| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা, প্রায় ১৭ বছর যাবৎ তবে মাঝখানে কিছুটা সময় গ্যাপ হয়েছিলো লাস্ট ৬ বছর ধরে রেগুলার হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
এটা নির্দিষ্ট নাহ, কোন সপ্তাহে একদম ই হয়না আবার কোন সপ্তাহে ১/২ ওয়াক্ত |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জি, আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
বড় ধরণের কোন রোগ নেই। মানুষ হিসেবে সুস্থতা অসুস্থতা থাকেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে যাওয়া নিষেধ। মানত করা বা কিছু দেওয়া শির্ক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
অনেকগুলো বই পড়েছি তবে মনে দাগ কেটেছে এমন ৩ টি বই যদি বলি: ১) বেলা ফুরাবার আগে ২) ফেরা ১&২ ৩) দোআ কবুলের গল্পসমূহ ৪) চোখে দেখা কবরের আজাব (তারেক জামিলের)
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১) মুফতি আরিফ বিন হাবিব ২) শাইখ আহমদুল্লাহ ৩) আবদুল্লাহ বিন আবদুর রাজ্জাক (ওনি আহলে হাদীস, মাজহাব রিলেটেড আলোচনা বাদে অন্যান্য আলোচনা শুনি) ৪) আনিসুর রহমান আশরাফি ৫) তৈয়ব আশরাফ (ওনাকে অধিকাংশ মানুষ চিনেনা বাট ওনার আলোচনা অন্তরে নূর তৈরী করে আলহামদুলিল্লাহ) ৬) জাকারিয়া মাসুদ (ওনি আলেম নাহ বাট একজন দাঈ, ওনার আলোচনা অনেক ভাল লাগে & নিয়মিত শুনি)।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
শখ ভ্রমণ ও খেলাধুলা। তবে অবশ্যই ইসলাম অনুমোদিত খেলাধুলা। ভ্রমণের ক্ষেত্রেও কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করি। ভবিষ্যতে আহলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ইসলামি বিধিবিধান অনুসরণ করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করার ইচ্ছা রয়েছে, ইনশাআল্লাহ। পছন্দ: প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের মানুষের বিপদে পাশে থাকতে ভালো লাগে। সেটা আর্থিক, মানসিক কিংবা শারীরিক—যেকোনো ধরনের সহযোগিতাই হোক না কেন, সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করার চেষ্টা করি। মেহমানদারি করতে খুব পছন্দ করি। কুরআন & সুন্নাহ অনুযায়ী , মেহমান আগমনের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা রিজিকে বারাকাহ দান করেন। এক কথায়, মানুষের উপকার করতে ভালো লাগে এবং মানুষের উপকারের মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি অনুভব করি। গুছানো & পরিপাটি জীবন আমার পছন্দ। বারান্দায় কিংবা ছাদে গাছ লাগানোও আমার পছন্দ। স্বপ্ন ও লক্ষ্য: ১) আহলিয়াকে নিয়ে হজ্জ পালন বিয়ের পর যত দ্রুত সম্ভব আহলিয়াকে নিয়ে হজ্জ পালন করতে চাই, ইনশাআল্লাহ। এ লক্ষ্যে বিয়ের পর থেকেই হালাল উপার্জনের একটি অংশ নিয়মিত সঞ্চয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২) আদর্শ স্বামী ও আদর্শ বাবা হওয়া: কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন আদর্শ স্বামী এবং একজন আদর্শ বাবা হওয়ার চেষ্টা করা আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বাবা তো মারা গিয়েছেন, মায়ের একজন আদর্শ সন্তান হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রতিবেশী & আত্মীয় স্বজনদের হকের বিষয়েও সচেতন। ৩) একটি বিশেষ ব্যক্তিগত স্বপ্ন: আরও একটি বিশেষ স্বপ্ন রয়েছে, যা আপাতত প্রকাশ করতে চাই না। বিয়ের সময় আহলিয়া সম্মত হলে ইনশাআল্লাহ সেটি বাস্তবায়ন করব। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করে রেখেছি এবং আশা করি আহলিয়া এতে সম্মত হবেন, ইনশাআল্লাহ। ৪) একটি ব্যতিক্রমধর্মী সমাজকল্যাণমূলক স্বপ্ন: আরও একটি ব্যতিক্রমধর্মী স্বপ্ন রয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য মাখলুকের সেবার মাধ্যমে রবের সন্তুষ্টি অর্জন করা। আল্লাহ তাআলা হায়াত ও তাওফিক দিলে এটিও বাস্তবায়নের ইচ্ছা আছে। এর প্রস্তুতিও চলমান রয়েছে। পরিবার, বিশেষ করে আমরা তিন ভাই সম্মিলিতভাবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করেছি, ইনশাআল্লাহ। একজন আলেমের আলোচনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এ পরিকল্পনার চিন্তা মাথায় আসে। আমার জানা মতে, মুসলিম সমাজে এ ধরনের উদ্যোগ এখন খুব একটা দেখা যায় না, তবে অতীতে ছিলো। আল্লাহ তাআলা কবুল করলে এটি মুসলিম সমাজের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে, ইনশাআল্লাহ। প্রতিটি স্বপ্নের জন্য আলাদাভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং নিয়মিত আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি, যেন মৃত্যুর পূর্বে তিনি আমাকে এসব কল্যাণকর স্বপ্ন বাস্তবায়নের তাওফিক দান করেন। অপছন্দ- যাদের মধ্যে সততা, মানবিকতা ও পরোপকারিতা নেই, তাদের মানসিকতা আমার অপছন্দ। আমার বিশ্বাস, একজন মুমিন অসৎ ও স্বার্থপর হতে পারেন না। একজন মুমিন তার অপর ভাইয়ের জন্য সদয় হবেন, মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়াবেন এবং সাধ্য অনুযায়ী উপকার করার চেষ্টা করবেন। এছাড়া যারা মেহমান আসাকে অপছন্দ করেন, সেই মানসিকতাও ভালো লাগে না। কারণ মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর সাহাবায়ে কেরামের জীবনী থেকে আমরা মেহমানদারির গুরুত্ব স্পষ্টভাবে দেখতে পাই। মেহমানদারি আমাদের পিতা ইব্রাহিম (আ.)-এর অন্যতম সুন্নাহও বটে। তাই মেহমানকে সম্মান করা ও আন্তরিকভাবে আপ্যায়ন করাকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান একটি গুণ মনে করি। উচ্চাভিলাষী আকাঙ্খা ও আমার অপছন্দ।
|