| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ,২০১৮ সাল থেকে নিয়মিত পাচঁ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি । বালেগা হওয়ার আগে থেকে পড়তাম। তখন বেশিরভাগ সময় ফজর কাযা হত।বাকি ৪ ওয়াক্ত সলাতে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লার কাছে কান্নাকাটি করে চাইতাম ।অতঃপর আমার রব আমার দু'আ কবুল করেছেন ।ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ ,সর্বোত্তম চেষ্টা থাকে কাযা না করার ।এক্সিডেন্টলি কখনও এক ওয়াক্ত কাযা হলে , এই বিষয় নিয়ে মাথা ব্যথা ও অন্তর হাস ফাসঁ করতে থাকে । |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ। তবে আরও দক্ষ হওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ,না।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে কবরে শুয়ে থাকা ব্যক্তিকে সিজদাহ করা,তার কাছে কিছু চাওয়া, মান্নত করা শিরকে আকবর।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
রাহে বেলায়াত ,যেমন ছিলেন তিনি ১,২,প্যারডক্সিক্যাল সাজিদ ১,২,অবাধ্যতার ইতিহাস, ইত্যাদি ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়খ আহমাদুল্লাহ, ড আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, উস্তাদ জুবায়ের আহমেদ প্রমুখ ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আ'উযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রজীম। আলহামদুলিল্লাহ ,আল্লহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ঈমানের সহিত দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন এবং এই ঈমানের সহিত শাহাদাতের সুধা নাসীব করুন। রিলেশনশিপের মতো হারাম থেকে আল্লহ আমাকে হিফাজত করেছেন।শুকরান লা ফাখরান । আল্লহ ও বান্দার হকের ব্যাপারে খুবই সচেতন থাকার চেষ্টা করি।কবরের আযাব ও জাহান্নামের আগুনকে বড্ড ভয় পাই।সব প্রকারের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। নিজের কথাবার্তা ও আচার - ব্যবহারে অন্যদেরকে দাওয়াহ দেওয়ার চেষ্টা করি । মা বাবা ও বড়দের এবং আশেপাশের মানুষের কাছে আমার যে দুনিয়াবি অভ্যাসটি ভালো লাগে না, সে অভ্যাসটি পরিহার করার চেষ্টা করি। অনলাইনে ক্বারীদের তিলাওয়াত এবং শায়েখদের দ্বীনি আলোচনা শোনা হয়। কুরআন ও হাদীসের আলোকে জানার চেষ্টা করি এবং যতটুকু জানি ,ততটুকু আমল করার প্রাণপণ চেষ্টা করি। পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ পেলে মনে হয় যেন জান্নাতের প্রশান্তি দুনিয়াতে একটুখানি পেয়েছি। আমি চাই আমার ঘর যত ছোটই হোক কেন !তাতে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ থাকবে ।ইন শা আল্লহ কিছুটা স্বাস্থ্যসচেতন। তাই চিনিযুক্ত খাবার,বাইরের ফাস্টফুড /জান্কফুড যথাসম্ভব না খাওয়ার চেষ্টা করি। বিভিন্ন ড্রিংকস একদমই পছন্দ না।প্রাণ ও আরএফএল ( কাদিয়ানী কোম্পানি ) এর পণ্য,ইন্ডিয়ার পণ্য, ইসরাইলি বা ইসরাইল সমর্থক পন্য কোনো অবস্হাতেই না কেনার চেষ্টা করি । বিয়েতে মেয়ের পক্ষ থেকে যৌতুক, রমাদ্বনে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ইফতার সামগ্রী ও কুরবানে ছাগল পাঠানো এগুলোকে খুব ঘৃণা করি।(মনে মনে এগুলো পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ রইল।) দুই ব্যক্তিকে দেখে ঈর্ষা হয়। যে জ্ঞানী এবং মানুষকে আল্লহর দিকে ডাকে।অপরজন যার টাকা আছে এবং তিনি বেহিসাব দান করে। আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একদম শিশু থেকেই কুরআন ও সুন্নাহর অনুসারী, বইমুখী করা ,বাইরের খাবার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে পুরোপুরি মুক্ত রাখার নিয়াত আছে ইন শা আল্লহ। মৃত্যুর পর সদকায়ে জারিয়া হিসেবে নেককার সন্তান রেখে যেতে চাই। প্রিয়জন ও আশপাশের মানুষ নিয়ে একসাথে জান্নাতে যাওয়ার আশা পোষণ করি।জান্নাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করতে ভালো লাগে। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার প্রিয় বান্দী,রাসুল ﷺ এর শ্রেষ্ঠ উম্মাত, মা বাবার বাধ্য সন্তান ,অনুগত আহলিয়া,আদর্শ ও দ্বীনদার মা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চেষ্টা করি। উল্লেখিত বর্ণনাগুলো লিখেছি যাতে আমার সম্পর্কে কিছুটা স্বচ্ছ ধারণা পেতে পারেন।আমার রব !আমাকে রিয়া থেকে হিফাজত করুন আমিন। وما توفيقي الا با الله
|