| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
"হ্যাঁ" তিন বছর যাবত পড়ছি |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ কাজা হয় না তবে মাঝেমধ্যে জামাত ছুটে যায় |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ কোরআন তেলাওয়াত করতে পারি, এখনো আরো শুদ্ধভাবে তেলাওয়াত করা শিখতেছি
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না। মানসিক কোন রোগ বা সমস্যা নেই তবে শারীরিক একটু সমস্যা আছে মাঝে মধ্যে হঠাৎ ঘাড়ে ও পিঠ ব্যথা হয়{ ব্যাক পেইন } চিকিৎসা চলমান
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার হলো কবরেরই একটি রূপ, যেখানে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা হয়, কিন্তু মাজারকে পূজা বা অলৌকিক ক্ষমতার উৎস মনে করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিস্তারিত বলতে গেলে , মাজার কবরস্থানের মতোই, যেখানে অলি-আউলিয়াদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়, তবে কবরের ওপর পাকা কাঠামো নির্মাণ, গম্বুজ তৈরি, কিংবা কবরকে কেন্দ্র করে শিরকি কর্মকাণ্ড, বা কবরের বাসিন্দার কাছে সরাসরি প্রার্থনা করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ , মাজার হলো যিয়ারতের জায়গা, যেখানে গিয়ে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা হয় এবং নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করা হয় । শিরক থেকে সতর্কতা: কবরে শায়িত ব্যক্তি আল্লাহর বন্ধু (অলি) হতে পারেন, কিন্তু তারা কারো দোয়ার মুখাপেক্ষী নন, বরং তারা নিজেরাই আল্লাহর রহমত পাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন । তাদের কাছে সরাসরি কিছু চাওয়া বা কবরের সামনে ইবাদত করা শিরক । হাদিস অনুযায়ী, কবর পাকা করা, চুনকাম করা বা গম্বুজ নির্মাণ করা নিষেধ । মধ্যস্থতা বর্জন: আল্লাহর কাছে কোনো মাধ্যম বা তৃতীয় পক্ষ (ব্যক্তি বা বস্তু) ছাড়াই সরাসরি ইবাদত ও প্রার্থনা করা মুমিনের ঈমান। সম্মান ও দোয়া: নেককার বা অলি-আউলিয়াদের কবরে গিয়ে তাদের জন্য মাগফিরাত কামনা করা বা তাদের উসিলায় আল্লাহর কাছে নিজের জন্য দোয়া করা।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
আর রাহিকুল মাখতুম, তাশাহুদ আত্মশুদ্ধি, ফাজায়েলে আমল, ফাজায়েলে সাদাকাত,
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মুফতি নজরুল ইসলাম কাসেমী, শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক, মাওলানা আরিফ বিন হাবিব, আবু ত্বাহা মোহাম্মদ আদনান।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
১. শখ — নতুন কিছু শেখা ও তা থেকে জ্ঞান অর্জন করা, বই পড়া, দূরদূরান্তে নির্জনে সফর করা, প্রতিটা সকালকে উপভোগ করা, জ্ঞান চর্চা মূলক সবায় অংশগ্রহণ করা, ইসলামিক আন্দোলনের অংশগ্রহণ করা, ২ .পছন্দ — সর্বদা আল্লাহর হুকুম ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর ধীরু বিশ্বাস রাখা ও অটল থাকা, সাধারণ জীবন যাপন ,মানুষের সাথে সুন্দর আচরণ,কোলাহলমুক্ত স্থান ও পরিছন্ন এবং শান্ত পরিবেশ,নিজের পছন্দমতো কাজ করার স্বাধীনতা, সত্যবাদিতা, দায়িত্বশীলতা, মানুষের উপকারে আসা এবং মানুষের সাথে সহজে মিশে যাওয়া। ৩. অপছন্দ — মিথ্যা কথা, অযথা সময় নষ্ট করা, কর্কটস্বরে কথা বলা ও অতিরিক্ত কথা বলা,প্রয়োজনের অধিক খরচ ( অপচয় ) করা, রাগী ও অহংকারী ব্যক্তি এবং বাড়াবাড়ি বা জোড়াজড়ি করা। { শরীয়াতে নিষেধ বা জায়েজ নেই এমন কোন স্বভাব বা অভ্যাস ও কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া } ৪. রুচিবোধ — শালীনতা বজায় রাখা এবং জীবনযাত্রায় মার্জিত ভাব থাকা। যেমন—অহেতুক লোকদেখানো,আড়ম্বর এড়িয়ে চলা এবং পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সম্মান করা। বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে উন্নত মনন, ভদ্র আচরণ, সহানুভূতি, এবং একে অপরের স্বপ্ন ও মতামতকে সম্মান করার মানসিকতা থাকা এছাড়া, নিজের কাজ ও আচরণের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও সততার প্রকাশ ঘটানো জরুরি ৫. স্বপ্ন — একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা এবং দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করে তা জীবনে বাস্তবায়ন করা। মানুষের যেকোনো সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং হালালভাবে উপার্জনের মাধ্যমে সাধারণ জীবনযাপন করা। এছাড়া আখিরাতের প্রস্তুতির পাশাপাশি সমাজ বা মানুষের কল্যাণে কোনো অবদান রাখা,
|