| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী হ্যাঁ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি।ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
হয় না,আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
কুরআন তিলওয়াত করতে পারি আলহামদুলিল্লাহ।তবে চেষ্টায় আছি পরিপূর্ণ সহীহ শুদ্ধভাবে শিখার ইনশাআল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ পরিপূর্ণ সুস্থ রেখেছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা।তবে বিশেষ কিছু যদি জানাতেই হয় তাহলে বলবো চশমা ব্যাবহার করা হয়,দুরের জিনিস কিছুটা কম দেখি তাই।আর আমার ছোটবেলা থেকে হাত,পায়ের তালু প্রচুর ঘামায়।তবে সবসময় না মাঝে মাঝে,পরীক্ষার সময় বেশিই..আর কাপড়ে কিছুটা এলার্জি আছে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
কোনো বিশ্বাস নেই।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
কুররাতে আয়ুন, জীবন যেখানে যেমন, বেলা ফুরাবার আগে, শুকরিয়া, আল কুরআনের বাংলা মর্মবাণী, আরও কিছু আছে।আর কিছু চলমান আছে,সম্পূর্ণ শেষ হয়নি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
উস্তাদ মাওলানা মামুনুর রশিদ,মিজানুর রহমান আজহারী,নোমান আলী খান, শায়েখ মাহমুদ বিন ক্বাসিম, মুহাম্মদ নাসীল শাহরুখ ওনাদের ইসলামিক লেকচারগুলো শুনতে ভালো লাগে আলহামদুলিল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের শখ,পছন্দ-অপছন্দ,রুচিবোধ স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়গুলো বলার আগে একটু ভিন্নভাবে শুরু করতে চাই।আমাদের সবার প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মের পর থেকে,একের পর এক ওনাকে মমতা করার মতো মানুষগুলো চলে গিয়েছিলেন।এভাবে মমতা করার মানুষগুলো চলে যাওয়া,আল্লাহ এর মাধ্যমে প্রমাণ করতে চাচ্ছিলেন আল্লাহর রহমত,বরকতেই উনি বেড়ে উঠবেন।আল্লাহর রহমত,বরকতই ওনার জন্য যথেষ্ট।উনাকে বড় হয়ে যেহেতু এত বড় দায়িত্ব নিতে হবে তাই ছোট থেকেই ওনার মনকে প্রস্তুত করছিলেন।আমরা যখন খুব কষ্ট পাই,আমাদের কষ্ট লাগে..একেকটা কষ্ট মানে, নিজেকে শক্ত করার একেকটা মাধ্যম।কষ্ট না পেলে জীবনে সহনশীলতা আসে না,কষ্ট না পেলে জীবনে দায়িত্ব নিতে শিখে না কেউ।দৃঢ় হয় না,কেউ সবর শিখে না।প্রত্যেকটা কষ্টই আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনে।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলার কাছে তো প্রতিদান আছেই, কিন্তু আমাদের নিজেদের জন্যই আসলে মঙ্গল বয়ে নিয়ে আনে।এই কথাগুলো আমি আমার নিজের এই ছোট্ট জীবনের সাথে অনেক অনুভব করতে পারিই আলহামদুলিল্লাহ।ছোটবেলার শখের কথা যদি মনে করি,ছোট ছোট কিছু শখ ছিল,নিজের একটা লক ডায়েরী থাকা,একটা সুন্দর বড় টিটি রং এর বক্স থাকা,জলরং,তুলি...ঈদের সময় ঈদ কার্ড দেওয়া-প্রিয় মিসদেরকে,পিচ্চি খেলার সাথীগুলোকে,তারপর যখন ইকটু বুঝতে শিখি নিজেই বানানোর চেষ্টা করতাম কার্ডগুলো...আরো কত ছোট ছোট দুনিয়াবি শখ ছিল ওই ছোট মনটাতে।ডায়েরীতে লিখে রাখতাম কাউকে না বলা কথাগুলো।কিভাবে যেনো বাসার কারো না কারো মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা আমাকে তার থেকেও বহুগুনে খুশি করে দিতো আলহামদুলিল্লাহ।এখনের কিছু শখ,স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লিখছি ইনশাআল্লাহ। ১.যে সরল-সুন্দর পথে চললে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা খুশি হয় ওই সুন্দর সরল পথটাতে নিজেকে শান্ত রাখা,স্থির রাখা।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলার রহমত সবসময় অনুভব করা ইনশাআল্লাহ। ২.নিজ আত্মাকে পবিত্র রাখতে চাই,যাতে আত্মা ইলম গ্রহণের উপযোগী হয়।এমন নূর চাই,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা থেকে যা থাকা অবস্থায় ইলমের আমল না করে পারা যায় না,মনে শান্তি আসে না,গুনাহ হয়ে গেলে অস্থির লাগে,কেঁদে কেঁদে তাওবা না করলে স্বস্তি আসে না। ৩.উম্মাহাতুল মুমিনীনদের জীবন আদর্শে নিজের জীবন গড়ে তুলতে চাই ইনশাআল্লাহ। ৪.জানা বিষয়ের উপর বেশি বেশি আমল করতে চাই ইনশাআল্লাহ।জানা বিষয়ের উপর বেশি বেশি আমল করলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা অজানা বিষয় জানিয়ে দেয়। ৫.অল্পে তুষ্ট থাকতে চাই সবসময় ইনশাআল্লাহ। ৬.রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ হতে হলে,"নিজের জন্য যা পছন্দ করো,অন্যের জন্য তা পছন্দ করবে।"সবচেয়ে ন্যায়পরায়ন হতে চাই ইনশাআল্লাহ। ৭.আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা ও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা ভালোবাসেন তা ভালবাসতে চাই, যা অপছন্দ করেন তা অপছন্দ করতে চাই ইনশাআল্লাহ। ৮.হেদায়েতের প্রশান্তিগুলো অন্যরকম,হেদায়েতের স্বাদগুলো পেতে চাই সবসময় ইনশাআল্লাহ। ৯.কাঁদতে বেশি চাই,হাসতে কম চাই।বেশি হাসলে মানুষের কলব কঠিন হয়ে যায়।একজোড়া অশ্রুসিক্ত নয়ন চাই আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলার কাছে ইনশাআল্লাহ। যতটুকু পেরেছি নিজের মনমতো গুছিয়ে লিখার চেষ্টা করেছি।উপরোক্ত কথাগুলোর মধ্যে কল্যাণকর কিছু থেকে থাকলে তা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলার তরফ থেকে,আর অকল্যাণকর কিছু থেকে থাকলে তা আমার নফস ও শয়তানের তরফ থেকে।নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া'তাআলা উত্তম পরিকল্পনাকারী।
|