| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ, পড়ি। গত দুই বছর ধরে নিয়মিত পড়ি |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
০ ( গড়ে ৪/৫ মাসে একবার কাজা হয়) |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
জ্বি পারি আলহামদুলিল্লাহ। সেই সাথে নিজ আগ্রহে নিয়মিত কুরআন পড়তে পড়তে আনুমানিক ৫ পারার বেশি হিফজ করে ফেলেছি। এমনিতেও দ্বীনে ফেরার পর কুরআন তেলাওয়াত ও গজলের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে এবং নিয়মিত বিখ্যাত ক্বারিদের সুর ও তেলাওয়াত অনুশীলন করি। আলহামদুলিল্লাহ, আমার তেলাওয়াত শুনে অনেকেই হাফেজ বা ক্বারি হিসেবে ধারণা করেন।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শিরক
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
তাইসির থেকে শুরু করে নাহুমির জামাত পর্যন্ত সকল পাঠ্য কিতাব, তাফসিরে মা’আরেফুল কুরআন (সৌদি সরকার প্রকাশিক সংক্ষিপ্ত সংস্করণ), ফাযায়েলে আমাল, ফাযায়েলে সাদাকাত, মৃত্যুর দুয়ারে মানবতা ইত্যাদি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
আল্লামা মামুনুল হক (দা.বা.), আসিফ আদনান, তামিম আল আদনানী
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
🌿 নিজের সম্পর্কে: আমি ব্যক্তিগতভাবে সহজ-সরল ও পরিমিত জীবনযাপন পছন্দ করি। অবসর সময়ে কুরআন তেলাওয়াত ও বিখ্যাত ক্বারিদের সুর অনুশীলন,গজল প্র্যাকটিস, পড়াশোনা এবং নতুন কিছু শেখার মধ্যে থাকতে ভালো লাগে। এমনিতেও আমার কুরআনের তেলাওয়াত হাফেজদের মতোই। কিন্তু তারপরও আগামী ৫/৬ মাসের মধ্যে নিজেকে একজন আন্তর্জাতিক মানে মশকের উস্তায হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছি। বেঁচে থাকলে এটা সিরিয়াসলি বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও নিয়মিত বিভিন্ন বই, লেকচার ও রিসোর্স থেকে শেখার চেষ্টা করি। মানুষের সাথে নম্র ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখতে পছন্দ করি এবং অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা বা বিতর্ক এড়িয়ে চলতে চাই। পরিবারকে সময় দেওয়া, একসাথে শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করা—এই বিষয়গুলো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা ও যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করার প্রতি আগ্রহ রয়েছে, এবং এ বিষয়ে নিয়মিত অনুশীলন করি। 🧭 স্বপ্ন ও লক্ষ্য: জীবনে এমন একটি অবস্থানে যেতে চাই, যেখানে দ্বীন, পরিবার ও কাজ—এই তিনটির মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য বজায় থাকবে। পাশাপাশি ইসলামিক শিক্ষা ও দাওয়াতী কাজের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রাখতে চাই। এটা শুধুমাত্র আমার ইচ্ছা নয়, সিরিয়াস ডিসিশন। কেননা আমি বিশ্বাস করি শুধুমাত্র উপার্জন ও সংসার পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাই একজন মুমিনের কাজ হতে পারে না। বরং এসবের পাশাপাশি দ্বীনের বৃহত্তর স্বার্থে ভূমিকা রাখা উচিত। এবং আমি সেটাই করি। আর আমি চাই আমার স্ত্রী আমার সেসব দ্বীনি খেদমতের সহযোগী হবে। যেনো দু্জনই একে অপরের জান্নাতের সঙ্গী হতে পারি। দ্বীনের পথে ফিরে আসার পর থেকে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে চলাফেরা ও পরিবেশের ক্ষেত্রে। বর্তমানে একটি পরিমিত ও দ্বীনকেন্দ্রিক জীবনধারা বজায় রাখার চেষ্টা করছি। কর্মসূত্রে নতুন শহরে থাকার কারণে জীবন কিছুটা নিরিবিলি ও সীমিত পরিসরে আবদ্ধ। তাই এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি শুধু দায়িত্বশীল স্ত্রীই নন, বরং একজন আন্তরিক সঙ্গী ও বন্ধুর মতো পাশে থেকে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সময় ভাগাভাগি এবং একসাথে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে আগ্রহী। তবে যাদের ইতপূর্বে রিলেশন ছিলো বা ব্রেকাপ হয়েছে। এমন কেউ যোগাযোগ করবেন না প্লিজ। আমি মনে করি, এই বায়োডাটাতে আমার যেই যোগ্যতাগুলো উল্লেখ করেছি। এবং যেগুলো উল্লেখ করা হয়নি। আমার সব ধরনের যোগ্যতা, সারা জীবনের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা এবং আমার সব ধরনের সক্ষমতা যদি আল্লাহর দ্বীনের রাহে, দ্বীন কায়েমের পথে কোনো কাজেই না লাগে। তাহলে এসব যোগ্যতার কোনো মূল্যই নেই। মোট কথা আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হলো জাস্ট একটা ইমানী মৃত্যু। তাই আমি শুধুমাত্র স্ত্রী চাই না, আমি আমার এই জিহাদী জীবনের একজন সিরিয়াস সহযোগী চাই। অনুগ্রহপূর্বক এই সেকশনের লেখাটা আরো ২ বার পড়ুন। তারপর আমার ব্যাপারে সুস্থ মাথায় ভাবুন। এগুলো আমার সস্তা আবেগ নয়, বরং সিরিয়াস বাস্তবতা। আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য। বিয়ে ও দাম্পত্য জীবনকে সঠিকভাবে পরিচালনার প্রস্তুতি হিসেবে Marriage & Family Psychology বিষয়ক কিছু প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। দাম্পত্য যোগাযোগ, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দায়িত্বশীলতা বিষয়ে নিয়মিত শেখার চেষ্টা করছি। যেহেতু অল্প দিনের ব্যবধানে বিয়ের দিকে এগোচ্ছি। তাই ইদানিং এই বিষয়ে প্রচুর পড়াশোনা করছি। যেনো স্ত্রীর মনের মতো করে আমি তার হক আদায় করতে পারি।
|