| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
বুদ্ধিসম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই আমার চিন্তা ভাবনাতে এসেছিল যে, কিভাবে একজন আদর্শ পুরুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায়। সেই মোতাবেক আমি জ্ঞান অর্জন শুরু করি ইসলামকে আরো জানতে বুঝতে চেষ্টা করি, তখন দেখলাম রাসূল সাঃ এর জীবনের দৈনন্দিন ধারাটাই আদর্শ পুরুষ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। তখন থেকেই নিয়ত করলাম আল্লাহ্ আমাকে যেমন আদর্শ ফিটনেস দিয়েছেন সেই সাথে আমি নিজের চরিত্র, আচার, আচরণ, চিন্তা-ভাবনা টাও আদর্শ রূপে তৈরি করব... ধাপে ধাপে নিজের ব্যক্তিত্ব, গাইরত, চিন্তার পরিধি, সকল কাজ কর্মে এক্সপার্ট করে নিজেকে তৈরি করেছি আলহামদুলিল্লাহ। আমি নিজেকে এমন ভাবে প্রস্তুত করছি যাতে আমার স্ত্রী আমার কোনো কাজে, চিন্তায়, ব্যবহারে কোনো প্রকার কষ্ট না পায়, সর্বদা একজন আদর্শ স্বামী ও বন্ধু রূপে পায়। আমি অনেক ধৈর্যশীল ব্যক্তি, আমার রাগ,জিদ খুবই কম, সেই সাথে আমার অন্তর টাও সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, অহংকার থেকে মুক্ত প্রায়। আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী, কারো সামনেই হক কথা বলতে দ্বিধাবোধ করি না, কাউকেই ভয় করি না আল্লাহকে ছাড়া, মাঝে মাঝে মা-বাবাকেও শাসন করি তাদের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার কারণে। নিজে সকল ক্ষেত্রে সৎ থাকার চেষ্টা করি। আল্লাহর প্রতি অনেক শুকরিয়া যে তিনি এই ফিতনার অন্ধকার সময়ে গ্রামীণ পরিবেশে আমাকে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন। দ্বীনের বুঝ দান করেছেন। শেষ জামানায় ঈমান টিকিয়ে রাখার জন্য গ্রামীন পরিবেশই উত্তম। প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে জীবনকে উপভোগ করাটা সবচেয়ে প্রশান্তিময় আমি মনে করি। আমার ছাদ বাগান করার খুব ইচ্ছা আছে, সঠিক উপায়ে, নিজের রোপণ করা গাছ থেকে সবজি,ফল সংগ্রহ করা, তাদের বেড়ে ওঠা দেখা, যত্ন নেয়া এটা একটা অন্যরকম প্রশান্তি। ছাদে দোলনার একটা সেট রাখার ইচ্ছা আছে, একসাথে চা খাওয়া,স্বচ্ছ মেঘের নিচে গ্রামীণ ফ্রেশ হাওয়া তে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে সময় কাটানোর প্রশান্তিটাই অন্যরকম। আমার ইবাদত করতে প্রচুর পরিমাণে আগ্রহ কাজ করে। নামাজে যে পরিমাণ অন্তরের প্রশান্তি পাই ওয়াল্লাহি, আল্লাহর কসম সেই শান্তি দুনিয়ার আর কোন কিছুতেই পাই না। ৩ বেলা খাবার, মাথার উপর একটা ছাদ, আর মানুষিক শান্তি টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছোট্ট এই জীবনে, সেই সাথে আল্লাহর ইবাদত। দুনিয়া তে কেউ পরিপূর্ণ তৃপ্ত হতে পারবে না, জান্নাতই একমাত্র তৃপ্তির জায়গা। রাসূল সাঃ এর পরিবেশের সাথে আমাদের বর্তমান পরিবেশকে কল্পনা করলেই শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। আমার ব্যক্তিগত কোনো ঘনিষ্ট বন্ধু নেই, আমি আড্ডাবাজি পছন্দ করি না কারণ, ওদের বেশিরভাগের সাথেই চিন্তা ভাবনার কোনো মিল পাই না, যারা আল্লাহর পথে চলে না বুঝাই তাদের,না বুঝলে নিজেই দূরত্ব কমিয়ে দেই। অনলাইন অফলাইনে যথাসম্ভব দৃষ্টি হেপাযত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, অবসরে ইউটিউবে বিভিন্ন শিক্ষণীয় ভিডিও গুলো দেখি সেই সাথে বিভিন্ন দেশের দর্শনীয় স্থানের টুর ভিডিও গুলো দেখতে ভালো লাগে। মাঝে মাঝে বাইক নিয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘুরতে যাই। এখন একটা আদর্শ পরিবার গঠন করার পরিকল্পনা আছে, সেজন্য একটা প্রকৃত মুত্তাকী, পরহেজগার স্ত্রীর জন্য অন্তরে শূন্যতা অনুভব করছি। আমি কথা দিচ্ছি আপনি আমাকে সর্বদা একজন আদর্শ স্বামী রূপে পাবেন ইনশাল্লাহ। আমার নিকট থেকে সর্বোচ্চ সম্মান, মর্যাদা ,যত্ন পাবেন স্ত্রী হিসাবে ইনশাল্লাহ্। আপনি হবেন আমার কাছে সবচেয়ে নিরাপদ ,প্রিয় ও সম্মানের ইনশাআল্লাহ।(অবশ্যই আল্লাহ্ ও তার রাসূল সাঃ এর পরে) উপরে যা কিছু বলেছি তার শতভাগই সত্য, এবং সবকিছুই বাস্তবে বাস্তবায়ন দেখতে পাবেন আমার থেকে ইনশাআল্লাহ।
|