জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
তাওহিদপন্থী, আল্লাহভীরু, দীনদার,সুউচ্চ গাইরতবান, সচ্চরিত্রবান, দায়িত্ববান, যত্নবান।অবশ্যই সুন্নতি দাড়ি থাকতে হবে ।জামায়াতের সাথে ৫ওয়াক্ত সালাত মসজিদে গিয়ে আদায়কারী হতে হবে। সর্বদা টাকনুর উপর পোশাক পরিহিতকারী একজন হতে হবে।হালাল রিজিক উপার্জনকারী অথবা হালাল অন্বেষণকারী।যে কুরআন ,সুন্নাহ,হাদীস,ইজমা, কিয়াস এর আলোকে জীবন পরিচালনা করবে।সব কিছুর ঊর্ধ্বে আল্লাহ্ তায়ালা ও রাসূল সাঃ কে ভালবাসতে হবে । জিহাদ কে ভালোবাসে যার মনে জিহাদের তামান্না রাখে এবং মুজাহিদদের সম্মানের চোখে দেখে। বিনয়ী ও উত্তম আখলাকের অধিকারী হবে।একাডেমিক পড়ালেখায় ও দ্বীনি শিক্ষা দুই দিকে বেশ অগ্রগামী হতে হবে।**শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে পারে একজন হতে হবে।যার দ্বীনের প্রতি অফুরন্ত মুহব্বত আছে, দ্বীনের ক্ষেত্রে কোনো কম্প্রোমাইজ করবে না । রাগ নিয়ন্ত্রণকারী,মিষ্টভাষী,স্পষ্টভাষী,অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার,দূরদর্শী(যে কোনো ব্যাপার ভালো ভাবে ভেবে করে) সত্যপ্রিয়তা,চিন্তাশীলতার সুউচ্চ মিনার।যার মাঝে লয়ালটি (বিশ্বস্ততা),পরিপক্বতা(maturity), এই জীবনের উদ্দেশ্য ও লক্ষের পবিত্রতা পরিপূর্ণ মাত্রায় বিদ্যমান থাকবে।যিনি এই যামানার মধ্যে অধিক ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ,উন্নত চরিত্রের অধিকারী,অধিক সত্যবাদী পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন মনে অধিকারী,কোমল প্রাণ, কথায় ও কাজে সৎ। সিরাহ, শরীয়াহ,ইসলামীক ইতিহাস,ইসলামিক অর্থনীতি,ইসলামিক কালচার , আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশের ভূরাজনীতি এর প্রতি প্রবল নলেজ থাকতে হবে।মিতব্যয়ী(অন্যায় পথে,বা অযথা ব্যয় কারী না,উড়নচণ্ডী না), দ্বীনের পথে ব্যয় কারী,গরীব অভাব দুঃস্থ দের সাদাকাহ দিতে আগ্রহী,মায়া,ভালোবাসা থাকবে যার। ইলম অর্জন কারী,,ইলমের প্রতি যার প্রবল আগ্রহ,, বাঙলা ভাষার ব্যবহার আর উচ্চারণে যিনি দক্ষ, সাহিত্যিক মনোভাবের।কবিতা,চিঠী লেখাতে যিনি পারদর্শী হলে ভালো হয়। তাছাড়া কম্পিউটার স্কিল,, ইংলিশ এর ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং এন্ড স্পিকিং আয়ত্ত্ব থাকলে আরো ভালো,,যাতে আমি তার সান্নিধ্য পেয়ে সব দিকে পারফেক্ট হতে পারি।(তিনিই যেনো হন আমার আদর্শ শিক্ষক )""একদম থাকতে হবে এইরকম নয়। নিজ পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও নিজ স্ত্রীর হকের ব্যাপারে সতর্ক হন। ব্যালেন্স করতে পারেন। স্ত্রী কে অবশ্যই পরিপূর্ন পর্দায় রাখতে হবে। কোনো আদর্শ , দীনদার মা বাবার আদর্শ , দীনদার সন্তান হতে হবে। শুধু জীবনসঙ্গী ই নয়,তার পরিবার ও পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম জানতে,মানতে হবে। শরীয়াহ মানতে হবে।তারা যেন আমার খুব প্রিয় হন, দ্বীন পালনে সহায়ক হন।আমার প্রতি সহানুভূতিশীল হন।আমার পরিবারকে সম্মান প্রদর্শন করেন।আমিও তাদের ব্যপারে সতর্ক থাকব ইনশাআল্লাহ। *সে যেন আমার নিজের প্রয়োজন না হয়ে প্রিয়জন হয়ে আসে, কলবে হিদায়াহ,সুন্নাহ জড়িয়ে,, চক্ষুশীতলকারী হিসেবে,, হালাল হয়ে। আমি সব দিকে পারফেক্ট না হওয়ায় সত্ত্বেও আমাকে বাছাই করে নিবে জীবনের তরে, আখিরাতের তরে।সে যেনো হয় আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম অধ্যায়। যার সাথে আফিয়াহ ও কল্যায়েনের সাথে বাকি জীবন কাটাতে পারব।আমার এই ভেঙে পড়া, না পাওয়ার ক্ষত বিক্ষত জীবনটায় সুকুন নিয়ে আসার উসিলা হয় আসে। আদর্শ স্বামী, ফিউচার জেনারেশন এর আদর্শ বাবা,যিনি তাদের বিদ্রোহ শিখাবেন,মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবে।রাগের মাথায়ও একজন নারীকে সম্মান দিয়ে কথা বলে। আর হ্যাঁ, অবশ্যই সে যেনো সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ সম্পন্ন হন। পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে এবং সর্ব বিষয়ে সর্বোচ্চ পরিমান সৎ থাকেন।**আখেরি জামানা ও আসন্ন মুসলিম উম্মাহর সংকট সম্পর্কে সচেতন থাকেন। নিজের ও পরিবারের করনীয় নিয়ে সচেতন।
|