Profile

বায়োডাটা নং : 9548

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2002
উচ্চতা ৫′ ৭″
গাত্রবর্ন ফর্সা
ওজন ৬৮ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ বি পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: পূর্ব নিলখী বক্তার মিয়াজী বাড়ী, ০৩ নং ওয়ার্ড,০১ নং ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন।
বর্তমান ঠিকানা ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
এলাকা/গ্রামের নাম: পূর্ব নিলখী বক্তার মিয়াজী বাড়ী, ০৩ নং ওয়ার্ড,০১ নং ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন।
কোথায় বড় হয়েছেন? নিজ বাড়িতে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০১৭
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? বি.এস.সি ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ফেনী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
পাসের সন ২০২১(পাশের সাল ২১ হলেও করোনার জন্য আমরা পাশ করে বেরিয়েছি ২০২২ এর জুলাইতে)
স্নাতকোত্তর /কামিল পড়াশোনার বিষয়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ,লেক ড্রাইভ রোড,এভিনিউ ৭,উত্তরা-১৭,ঢাকা,বাংলাদেশ।
পাসের সন
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ প্রাক্তন প্রবাসী(বাহরাইন,পাকিস্তান,মালয়েশিয়া)।বর্তমানে একটি বেসরকারি জীবন বীমা কোম্পানিতে আছেন।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ মূলত গৃহিণী।অবসরে বাসায় সেলাইয়ের কাজ করেন।একজন অভিজ্ঞ ট্রেইলর(অনলি লেইডিজ)
আপনার কতজন ভাই আছে? ২ জন
ভাইদের তথ্য আমি সবার বড়। মেঝো ভাই স্টুডেন্ট।ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেছে গতবছর।অনার্সে ভর্তি হবে।অবিবাহিত। ছোট ভাই ৯ম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত,অবিবাহিত,স্টুডেন্ট।কোন বোন নেই(বড় আফসোস)।
আপনার কতজন বোন আছে? নেই
চাচা মামাদের পেশা চাচা নেই,জেঠু একজন বেসরকারি চাকরিজীবি।পরিবার নিয়ে মিরপুর-১,ঢাকাতে সেটেল্ড। ফুফুরা ২জন।উভয়ই পরিবার নিয়ে ঢাকায় থাকেন।দাদার সরকারি চাকরির সুবাদে আমার পরিবারের অধিকাংশই ঢাকা কেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে। শুধু আমার বাবাই পিতার শেষ স্মৃতি গ্রামের বাড়িটা ধরে আছেন। মামা একজন।তিনি মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসস এ কর্মরত।বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি,ভাটিয়ারী,চট্টগ্রাম। দাদা নানা দুজনই সরকারি চাকরিজীবি ছিলেন। দাদা মৃত।বাংলাদেশ সরকারি প্রেস(বিজি প্রেস) এ চাকরি করতেন। নানা মৃত।বাংলাদেশ আর্মির সিনিয়র ইঞ্জিন অপারেটর ছিলেন।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ মধ্যবিত্ত আলহামদুলিল্লাহ। বাবা সুপরিকল্পিত জীবনযাপন না করায় সেই ছোট্ট বেলায়ই অভাব আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়।এরপর শুরু হয় এক অসহ জীবনযুদ্ধ।মায়ের কঠোর পরিশ্রম আর শক্তহাতে পরিবার পরিচালনায় আর আমার কঠোর পরিশ্রম ও সাধনায় আজকে একটা নয় দুটো নয় পুরো ১ হালি সরকারি চাকরি অর্জন করেছি(সর্বশেষ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র)।আল্লাহ দয়া করে এ নিয়ামত দিয়েছেন। মসজিদের পাশেই নিজস্ব আলাদা বাড়ি আছে সেখানেই বেড়ে ওঠা।আলাদা কৃষি জমি নেই।আল্লাহ চাইলে নিজে জমি কিনে বাড়ি করার ইচ্ছা আছে।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? পরিবারের সকলে নিয়মিত নামাজ আদায় করেন।ইসলামিক বিধিবিধান মেনে চলেন।পুরুষরা শালীন পোশাক পড়েন,আম্মা বাইরে বেরোতে বোরকা,হিজাব,নিকাব পড়েন।এখনো পরিপূর্ণ দ্বীনদার নন।এখনো কিছু গ্রামীণ প্রচলিত রীতিনীতিতে অভ্যস্ত। ক্রমাগত দূর করার চেষ্টা করছি।আলহামদুলিল্লাহ ফলাফল ইতিবাচক।সবার চিন্তাচেতনায় অনেক পরিবর্তন এসেছে ইতিমধ্যেই। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ পরিবর্তন আসবে।বলা হয় অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়।আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন অভাব দূর করেছেন,এবার মানসিকতা ও দূর হবে ইনশাআল্লাহ।।এমনিতে সহজ-সরল,উদারমনা,নীতিবান। মাহরাম নন-মাহরাম এর বিষয়ে এখনো বেশি সচেতন নন।যেহেতু সেরকম পরিবেশে বড় হয়েছেন,তবে আমার ক্ষেত্রে দ্বীনপালনে কখনো কোন বাধা কিংবা তিরস্কার করেন নি(যেমন দাড়ি রাখায় অনেককেই পরিবার থেকে অনেক কথা শুনতে হয়,আমার ক্ষেত্রে আলহামদুলিল্লাহ তেমন কোন কিছুই শুনতে হয় নি,আর আমার আহলিয়ার দিকেও কেউ আঙ্গুল তোলার সাহস করবে না ইনশাআল্লাহ)। আমার পরিবারে আমার অন্যরকম একটা সম্মান আছে আলহামদুলিল্লাহ যার ছায়া উনিও পাবেন।ওনার দ্বীন পালনেও যথেষ্ট সহযোগী হবেন ইনশাআল্লাহ।সবাইকে আস্তে আস্তে আরো বেশী দ্বিনের দিকে আগ্রহী করে তুলছি।ওনার দ্বীনদারিত্ব আম্মাকে আরোবেশি দ্বীনে অন্তর্ভুক্ত করাতে আমার জন্য সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। ২০১৬ সাল(১০ম শ্রেনী) থেকেই।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? সাধারণত সজ্ঞানে কখনোই কাজা হয় না।সফরের কারণে কখনো কখনো কোন ওয়াক্ত কাজা হয়ে যায় তবে সেটা খুব রেয়ার।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। সুমধুর সুরে কুরআন তেলাওয়াত আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? না আলহামদুলিল্লাহ।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? মাজারে সিজদা করা স্পষ্ট শিরক।জিয়ারত করা জায়েজ।তবে ব্যক্তিগতভাবে অপছন্দ করি।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন ১।বেলা ফুরাবার আগে ২।প্যারাডক্সিকাল সাজিদ ১,২ ৩।ফেরা ৪।বি স্মার্ট উইথ মুহাম্মদ সঃ ৫।পৃথিবীর পথে পথে(তাবলীগ প্রকাশিত) ৫।প্রত্যাবর্তন ৬।কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ ৭।যে জীবন জোনাকির যে জীবন ফড়িঙের ৮।মা মা মা ও বাবা ৯।দ্য মেসেজ ১০।হে আমার ছেলে
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ১।মাওলানা তারিক জামিল ২।মুফতি তাকি উসমানী ৩।ড. জাকির নায়েক ৪।ড. মিজানুর রহমান আজহারী ৫।শায়খ আহমাদুল্লাহ ৬।ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ৭।আবু ত্বোহা আদনান ৮।মুফতী রেজাউল করিম ৯।মুফতি ফয়জুল করিম ১০।মুফতি রেজাউল করিম আবরার
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন নিজের সম্পর্কে বলার মতো তেমন মহৎ কোন গুণ আমার নেই।ব্যক্তিগত ভাবে ভীষণ আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন,শান্ত,নম্র-ভদ্র,ঠান্ডা মস্তিস্কের মানুষ। সহজ সরল ধাঁচের।স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড। ভালমন্দ যাই বলি সামনাসামনি বলি,কারো পেছনে কথা বলা চরম অপছন্দের।তবে কারো অসম্মান হয় এমন কিছু বলি না।অর্থাৎ স্থান কাল পাত্র বিবেচনায় রেখে চলি।প্রয়োজন ব্যতীত,অহেতুক ফালতু কথা বলা কিংবা শোনা উভয়ই চরম অপছন্দের। কথা যত কম বিপদ ততো কম।তবে প্রিয়জনের সাথে অনেক বকবক করি। ব্যক্তিগত জীবনে আমি বেশ হার্ডওয়ার্কিং একজন মানুষ। খুব ছোটবেলা থেকেই দারিদ্রতার সাথে লড়াই করতে করতে হার্ডওয়ার্ক এবং মিতব্যয়ীতা আমার মজ্জাগত হয়ে গেছে। তাই সরকারি চাকরিজীবী হয়েও সবরকমের অসৎ পথ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার হিম্মত পোষণ করি।আমি সব জায়গাতেই ফিট হতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। নরম বিছানায় আরাম করে যেমন শুতে পারি তেমনি খালি ফ্লোরেও আরাম করে ঘুমাতে পারি।এককথায় এডজাস্টমেন্টে আমি দক্ষ।অবশ্যই সেটা নির্ভর করে সাথের মানুষ টা আমার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তার উপর। এমনিতে আমি বেশ ধৈর্যশীল, সহজে রাগী না।মানুষকে অনেক সুযোগ দেই।তবে একবার কারো প্রতি বিরাগভাজন হলে ২য় বার তার প্রতি কখনো কোন ফিলিংস কাজ করে না সে যে ই হোক।তাই এ ব্যাপারে আমার আশেপাশের সবাই বেশ সাবধানে থাকে এবং এটা আমার এমন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে যে আমার নিজের কাছেও এটার নিয়ন্ত্রণ নেই।কেননা আমি আমার মনকে প্রাধান্য দিই।আমার মন একবার যার থেকে ফিরে যায় ২য় বার তারদিকে আর ফিরে না, এটাকে আমার কাছে অসম্মানের মনে হয়। আমি যেমন অন্যকে শ্রদ্ধা/স্নেহ করতে পছন্দ করি,তেমনি পেতেও।মানুষের সাথে সহজেই মিশতে পারি,ভাল সম্পর্ক স্থাপন করতে পারি।আমার এই কষ্টকর জার্নিতে আমার আপন কেউ আমাকে সাহায্য করেনি, ইন ফ্যাক্ট তাদের সে যোগ্যতাও ছিলো না।এমন এমন মানুষ আমাকে হেল্প করেছে যাদেরকে আমি আজপর্যন্ত সরাসরি দেখিওনি।আমার কথাবার্তা আচার আচরণে ইম্প্রেসড হয়েই তারা এমনটা করেছে আলহামদুলিল্লাহ। আমি আদরের কাঙাল। একটুখানি ভাল ব্যবহার, কেয়ার এর বিনিময়ে জানটাও দিয়ে দিতে পারি আবার অপজিটে সামান্যতম অবহেলা অসম্মান এর বিনিময়ে তীব্র ঘৃণাও করতে পারি। অবসরে বই পড়া,বাগান করা আমার শখ।দ্বীনি ইলম শেখায় সময় ব্যয় করতে পছন্দ করি।সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকতে পছন্দ করি। সহজ-সরল জীবনযাপনে স্বাচ্ছন্দবোধ করি তবে স্বপ্ন অনেক বড়।লড়াকু মন-মানসিকতা লালন করি।অলসতাকে ঘৃণা করি।সেসব মানুষকে ও যারা দায়িত্বের প্রতি উদাসীন। অকৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে চরম ঘৃণা করি।যাদের মধ্যে এসব স্বভাব বিদ্যমান তাদেরকে প্রকাশ্য ঘৃণা করি ও এড়িয়ে চলি। ব্যক্তিজীবনে সততার চর্চা করি।কিভাবে পরিবারের সদস্যদের খুশি রাখা যায় তাদের উন্নতি করা যায় সদা সেই ফিকিরে থাকি।ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা করি না।সকলকে সাথে নিয়ে ভালো থাকাতেই প্রকৃত স্বার্থকতা বলে মনে করি। ঝগড়াঝাটি, চিল্লাচিল্লি আমার দুই চোখের বিষ।আমি তীব্র অপছন্দ করি।আল্লাহর দুনিয়ায় সমস্যা যেমন আছে,সমাধান ও আছে।যারা ঠান্ডা মাথায় বসে সমস্যা সমাধান করতে পারে তারাই প্রকৃত আশরাফুল মাখলুকাত।বিপরীতে যারা অহেতুক ঘ্যানঘ্যান, ঝগড়াঝাটি,চিল্লাচিল্লি করে লোক হাসায় তাদেরকে আমি চরম ঘৃণা করি। বান্দা হিসেবে আমি একজন শোকরগুজার মানুষ। অল্পে তুষ্ট।সর্বদা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি যা কিছু ওনার পক্ষ থেকে বরাদ্দ হয় তারজন্য। এইতো আমি,সর্বদা নিজেকে আরো বেশি পরিশীলিত করার চেষ্টায় রত।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? অফিসে শার্ট-প্যান্ট,শু পরা হয়।অর্থাৎ ফর্মাল পোশাক।বাসায় স্বাভাবিক পোশাক আশাক পরা হয় (অবশ্যই টাকনুর উপরে)।পাঞ্জাবি আমার সবচেয়ে বেশি প্রিয় একটি পোশাক।বিশেষ করে কালো পাঞ্জাবি কেননা কালো আমার প্রিয় রঙ।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ।৬ বছর যাবৎ(কখনো দাড়ি মুণ্ডন করিনি)।
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। সবসময়।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? জ্বি আলহামদুলিল্লাহ। কোন নন-মাহরাম নারীর সাথে কথা বলা তো দূর চোখ তুলেও তাকাই না।এটা দীর্ঘদিনের চর্চায় অভ্যাস হয়ে গেছে।অনলাইনে অফলাইনে অনেকেই ইশারা ইংগিত করে সেখানেও রিপ্লাই দেওয়া হয়না আল্লাহর ভয়ে।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? নাটক সিনেমা দেখা হয়না আলহামদুলিল্লাহ।নাশীদ শোনা হয়।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোন কিছুর সাথে এড নেই।তবে নিজে দ্বীন সম্পর্কে জানা এবং অনলাইন/অফলাইনে অন্যকে জানানোতে অনেক বেশি আনন্দ অনুভব করি।সু্যোগ পেলেই নিজের কাছের মানুষদের দ্বীনি বিষয় সম্পর্কে জানাই,তাদের থেকে জানি।ফজরের পর তালিমে বসি, নিজেও করি,কুরআন তিলাওয়াত করি।দাওয়াত এ তাবলিগে ওনাকে সহ নিয়ে একসাথে সময় দেওয়ার তীব্র বাসনা পোষণ করি।
পেশাগত তথ্য
পেশা ইঞ্জিনিয়ার
পেশার বিস্তারিত বিবরণ পেশায় আমি একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়য়ের অধীনস্হ একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানি তথা বাপেক্সে একজন সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার(মেকানিক্যাল) হিসেবে কর্মরত আছি আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়াও আরো ০৩ টি সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড তথা পিডিবি, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড তথা বিডব্লিওডিবি এবং রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আমার জব হয়েছিল কিন্তু ওসবে হারাম আয়ের ছড়াছড়ি থাকায় জয়েন করিনি।এখানে সৎপথেই স্বচ্ছলভাবে চলার সুযোগ আছে আলহামদুলিল্লাহ।
মাসিক আয় ২৫,০০০৳
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? হ্যাঁ ইনশাআল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? পর্দা মেনে যদি সম্ভব হয় তবে অবশ্যই। নিজে অনেক সংগ্রাম করে পড়াশোনা করায় পড়াশোনার প্রতি আমার পজিটিভ মাইন্ডসেট বিদ্যমান। তবে ফিৎনাময় এই যুগে মেয়েদের একাডেমিক পড়াশোনা সত্যিই বেশ কঠিন
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? না।উনি হবেন আমার রাণী।আর রাণীরা রাজা ছাড়া আর কারো অধীনস্ত থাকে না।আল্লাহ যেন আমাকে সুস্থ রাখে যাতে কখনো এমন দিন দেখতে না হয়।এই কঠিন দুনিয়ার সাথে আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করে যাব তবু তাকে কারো অধীনস্হ হতে দেব না।তবে ঘরে বসে পর্দা মেনে যেসব কাজ করা যায় যদি তিনি চান করতে পারবেন।সেক্ষেত্রে আমিও তাকে হেল্প করব।এটা তার প্রতি সম্মানের জায়গা থেকে,প্রফেশনাল ভাবে নয়।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? নিজ গ্রামের বাড়িতে।বাড়িতে হাফ টিন,হাফ টিনের ঘর তোলা আছে,একপাশে ওয়াল অন্যপাশে টিনের বেড়া দেওয়া আছে।আহলিয়া দেখে সন্তুষ্ট হলে বাড়িতেই থাকতে পারবেন,অন্যথায় নতুন ঘর তোলা পর্যন্ত তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করতে পারবেন(আকদ শেষে),ঘর নির্মাণ শেষে উঠিয়ে আনা হবে(চেষ্টা চলমান,বেশিদিন লাগবে না ইনশাআল্লাহ)।এ সুযোগে বিয়ের পর প্রেম করার সাধটাও পূর্ণ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ :)
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? না।আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমি এসব খুব ছোটবেলা থেকে যখন দ্বীনের বুঝ ছিলোনা তখন থেকেই ঘৃণা করি এবং আমার কাছের মানুষদের সবসময় এসব থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিই। তারা যে তাদের কলিজার টুকরাকে আমার হাতে তুলে দিবেন সেটাই তো অনেক বেশিকিছু।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? নিজের অর্ধেকদ্বীন পূর্ণ করার জন্য,জাহেলিয়াত ও ফিৎনার এই যুগে নিজের চরিত্র ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের জন্য,দিনশেষে একজন মানসিক শান্তিদাতা জীবনসঙ্গিনীর জন্য।সর্বোপরি নবীর সুন্নত পালনের জন্য।এই জাহেলিয়াত এর যুগে যেখানে হাত বাড়ালেই হারাম সম্পর্ক করা যায় সে যুগেও নিজেকে অনলাইন অফলাইন সব ক্ষেত্রেই পবিত্র রাখা একটা কঠিন যুদ্ধ আর আমি সে যুদ্ধটা লড়ে আসছি অনেক বছর ধরেই।দিনশেষে আমিও একজন মানুষ। আমারো ফিজিক্যাল & মেন্টাল নিড আছে।দিনদিন সেটা বাড়ছেই।আমি ভয় পাই শয়তান আমাকে গোমরাহ করে ফেলে কিনা।তাই একজন হালাল চক্ষুশীতলকারিনী জীবনসঙ্গী পেয়ে নিজের এই পবিত্রতাকে বজায় রাখার জন্য বিয়ে ছাড়া আর কোন হালাল পন্থা নেই।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-21
উচ্চতা ন্যুনতম ৫' বা একটু বেশি। মানুষ টা ভাল প্রয়োজন।উচ্চতা বা গাত্রবর্ণ কোন ব্যাপার নয়।
গাত্রবর্ন উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা
পেশা ন্যুনতম এইচএসসি।বিজ্ঞান বিভাগের হলে ভাল হয়(ওয়ে অব থিংকিং ম্যাচ করবে ভাল সেক্ষেত্রে),অন্য গ্রুপের হলেও অসুবিধা নেই।
জেলা ফেনী হলে সর্বোত্তম।ফেনীর আশেপাশে হলে ভাল।মানুষটা ভাল হলে দূরত্ব কোন বিষয় নয়।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা ছাত্রী।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত(কুফু মিলে এমন)।হালালভাবে সচ্ছল পরিবার।পিতৃপ্রধান পরিবার হতে হবে।শিক্ষক পিতার কন্যা অগ্রাধিকার।সমাজে সম্মানিত এমন পরিবার।
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
প্রথমেই বলে নেই,ওনার থেকে আমার অনেক এক্সপেকটেশানস(জাগতিক কিছু নয়,মনস্তাত্ত্বিক)।ইতিমধ্যেই আমি অনেকবার বলেছি শুধু ওনার জন্য,ওনার আশায়,ওনার স্বপ্নে আমি আজপর্যন্ত নিজের সাথে কোন কালিমা লেপন করি নি।কাউকে এ মনের অংশীদার করিনি।একদম ফ্রুটিকা পিওর মন পুরোটাই নির্ভেজাল একান্তই ওনার হবে।তাই এ টুকু এক্সপেকটেশানস আমি ওনার থেকে রাখতেই পারি আশা করি। ইতিমধ্যেই আমি আমার সম্পর্কে বলেছি।আমি স্বপ্ন দেখি আমারই মতো সংগ্রামী, দ্বীনদার,পর্দানশীন, দয়ালু,আমার মত করে ভাবতে সক্ষম, সম্মানিত পরিবারের সংগ্রামী একটা মেয়ে,ম্যাচিওর্ড,শিক্ষত,সুমিষ্টভাষী,জ্ঞানী,বুদ্ধিমতী,সুন্দর মনের সচ্চরিত্রা একজন জীবনসঙ্গিনীর যার সাথে একসঙ্গে জান্নাতে যেতে পারব ইনশাআল্লাহ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে জিনিসটা চাই তা হচ্ছে সুশিক্ষা, জ্ঞান যেন স্থান কাল পাত্র বুঝে সিচুয়েশন অনুযায়ী দক্ষভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে এমন কেউ।যেহেতু সে বড় বউ হবে তাই তাকে ম্যানেজমেন্ট এ দক্ষ হতে হবে।আমি স্বপ্ন দেখি এমন কেউ আমার জীবনে আসুক যে আমাকে কখনো এমন পরিস্থিতিতে না ফেলুক যে,"মা বড় না বউ বড়?" আমি কাউকে ফেলে কাউকে বেছে নিতে পারব না কেননা একজন আমাকে জন্ম দিয়েছেন অন্যজন আমার সন্তানকে জন্ম দিবেন তাই দুজনেই আমার কলিজার টুকরা।কেউ কম কেউ বেশি নয়।আসলে দুইজন দুই ধরনের ইম্পরট্যান্স বহন করেন।কারো সাথে কারো তুলনা করাটাই মূর্খামি। আমার মা-বাবাকে বিশেষ করে আমার আম্মাকে অনেক বেশি ভালবাসবেন।আমার আম্মার একটা মেয়ে নেই এ নিয়ে আমার আম্মার অনেক আফসোস।আমি চাই এমন কাউকে যে আমার আম্মার পুত্রবধূ কম মেয়ে বেশি হয়ে থাকবে।বউ-শ্বাশুড়ি একজোট হয়ে আমাকে প্যারার উপরে রাখবে।সে সুদিনটার জন্য আমার জান কুরবান।এককথায় সে আমাকে আমার জান্নাত অর্জনে(মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত) সাহায্য করবে আমি তাকে তার(স্বামীর পদতলে স্ত্রীর জান্নাত)।দুইজন পরস্পরকে শ্রদ্ধা সম্মান ভালবাসা কেয়ার দিয়ে দুজনের জীবনকে দুনিয়াতেই জান্নাতের মতো করে তুলব ইনশাআল্লাহ। এমন একজন মানুষ এর তীব্র অভাববোধ করি যে আমার চেহারার দিকে তাকিয়ে বুঝে নিতে পারবে আমার মনের অবস্থা,আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝে নিবে এই মূহুর্তে আমি কি চাই।যাকে আমার মনে কি চলছে তা বোঝানোর জন্য রচনা লিখে দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।যে হবে পুরোটাই আমার,আমার উপস্থিতিতে কিংবা অনুপস্থিতিতেও। যে কখনো বিশ্বাস ভঙ্গ করবে না,আমি ছাড়া অন্য কারো দিকে তাকাবে না,অন্য কারো চিন্তা মাথায়ও আনবে না।যার সম্পূর্ণ দুনিয়াটাই হব আমি।ইহকালে এবং পরকালেও।কেননা বিশ্বাস একমাত্র সিমেন্ট যা দুইটি প্রাণ একটি সম্পর্ককে একসাথে জুড়ে রাখে।এই বিশ্বাসে যখন একবার চিড় ধরে তখন পৃথিবীর কোন দড়ি ঐ সম্পর্ককে আঁটকে রাখতে পারে না।তাসের ঘরের মতো ভেঙেচুরে তছনছ হয়ে যায়।আর আমার ক্ষেত্রে এটা বেশ মারাত্মক একটা ইস্যু।একবার যে আমার বিশ্বাস ভঙ্গ করে ২য় বার আমার মনে তার জন্য তিল পরিমাণ ভালবাসা জন্মায় না।এটা আমার জন্মদাতা পিতামাতা হলেও সেম।আর জীবনসঙ্গীর সাথে তো একটা লং টাইম একসাথে কাটাতে হবে,সেখানে যদি কখনো এমন কোন সিচুয়েশন ক্রিয়েট হয়ে যায় কখনো সেটা আর সংসার থাকবে না হয়ে যাবে দুনিয়াতেই একটা জাহান্নাম।তাতে জ্বলেপুড়ে মরবে দুটো তাজা প্রাণ আর অনাগত সন্তানেরাও যার গুণাহের বোঝা মাথায় নিতে হবে সেই বিশ্বাসভঙ্গকারীকেই। সে হবে এক বিশাল হৃদয়ের অধিকারীনী।দয়ালু নরম মনের।অসহায় দুঃস্থ মানুষের জন্য যার থাকবে এক সমুদ্র ভালবাসা।এক টুকরো খাবার সবার সাথে ভাগাভাগি করে তৃপ্তিভরে খাওয়ার মন-মানসিকতা যার থাকবে।আত্মকেন্দ্রিক, স্বার্থপর, শুধু নিজে খেয়ে নিজে বাচি,আপনি বাচলে বাপের নাম এমন দূষিত মন-মানসিকতার মানুষ আল্লাহর ওয়াস্তে আমার থেকে কোটি হাত দূরে থাকুন।আমার ভালবাসা যেমন প্রকট তেমনি ঘৃণাও প্রচন্ড। দিনশেষে তাকে অবশ্যই হাসিখুশি,চঞ্চল,ধৈর্য্যশীল ও বুদ্ধিমতী হতে হবে। মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট ওয়ান,দ্বীনপালনে একদম ইস্পাতদৃঢ় থাকবে।দ্বীনের ক্ষেত্রে কোন অযুহাত ওজর গ্র্যান্টেড নয়।ইভেন আমিও যদি কখনো দ্বীনপালনে বাধা হই আমাকেও শক্ত হাতে প্রতিহত করে কোমল হাতে বুঝিয়ে দ্বীনে ফেরানোর মতো কলিজাওয়ালা হতে হবে যেন শয়তান আমাদের কখনো গোমরাহ না করতে হবে। পারস্পরিক সম্মান সবসময় বজায় রাখবেন।পুরুষ তাকেই সবচেয়ে বেশি ভালবাসে যে তাকে সম্মান করে,মূল্যায়ন করে।তার হ্যাঁ তে হ্যাঁ, না তে না মেলায়।বুদ্ধিমতী নারী পুরুষকে রাজা বানিয়ে রেখে নিজেকে রাণী করে রাখে,মূর্খ নারী পুরুষকে চাকর বানিয়ে রেখে নিজে চাকরানী হয়ে থাকে।জ্ঞানীর জন্য ইশারা'ই যথেষ্ট। সর্বশেষ আমাকে অনেক অনেক বেশী ভালবাসতে হবে এক্ষেত্রে কোন কিপ্টেমি করলে চলবে না।দুজন মিলে রাসুলুল্লাহ সঃ & আম্মাজান আয়শা রাঃ এর ন্যায় খুনসুটিময় এবং খাদিজা রাঃ এর ন্যায় বিপদের সঙ্গী এমন একটা পরিবার গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ। আমার সাথে থাকতে গেলে বড় মন-মানসিকতার অধিকারীনী হতে হবে এটা শুরুতেই বলে নেওয়া ভাল,এর মানে হচ্ছে যে মন-মানসিকতা, চিন্তাভাবনা অনেক ওয়াইড হতে হবে।আমি অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছি যাকে বইয়ের ভাষায় আমরা বলি গোবরে পদ্মফুল ফোটা।আমার পূর্বপুরুষদের যে ভূলে কিংবা সীমাবদ্ধতার কারণে আমাকে আমার মাকে এই অমানুষিক যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে আমি চাইনা আমার স্ত্রী-সন্তান তা ভোগ করুক।আমি অনেক বড় হতে চাই।আমার স্বপ্ন অনেক বড়।সরি টু সে আমি আমার পরিবার থেকেও এই সাপোর্ট টা পাইনি।আমি যে পরিবেশে বড় হয়েছি তাদের কাছে কোনমতে খেয়ে পড়ে বাচাটাই জীবন।তারা বড় স্বপ্ন দেখতেও ভয় পান।আমি চাই আমার জীবনসঙ্গিনী আমার সাথে বড় স্বপ্ন দেখুক,আমার হাতটা শক্ত করে ধরে সেই স্বপ্নপূরণে সাথী হোক।আমার লাইফের সবচেয়ে বড় লড়াইটা আমি একা লড়ে ফেলেছি তাতে আমার জীবনসঙ্গিনীর কোন কন্ট্রিবিউশান নেই,থাকার সুযোগ ও নেই।ইনশাআল্লাহ আমার সামনের এই কণ্টকাকীর্ণ পথে আমাকে সঙ্গ দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ তার রয়েছে। একথা এজন্য বলছি যে আমার বিশ্বাস যে দুঃসময়ে পাশে থাকে সেই একমাত্র সুসময়ে সঙ্গী হওয়ার অধিকার রাখে। সুমধুর সুরে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারাটা হবে সবচেয়ে বড় যোগ্যতা।রান্না করার সময় কিংবা সাংসারিক কোন কাজ করার সময় তিনি যখন গুনগুন করে কুরআনের আয়াত তিলাওয়াত করবেন আমার সম্পূর্ণ হৃদয় যেন জান্নাতের সুবাসে ভরে যাবে। আমি একজন ভোজনরসিক মানুষ। তাই রান্নাবান্নায় দক্ষতা একটা বিশাল যোগ্যতা হবে।আমিও মোটামুটি রান্নাবান্না পারি হোস্টেলে থাকার সুবাদে।ছুটির দিনে একসাথে রান্নাবান্না করব। অল্পে তুষ্ট থাকবে এমন কেউ।ঘ্যানরঘ্যানর নামক সংসার ধ্বংসকারী শয়তানের সবচেয়ে বড় অস্ত্র থেকে যিনি মুক্ত।যেকোনো বিপদে আপদে যিনি ধৈর্যের মূর্ত প্রতিক,একে অপরকে ভালবাসা দিয়ে বুঝিয়ে যেকোনো পারিবারিক সমস্যা সমাধান করার মেন্টালিটি থাকা বাধ্যতামূলক।আমি অনেক পরিবার কে এই ঘ্যানরঘ্যানর এর জন্য ধ্বংস হয়ে যেতে দেখেছি। এটাকে আমি চরম ঘৃণা করি ও তীব্র ভয় পাই।আমি সর্বদা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আমার জীবনসঙ্গিনী যেন এসব বদ গুণ থেকে মুক্ত থাকেন। জীবনে কখনো এক সেকেন্ডের জন্য হলেও কোনপ্রকার হারাম রিলেশনশিপ এ ছিলেন কিংবা ফ্রী মিক্সিং এ অভ্যস্ত এমন কেউ আল্লাহর ওয়াস্তে যোগাযোগ করবেন না।আল্লাহর দোহাই লাগে।শিরিকের গুণাহ স্বয়ং আল্লাহ ও মাফ করেন না খাটি তওবা বাদে,আমিতো রক্তে-মাংসে গড়া মানুষ(বিয়ের পর জানতে পারলে ইন্সট্যান্ট তালাক,এ ব্যাপারে কোন ছাড় নেই,এটা গায়রতের প্রশ্ন আর আমি বে-গায়রত নই)। আবারো বলছি আমার সরকারি চাকরি দেখে আল্লাহর ওয়াস্তে কেউ আগ্রহী হবেন না,ওটা শুধু জীবিকা নির্বাহের একটা উছিলা মাত্র।আমি প্রচন্ড লেভেলের সৎ এবং মিতব্যয়ী। স্বচ্ছলভাবে খেয়েপড়ে চলা যাবে,বিলাসিতার রেশমাত্র দেখতে পাবেন না।আমার জবানই আমার ওয়াদা।এর নড়চড় হবে না ইনশাআল্লাহ।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

ফুলগাজী এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #3959

বয়স
29 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
পেশা
সরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #11890

বয়স
28 বছর
উচ্চতা
৫′ ১০″
পেশা
সরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6181

বয়স
30 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
ব্যবসায়ী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7576

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′ ৮″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #10930

বয়স
34 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
প্রবাসী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #8472

বয়স
29 বছর
উচ্চতা
৫′ ১″
পেশা
মাদ্রাসা শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
ফুলগাজী, ফেনী, চট্টগ্রাম
ফেনী জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন