| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। মহান রাব্বুল আলামীনের রহমতে ২০২১ সাল থেকে সালাত আদায় সম্পর্কে সচেতন হই এবং নিয়মিত সালাত আদায়ের চেষ্টা করতাম। তবে মাঝে কিছু সময়ে নফসের ধোঁকায়, শয়তানের ওয়াসওয়াসার প্রভাবে একটা সময় সালাত আদায়ে অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম, কাযা হয়ে যেতো প্রায়ই । কিন্তু বর্তমানে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ মেহেরবানীতে এই ভয়াবহ গাফেলতি সম্পর্কে পূর্ণবার সচেতন হই এবং মহান আল্লহর কাছে তওবা চেয়ে আবার তাঁর দরবারে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছি এবং ইবাদতের স্বাদ নিতে পারছি আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণত ১-২,,,,৩ ওয়াক্ত কাযা হয়ে যায়। কলেজ-কোচিং এ উপস্থিত থাকার কারণে মাঝেমাঝে যোহরের সালাতটা কাযা হয়ে যায়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ পারি। তবে আরো ভালোভাবে তিলাওয়াত শেখার নিয়ত আছে।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ, একটি minor health issue(piles) রয়েছে তবে নিয়ন্ত্রণে। দৈনন্দিন কাজে, নামাজ-ইবাদতে কোনো অসুবিধা হয় না আলহামদুলিল্লাহ। বৈবাহিক জীবনে কোনো প্রভাব পড়বে না ইনশাআল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
বেশিরভাগই শিরক- বিদয়াতের সঙ্গে যুক্ত। এসবে আমার আগ্রহ নেই বরং অপছন্দ।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর্ রাহিকুল মাখতূম, প্রদীপ্ত কুটির, ফাতেমাতুয যাহরা, ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, জীবন যেখানে যেমন। এছাড়াও আরো বেশ কিছু বই পড়া আছে।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা তারিক জামিল, নোমান আলি খান।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিশ্চয় কোনো মানুষই পরিপূর্ণ নয়, আমিও তার ব্যতিক্রম নই। আমারও ভুল-ত্রুটি আছে। আমি শুধু চেষ্টা করি রবের সন্তুষ্টির পথে চলার। বই পড়া, নীরবতায় রবের সাথে কথা বলা ও সবার জন্য দোয়া করা আমার প্রিয় অভ্যাস। গীবত, হিংসা, হারাম সম্পর্ক ও জোর-জবরদস্তি অপছন্দ করি। স্বপ্ন দেখি সুন্নাহ মোতাবেক একটি দ্বীনি পরিবার গঠনের, যার মূল লক্ষ্য হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করি। আমি অল্পতেই খুশি হই, আবার অল্পতেই কষ্ট পাই। আমার দু'আ, জীবনসঙ্গী যেন আমার ভুল-ত্রুটিগুলোকে ক্ষমার চোখে দেখে ভালোবাসা দিয়ে শুধরে দেন। আমার ফিউচার জেনারেশনকে দ্বীনের দায়ী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাদেরকে একটি পরিপূর্ণ দ্বীনি পরিবেশ উপহার দিতে চাই। আমার এবং আমার জীবনসঙ্গীর জন্য তাদেরকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে রেখে যেতে চাই ইনশাআল্লাহ। এই স্বপ্ন পূরণের জন্য অবশ্যই একজন প্রকৃত দ্বীনদার জীবনসঙ্গী প্রয়োজন, যিনি আমাদের ওস্তাদ হবেন আর আমরা হবো তার সহচর। আমাদের পথচলা হবে জান্নাত পর্যন্ত দীর্ঘ ইনশাআল্লাহ।
|