| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ!! ৮ বছর বয়স থেকেই নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত সলাত আদায় করে আসছি আলহামদুলিল্লাহ। বুঝ হওয়ার পর থেকে কোনদিন ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত সলাতও কাজা করি নাই। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
মাসে দু এক ওয়াক্ত বিশেষ কারণ বা অসুবিধায়। যেমন সফর বা দূরপাল্লার গাড়িতে থাকলে। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি অবশ্যই। আলহামদুলিল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার হচ্ছে মহান আল্লাহ তাআলার সাথে অংশীদার স্থাপনের সবচেয়ে নিকৃষ্ট স্থান। যে এখানে শ্রদ্ধা সম্মান দেখাতে প্রবেশ করবে, সে সুস্পষ্ট মুশরিক। যাকে আল্লাহ তাআলা কখনো ক্ষমা করবেন না। এবং তার অবস্থান চিরস্থায়ী জাহান্নামের নিকৃষ্ট স্থান।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
প্যারাডক্সিকাল সাজিদ, প্রদিপ্ত কুঠির, প্রোডাক্টিভ মুসলিম
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আহমাদুল্লাহ, শায়েখ ইব্রাহীম বিন মুহাম্মাদ আলী মাদানী (সিলেট), ড. শহীদুল্লাহ্ খান মাদানী এবং আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের প্রতি আশা সবসময় দ্বীনের ওপর অটল অবিচল থাকার চেষ্টা করা — পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায়, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত ও দু’আ করা। চরিত্রে সততা, নরম মেজাজ ও ধৈর্য ধরে থাকা। স্ত্রীর সাথে বন্ধুর মতো সম্পর্ক গড়ে তোলা; তার কথা মন দিয়ে শোনা, সম্মান করা। সন্তানদের সামনে ভালো উদাহরণ হয়ে থাকা; তাদের ইবাদত, আদব ও শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করা। ঘরের আর্থিক ও মানসিক দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা, হালাল উপার্জনে মনোযোগী হওয়া। রাগ ও কষ্টের সময়ও কথা ও আচরণে নরম থাকা। স্ত্রীর প্রতি আশা দীনদার, লজ্জাশীলা, পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন ও নম্র হবেন। সালাত ও তাহাজ্জুদের জন্য ডেকে দেবেন, ইবাদতে সঙ্গ দেবেন। স্বামীকে ভালোবাসা, স্নেহ, মায়া ও মমতায় আগলে রাখবেন। ঘরের পরিবেশকে শান্ত, পরিপাটি ও ভালোবাসায় ভরা রাখবেন। স্বামীর পছন্দ–অপছন্দের প্রতি যত্নবান হবেন এবং তার ইজ্জত রক্ষা করবেন। গোসল ফরজ হলে বিলম্ব না করে পবিত্র থাকবেন। স্বামীর পরিবারকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি দেখাবেন, তাদের কষ্ট না দিয়ে সহনশীল আচরণ করবেন। স্বামীর কষ্টের সময় সঙ্গ দেবেন, আনন্দের সময় ভাগাভাগি করবেন। সন্তানের প্রতি আশা সালাত, কুরআন তিলাওয়াত ও উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দেব। খেলাধুলা, পড়াশোনা, নৈতিকতা ও আত্মসম্মানে ভারসাম্য রক্ষা করে মানুষ করতে চাই। আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও মানুষের প্রতি দয়া শেখাতে চাই। পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে চাই। ️পরিবারের সবার জন্য আশা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, ধৈর্য ও ভালোবাসা বজায় রাখা। মসজিদ, ইবাদত ও দোয়ার পরিবেশ ঘরে প্রতিষ্ঠা করা। কষ্টের সময় সহযোগিতা, সুখের সময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আত্মীয়তার বন্ধন শক্ত রাখা, কারও প্রতি অবহেলা না করা। সারমর্ম আমি চাই — একটি ঘর যেখানে সালাতের আহ্বান শোনা যায়, সন্তানদের হাসি আর কুরআনের তিলাওয়াতের শব্দ মিলে যায়। একটি পরিবার যেখানে আমরা একে অপরকে সম্মান করি, দোয়া করি, ভুল হলে মাফ করি, আর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবাই মিলে সুন্দর জীবন গড়ি।
|