| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
নিজের সম্পর্কে বা লিখালিখির ক্ষেত্রে আমি অনেকটাই অনভিজ্ঞ। তবুও চেষ্টা করছি.... দ্বীনের বুঝ আসার পর আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করি।অল্পে সন্তুষ্ট থাকতে চেষ্টা করি। গোছানো, পরিষ্কার - পরিচ্ছন্ন পরিপাটি থাকতে পছন্দ করি। অহংকারী, মিথ্যাবাদী, চোগলখোর, অশ্লীলভাষী, কর্কশভাষী, হিংসা–বিদ্বেষ, গীবত, কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা, খোটা দেওয়া, গালি দেওয়া এবং অতিরিক্ত অপচয়, কথা দিয়ে কথা না রাখা, কথায় কথায় মাইন্ড করা ও অধৈর্য মানুষ, যাদের রাগ বেশি, রাগের মাথায় নিজের ভাষা সংযত রাখতে পারেন না — এমন মানুষ খুব অপছন্দ করি। দুনিয়াবি চাহিদা পূরণের জন্য হারামকে হালাল করার মানসিকতা একদমই পছন্দ করি না। দ্বীনের বুঝ আসার পর থেকে আমি কাউকে পায়ে ধরে সালাম করিনি, আলহামদুলিল্লাহ। ছোট-বড়, পরিবার-আত্মীয়—সবাইকে মুখে সালাম দিই। "পর্দা করে সব করা যায়" এই মতবাদে বিশ্বাসী নই এই দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার। পর্দার ক্ষেত্রে কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি আমার পছন্দ না। মানুষের ছোট ছোট আচরণ আমার মনে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। সবসময় ইতিবাচক মানুষদের পছন্দ করি। দ্বীনি মজলিস পছন্দ করি। নেক মানুষের সোহবত, দ্বীনি মজলিস ও তালিম আমাকে অনেকটা প্রভাবিত করে। আমি স্বভাবগত দিক থেকে কিছুটা ইন্ট্রোভার্ট, হুট করে কারো সাথে মিশতে না পারলেও কারো কাছ থেকে আন্তরিকতা অনুভব হলে সহজেই মিশে যেতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। হাদিয়া পেতে তো ভালোই লাগে, হাদিয়া দিতেও পছন্দ করি। আকাশ ও চাঁদ দেখা, নাশিদ শোনা,সাহাবী ও নবীদের জীবনী শুনোতে খুব ভালো লাগে। কিছুটা প্রকৃতি প্রেমীও, আল্লাহর সৃষ্টির সৌন্দর্য দেখতে ভালো লাগে। রান্নার ক্ষেত্রে এখনো অপটু। শেখার চেষ্টা করছি। দ্বীনের বুঝ হওয়ার পর থেকে জন্মদিন পালন, জন্মদিন উপলক্ষে উপহার দেওয়া বা উইশ করা আমার কাছে অপছন্দের। মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর প্রতিটি সুন্নাহ জীবনে বাস্তবায়ন করার ইচ্ছে আছে, ইনশাআল্লাহ। দিন শেষে আমি মানুষ আমার সব কিছু ভালো হবে না, আমি ত্রুটি মুক্ত না।
|