জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
I seek someone who truly loves Allah, recites the Qur’an, and approaches every task with sincerity and a clear intention.Someone who understands the deen, upholds honesty, and maintains Islamic boundaries—especially with mahrams—within the family. A person who strives to live according to the principles of Shari’ah and walks the path of Islam with sincerity. I mention these qualities because this is how I try to live my life. So, I hope for someone who will love me for the sake of Allah and accept me for who I am, with a shared commitment to walk this path together. One of my favourite ayah from the Quran is : “Vile women are for vile men, and vile men are for vile women; and good women are for good men, and good men are for good women. Those are free from what they (the accusers) say. For them there is forgiveness, and a graceful provision.” – Al Quran (Sura An-Nur 24:26) যারা জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ধার্মিকতা এবং সৌন্দর্য দুটোই চান, তাদের জন্য ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা: . তিনি বলেন, যখন একজন পুরুষ একজন নারীকে বিয়ের (আলোচনার) প্রস্তাব দেবে, প্রথমে তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জেনে নেবে। যদি তার সৌন্দর্যে সে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে তার ধার্মিকতা সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। যদি ধার্মিকতায়ও সন্তুষ্ট হয়, তাহলে তাকে বিয়ে করবে। আর যদি সন্তুষ্ট না হতে পারে (তাহলে সে বিয়ে করবে না), এমতাবস্থায় তার বিয়ে না করাটা ধার্মিকতার (স্বল্পতার) কারণে বলে গণ্য হবে। . পক্ষান্তরে, মেয়ের সৌন্দর্য সম্পর্কে না জেনে প্রথমেই তার ধার্মিকতা জানার চেষ্টা করবে না। এরপর এমন যেন না হয় যে, প্রথমে তার ধার্মিকতায় সে সন্তুষ্ট হলো, এরপর যখন তার সৌন্দর্য সম্পর্কে জানলো, সে তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি, তাই প্রত্যাখ্যান করে দিলো। তাহলে, এমতাবস্থায় তার এই প্রত্যাখ্যান ধার্মিকতার জন্য হলো না, বরং সৌন্দর্যের (স্বল্পতার) জন্য হলো। [আল-ইনসাফ: ৮/১৯] . ইমাম আহমাদের বক্তব্যটি পড়ার পর অনেকের মনে কিছু প্রশ্ন আসতে পারে। তাদের জানার স্বার্থে বলে নেওয়া দরকার: . ◉ হাদিসে এসেছে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নারীকে বিবাহ করা হয় চারটি বিষয় দেখে। সেগুলো হলো: তার সম্পদ, তার বংশ, তার সৌন্দর্য ও তার ধার্মিকতা বা দ্বীনদারি। তুমি ধার্মিকতা (বেছে নেওয়া)-র মাধ্যমে সফলতা অর্জন করো।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫০৯০; ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৩৫২৭] . হাদিসটিতে ধার্মিকতাকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। তবে, অন্য তিনটি বৈশিষ্ট্যকে অস্বীকার করা হয়নি। তাই, কেউ যদি ধার্মিকতার পাশাপাশি অন্য বৈশিষ্ট্যগুলোও দেখে, তবে এটি নিন্দনীয় নয়। . ◉ ইমাম আহমাদের মূল বক্তব্য হলো, ধার্মিকতা ও সৌন্দর্যের মাঝে সমন্বয় করতে গিয়ে যেন কোনোভাবেই ধার্মিকতাকে ছোট না করা হয়। এজন্য আগেই সৌন্দর্যের বিষয়টি ক্লিয়ার করে নেওয়া ভালো। কারণ, আপনি ধার্মিকতায় মুগ্ধ হয়ে আলোচনা এগিয়ে, পরে সৌন্দর্যের স্বল্পতার জন্য পিছিয়ে আসবেন, এটি উচিত নয়। এতে ধার্মিকতাকে ছোট করা হয়। . ◉ কারও সৌন্দর্য কম, কিন্তু ধার্মিকতা বেশি; আবার কারও সৌন্দর্য বেশি, কিন্তু ধার্মিকতা কম। এমতাবস্থায় অধিক ধার্মিকতাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই ইসলামের নির্দেশনা। তবে, এসব ব্যাপারে ইসলাম কাউকে বাধ্য করে না, কেবল নির্দেশনা দেয়। মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে সৌন্দর্যহীন ধার্মিকতার মূল্য আছে, কিন্তু ধার্মিকতাহীন সৌন্দর্যের কোনো মূল্য নেই। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের চেহারা ও সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর এবং কর্মের দিকে লক্ষ করেন।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৪৩৭]
|