| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত সালাত আদায় করি। ছোটবেলা থেকেই সালাতের প্রতি কড়াকড়ি ছিলো আব্বা আম্মা। তখন থেকে সালাত পড়তাম।তবে রেগুলারিটি ছিলো না।কাযা হতো । ২০২৩ সাল থেকে একেবারেই পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করছি।কিন্তু দূরের পথে যাত্রায় গাড়িতে থাকলে কাজা হয়।বিশেষত রাজশাহী থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় জুহুরের সালাত কাযা হয়। তাছাড়া আলহামদুলিল্লাহ, আমার সালাত কাযা হয় না। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সপ্তাহে এক ওয়াক্ত সালাতও কাজা হয় না।কিন্তু গাড়িতে থাকাকালীন বাড়ি যাওয়ার সময় ট্রেনে থাকলে জুহরের নামাজটা কাজা হয়। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারি।অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্ন কোর্স করছি। এখনো শিখছি শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না। এরকম কোনো গুরুতর সমস্যা নেই। তবে একটু ঠান্ডা লাগলে বা ধুলোবালি লাগলে সর্দি লাগে।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজারকে বিশ্বাস করি না। এটি শিরক
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মুমিনদের ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা, জান্নাতের মনোমুগ্ধকর বর্ননা ওপারেতে সর্বসুখ, হিজাব আমার পরিচয়,নারী সাহাবীদের ঈমানদীপ্ত জীবন,ম্যারেজ ইন ইসলাম,বিয়ের এপিঠ ওপিঠ,ফিলিস্তিন ও সমসাময়িক মুসলিম বিশ্ব,হে আমার মেয়ে, গাইরত,ইত্যাদি
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
নোমান আলী খান,ড. জাকির নায়েক, ড. মিজানুর রহমান আজহারী
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। সমস্ত প্রশংসা মহান রবের যিনি বিশ্বজগতের অধিপতি। আসসালামু য়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বরাকাতুহ। শুরুতেই নিজের সম্পর্কে কিছু বলার পূর্বে অতিরঞ্জিত কথা থেকে মহান রবের নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি খুবই ক্ষুদ্র একজন মানুষ। আমার আশেপাশের অনেক দ্বীনি বোনের ইলম অনেক বেশি। সে তুলনায় আমার ইলম অতি নগন্য। আমি প্রতিনিয়ত শিখছি বই পড়ে, দ্বীনি বোনদের থেকে,বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে এবং আলকুরআন থেকে।কতটা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবে প্রয়োগ হচ্ছে জানি না।আল্লাহ তাআলা আমার চেষ্টাকে সফল করুক এ দুআ করি।আমিন শখ: আমার খুব ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার অভ্যেস । তাই সুযোগ পেলে পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। ছবি আকার পাশাপাশি গাছ লাগাতে এবং গাছের যত্ন নিতে ভালো লাগে। বিশেষত ইনডোর প্লান্ট। আলহামদুলিল্লাহ,, আমার রুমের বারান্দায় ছোট্ট পরিসরে প্রায় অনেক রকমের ইনডোর প্লান্ট রয়েছে। এগুলো আমার একটুকরো প্রশান্তির জায়গা। সময়গুলোকে উপকারী কাজে ব্যয় করার ইচ্ছে থেকে এ ধরনের কাজ করি। একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে প্রায়সময়ই ইসলামিক বই পড়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ যে, দ্বীনি কিছু শিখতে চাওয়ার প্রচেষ্টা থেকে বেশকিছু ইসলামিক বই পড়েছি।এখনো পড়ছি। আমার অল্প কিছু বইয়ের কালেকশন আছে।এই বইগুলোকে ঘিরে একটি বিশেষ ইচ্ছে আছে আমার।সেটা হলো ঘরের এক কোণে একটা ছোট্ট লাইব্রেরী থাকবে।যেখানে আমার বইগুলোর সাথে আরও কিছু ইসলামিক বই এ্যাড করে একটা ছোট্ট লাইব্রেরি হবে। সেখানে শিশুতোষ থেকে শুরু করে সব ধরনের ইসলামিক বই থাকবে। উপকারি জ্ঞান নিজে অর্জন এবং অন্যকেও সে সুযোগ তৈরি করার মধ্য দিয়ে আমি রবের সন্তুষ্টি লাভ করতে চাই।তবে এর জন্য আমার যিনি জীবনসঙ্গী হবেন তার সহযোগীতা প্রয়োজন। মহান রব্বুল আলামিন আমাকে এমন জীবনসঙ্গী দান করুন যিনি আমাকে এই ইচ্ছেগুলো পূরনে সহযোগীতা করবেন। স্বপ্ন: ইনশাল্লাহ আল্লাহর ঘর তাওয়াফ করার স্বপ্ন আছে। আল্লাহ এই ছোট্ট বান্দীর এই ইচ্ছেটা হয়তো ইনশাআল্লাহ একদিন পূরন করবেন সে প্রতীক্ষায় আছি। প্রতিদিনি দিনের যেকোনো এক সময় কুরআন তিলওয়াত করার চেষ্টা করি। অর্থ ও তাফসিরসহ পড়ার চেষ্টা করি।তবে মাঝে মাঝে স্কিপও হয়ে যায়।সবসময় ধরে রাখতে পারি না।আমি প্রতিনিয়ত শিখছি। কতটা পারছি তা জানা নেই আমার নিজেকে বিচার করাটা কঠিন।তবে আমার পূর্নাঙ্গ কুরআনকে গভীরভাবে বোঝার ও জানার প্রবল আগ্রহ আছে। অপছন্দ: মিথ্যে বলা অপছন্দ করি।চেষ্টা করি আমার জবান দিয়েও যেন মিথ্যে কথা বের না হয়।নিজেকে অনেক বেশি জাহির করা পছন্দ করি না।কৃপনতা পুরোপুরি অপছন্দ করি।সামর্থের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যয়ে কার্পন্যতা একেবারে অপন্দনীয়।হারাম কাজে লিপ্ত থাকা ঘৃণা করি। গায়েপড়া স্বভাব ভালো লাগে না। পছন্দ: তাক্বওয়াবান,দ্বীনদারিতা,গায়রতওয়ালা,দৃঢ় মনোবল, মহানুভবতা, ধৈর্যশীল, প্রশস্ত মনমানসিকতাসম্পন্ন এসব গুন ভালো লাগে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে কিছু পরিকল্পনা: আমি একজন দ্বীনি জীবনসঙ্গীর সহধর্মিনী হতে চাই।যার হৃদয়টা হবে প্রশস্ত, কুরআনও সুন্নাহর আলোকে যিনি জীবন পরিচালনা করেন,যার অন্তরে বিন্দুমাত্র অহংকার থাকবে না,মুসলিম উম্মাহর জন্য যার মন কাদে,যিনি নিজে দ্বীনি ইলম অর্জন করেন এবং অন্যকে উৎসাহিত করেন। যিনি আমার তাহাজ্জুতের সঙ্গি হবেন।এমন সন্তানের জননী হতে হতে চাই, যারা মুসলিম উম্মাহর জন্য কিছু করতে পারবে। আমার ইচ্ছে হলো ভবিষ্যত যে সন্তান আসবে তাদের ইনশাআল্লাহ হাফেজ করা।সেই সাথে পিউর সাইন্স থেকে পড়াশোনা করিয়ে ডাক্তারি পড়ানো এবং ইন্টারন্যাশনাল মানের ইসলামিক স্কলার্স হিসেবে গড়ে তোলা,যে বিশ্বব্যপি দাওয়াহর কাজে নিয়োজিত থাকবে। আর মেয়ে হলে হাফেজা করানো।তাকে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সহশিক্ষা দিতে চাই না। একটা দ্বীনি ঘরোয়া ও গোছানো সংসার তৈরিতে আল্লাহ আমাকে কবুল করুন।আমিন
|