| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী, আলহামদুলিল্লাহ ২০২১ সাল থেকে নিয়মিত পড়া হয়। ছোট থেকেই অনিয়মিতভাবে নামাজ পড়া হতো দ্বীনের বুঝ ছিলো না তখন। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ, সাধারণত হয় না। তবে মাঝেমধ্যে কাযা হয়ে যায় কিন্তু পরবর্তীতে সেটা আদায় করে নেই। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ, শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করার চেষ্টা করি। আরও শুদ্ধ করার ইচ্ছে আছে ইনশাআল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
জানামতে শারীরিক বা মানসিক বড় কোনো সমস্যা নেই, আলহামদুলিল্লাহ। ২০১৮ সাল থেকে চশমা ব্যবহার করি।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক ও বিদআতের আখড়া
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আহকামুন নিসা, মুহাস্বানাত, নারীর জন্য নসীহা, রিসালাতুল হিজাব, আধুনিক প্রাচ্যবাদের কবলে মুসলিম নারী সমাজ, জীবনী (হযরত খাদীজা (রা.) আনহা, হযরত ফাতেমা (রা.) আনহা, হযরত আয়শা (রা) আনহা) এছাড়াও আরও কিছু বই অল্প সল্প পড়া হয়েছে।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
১. ডা. জাকির নায়েক ২. ইন্ঞ্জিনিয়ার ড. এনামুল হক ৩. ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ৪.মিজানুর রহমান আজহারী ৫.শায়েখ আহমাদুল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
সাধারণ রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের মতোই পরিবার থেকে যতোটুকু ইসলামি শিক্ষা পেয়েছি সেগুলো গুরুত্ব সহকারে পালনের চেষ্টা করতাম ছোট থেকে। তবে রক্ষনশীল পরিবারে বেড়ে উঠায় চলাফেরা, কাজকর্মের ক্ষেত্রে পরিবারকর্তৃক বেধে দেওয়া সীমাবদ্ধতাটুকু মেনে চলার চেষ্টা করি সর্বক্ষেত্রে। যেহেতু পরিবার দ্বীনদার নয় তাই দ্বীনকে জানা বুঝার সৌভাগ্য হয়নি জীবনের অনেক লম্বা সময় তবে করোনার মাঝের সময়টাতে আল্লাহর রহমতে দ্বীনের বুঝ পেয়েছি দ্বীনের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পেরেছি যদিও পুরোপুরি ভাবে দ্বীন মেনে চলতে পারি না এখনো। পুরো পরিবার দ্বীনদার না হলে পুরোপুরি ভাবে দ্বীন মেনে চলা খুবই কঠিন এজন্য এমন একজন জীবনসঙ্গী কামনা করি যার সাথে এই ক্ষণস্থায়ী জীবনে ইমানের সহিত অতিবাহিত করতে পারি, যিনি আমাকে বুঝবেন, আমাকে পর্দা ও ইসলামের অন্যান্য বিধি-বিধান পালনে সহযোগিতা করবেন। হলে মেয়েদের জন্য সাপ্তাহিক তালিম এর ব্যবস্থা আছে, সেখানে নিয়মিত থাকার চেষ্টা করি, আর দৈনন্দিন কাজকর্মে রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ মেনে চলার চেষ্টা করি যদিও সবসময় পারি না। মিথ্যা বলা, মানুষকে ঠকানো, নিজের ব্যাক্তিস্বার্থের জন্য অন্যের ক্ষতি করার মানসিকতাকে ঘৃণা করি, শো-অফ একদমই পছন্দ করি না। সাধারণভাবে চলতে এবং নিজেকে আড়ালে রাখতে পছন্দ করি। কোনো ছেলেবন্ধু নেই, ছেলেদের সাথে ঘুরা-ফেরা, আড্ডা দেওয়া, রেস্টুরেন্টে যাওয়া, ছবি তোলা এগুলোকে ঘৃণা করি তবে একাডেমিক প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে কথা যতোটুকু কথা না বললেই নয় ততোটুকু বলি। বিলাসিতা, অপচয়, অপব্যয় করা পছন্দ করি না। রাজনীতি অপছন্দ করি ইসলামী নাম দিয়ে যেসব রাজনীতি হয় সেগুলোও। বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও যত্নশীল এবং ছোটবাচ্চাদের সাথে মিশতে খুব পছন্দ করি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া আর সকলের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না বিধায় নিজের মতো করেই চলার চেষ্টা করে এসেছি সব সময়। ইমানের অনেক বেশি ঘাটতি রয়েছে যার জন্য নিজেকে দ্বীনদার দাবি করার দু:সাহস করতে পারি না। আল্লাহর কাছে সর্বদা নিজের এবং আশেপাশের সকলের জন্য হেদায়েত চাই। আমি আমার দ্বীনের অবস্থা, আমার মন-মানসিকতা সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছি যেনো আমার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। আমার পরিপূর্ণভাবে দ্বীন মেনে চলার ইচ্ছে রয়েছে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।
|