| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ" আট বছর বয়স থেকে নামাজ পড়ি।16 বছর 10 মাস যাবৎ নামাজ পড়তেছি, আল্লাহ যেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নামাজ পড়ার তৌফিক দেন, আমিন |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আল্লাহর রহমতে কাযা হয় না। কারণ যেখানে নামাজের সময় হয় সেখানেই নামাজ পড়ে নেই।মাঝে মধ্য ঘুমের করণে হয় ফযর। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ পাড়ি। কায়দা গোলা মাঝেমধ্যে মিসটেক হয়। বর্তমান রেগুলার চর্চা নেই তবে পড়া হয়,
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ বড় কোনু রোগ নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারে কোনু কিছু চাওয়া শিরক, আমার মতে মাজারে আমি কেন যাব,মাজার জিয়ারতের উদ্দেশ্য করে ও যাওয়া যাবে না।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
সহীহ আল বুখারী, মরনের আগেও পরে, ফাযায়েলে আমাল
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শায়েখ আহমদউল্লাহ।মুফতী আরিফবিন হাবিব।আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরি
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
দ্বিনকে গিরেই আমার জিবনের সব শখ, বিয়ের আগে ওমরাহ করা এবং জিবন সঙ্গীনিকে নিয়ে এবং আমার মাকে সাথে নিয়ে বড় হজ্জ করার অনেক শখ,আহালিয়া কে নিয়ে সফরে বের হওয়া সফর করা রাসুলের সুন্নাহ দেখার মত অনেক জায়গা ছিল কিন্তু যাইনি মনে একটাই শখ ছিল আমি সফরে যাব কিন্তু আমার শখের মানুষ নেই।আল্লাহ কবুল করুন আমিন, পছন্দ আল্লাহ রাসুল (সাঃ) যা কিছু পছন্দ করতেন সাহাবায়ে কেরাম যা পছন্দ করতে তায় আমি পছন্দ করি, যেমন একে অন্যর প্রতি মহব্বত দিনের স্বার্থে ,কাউকে ছোট করে না দেখা। ছোট করে কথা না বলা,দ্বিনি দাওয়াত দেওয়া,মা বাবার সেবা করা,অসহায় মানুষের পাশে ধারানো,আমানত ফিরিয়ে দেওয়া,পরিস্কার পরিপাটি থাকা সাজানো গুচানো থাকা,কাউকে সহয়তা করা, মানুষের বিপদে পাশে থাকা,নিজে ঠকলে অন্যকে না ঠকানো,অন্যর হক নষ্ট না কার,কাউকে মাফ করতে পারা,নিজের যা আছে তানিয়ে খুশি থাকা, ছোট বড় সবাইকে সালাম কালাম করা ছোট দেরকে স্নেহ করা বড় দেরকে সম্মান করা আর অনেক আছে, আমার পছন্দ। আল্লাহর রাসুল (সাঃ) যা অপছন্দ করেন সাহাবায়ে কেরাম যা অপছন্দ করতেন তা আমি করার সব সময় চেষ্টা করি। যেমন হিংসা অহংকার, মিথ্যা, রাগ গুমান মারামারি আর অনেক আছে। রুচিবোধ অল্পতে তুষ্ট তাকা। পাইলে সবুর করা না পাইলে শুকরিয়া করা, যা পাই তাথেই খুশি থাকার চেষ্টা করি, কারো প্রতি অভিযোগ না রাখা, ভিতরে না রাখা দ্বিনের উপরে চলা টাই সব চাইতে রুচিবোধ, সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হল,রাসুল (সা:) স্বপ্নে দেখা,জিবনটাকে ইসলাম দিয়ে সাজানো, আলেমের বাবা হওয়া আলেমার বাবা হওয়া, মৃত্যুর কথা মনে হলে মন চায় জিবনের সব কিছুইর বিনিময়ে যদি আল্লাহ এবং তার রাসুলে পাইয়া যাই জিবনে আর কিছু চাওয়া স্বপ্ন নাই।সব সময় শহীদি তামান্না নিজের বুকের মধ্যে লালন করি প্রিয় কথা দিলাম আপনি যদি আল্লাহ এবং রাসূলের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেন আমি আপনার নিজেকে প্রশস্ত করে দিব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর এবং তার রাসুলে (স:)এ জন্য নিজের জীবন পরিবার প্রিয়জন সন্তান স্ত্রী সর্বদা বিসর্জন দিতে প্রস্তুত ইনশাআল্লাহ।
|