পছন্দ করি। সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলি। ইন্ট্রোভার্ট নই। আমি একজন প্রাকটিসিং মুসলিমাহ।জীবনের অনেকটা সময় পার করে আল্লাহ আমাকে দ্বীনের বুঝ দান করেছেন।ছোট থেকে জেনারেল লাইনে পড়ার কারনে দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করার তেমন সুযোগ পাই নি। ইন্টারমেডিয়েট পর্যুন্ত শুধু জেনারেল পরালেখা নিয়েই ব্যাস্ত ছিলাম,দ্বীন পালন বলতে শুধু নামাজ পড়তাম।তাছড়া উপযুক্ত দ্বীনি পরিবেশ এরও ঘাটতি ছিলো।তারপর অর্নাস এ এসে নিজের চেষ্টায় দ্বীনের প্রতি আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন ইসলামিক বই, লেখা,গ্রুপ,আলেমদের বয়ান,হাদিস,দ্বীনি বান্ধবীর সাহায্যে শুনে,জেনে দ্বীনের বুঝ পাই।আল্লাহ হেদায়েত দান করেন।কিন্তু হেদায়েত পাওয়ার থেকে রক্ষা করা কঠিন।শয়তান, নফস এর ধোকা আর বর্তমানে ফিতনার ছড়াছড়ির যুগে হেদায়েত ধরে রাখতে নিজের সাথে যুদ্ধ করতে হয়।নিজেকে দ্বীনদার, পরহেজগার বলে দাবী করার আমার সাহস বা যোগ্যতা কোনটাই আমার নেই।এখনো আমি গুনাহ করি বারবার পথ হারাই আবার ফিরে আসি আল্লাহর দিকে,আল্লাহ ক্ষমাশীল। এভাবেই চলছে আমার গুটিগুটি পায়ে আল্লাহর দিকে যাএা।তাই এই যাএার সাথী হিসেবে একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গীর খুব প্রয়োজন।আকাশ পরিমান আগ্রহ নিয়ে আছি একজন দীনদার এবং আল্লাহর পথে চলা একজন আল্লাহর প্রিয় বান্দার ভরসার হাত ও সাহায্যের হাত।যে হাতধরে জান্নাত নিয়ে যাবেন তিনি আমায়।আমি জানি আমি কোন আলেমা,হাফেজা নই,খুব সামান্য একজন আল্লাহর বান্দী এতটুকু দ্বীন নিয়ে কোন আল্লাহর প্রিয় দ্বীনদার বান্দা আমাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহন করবে কি না আমি জানি না।তবে দ্বীন পালনের প্রবল চেষ্টা বা আগ্রহের কমতি পাবেন না আশাকরি। আপনি যদি প্রকৃত মুমিন বান্দা হিসেবে আল্লাহর জন্য কিছু করতে চান তাহলে আমার মতো আগ্রহী বান্দাকে সাহায্য করে পাশে থেকে একটা পরিপূর্ণ দ্বীনের পরিবেশ দিয়ে তাকে আল্লাহর পথে চলতে সাহায্য করতে পারেন। আর বর্তমানে আমার সব পছন্দ অপছন্দ সব ইসলাম, দ্বীন ও নবী রাসূল এর সুন্নাহকে ঘিড়েই।জীবনের সব ক্ষেএে ইসলামের আদেশ নিষেধ মেনে চলার মাধ্যেই জীবনের আসল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় আমি মনে করি।একটা দ্বীনি পরিবার গঠন করার সপ্ন দেখি।একজন আদর্শ স্ত্রী, আদর্শ বউ,আদর্শ মা হওয়ার সপ্ন দেখি। নবীর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনকে সাজাতে চাই।নবী ও উনার বিবিদের মতো জীবন লাইফস্টাইল করার সপ্ন দেখি।অনাগত সান্তানকে আল্লাহ রাস্তায় শপে দিতে চাই। একজন দ্বায়ীর মা হতে চাই।নিজে দ্বীনি পরিবার পাই নি তবে পরবর্তী প্রজন্মকে দ্বীনি পরিবেশ করে দিতে চাই।সবাই মিলে জান্নাতে যেন যেতে পারি।এটাই একমাএ সপ্ন ও লক্ষ্য। আল্লাহর ঘরে যাওয়ার ইচ্ছে অনেক এছাড়াও আমি মর্জিত রুচিসম্মত ব্যাক্তি।পরিষ্কার পরিছন্ন থাকতে ও রাখতে পছন্দ করি।রুম ডেকোরেট করতে পছন্দ করি,ঘুরতে যেতে পছন্দকরি সুন্দর সুন্দর প্রাকৃতিক জায়গাগুলে,সমুদ্র ও পাহাড় ভালো লাগে,রান্না বান্না যদিও তেমন করা হয় না তবে নতুন নতুন মজার মজার খবার বানাতে ভালো লাগে।ইসলামিক বই পড়ার অভ্যাস আছে। আমার বেশী কিছু চাহিদা নেই,সামান্য একটু ফুল আইসক্রিম পেলেই আমি অসম্ভব খুশি হতে পারি। আমার চাওয়া পাওয়াগুলো খুবই সামান্য কেউ মন থেকে আমাকে খুশি করতে চাইলেই আমাকে খুশি করানো সম্ভব সামান্য কিছু দিয়েই অপছন্দ বলতে, অপরিস্কার অপরিছন্ন, মিথ্যা কথা বলা,পরনিন্দা করা,কারো বিরুদ্ধে কোন কূটনীতি করা,অযুক্তি কথাবার্তা, না বুঝে কিছু বলা,চিৎকার চেচঁামেচি করা,নামাজ ত্যাগ, খুব বেশী কৃপনতা করা আর একদম ইন্ট্রোভার্ট গোমড়ামুখেো লোক আমার অপছন্দ।
|