| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস আছে। আনুমানিক ২০০৭ সাল থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। মাঝে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে কিছু কিছু সময় সপ্তাহে দুই তিন ওয়াক্ত কাজা হয়ে যেত। এখন আলহামদুলিল্লাহ,নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি, কোনো ওয়াক্ত কাজা হয় না। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। এক ওয়াক্ত নামাজও কাজা করিনা।। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি অবশ্যই। একজন দ্বীনদারের জন্য এটা একান্ত কর্তব্য বলে বিবেচনা করি। ক্লাস ফোরে থাকতে কুরআন মাজিদ শিক্ষা লাভ করি। আলহামদুলিল্লাহ আমার তিলাওয়াতের কন্ঠ ভালো। আমার এলাকায় একটা কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় ৪র্থ স্থান অধিকার করেছিলাম। ৩৪ টা সূরা মুখস্থ আছে আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না তেমন কোনো রোগ নাই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার পূজা সম্পূর্ণ হারাম। এটা পুরোপুরি শিরক। এটি জঘন্য ও পরিত্যাজ্য কাজ।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
১. ইহাহইয়া-উস-সুনান- ড. খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর। ২. আর রাহীকুল মাখতুম - সিরাত গ্রন্থ ৩. প্যারাডক্সিকাল সাজিদ - আরিফ আজাদ ৪. আহকামে জিন্দেগী - মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দীন, ৫. চোখে দেখা কবরের আজাব- মাওলানা তারিক জামিল।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১. ড. জাকির নায়েক ১. আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী ২. শাইখ আহমাদুল্লাহ ৩. ড. মিজানুর রহমান আজহারী ৪. নোমান আলী খান ৫. মাওলানা তারিক জামিল।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার জীবনের পছন্দনীয় কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নামাজ আদায় করা, নিয়মিত বই পড়া, খেলাধুলা করা, লেখালেখি করা, ফুটবল ও ক্রিকেট খেলা দেখা, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা এবং কবিতা আবৃত্তি করা। এসব কাজ আমার মনকে প্রশান্তি দেয়, চিন্তাকে পরিশীলিত করে এবং আমাকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে। আমি এমন একটি জীবনের স্বপ্ন দেখি, যেখানে দুনিয়ার ব্যস্ততা ও সংগ্রামের মাঝেও শান্তি, ভালোবাসা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি থাকবে। আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সুখী পরিবার গঠন করা। আমি বিশ্বাস করি, পরিবার শুধু একসাথে বসবাস করার নাম নয়; বরং এটি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এক পবিত্র বন্ধন। আমি চাই, আমি এবং আমার জীবনসঙ্গী একসাথে মিলে এই দুনিয়াতেই যেন জান্নাতের একটি ছোট্ট প্রতিচ্ছবি তৈরি করতে পারি। আমাদের সম্পর্ক হবে বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং দয়ার ওপর প্রতিষ্ঠিত। আমরা একে অপরের পরিপূরক হবো—দুঃখে পাশে দাঁড়াবো, সুখ ভাগ করে নেবো। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা একে অপরের সহযোগী ও সহায়ক হবো। আমার আন্তরিক ইচ্ছা, আমরা দু’জন একে অপরকে জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো। নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, নেক আমল—এসবের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করবো এবং একে অপরকে উৎসাহিত করবো। আমাদের ভালোবাসা হবে শুধুই দুনিয়াবি নয়, বরং আখিরাতমুখী—যেখানে একে অপরকে আল্লাহর নৈকট্যের দিকে নিয়ে যাওয়াই হবে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। আমি চাই না, আমার কারণে আমার স্ত্রী কোনো ধরনের কষ্ট বা পেরেশানিতে থাকুক। একইভাবে আমিও চাই, তার কারণে আমার জীবনে কোনো অশান্তি না আসুক। বরং আমরা এমনভাবে চলবো, যাতে আমাদের সম্পর্ক হয় প্রশান্তির, নিরাপত্তার এবং স্বস্তির এক নির্ভরযোগ্য আশ্রয়। আমাদের এই ছোট্ট পরিবার শুধু নিজেদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং আমরা চেষ্টা করবো সমাজের মানুষের উপকার করতে, তাদের ভালো পথে আহ্বান জানাতে এবং যত বেশি সম্ভব মানুষকে জান্নাতের পথে সহযোগিতা করতে। মানুষের কল্যাণে কাজ করা, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করা—এগুলোই হবে আমাদের জীবনের অন্যতম উদ্দেশ্য। সব মিলিয়ে, আমি এমন একটি জীবন চাই, যেখানে দুনিয়ার সুখ-শান্তি ও আখিরাতের সফলতা—দুটোই একসাথে অর্জিত হবে। ভালোবাসা, দ্বীনদারিতা এবং মানবসেবার মাধ্যমে আমরা আমাদের জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে চাই। আমি প্রায় ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে রমজান মাসে মসজিদে ইত্তেকাফে থাকি আলহামদুলিল্লাহ( আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমার উদ্দেশ্য) । আল্লাহ আমাকে হেফাজত করুক এটা রিয়ার জন্য এখানে উল্লেখ করা আমার উদ্দেশ্য নয় বরং এটা এজন্যই উল্লেখ করলাম আল্লাহ তো আমাদের মনের খবর জানেন। পাত্রী বা পাত্রীর পরিবারের হয়তো এই কাজ টা হৃদয়ে লাগতে পারে এবং এটাও জেনে গেল যে তার ভবিষ্যত সঙ্গী ইত্তেকাফে থাকে। যেহেতু আমার নিয়ত আছে আমৃত্যু সক্ষম থাকা পর্যন্ত ইত্তেকাফে থাকবো ইংশা আল্লাহ।
|