| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ, বালেগ হওয়ার পর থেকেই। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
সাধারণ কখনো নামাজ কাযা হয় না। তবে অনিবার্য কারণবসত দুকেক ওয়াক্ত কাযা হয়ে যায়, তবে সেটা খুবই সীমিত। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
হ্যাঁ
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
“মাজার” বলতে মূলত কোনো নেককার আলেম, বুযুর্গ বা অলির কবরকে বোঝানো হয়। কবর জিয়ারত করা নিজেই বৈধ এবং অনেক ক্ষেত্রে উপকারীও—কারণ এতে আখিরাতের কথা স্মরণ হয়। নবী ﷺ বলেছেন, “আমি তোমাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা কবর জিয়ারত করো; কারণ তা আখিরাত স্মরণ করায়।”। কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা আছে। যদি মাজারে গিয়ে কেউ মৃত ব্যক্তির কাছে সাহায্য চায় এমনভাবে যেন তিনি স্বাধীনভাবে উপকার/ক্ষতি করতে পারেন, সিজদা করে, মানত দেয় মৃত ব্যক্তির নামে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে সরাসরি “ইয়া গাউস”, “ইয়া খাজা” বলে এমন আকীদা রাখে যে তিনি নিজ ক্ষমতায় বিপদ দূর করেন, তাহলে এগুলো শরীয়তসম্মত নয়; কিছু ক্ষেত্রে শিরক পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। অন্যদিকে কবর জিয়ারত করা, মৃতের জন্য দোয়া করা, নেককার মানুষের জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া, সেখানে গিয়ে নিজের মৃত্যুর কথা স্মরণ করা, এসব বৈধ ও উত্তম কাজ। সমস্যা মূলত “মাজার” না; সমস্যা হয় অতিরঞ্জন, কুসংস্কার ও আকীদাগত বিচ্যুতি থেকে। ইসলামে সম্মান আছে, কিন্তু ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
বাইতুল্লাহর সায়ায়, সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া, যেমন ছিলেন তিনি (সাঃ), ইসলাম ও রাজনিতি, ইসলামি ভ্রান্ত আকিদা, প্রচলিত ভুল আরও ইত্যাদি অনেক বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান দা.বা., মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ, মুফতী সৈয়দ মুহামম্মাদ রেজাউল করিম, শায়েখ আহমাদুল্লাহ
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
পছন্দ: কুরআন তিলাওয়াত করা,বই পড়া, মাঝেমধ্যে নিরবতা পালন করা, সর্বদা মুচকি হেসে মানুষের সাথে কথা বলা, গরিব দুঃখী মানুষকে সাধ্যানুযায়ী সহযোগীতা করা। অপছন্দ: অযথা সময় নষ্ট করা, বেহুদা কথাবার্তা লিপ্ত হওয়া, মানুষকে ও প্রাণীকে কোন কারণে কষ্ট দেয়া, অযথা তর্কে জড়ানো, মুখ কালো করে থাকা, অল্পতেই হার মেনে নেয়া, অতিরিক্ত হাসি,কান্না।
|