| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা,পাঁচ ওয়াক্তই পড়া হয়। মাঝে মধ্যে ঘুমের কারণে হঠাৎ কোনো ওয়াক্ত কাযা হয়ে যায়। যতদূর মনে আছে ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত । মানে প্রায় ছয় বছর হতে চললো |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আসলে ধরাবাঁধা এরকম নেই, কখনো গভীর ঘুমের জন্য হঠাৎ কাজা হয়ে যায় আবার কখনো হয় না এমন। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
তাজউইদ সহ একেবারে পুরোপুরি শুদ্ধভাবে পারিনা। তাজউইদ শুদ্ধ করা প্রয়োজন। দেখে তিলাওয়াত করতে পারলেও মাঝে মাঝে হঠাৎ আটকে যাই তাই আরও সাবলীল করে শিখতে চাই ইনশা আল্লাহ। উচ্চারণ পুরোপুরি শুদ্ধ না হলেও শেষ পারার কিছু সূরা এবং ফজিলতপূর্ন কিছু কিছু আয়াত মুখস্থ হয়েছে আর সামনে আরও মুখস্থ করার ইচ্ছে আছে ইনশা আল্লাহ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জানামতে তেমন সিরিয়াস কিছু নেই আলহামদুলিল্লাহ।দূরের জিনিস দেখতে একটু সমস্যা হয় তাই আপাতত চশমা ইউজ করি। তবে বিয়ের আগেই ট্রিটমেন্ট করে চশমা ছেড়ে দেবো ইনশা আল্লাহ। তাই এটা নিয়েও চিন্তা নেই। অবশ্য চশমা থাকায় চোখের পর্দায় সহায়ক হয় কিছুটা হলেও। তাই চোখ সুস্থ হয়ে গেলেও বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় পাওয়ার বিহীন ইউভি প্রটেকশনের চশমা ইউজ করার ইচ্ছে আছে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার একটা সিম্পল কবর বৈ আর কিছু না। এটা কাউকে কিছু দিতে বা কিছু কেড়ে নিতে পারে না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
দীনী বই খুব কমই পড়া হয়েছে।বই পড়ার চেয়ে ক্ষেত্রবিশেষে অডিও লেকচার শুনতে বেশি ভালো লাগে। কুরআনের তাফসিরের পরে পছন্দের তালিকায় থাকা কিছু বইয়ের নাম লিখছি যেন মন মানসিকতা বুঝতে সুবিধা হয় ইনশা আল্লাহ : রিয়াদুস সালিহীন, তাফসীরে সূরা তাওবাহ্, সীরাহ্, নেক সুরতে শয়তানের ধোকা, ইসলাম ও গণতন্ত্র, তাওহীদের মূলনীতি,ইসলামি জীবনব্যবস্থা,নবী ইউসুফের আ: পাঠশালা,চিন্তাপরাধ,হাদিসের নামে জালিয়াতি, চোখে দেখা কবরের আযাব, সালাফের জীবন থেকে, বিপদ যখন নিয়ামত, আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন, ধূলিমলিন উপহার রমাদান, আল্লাহর সাথে সততা, আফগানিস্তানে আমি আল্লাহকে দেখেছি, পাশ্চাত্য ইসলাম বিরোধী ষড়যন্ত্র,সবুজ পাতার বন ইত্যাদি। এসব বইয়ের নির্যাস জানার ইচ্ছে।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
পছন্দের আলিম ও দায়ীদের মধ্যে রয়েছেন: শায়খ আহমাদ দিদাত রহি:,আব্দুল্লাহ আজজাম রহি:, আহমাদ মুসা জিবরিল হাফি:,আসসিম আল হাকিম হাফি:, তামিম আল আদনানী হাফি:,ডক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহি:,জসিম উদ্দিন রহমানি হাফি:,মওলানা তারিক জামিল হাফি:,ডক্টর জাকির নায়েক হাফি:,শায়েখ হারুন ইজহার হাফি:, শায়খ আহমাদুল্লাহ হাফি: প্রমুখ ।এনাদের মধ্যে স্যার শায়খ আহমাদ দিদাত রা: এর ছাত্র স্যার ডক্টর জাকির নায়েকের প্রতি আমি বিশেষ কৃতজ্ঞ কারণ আমার দীন যাত্রার শুরুটা হয়েছিলো ওনার লেকচার শুনে।এছাড়াও নিচের এ ব্যক্তিদের পাশাপাশি অনুরূপ সমসাময়িক মুসলিম একটিভিস্ট ও দায়ীদের লেখা মাঝে মধ্যে পড়া হয়: আসিফ আদনান, শামসুল আরেফিন শক্তি, মেহেদী হাসান,তানজিল আরেফিন আদনান, আতিক-উল্লাহ,জাকারিয়া মাসুদ, শিবলি আহমেদ, আহমেদ রফিক, সরোয়ার হোসাইন, প্রমুখ আরও এরকম কমিউনিটির যারা আছেন। তবে কারো অন্ধভক্ত আমি নই।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
বিস্তারিত লিখলে অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে আর বায়োডাটা অ্যাপ্রুভ হবে না তাই অনেক কিছুই সংক্ষিপ্ত ও কাটছাট করে লিখেছি।আগ্রহী হলে পরে বিস্তারিত জানাবো নিজের সম্পর্কে বলতে গেলে আমি শুধুই রবের এক অতি নগন্য বান্দি।ছোট থেকেই আম্মুর তাগিদে মক্তবে আরবি শিখতাম।সালাত মাঝে মাঝে পড়তাম, তবে ইরেগুলার ছিলাম।পরে ২০২০সালের দিকে আল্লাহর অসীম অনুগ্রহে দীনের বুঝ পাই।শুরুর দিকে স্যার ড. জাকির নায়েকের লেকচারগুলো আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছে।ধীরে ধীরে দীনের পথে চলা শুরু হয়,আর আজও ইমানের চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে এভাবেই জীবন চলছে। নিজের সম্পর্কে বলার বিশেষ কিছু নেই; নেগেটিভ দিক ছাড়া পজিটিভ কিছু পাই না।খুব চাই আল্লাহর এক প্রিয় বান্দি হতে যদিও আমলে তাকওয়াতে নিজেকে সে পর্যায়ে নিতে পারিনি।রাগ,অভিমান,আবেগ,জীদ,দুষ্টুমি সবই কম্বিনেশন আকারে আছে।সাধারণত ঠান্ডা মেজাজের মানুষ, চুপচাপ থাকতে পছন্দ করি; ইন্ট্রোভার্ট টাইপ।তবে মানসিকতা মিললে ও স্পেস পেলে সময় নিয়ে ভালো মিশতে পারি।রসিকতা বা দুষ্টামি পছন্দ করি, তবে অতিরিক্ত না।মিথ্যা,গিবত,কারো যোগ্যতা বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য,অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ অপছন্দ করি।ভুল করলে স্বীকার করি ও সংশোধনের মানসিকতা রাখি।উম্মাহর বর্তমান অবস্থা আমাকে বাকরুদ্ধ করে,আবার তাদেরই মুখে হাসি দেখলে আশাবাদী করে। সাধ্যের মধ্যে তাদের জন্য যা সামান্য পারা যায় করার চেষ্টা করি। জাওজের বিষয়ে আমার প্রোটেকটিভ জেলাসি অনেক বেশি। নিজেকে আরও ম্যাচুরড করা ও প্রাকটিকাল লাইফ স্কিল ডেভেলপের চেষ্টা করছি।দেখতে হালকা পাতলা গড়নের, চুল লম্বা রাখতে ভালো লাগে।রান্না,ঘরের কাজ,হেলথ কেয়ার ইত্যাদিতে আরও যত্নবান হওয়ার নিয়ত আছে ইনশা আল্লাহ।প্রকৃতি বিশেষ করে ফসলের মাঠ,নদী,গাছপালা, ফুল,পাখি,বৃষ্টির শব্দ ইত্যাদি পছন্দ করি; জাওজের সঙ্গে এসব উপভোগের ইচ্ছাও আছে।বিশেষ করে বায়তুল্লাহ ও মাদীনাতে যাওয়াটা অনেক বড় স্বপ্ন। পলিটিক্যাল দিক থেকে: মাদখালী শায়েখদের অপছন্দ করি।গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রথা ও দলগুলোকে গার্বেজ এবং ইসলামিক গণতন্ত্রকেও ধোকা মনে করি।খিলাফত ও শরীয়াহ শাসনে বিশ্বাস করি;গণতন্ত্রকে কুফরি ও শিরকী ব্যবস্থা বলে মনে করি এবং মোটেই সমর্থন করি না। নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়ে:সমঅধিকারের নামে নারী পুরুষে কোনো ভেদাভেদ নেই,কাধে কাধ মিলিয়ে চলা, টক্সিক ফেমিনিজম ইত্যাদি সমর্থন করি না।ইসলামিক ব্যালান্সড ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও দায়িত্বে বিশ্বাস করি; সমঅধিকারে নয়। দীনি ফিউচার প্ল্যান:নিজের তাকওয়ার উৎকর্ষ ও ব্যক্তিগত আমল বাড়িয়ে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চাই। আল্লাহ ইচ্ছা করলে জাওজের সঙ্গে বায়তুল্লাহ ও মাদীনাহ জিয়ারতের অনেক বড় স্বপ্ন আছে।বিশেষ করে সন্তানদের নিয়ে অনেক স্বপ্ন আছে।শুরু থেকেই তাদের মধ্যে যথাসাধ্য দীনের আদব ও ব্যাসিকটা গেঁথে দিতে চাই।তাদেরকে ভালো আলিম,হাফিজ,দায়ী ও দীনের সৈনিক হিসেবে দেখতে চাই যাদের হাত ধরে উম্মাহের বড় বড় কল্যান অর্জিত হবে ইনশা আল্লাহ।মেয়ে বাচ্চাদেরদের হোমস্কুলিং করাতে চাই,যথাযথ দীন শিক্ষা দিয়ে বড় করা এবং বালেগা হওয়ার পর দ্রুত পাত্রস্থ করতে চাই ইনশা আল্লাহ।তারা যেন দুনিয়ায় হয় আমাদের চোখের শীতলতা এবং আখিরাতে উঁচু মর্যাদা লাভের মাধ্যমে ইনশা আল্লাহ।সন্তানদের এভাবে আল্লাহর পথে গড়ে তুলতে জাওজের কাছ থেকেও একই মানসিকতা প্রত্যাশা করি—যাতে প্রয়োজন হলে শিশুদের শিক্ষার পেছনে প্রয়োজনীয় সময়,খরচ বা স্যাকরিফাইসের মানসিকতা রাখতে পারেন।যেন তিনি সন্তানের জন্য আদর্শ বাবা হওয়ার চেষ্টা করেন কেননা ইমানের বিষয়ে সন্তান সাধারণত মা-বাবারই অনুগামী হয়।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা ই উত্তম পরিকল্পনাকারী।
|