Profile

বায়োডাটা নং : 8554

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 2000
উচ্চতা ৫′ ৪″
গাত্রবর্ন ফর্সা
ওজন ৪৮ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ এ+
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা তেরখাদা, খুলনা, খুলনা
এলাকা/গ্রামের নাম: পাড়হাজী গ্রাম
বর্তমান ঠিকানা , খুলনা, খুলনা
এলাকা/গ্রামের নাম: খালিশপুর খুলনা
কোথায় বড় হয়েছেন? খালিশপুর খুলনা
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ফাজিল
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০১৬
বিভাগ ব্যবসা
ফলাফল এ-
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়?
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
পাসের সন ২০২০
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ কাঠমিস্ত্রি। কিন্তু বর্তমানে আমরা বাবাকে কাজ করতে মানা করে দিয়েছি , তাই বাবা এখন কাজ করেন না। মাঝে মধ্যে কাজ করে থাকেন।
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী
আপনার কতজন ভাই আছে? ১ জন
ভাইদের তথ্য ভাই : আমার বড় । এস.এস.সি পযন্ত পড়াশোনা করেছে। তিনি বিবাহিত আলহামদুলিল্লাহ। বর্তমানে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশনের কাজ করে । সৌদি আরবে ৩ থেকে ৪ বছর চাকরি করেছে এখন বাংলাদেশে আছেন। আবার দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। বর্তমানে খুলনা বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ করে।
আপনার কতজন বোন আছে? নেই
চাচা মামাদের পেশা চাচা - দৌলতপুর মিলে চাকরি করেন। মামারা - কনস্ট্রাকশনের কাজ করেন ।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আলহামদুলিল্লাহ , আমাদের গ্রামে কিছু জমি আছে । সেখানে একটা টিনের ঘর ও করা আছে। বর্তমানে আমরা কেউ থাকি না গ্রামে। গ্রামে থাকার ইচ্ছা ও নেই। ভবিষ্যতে বিক্রি করে খুলনা খালিশপুরে কিছু জায়গা কেনার ইচ্ছা আছে বাকিটা আল্লাহ ভরসা। গ্রামের বাড়িতে মাঝে মধ্যে ঘুরতে যাওয়া হয়।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? আমি নিয়মিত নামাজ আদায় করার চেষ্টা করি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর রহমতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। মুখে সুন্নত দাঁড়ি আছে, সুন্নাত তরিকায় চলার চেষ্টা করি। আমার পরিবারে বাকি সদস্যদের দ্বীন বিষয়ে তেমন জ্ঞান নেই বললে চলে। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ পরিবারে আস্তে আস্তে দ্বীন জিন্দা হচ্ছে। পরিবারে আমার বাবাকে তাবলীগ জামাতে পাঠানোর পর থেকে এখন আলহামদুলিল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করে। বর্তমানে তিনি ১২০ দিনের মানে ৩ চিল্লার সফরে আল্লাহর রাস্তায় আছেন। আমার বাবা দ্বীনের দিকে অনেক টা এগিয়ে গেছেন। আমার মা ও ভাবি মাঝে মধ্যে নামাজ আদায় করে। আশা করি আস্তে আস্তে আমার মা ও দ্বীনের পথে উঠে আসবে। আমার মা এবং বাবা কে মাস্তুরাত জামায়াতে পাঠাবো যেন দ্বীন সম্পর্কে আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারে। আল্লাহর হুকুম ও রাসূলের সুন্নাত কি তা বুঝতে পারে। আমি আমার পরিবার কে পরিপূর্ণ দিনের ভিতরে প্রবেশ করাবো ইনশাআল্লাহ। আমার পরিবার মাহরাম নন মাহরাম মেনে চলে না, আমার বাবা খুবই কম কথা বলে মহিলাদের সামনে সেই ভাবে জায়না , আর বেশি কথা ও বলেন না। কিন্তু আমি আমার আহলিয়া কে পরিপূর্ণ পর্দায় রাখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আমি আমার পরিবারের সবাই কে পরিপূর্ণ দ্বীনের পথে উঠাতে সাহায্য করবো আল্লাহ্ ভরসা।
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? হ্যা । ৫ বছর
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? ৩-৪ ওয়াক্ত
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? ছোট থাকতে ৫ পাড়া পর্যন্ত পড়েছিলাম । চাকরি করার পর থেকে আমার পড়া আর হয় নি । আল্লাহ মাফ করুক, ইনশাআল্লাহ আবার শুরু করবো ।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? না ।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? হাদিস পড়ে যতটা বুঝতে পেরেছি যে তাদের জন্য দোয়া করা যাবে কিন্তু সেজদা করা শির্ক । আর বর্তমান মাজারে যা হয় তা বেদাআত বা শির্ক ।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন ইসলামিক বর - কনে , রাসূলের চোখে দুনিয়া , বেহেস্তের জেহর।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন আশরাফ আলী থানবী রাহমাতুল্লাহ , ডাক্তার মিজানুর রহমান আজহারী , আবু তোহা আদনান , ডক্টর জাকির নায়েক । নোমান আলী খান ।
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন আমি জেনারেল লাইনে পড়াশোনা করা একজন সাধারণ ছেলে। সত্যি বলতে, কুরআন-হাদিস খুব গভীরভাবে শেখার সুযোগ আমার হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে মাঝে মধ্যে অনেক আফসোস করি। আমি ছোট থাকতে কুরআন শরীফ এর পাঁচ পাড়া পর্যন্ত পরেছিলাম, পরে আর পড়াশোনা কোচিং এর ব্যস্ততার কারণে কুরআন শরীফ পড়া হয়ে উঠেনি, ইনশাআল্লাহ নিয়ত আছে আবার শুরু করবো আল্লাহ্ মাফ করুক। কিন্তু হাদিসের কিতাব পড়া হয় আলহামদুলিল্লাহ। আমি এখন ও হারাম সম্পর্ক থেকে দূরে আছি। প্রিয়তমা স্ত্রী অশ্লীলতার এই যুগে চক্ষু ও চরিত্র হেফাজত করেছি। আল্লাহর দেয়া হালাল নেয়ামত উপভোগের জন্য নিজেকে হারাম থেকে গুটিয়ে নিয়েছি। এতটুকু বলতে পারি যে, আপনি একজন চরিত্রবান ও চক্ষু হেফাজতকারী স্বামী পাবেন ইনশাআল্লাহ। আমি ও চাই যে আমার আহলিয়া হবে তিনি ও হারাম সম্পর্ক ফ্রি মিক্সিং থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখছে/রাখবে। আমি আমার নিজের চোখকে হেফাজত রেখেছি। সর্বদা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম - এর আদেশ ও সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ সুন্নাত দাড়ি রেখেছি। আমি চাই যে আমার আহলিয়া বা জীবন সঙ্গী যিনি হবেন তিনি পরিপূর্ণ পর্দা সহকারে হাত মুজা, পা মুজা পরিধান করবে। আমার কোন খারাপ অভ্যাস নেই , আমি নেশা জাতীয় দ্রব্য, সিগারেট ,পান ,গুল ,এসব কিছুই খাই না এসব পছন্দ ও করি না। মাঝে মধ্যে চা খাই তাও তেমন পছন্দ করি না বাসায় বানালে বা বন্ধুদের সাথে মাঝে মধ্যে খাওয়া হয়। অপ্রয়োজনীয় সময় ঘরের বাইরে যাওয়া ও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া ও পছন্দ করি না। ছোটবেলা থেকেই নামাজ পড়ার চেষ্টা করতাম আলহামদুলিল্লাহ, এখনও নামাজ পড়ি এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ মেনে চলার চেষ্টা করি। স্কুলে পড়ার সময় থেকে আমাদের মসজিদে দাওয়াত ও তাবলীগের তালিমে বসতাম, বয়ান শুনতাম এবং কয়েকবার আল্লাহর রাস্তায় সফরেও গিয়েছি। যদিও পড়াশোনা, চাকরি ও দুনিয়াবী ব্যস্ততার কারণে সেই কাজের সাথে নিয়মিত থাকতে পারিনি। আমাদের পরিবার মুসলিম পরিবার হলেও, ছোটবেলায় দ্বীন পালনের পরিবেশ খুব বেশি ছিল না। হয়তো দ্বীনের সঠিক বুঝ না থাকার কারণেই এমন ছিল। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, এখন ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। আমি সবসময় চাই আমার পরিবার একটি সুন্দর ইসলামিক পরিবেশে থাকুক। আমার জীবনে একটাই বড় স্বপ্ন তা হলো একটি শান্তিময় ইসলামিক পরিবার গঠন করা। আমার আহলিয়া এমন একজন হোক, যিনি শুধু আমার জীবনসঙ্গীই নন, বরং দ্বীনের পথে ও সাথী হবেন। আমরা পরিবারের সবাই একসাথে ঘরে তালিম করবে। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের হুকুম ও সুন্নাহ শিখবে ও মানার চেষ্টা করবে। আমার মা আমার আহলিয়া কে নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসবে, আমার মা খুব ভালো মানুষ তার সাথে কথা বললে বুঝতে পারবেন। আমি আশাবাদি আমার মা আমার জীবনসঙ্গী কে নিজের মেয়ের মত দেখবে। আমার ভাবিকে আম্মু খুবই ভালোবাসে নিজের মেয়ের মত দেখেন। আর আমার আহলিয়া/জীবনসঙ্গী যেন আমার মা কে নিজের মায়ের মতো সম্মান ও যত্ন করবে। যখন নামাজের সময় হবে তখন আমার আহলীয়া নিজে নামাজ পড়বে, ও আমার পরিবার কে সুন্দরভাবে নামাজের প্রতি উৎসাহ দেবে। এক সাথে নামাজ আদায় করবে। পরিবারে দ্বীনের পরিবেশ তৈরিতে একে অপরকে সহযোগিতা করবে। আমি এমন একজন আহলিয়া জীবনসঙ্গী চাই তার প্রধান উদ্দেশ্যে থাকবে আখেরাত। দুনিয়ার প্রতি কোন মহব্বত থাকবে না, নিজের স্বামীকে সম্মান করবে ,স্বামীর হক গুলো পালন করবে ইত্যাদি।পরিবারের পরিস্থিতি বুঝে কাজ করবে যে কোন কাজ করার আগে মা ও স্বামীর সাথে মাসোয়ারা/পরামর্শ করবে। আমি আমার স্ত্রীর হক পালনে সর্বদা চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। বিয়ে সম্পর্কে : আমি চাই আমাদের বিয়েটা যতটা সম্ভব সুন্নাহ অনুযায়ী, সহজ ও বরকতময়ভাবে হোক। আমাদের বিয়েতে কোন হারাম গানবাজনা থাকবে না। গায়ে হলুদ এর নামে কোন অনুষ্ঠান হবে না। আমি চাই না যে আমার আহলিয়া কে কোন বেগানা পুরুষ দেখুক বা হলুদ লাগিয়ে দিক এসব ইসলামে নিষিদ্ধ। আসলে আমরা এমন এক সমাজে ও পরিবেশে বড় হয়েছি যেখানে অনেক মানুষ সুন্নাহ অনুযায়ী বিয়ে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখে না, এমনকি আমার পরিবার ও তাই। আমি চাই আমাদের বিয়ে সুন্নাহ অনুযায়ী হোক আমার থেকে সুন্নাহ জিন্দা করবো ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, ছেলে ও মেয়ে উভয় পক্ষেরই এ বিষয়ে বোঝাপড়া ও সহযোগিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বিয়েটা কোন এক মসজিদে হোক। কারণ মসজিদে বিয়ে করা সুন্নাহর অন্তর্ভুক্ত এবং এতে সরলতা ও বরকত বেশি থাকে। তবে যদি কোনো কারণে মেয়ে পক্ষ এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করে, তাহলে মেয়ের বাসায়ও বিয়ে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমি চাই ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ইমাম বা হুজুর উপস্থিত থাকবেন, যিনি খুতবা দিয়ে বিয়ে পড়াবেন। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কাজিও উপস্থিত থাকবেন, যিনি কাবিন ও কাগজপত্র সম্পন্ন করবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে বিয়েতে খরচ কম, সে বিয়েতে বরকত বেশি। তাই আমি চাই বিয়েটা সাদাসিধে ও কম খরচে হোক। বিশেষ করে মেয়ে পক্ষের উপর কোনো ধরনের বাড়তি চাপ বা কষ্ট তৈরি না হোক। বিয়েটা কোন এক শুক্রবারে হোক। ছেলে পক্ষ থেকে অল্প কিছু মানুষ যাবে। ইসলামে বড় করে বরযাত্রীর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তাই অযথা অনেক মানুষ নিয়ে গিয়ে মেয়ে পক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করার ইচ্ছা আমার নেই। প্রয়োজনে আমরা বাসা থেকে খেয়ে গিয়েও শুধু বিয়ে সম্পন্ন করে মেয়েকে নিয়ে আসতে পারি। তবে মেয়ে পক্ষ যদি নিজেদের ইচ্ছায় অল্প কিছু আপ্যায়ন করতে চায় এবং এতে তাদের কোনো কষ্ট না হয়, তাহলে সেটা ভিন্ন বিষয়। আমি চাই পুরো বিষয়টি সহজ, সম্মানজনক ও চাপমুক্ত হোক। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হলো যৌতুক। যৌতুক সম্পূর্ণ হারাম, দেওয়া বা নেওয়া কোনোটাই ইসলাম সমর্থন করে না। তাই আমি কোনো ধরনের যৌতুক চাইবো না/, ইনশাআল্লাহ কখনো ও নিবো না। আমার আহলিয়ার পরিবার থেকে কোনো কিছু দাবি করবো না। দেনমোহরের বিষয়েও আমি সহজ ও বাস্তবসম্মত চিন্তা করি। আমি বিশ্বাস করি, বেশি দেনমোহর নির্ধারণ করলেই সংসার টিকে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। সংসার টিকে থাকে ভালোবাসা, বোঝাপড়া, তাকওয়া , দ্বীনদারের ও আল্লাহর রহমতে। আমি চাই দেনমোহর হবে আলোচনা সাপেক্ষে, পরিবারের সামর্থ্য ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী নির্ধারণ হবে। আমার ইচ্ছা, দেনমোহর সাধ্যের মধ্যে রাখা এবং বিয়ের সময়ই পরিশোধ করা। বাকি দেনমোহর হবে না। বিয়ের দিন স্ত্রীর হাতে দেনমোহর বুঝিয়ে দিবো ইনশাল্লাহ। আমার মতে দেনমোহর ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে পারে। তবে পারস্পরিক আলোচনা এখানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর পক্ষ বিয়েতে যদি সোনা বা অলংকার দেয় , তাহলে সেটা দেনমোহরের অংশ হিসেবে ধরা যেতে পারে তা দুই পক্ষের আলোচনা করে। কনে বা তার পরিবার সম্মত থাকলে তাহলে সোনা অলঙ্কার দেনমোহর হিসেবে ধার্য করা হতে পারে। তাহলে ঐ সোনা অলঙ্কারের হক স্বামী ও স্বামীর পরিবারের কারোর থাকবে না। শুধু মাত্র স্ত্রীর হক থাকবে। আমি চাই কিছু জিনিস স্ট্যাম্প আকারে লিখিত থাকতে পারে যাতে ভবিষ্যতে কোন ঝামেলা না হয় যেমন ছেলেপক্ষ কোন যৌতুক নিবে না , বা দেনমোহর পরিশোধ করবে নগদে ইত্যাদি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম ও সাহাবিদের ঘরে ও অভাব ছিল কিন্তু ভালোবাসা কম ছিলো না। কিছু প্রচলিত প্রথা আছে বিয়ে বাড়িতে—যেমন গেট ধরা, জুতা লুকানো, হাত ধোয়ানো, মিষ্টি খাওয়ানোর নামে টাকা নেওয়া, গান বাজনা বাজানো ইত্যাদি আমাদের বিয়েতে এসব থাকবে না। সব দুই পক্ষের আলোচনা সাপেক্ষে হবে কি করলে ভালো হবে ইত্যাদি। আমি চাই বিয়েটা হোক শান্ত, সাদাসিধে, সুন্নাহসম্মত ও বরকতময়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেন যে বিয়েতে দেনমোহর এবং খরচ কম হয় সে বিয়ে বরকত ময় ও কল্যাণকর । বিয়ের পরের দিন ওলিমা খাওয়ানো সুন্নাহ। মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে লোক আসবে আর ছেলের আত্মীয়-স্বজন ও মুরুব্বিরা ওলিমায় উপস্থিত থাকবে। সবশেষে আমার একটাই চাওয়া—এই বিয়ের মাধ্যমে যেন দুই পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা, সম্মান ও দ্বীনের সম্পর্ক তৈরি হয় এবং কারও উপর যেন অপ্রয়োজনীয় কষ্ট বা চাপ না আসে।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? বাড়িতে থাকলে সাধারণত পাঞ্জাবি পায়জামা পড়ে সব সময় মসজিদে যায় । আর কাজের ক্ষেত্রে সব কিছুই পড়তে হয় ।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? সুন্নতি দাঁড়ি আছে আলহামদুলিল্লাহ , দাঁড়ি পরিপূর্ণ আছে মুখে , কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই দাড়ি রেখে দিছি তাও ২০১৬ সাল থেকেই।
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? হ্যা । আলহামদুলিল্লাহ
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? চেষ্টা করি ।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? দেখা হয় না আলহামদুলিল্লাহ ।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? তাবলীগ ।
পেশাগত তথ্য
পেশা ইঞ্জিনিয়ার
পেশার বিস্তারিত বিবরণ আমি ট্রান্সমিশন লাইনে চাকরি করতাম। সার্ভেয়ার পেশা হিসেবে। বেতন আলহামদুলিল্লাহ ২৫০০০ ছিল। আমার উপার্জন সম্পূর্ণ হালাল আলহামদুলিল্লাহ । আমি ২০২০ সালের জুন মাস থেকে ২০২৬ সালের ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত একটানা চাকরি করেছি। এখন বর্তমানে প্রজেক্টের কিছু সমেস্যার কারনে চাকরি ছেড়ে দিছি। এখন নতুন চাকরির জন্য চেষ্টা করছি। আল্লাহ ভরসা।
মাসিক আয় বর্তমানে কোন আয় নেই ।
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যা রাজি আলহামদুলিল্লাহ
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? হ্যা ইনশাআল্লাহ
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? ইসলামিক শিক্ষা হলে পরিবারের আলোচনা সাপেক্ষে।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? না ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? একক পরিবারে । বা আলোচনা সাপেক্ষে
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? না ।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিবাহ করা ফরজ/ওয়াজিব বিবাহ হারাম সম্পর্ক, ব্যভিচার ও ফিতনা থেকে বাঁচার নিরাপদ পথ। অর্ধেক দীন পুরোন হয়। “যে ব্যক্তি বিয়ে করলো, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করলো; বাকি অর্ধেকের জন্য আল্লাহকে ভয় করুক।” ইসলামী বিয়ে সন্তানের জন্য হালাল ও সম্মানজনক পরিবার গড়ে তোলে। এতে বংশধারা পবিত্র থাকে, সন্তান সঠিক তালীম-তারবিয়াত পায়। আল্লাহ হুকুম ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ মেনে চলার চেষ্টা ও আখেরাতে এক সাথে জান্নাতে যাওয়া।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-24
উচ্চতা ৪'৮" - ৫'৩" পর্যন্ত
গাত্রবর্ন কালো, শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জল ফর্সা
পেশা জেনারেল/ মাদ্রাসা
জেলা খুলনা , কিন্তু সকল জেলার হবে কিন্তু তা আলোচনা সাপেক্ষে
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা ছাত্রী হলে আলহামদুলিল্লাহ , ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা করায়, বা কোন কিছু করে না এমন ।
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত,
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার চেষ্টা করে। পরিপূর্ণ পর্দা করার মন মানসিকতা থাকতে হবে। প্রাক্টিসিং মুসলিম যে দ্বীনের জন্য সব কিছু চেষ্টা করবে। পরিবারকে দ্বীনের পথে চলার জন্য সাহায্য করবে। দুনিয়ার থেকে পরকালকে বেশি গুরুত্ব দিবে। চাহিদা কম থাকবে। স্বামীর আনুগত্য করবে। স্বামীর হক গুলো পালন করবে। দুনিয়া থেকে আখিরাতকে গুরুত্ব দিবে প্রাধান্য দেওয়া ইত্যাদি। বর্তমানে সোসাল মিডিয়া থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করে।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

তেরখাদা এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #12068

বয়স
24 বছর
উচ্চতা
৫′ ১০″
পেশা
ইমাম
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
তেরখাদা, খুলনা, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6026

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
তেরখাদা, খুলনা, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #11413

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৯″
পেশা
বেসরকারী চাকুরী
বৈবাহিক অবস্থা
বিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
তেরখাদা, খুলনা, খুলনা
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #1649

বয়স
27 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
তেরখাদা, খুলনা, খুলনা
খুলনা জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন