| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বি , তবে ফজর ছুটে যায় মাঝে মাঝে। কিন্তু উঠে সাথে সাথেই আদায় করে ফেলার চেষ্টা করি।আল্লহুম্মাগফিরলি। ২০১৬ সাল থেকে পড়ছি আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
৪-৫ ওয়াক্ত,মেইনলি ফজর, আল্লাহুম্মাগফিরলি। তবে সালাত ট্রেকারের মাধ্যমে আরো improve করার চেষ্টা করছি। ইং শা আল্লহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি, আলহামদুলিল্লাহ, পারি। তবে আরও শুদ্ধতর তিলাওয়াত করার প্রচেষ্টায় আছি।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
সাইনোসাইটিস আছে। চশমা পড়ি (- 1.5 D)
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার জিয়ারত করা যায়, তবে মাজারে গিয়ে কোনো কিছু চাওয়া, মানত করা, সিজদা করা স্পষ্ট শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
কুরআনের বাংলা অনুবাদ পড়ছি (চলমান), ইসলামি আকিদা, জীবনের ওপারে , বিয়ের এপিঠ ও পিঠ, নামাজে মন ফেরানো, তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধি, নেক সন্তান গড়বেন যেভাবে , ঈমান ও কুফর, যে জীবন ফড়িঙের যে জীবন জোনাকির (সবগুলো পুরোপুরি শেষ করতে পারিনি, ইং শা আল্লহ প্রচেষ্টা জারি আছে)
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
আল্লামা তাকি উসমানী, ড.খন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর, শায়েখ হারুন ইযহার, শায়েখ আহমাদুল্লাহ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি একজন মুসলিম, আল্লাহর একজন গুনাহগার বান্দী ও রাসুল (স) এর উম্মত। আল্লাহর অশেষ দয়া তিনি আমাকে দ্বীন সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।আলহামদুলিল্লাহ। ১. দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর থেকে পরিপূর্ণ পর্দা করা, মাহরাম নন-মাহরাম Strictly মেনে চলা, শিরক, বিদআত, বিজাতীয় সংস্কৃতি এবং হারাম থেকে দূরে থাকার জন্য যথা সম্ভব চেষ্টা করছি। ২. কুরআন হিফজ করতে চাই ইং শা আল্লহ। শেষ পারার ছোট ছোট কিছু সূরা মুখস্থ করেছি আলহামদুলিল্লাহ। সহিহ শুদ্ধভাবে ও সুর করে কোরআন তিলাওয়াত করতে অনেক ভালো লাগে। এটি আমার আত্মার খোরাক। সবসময়ই সলাত এবং কুরআন নিয়ে আমার মুহাসাবা চলমান থাকে আলহামদুলিল্লাহ। ৩. পরিপূর্ণ ইসলামিক পরিবার গঠন করতে চাই ইং শা আল্লহ। সন্তানদেরকে আল্লাহর আত্মসমর্পনকারী বান্দা, কোরআনে হাফেজ ও রাসুল (স) এর অনুগত উম্মতরুপে গড়ে তুলতে চাই। ৪. ইসলামিক বই পড়তে ভালো লাগে। দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করতে সবসময় পিপাসা বোধ করি। IOM এর আলিম কোর্সটি শেষ হলে, ফিকহ অফ মেডিসিন বিষয়ক কোর্স করার ও গভীর জ্ঞান অর্জন করার ইচ্ছে আছে ইং শা আল্লহ। একটি "পারিবারিক দ্বীনি পাঠাগার" করার ইচ্ছে আছে ইং শা আল্লহ যাতে করে সন্তানরা দ্বীনি বই পড়ার প্রতি যত্নশীল হয় ছোটবেলা থেকেই। জীবনসঙ্গীও যেনো বই পড়ুয়া ও জ্ঞান পিপাসু হন এরকমটি আশা করি। ৫. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পুরো পরিবার সমেত হজ্জ্ব এবং উমরাহ করা আমার স্বপ্ন। পরিবারের সকলের প্রতি যত্নশীল থাকার ও তাদের হক আদায় করার চেষ্টা করি সর্বদা। ৬. মিথ্যা বলা, অনর্থক কথা বলা, গিবত করা, Free mixing, বড়দের সাথে বেয়াদবি করা খুবই অপছন্দ ও ঘৃণা করি। ৭. নিজেকে ও চারপাশের পরিবেশ সদা পাক পবিত্র ও গোছানো রাখতে খুব পছন্দ করি!! যত্নশীলতা পছন্দ করি, হোক তা ব্যক্তি কিংবা বস্তুর ক্ষেত্রে। ইনডোর প্লান্টস, ক্রাফটিং ও রুচিশীলতার সাথে ঘর গুছাতে পছন্দ করি। Drawing, Gardening and cooking আমার অনেক পছন্দের। ৮. আমি বিশ্বাস করি মেয়েদের একমাত্র ক্যারিয়ার হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত যে দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে সেটি পালন করা অর্থাৎ পরিবার গঠন, সন্তান প্রতিপালন, স্বামীর আনুগত্য। আমার ক্যারিয়ার ভাবনা শুধুমাত্র পরিবারকেন্দ্রিক । আমি মেয়েদের এই দায়িত্বকেই প্রধান দায়িত্ব বলে মনে করি। তবে আব্বু আম্মু অনেক expectations নিয়ে উনাদের মেয়েকে মেডিকেলে পড়াশোনা করাচ্ছেন এবং উনাদের দ্বীনের বুঝ ও একটু কম আছে তাই এই মুহূর্তেই উনাদের বলা যাচ্ছে না যে, আমি মেডিকেলে পড়তে চাই না বা ডাক্তারি প্র্যাক্টিস করব না ভবিষ্যতে। আমি ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার করতে চাই না, even মেডিকেলের পড়াশোনাও পারলে কন্টিনিউ করতাম না ( দ্বীন পালনে যেসকল প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেই সমস্যাগুলোর জন্য) যদি আমার পরিবার সেটাতে রাজি হতো। তাই,এক প্রকার বাধ্য হয়েই এখন আমাকে মেডিকেলে পড়তে হচ্ছে। তাই পরিবারকে বুঝানোর জন্য উনাদেরকে এটা বলি যে, শরীয়তের গন্ডীতে থেকে, পরিপূর্ণ পর্দা রক্ষা করে, স্বামী, সন্তান ও পরিবারকে সর্বাধিক প্রাধান্য দেওয়ার পর যদি সম্ভব হয় উম্মাহের খেদমতের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব। (এই বিষয়টিও পুরোপুরি অপশনাল,স্বামী, সন্তান ও পরিবারই আমার ফার্স্ট প্রায়োরিটি থাকবে সবসময়। কখনোই নিজের বা পরিবারের উপর জুলুম করে, উম্মাহের খেদমত করতে যাবো না ইং শা আল্লহ ) যদি খেদমত করিও কখনো, সেটা কোনো পুরুষের অধিনস্ত থেকে চাকরি করে অথবা নন মাহরামের উপস্থিতি যুক্ত পরিবেশে কখনোই না। শরীয়া সম্মত হসপিটালে বা মহিলাদের জন্য স্পেশালাইজড কোনো হসপিটালে রোগী দেখা যেখানে কোনো পুরুষের ইন্টারেকশন থাকবে না এমন, অনলাইনে রোগী দেখা ( টেলিমেডিসিন), ঘরোয়াভাবে চেম্বার করা অথবা অন্য যেকোনো শরীয়তসম্মত way হতে পারে তবে সেটা কখনোই হারামের সাথে compromise করে না ইং শা আল্লহ । এ ব্যাপারে জীবনসঙ্গীর পরামর্শ ও সহযোগীতা আন্তরিকভাবে কাম্য। (কোনো মানুষই ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নন, আমার মধ্যেও অনেক ভুলত্রুটি ও অসম্পূর্ণতা রয়েছে যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সংশোধন করতে সচেতন ইং শা আল্লহ )
|