| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
পুর্ববর্তীঃ ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল রহিমাহুল্লাহ, শাইখুল ইসলাম ইমাম তাকিউদ্দিন ইবনু তাইমিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ, ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহ, ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব রহিমাহুল্লাহ; গ্লোবালঃ শাইখ হামুদ বিন উকলা আশ-শুয়াইবী রহিমাহুল্লাহ, শাইখ আলী আল-খুদাইর রহিমাহুল্লাহ, শাইখ সুলায়মান ইবনু নাসির আল-উলওয়ান হাফিযাহুল্লাহ, শাইখ মুহাম্মাদ আল-মাকদিসী হাফিযাহুল্লাহ, শাইখ আব্দুল্লাহ আযযাম রহিমাহুল্লাহ, শাইখ আহমাদ মুসা জিবরীল হাফিযাহুল্লাহ; বাংলাদেশঃ উস্তায শাইখুল ইসলাম হাফিযাহুল্লাহ ও অন্যান্য। সাধারণত ইলমের বিশুদ্ধতার জন্য সালাফ এবং অতঃপর গ্লোবাল স্কালারদের থেকে ইলম শেখা হয়।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
তাওহিদের জন্যই এই দুনিয়াই আমাদের বেঁচে থাকা। তাই একজন মুসলিম হিসেবে আল্লাহ-র তার তাওহিদকে, তার দ্বীনকে কেন্দ্র করেই আমার পথচলা। আল্লাহ যেন আমাকে তাঁর তাওহিদের উপর মৃত্যু নসিব করেন। এটাই আমার চূড়ান্ত পছন্দ। আমি দ্বীনের কোন বিষয়েই আপস করতে রাজি নই। আল্লাহ-র শরিয়াহ, এটা কিয়ামত পর্যন্ত সকল সময়,স্থান,অবস্থার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তাই, যদি তথাকথিত সময় ও বাহ্যিক পরিস্থিতির অজুহাত দিয়ে দ্বীনের কোন বিষয়েগুলোর সাথে আপস করে আপনার পথচলা হয় তাহলে আমাদের পথ ভিন্ন। আমি আপনার পথের যাত্রী নই। কিন্তু না, তোমার রবের কসম! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের মধ্যকার বিবাদ-বিসংবাদে তারা তোমাকে বিচারক হিসেবে মেনে নিবে, অতঃপর তোমার দেওয়া ফয়সালার ব্যাপারে তাদের অন্তরে কোন কোন দ্বিধা থাকবে না এবং তারা সর্বান্তকরণে মেনে নিবে। (সূরা আন-নিসাঃ ৬৫) মুহাম্মদ ﷺ এর উপর অবতীর্ণ কুরআনের প্রথম শব্দটি ছিল "ইক্বর"। এই একটি শব্দ একটি নিরক্ষর জাতির মাঝে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল, তাদের মাঝে তৈরি করেছিল বিশ্ববরেণ্য আলিমসমাজ। আমার পড়তে খুব ভালো লাগে। আর কাউকে পড়ে শোনাতে তো আরও ভালো লাগে - বিশেষ করে এমন কারো কাছে, যার হৃদয় আল্লাহর দ্বীনের জন্য উন্মুখ এবং যিনি সত্য অনুসন্ধান করেন, চিন্তা-ভাবনা করেন। এমন ক্ষেত্রে কষ্ট হলেও আমি পড়তে থাকি। কেন জানি, এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়। বিশেষ করে যখন আল্লাহর তাওহিদ, আকিদাহ, রসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনী, সাহাবীদের জীবনী, উম্মাহর অবস্থা বা ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হয়। ব্যক্তিগতভাবে আমার পড়ার পাশাপাশি বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করতে অত্যন্ত ভালো লাগে। তবে যারা অর্জিত ইলম অনুসারে আমল করে না, তাদের আমি খুবই অপছন্দ করি। “যাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছিল, অতঃপর তারা তা বহন করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত গাধার মতো, যে বহু পুস্তক বহন করে।” - সূরা আল-জুমু‘আ: ৫ আমি ফাসিক, জাহিল ও মূর্খ ব্যক্তিদের সাথে বিতর্ক করতে এবং ব্যক্তি হিসেবে তাদের অপছন্দ করি। অবসর সময়ে আমি বই পড়া, লেকচার শোনা, কম্পিউটারে কিছু তৈরি করা অর্থাৎ প্রোগ্রামিং (আমার নিজস্ব Operating System সহ অনেক টুলস ও মডিউল তৈরি করা হয়েছে) অথবা নতুন বিষয় নিয়ে সময় কাটাতে পছন্দ করি। বিশেষ করে আমার পড়াশোনার বিষয় Cyber Security (ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও হ্যাকিং) নিয়ে কাজ করতে ভালো লাগে। এছাড়া Robotics ও Electronics নিয়েও কাজ করা হয়। আপনি চাইলে আমি আপনাকে অনেক কিছু শিখতে এবং জানতে সাহায্য করবো, ইং শা আল্লাহ। আপনার সঙ্গ, পাশে থাকা, ইবাদাত ও একান্ত নির্জন সময় - সবকিছুই আমার জন্য আনন্দদায়ক হবে, বিইযনিল্লাহ। আমি দ্বীনের বিষয়গুলো নিয়ে একটু কঠোর। উঁচু স্বরে কথা বলা, বিশৃঙ্খলা, গালমন্দ, অশ্লীল আলাপ, গীবত, মিথ্যাচার, অপবাদ, অনুমানভিত্তিক কথা বলা, নিজের প্রবৃত্তি থেকে বিচার করা বা তাকে মানদণ্ড বানিয়ে কথা বলা, যিনা (চোখ, মুখ, হাত যেকোনো উপায়ে), আসাবিয়্যাহ, গায়রতহীনতা, সম্পদ, বংশ বা জাহিলি বিষয়কে কেন্দ্র করে অহংকার - এসব আমার খুবই অপছন্দের। তবে উম্মাহর প্রতি দরদ, সহানুভূতি ও অন্যান্য ভালো গুণ আপনি আমার মধ্যে পাবেন, ইং শা আল্লাহ। আমার চরিত্র ও রুচি আপনাকে নিরাশ করবে না, ইং শা আল্লাহ। এসব বিষয় ছাড়া, ব্যক্তিগতভাবে আমি খুবই রুচিশীল (ভাষাগত ও বস্তুগত), তবে উচ্চ-বিলাসী জীবন ও বিলাসিতা খুবই অপছন্দ করি (কৃপণতা নয়)। যুহদ আমার কাছে পছন্দের আমল। আপনিও যদি এমন হন, তাহলে সেটা আমাকে সত্যিই আনন্দিত করবে। আর না হলেও সমস্যা নেই, এটা ব্যক্তিগত। আপনি আল্লাহর দ্বীনকে পূর্ণভাবে অনুসরণ করবেন, তাওহিদকে আঁকড়ে ধরবেন-এতটুকুই আমার চাওয়া।
|