Profile

বায়োডাটা নং : 7331

বায়োডাটার ধরণ পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম সন 1997
উচ্চতা ৫′ ৭″
গাত্রবর্ন উজ্জ্বল শ্যামলা
ওজন ৬৯ কেজি কেজি
রক্তের গ্রুপ এবি পজিটিভ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা শিবগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী
এলাকা/গ্রামের নাম: গাংগইট, কিচক
বর্তমান ঠিকানা , ,
এলাকা/গ্রামের নাম:
কোথায় বড় হয়েছেন? গাংগইট, কিচক, শিবগঞ্জ, বগুড়া
শিক্ষাগত যোগ্যতা
আপনার শিক্ষা মাধ্যম জেনারেল
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ফাজিল
এসএসসি/ দাখিল/ সমমান পাসের সন ২০১৪
বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
ফলাফল এ
এসএসসি এর পরে কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? এইচএসসি
এইচএসসি/ আলিম/ সমমান পাসের সন 2016
বিভাগ ব্যবসা
ফলাফল এ
স্নাতক/স্নাতক (সম্মান)/ ফাজিল পড়াশোনার বিষয়? Bachelor of Business Administration (BBA) with a major in Accounting
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
পাসের সন ২০২০
পারিবারিক তথ্য
আপনার পিতা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
পিতার পেশার বিবরণ কৃষক (পাশাপাশি গ্রামের একটা পোশাকের দোকানে কাজ করেন)
আপনার মা কি জীবিত আছেন? জী, জীবিত
মাতার পেশার বিবরণ গৃহিণী (পাশাপাশি কাপর সেলাইয়ের কাজ করেন)
আপনার কতজন ভাই আছে? নেই
আপনার কতজন বোন আছে? ১ জন
বোনদের তথ্য আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহে আমার ছোট বোন ২০১৫ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে পবিত্র কুরআন মাজীদ হিফজ সম্পন্ন করেছে। সে পূর্ণ হিজাব ও শরীয়তের পর্দা বিধান মেনে চলতে সচেষ্ট এবং মাহরাম ও গাইর মাহরামের বিধান সম্পর্কে সচেতন। তার কুরআন তিলাওয়াতের বিশুদ্ধতা ও আরবি ভাষায় দক্ষতা বিশেষভাবে প্রশংসনীয়, যা সে মাদ্রাসার সম্মানিত উস্তাদদের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় অর্জন করেছে। ইসলামী আদর্শে গড়ে ওঠা আমার ছোট বোন নিয়মিত দীনী ইলম চর্চা করে এবং কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞানার্জনে আন্তরিকভাবে আত্মনিয়োগ করে যাচ্ছে। তার জীবনের মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং দ্বীনের উপর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকা। আলহামদুলিল্লাহ, তার পড়াশোনা এখন সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে সে যে প্রতিষ্ঠান থেকে দীনী শিক্ষা গ্রহণ করেছে, সেখানেই শিক্ষকতা করছে। অর্জিত ইলম অন্যদের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার নিয়তেই সে এই দায়িত্ব পালন করছে। ইনশাআল্লাহ, শরীয়তসম্মত পদ্ধতিতে উপযুক্ত পাত্র পাওয়া গেলে তার বিবাহের বিষয়ে পরিবার থেকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
চাচা মামাদের পেশা আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারে আমার একমাত্র চাচা বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং সেখানে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছেন। আল্লাহর রহমতে তিনি হালাল উপার্জনের মাধ্যমে পরিবার পরিচালনা করছেন। আমার দুই মামার মধ্যে ছোট মামা সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন। বড় মামা সম্প্রতি মালদ্বীপে গেছেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় সৌদি আরব ও ইরাকে কাজ করেছেন। আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহে সবারই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নিজ নিজ সংসারে শান্তিপূর্ণ জীবন যাপন করছেন। সামগ্রিকভাবে তাদের পারিবারিক অবস্থা আমাদের মতোই মধ্যম আয়ের। খুব বেশি বিলাসিতা নেই, আবার আলহামদুলিল্লাহ কোনো অভাব-অনটনও নেই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের পরিবারগুলোকে শান্তি ও বরকতে ভরিয়ে দিন, আমিন।
পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যবিত্ত
অর্থনৈতিক অবস্থার বিবরণ আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারের আয়ের প্রধান দায়িত্ব আমার বাবার উপরই বর্তায়। আমাদের প্রায় দুই থেকে তিন বিঘা কৃষিজমি রয়েছে, যেখানে কৃষিকাজ করা হয়। পাশাপাশি আল্লাহর দানে আমাদের নিজস্ব জমির উপর নির্মিত একটি বাড়ি আছে। বাড়ির পাশে একটি পুকুর রয়েছে, যেখানে মাছ চাষ করা হয় বটে, তবে তা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়; বরং শুধুমাত্র পরিবারের খাদ্য প্রয়োজন মেটানোর জন্য। কৃষিকাজের পাশাপাশি আমার বাবা আগে একটি ছোট কাপড়ের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তবে ২০২০ সালের কোভিড-১৯ মহামারির সময় সৃষ্ট আর্থিক সংকটের কারণে তাকে সেই ব্যবসা বন্ধ করতে হয়। এরপর থেকে তিনি হালাল রিজিকের সন্ধানে অন্য একটি দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলা যেন তার পরিশ্রমে বরকত দান করেন। আমার মা-ও আমাদের পরিবারের আয়ে অবদান রাখেন। তিনি একজন দর্জি হিসেবে নারীদের পোশাক সেলাই করেন। তার নিয়মিত পরিশ্রম, ধৈর্য ও ত্যাগ আমাদের পরিবারের জন্য বড় একটি শক্তি ও ভরসার উৎস। আমরা তার এই অবদানের জন্য আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞ। ২০২২ সাল থেকে আমিও আল্লাহর তাওফিকে পরিবারের আয়ে সহায়তা করতে শুরু করেছি। যদিও আমার অবদান খুব বেশি নয়, তবুও এতে আমার মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হয়েছে এবং জীবনের প্রতি একটি স্পষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যবোধ গড়ে উঠেছে। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক দান করেন এবং আমাদের পরিবারে বরকত দান করেন, আমিন।
পারিবারিক দ্বীনি পরিবেশ কেমন? আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পরিবারে আমি, আমার মা ও আমার বোন যথাসাধ্য ইসলামী জীবনাচার মেনে চলার চেষ্টা করি। আমরা নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি এবং দ্বীনের ফরজ বিধানসমূহ পালনে সচেষ্ট থাকি। আমার বাবা সালাত আদায় করেন, যদিও কখনো কখনো কিছু ওয়াক্ত ছুটে যায়। আমি বিশ্বাস করি, হিদায়াত একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে এবং তিনি যাকে ইচ্ছা ধীরে ধীরে সঠিক পথে পরিচালিত করেন। আমি এমন একটি গ্রামে বড় হয়েছি, যেখানে সাধারণভাবে মানুষের মাঝে দ্বীনের গভীর জ্ঞান ও চর্চা তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ছোটবেলায় আমার আশেপাশে এমন কেউ ছিলেন না, যিনি দ্বীনের দিকে উদ্বুদ্ধ করতেন বা ইসলামী জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতন করতেন। সে কারণে তখন আমার শিক্ষা ও জীবনধারা মূলত সাধারণ ধারার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। একসময় আমাদের পরিবারেও ইসলামের চর্চা খুব গভীর ছিল না। তবে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহে যখন আমি ধীরে ধীরে ইসলামের সৌন্দর্য, সহিহ আকিদা এবং কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে শুরু করি, তখন থেকেই আমাদের পারিবারিক পরিবেশেও পরিবর্তন আসতে থাকে। এখন আমরা পরিবার হিসেবে একসাথে বসে কুরআনের আয়াত নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করি এবং সালাতের গুরুত্ব ও আত্মশুদ্ধির বিষয়গুলো বুঝতে চেষ্টা করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শুধু সালাত আদায় করা বা রোজা রাখা দিয়েই ইসলাম সীমাবদ্ধ নয়। একটি ইসলামী পরিবার কেমন হবে, তা নির্ভর করে অনেক বিষয়ের উপর। যেমন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও দয়া থাকা, হালাল রিজিকের প্রতি যত্নবান হওয়া, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকা, কথা বলার সময় শালীনতা বজায় রাখা, একে অপরকে সালাত ও ভালো আমলের জন্য স্মরণ করিয়ে দেওয়া, সন্তানদের ইসলামী আদব ও চরিত্র শেখানো এবং দৈনন্দিন কাজে আল্লাহকে স্মরণ করা। এসব ছোট ছোট বিষয়ই
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন? আলহামদুলিল্লাহ, শৈশবকাল থেকেই আমার সালাত আদায়ের অভ্যাস ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে কিছুদিন অবহেলার কারণে সালাত আদায়ে ঘাটতি হয়েছিল। অতঃপর আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ ও হিদায়াতের মাধ্যমে ২০১৮ সালের পর থেকে আমি পুনরায় নিয়মিত ও সময়মতো সালাত আদায় শুরু করি এবং বর্তমানে যথাসাধ্য সুন্নাহ অনুযায়ী তা পালন করার চেষ্টা করছি।
সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়? আমি সাধারণত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ম করে পড়ার চেষ্টা করি, তবে মাঝে মাঝে ২-৩ ওয়াক্ত মিস হয়ে যায়। তবুও চেষ্টা করি যতটা সম্ভব সময় মতো নামাজ আদায় করতে।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি, আলহামদুলিল্লাহ। ছোট বোন হাফেজ হওয়ায় তার কাছ থেকে শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত টা শেখা হয়েছে।
আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে? কোনো মানসিক বা শারীরিক রোগ নেই।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? লালসালু গল্পে মজীদের চরিত্রটি আমাকে একটি শিক্ষণীয় সতর্কবার্তা মনে করিয়ে দেয়, কিভাবে দ্বীনের নামে ভ্রান্ত বিশ্বাস ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। আমি কবর ও মাজারকে ইবাদতের স্থান হিসেবে মানি না এবং এ বিষয়ে বর্তমানে যে বাড়াবাড়ি ও শরিয়তবিরোধী কার্যকলাপ দেখা যায়, তা আমি সমর্থন করি না। আমি কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর আলোকে বিশুদ্ধ আকিদার উপর থাকার চেষ্টা করি।
আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন আল রাহিকুল মাখতুম, লস্ট ইসলামিক হিস্ট্রি, সানজাক-ই উসমান, ছোটদের সিরাত, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, চিন্তাপরাধ, আহকামে যিন্দেগী
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ডাঃ জাকির নায়েক, ইমরান রাইহান, আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, আলি হাসান ওসামা, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন 📚 ইতিহাস ও দ্বীনি জ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বর্তমান বিশ্বে মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক অবস্থা আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। আজ মুসলিমরা অনেক জায়গায় ঐক্যবদ্ধ নয়, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা ও উত্তেজনা চলছে, আর অনেক মুসলিম সমাজে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। ইসলামী পরিচয় থাকলেও দ্বীনের প্রতি দায়বদ্ধতা অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এসব বাস্তবতা আমাকে নিজের শিকড় সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য করেছে। এই ভাবনা থেকেই আমি জানার চেষ্টা করি আমরা আসলে কে, ইসলাম কীভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল, ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা কীভাবে গড়ে উঠেছিল, কেন ধীরে ধীরে শরিয়াহভিত্তিক জীবনব্যবস্থা অনেক জায়গা থেকে হারিয়ে গেল, এবং আজকের বাস্তবতায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কীভাবে ব্যক্তি ও সমাজকে আবার সঠিক পথে ফিরিয়ে আনা যায়। আমি বিশ্বাস করি এই পরিবর্তন আবেগ দিয়ে নয়, বরং ইলম অর্জন, আত্মশুদ্ধি, হিকমাহ ও ধৈর্যের মাধ্যমে সম্ভব। আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের সত্য বুঝার তাওফিক দেন এবং সেই অনুযায়ী আমল করার শক্তি দান করেন। 🏡 স্বপ্নের দ্বীনি লাইব্রেরি এই আত্মজিজ্ঞাসা ও ইতিহাস জানার আগ্রহ থেকেই আমার মনে একটি স্বপ্ন ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে। আমি চাই নিজ বাড়িতে একটি গবেষণাধর্মী ইসলামিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করতে। যেখানে ফিলিস্তিন ইস্যুর নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল, বিশ্বব্যাপী ইসলামের প্রসারের প্রামাণ্য উৎস এবং বিভিন্ন সংস্কৃতিতে ইসলামের প্রভাব নিয়ে গবেষণাপত্র সংরক্ষিত থাকবে। আমার বিশ্বাস, সঠিক ইতিহাস জানা ছাড়া ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ সম্ভব নয়। এই লাইব্রেরিকে শুধু নিজের জন্য সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। ইনশাআল্লাহ, গ্রামের শিশুদের জন্য সপ্তাহান্তে ইতিহাস পাঠের আয়োজন করতে চাই, যাতে তারা ইসলামের গৌরবময় অতীত সম্পর্কে জানতে পারে, নিজেদের পরিচয় বুঝতে শেখে এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার অনুপ্রেরণা পায়। 🌱 সহজ ও পরিমিত জীবনযাপন আমি মনে করি প্রকৃত শান্তি আল্লাহর নৈকট্য থেকেই আসে। ফজরের পরের নীরব সময়ে কিতাব পড়া, বৃষ্টিভেজা সকালে এক কাপ চা পান করা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অর্থবহ কথোপকথন করা এসব সাধারণ মুহূর্তেই আমি অন্তরের প্রশান্তি খুঁজে পাই। বাহ্যিক জাঁকজমকের প্রতি আমার বিশেষ আগ্রহ নেই। কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সহজ, সংযত ও পরিমিত জীবনযাপন করাই আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। 🕋 আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষা ও দাওয়াহর নিয়ত আল্লাহ তাআলা যে জীবন আমাকে দান করেছেন, তা তাঁর সন্তুষ্টির পথেই ব্যয় করতে চাই। অন্তরে গভীর একটি ইচ্ছা রয়েছে একদিন হজ আদায় করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার। পাশাপাশি আমি চাই ইসলামের বিশুদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বার্তা প্রজ্ঞা ও কোমলতার সাথে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে। আল্লাহ চাইলে আমার সামান্য প্রচেষ্টাগুলো কবুল হবে এবং আমার লাইব্রেরি জ্ঞান অর্জন ও আত্মগঠনের একটি উপকারী কেন্দ্র হয়ে উঠবে। 💡 বিশেষ আগ্রহ ইসলাম কীভাবে বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতিকে ন্যায়বিচার, জ্ঞানচর্চা ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ করেছে এই বিষয়টি আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। অতীতের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা থেকে উপকার গ্রহণ করে বর্তমান সময়ের মানুষের জন্য কল্যাণকর কিছু করার আকাঙ্ক্ষা আমার অন্তরে সবসময় কাজ করে।
জীবনযাপনের তথ্য
ঘরের বাহিরে সাধারণত কি ধরণের পোষাক পরেন? বর্তমানে আমি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ সুইডেনে অবস্থান করছি। এখানে বছরের অধিকাংশ সময় শীতকাল বিরাজ করে। সে কারণে সাধারণত বাইরে বের হলে আমি জিন্স ও মোটা জ্যাকেট পরিধান করি। তবে দেশে অবস্থানকালে আমি বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরতাম।
সুন্নতি দাড়ি আছে কি না? কবে থেকে রেখেছেন? জি আলহামদুলিল্লাহ। যেদিন থেকে আল্লাহ সঠিক দ্বীনি বুঝ দিয়েছেন সেদিন থেকে সুন্নতি দাড়ি রাখছি। ২০২৪ সালের শেষের দিক থেকে।
টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? দেশে থাকাকালে আমি সুন্নাহ অনুসারে টাখনুর উপরে কাপড় পরিধান করতাম। তবে সুইডেনে চরম শীতের কারণে শারীরিক সুরক্ষার প্রয়োজনে মোজা পরতে হয় এবং কাপড় টাখনুর নিচে পরতে হয়, যা এখানে বসবাসরত মুসলিমদের মধ্যেও প্রচলিত।
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? হ্যাঁ, মানি।
নাটক / সিনেমা / সিরিয়াল / গান এসব দেখেন বা শুনেন? আমি সাধারণত নাটক ও সিনেমা দেখি না এবং গানও শুনি না। তবে কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামিক আলোচনা, বয়ান বা দ্বীনি শিক্ষা–সংক্রান্ত কোনো কিছু হলে তা বুঝে শুনে দেখি ও শুনি।
আপনি কোন ফিকাহ অনুসরন করেন? হানাফি
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আমার দাদা-নানার পরিবারে কেউই পরিপূর্ণভাবে দ্বীন পালনকারী নন। তাই সুযোগ পেলেই আমি তাদের মাঝে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি এবং ইসলামের সুন্দর শিক্ষা নরম ও হিকমতের সাথে শেয়ার করি। আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করি, তিনি যেন আমাদের সবাইকে হিদায়াতের পথে পরিচালিত করেন এবং দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকার তাওফিক দান করেন।
পেশাগত তথ্য
পেশা শিক্ষার্থী
পেশার বিস্তারিত বিবরণ বর্তমানে আমি সুইডেনে বসবাস করছি। উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমি সুইডেনে আসি। বর্তমানে আমি Umeå University–তে Business Development and Internationalization বিষয়ে মাস্টার্স অধ্যয়ন করছি। আমি বিশ্বাস করি, জ্ঞান অর্জন করা যেমন জরুরি, তেমনি হালাল উপায়ে উপার্জন করাও দায়িত্বের অংশ। তাই পড়াশোনার পাশাপাশি আমি কাজ করছি। মূলত আমি একটি Sushi রেস্টুরেন্টে পার্ট-টাইম কাজ করি। এছাড়া সময় ও সুযোগ পেলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজও করি। পড়াশোনা ও কাজ একসাথে চালানো সহজ নয়। তবুও আল্লাহর উপর ভরসা রেখে নিজের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। আল্লাহ তাআলা যেন আমার ইলম ও রিজিকে বরকত দান করেন এবং আমাকে সঠিক পথে অবিচল রাখেন।
মাসিক আয় ৭০,০০০ – ৮০,০০০ (সত্তর হাজার থেকে আশি হাজার টাকা)
বিবাহ সম্পর্কিত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি আলহামদুলিল্লাহ। বাবা-মা দুজনেই রাজি আছেন।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন? ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলার হিদায়াত ও তাওফিকের উপর ভরসা রেখে আমি আমার স্ত্রীকে পর্দা ও শরীয়তের বিধান মেনে জীবন যাপনে উৎসাহিত ও সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করব। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পর্দা একজন মুসলিম নারীর জন্য ইফফত, সুরক্ষা ও সম্মানের প্রতীক। স্বামী হিসেবে আমার দায়িত্ব হবে ভালোবাসা, ধৈর্য ও হিকমাহর সাথে তাকে দ্বীনের পথে সহায়তা করা। আমি চেষ্টা করব যেন আমরা দুজনেই কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একসাথে চলতে পারি, পরস্পরকে ভালো আমলের জন্য স্মরণ করিয়ে দিই এবং আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টিকে আমাদের দাম্পত্য জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সংসারকে শান্তি, বরকত ও তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং আমাদের একে অপরের জন্য রহমত বানান।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? ইনশাআল্লাহ, সে যদি পর্দা ও শরীয়তের বিধান যথাযথভাবে মেনে চলে, তাহলে তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়াকে আমি সমর্থন করব। আমি বিশ্বাস করি, দ্বীনের সীমার মধ্যে থেকে ইলম অর্জন করা বরকতময় এবং তা ব্যক্তি ও পরিবার উভয়ের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? পরিবারের সামগ্রিক অবস্থা এবং শারীরিক ও নৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম নারীকে সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রদান করেছে এবং তার ইফফত ও পর্দার হেফাজতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। যদি স্ত্রীর কাজ করা পারিবারিক প্রয়োজনে জরুরি হয় এবং সেই কাজের মাধ্যমে সে নিজের ও পরিবারের উপকার করতে পারে, একই সঙ্গে পর্দা, শালীনতা ও ইসলামী সীমারেখা বজায় থাকে, তাহলে তা শরীয়তসম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে পারিবারিক জীবনের সুষ্ঠু পরিচালনা, স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব পালন এবং ঘরের শান্তি ও প্রশান্তি রক্ষা করা একটি বড় আমানত। তাই যেকোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের উচিত পরস্পরের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা, আল্লাহ তাআলার হিদায়াত কামনা করা এবং কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনার আলোকে মিলেমিশে সিদ্ধান্ত নেওয়া। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলার বিধান ও তাঁর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করাই সর্বোত্তম ও কল্যাণকর।
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? ইনশাআল্লাহ, আমি যেখানে অবস্থান করব, সেখানেই আমার সহধর্মিণীকে সঙ্গে রাখার চেষ্টা করব। বর্তমানে আমি সুইডেনে বসবাস করছি, তাই আল্লাহ চাইলে আমার সহধর্মিণীকেও সুইডেনে নিয়ে আসব। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সব কিছুই আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ও হুকুমের উপর নির্ভরশীল। আল্লাহ যদি চান, আমরা এখানেই বসবাস করব এবং দ্বীনের সীমার মধ্যে থেকে জীবন পরিচালনা করব। আর যদি আল্লাহ তাআলার হুকুম ও কল্যাণ এতে থাকে, তাহলে পরিবারসহ আবার আমাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাব। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং যে জায়গাতেই থাকি না কেন, কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে পারিবারিক জীবন গড়ে তোলা।
আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করবেন কি না? না, পাত্রীপক্ষের কাছে কোনো উপহার আশা করি না। বরং ইসলামের শিক্ষা অনুযায়ী বর ও বরপক্ষের পক্ষ থেকেই উপহার দেওয়া ও সদাচরণ করা উত্তম মনে করি। আমি বিশ্বাস করি, বিবাহ একটি ইবাদত এবং তা সরলতা, আন্তরিকতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়তে সম্পন্ন হওয়া উচিত। ইনশাআল্লাহ, আমার পক্ষ থেকে সাধ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? আমি বিয়ে করতে চাই মূলত নিজের ঈমান রক্ষা করার জন্য এবং ফিতনা থেকে বাঁচার নিয়তে। আমি বিশ্বাস করি, বিয়ে আল্লাহ তাআলার দেওয়া একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে সংযত রাখতে পারে এবং জীবনে স্থিরতা ও শান্তি খুঁজে পায়। এটি শুধু একটি সামাজিক সম্পর্ক নয়, বরং এমন একটি সম্পর্ক যেখানে মানুষ মানসিক সঙ্গী পায় এবং একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়। আমার কাছে বিয়ে মানে শুধু একসাথে থাকা নয়। এটি একটি পরিবার গড়ার পথ, যেখানে স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরের মানসিক সাথী হয়, দুঃখ-কষ্ট ভাগ করে নেয়, একে অপরকে ভালো আমলের দিকে উৎসাহ দেয় এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে জীবনের মূল লক্ষ্য বানায়। একটি সুন্দর ইসলামী পরিবার মানুষের মনে শান্তি আনে, দায়িত্ববোধ তৈরি করে এবং জীবনকে আরও অর্থবহ করে তোলে। আমি আশা করি, এই সম্পর্কের মাধ্যমে আমার ঈমান আরও মজবুত হবে, আমার চরিত্র আরও পরিশুদ্ধ হবে এবং আমি একজন দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারব। আল্লাহ চাইলে, এই দাম্পত্য জীবন আমাদের দুজনের জন্যই রহমত ও বরকতের কারণ হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি বিবাহ করল, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল। অতএব সে যেন বাকি অর্ধেকের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে।” (সহীহ মুসলিম) আমি আন্তরিকভাবে দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা যেন আমার এই নিয়ত কবুল করেন এবং আমাকে ও আমার ভবিষ্যৎ পরিবারকে ঈমান, ভালোবাসা ও মানসিক শান্তির উপর স্থির রাখেন।
প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী
বয়স 18-29
উচ্চতা ৫'৩" - ৫'৭"
গাত্রবর্ন উজ্জল শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জল ফর্সা
পেশা আমার কাছে দীনী শিক্ষা অর্জন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, আমার ভবিষ্যৎ সহধর্মিণী পবিত্র কুরআন পড়তে পারবেন এবং কুরআন ও দ্বীনের মৌলিক জ্ঞান থাকবে, যেন প্রয়োজনে দাওয়াহমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত করতে পারেন। সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়াকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি, তবে তার সঙ্গে অবশ্যই দীনী শিক্ষার ভিত্তি থাকা জরুরি বলে মনে করি। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্কুল, কলেজ, গ্র্যাজুয়েট বা পোস্টগ্র্যাজুয়েট যেকোনো স্তর গ্রহণযোগ্য। তবে সব কিছুর উপরে আমি দীনী সচেতনতা, ইসলামী মূল্যবোধ এবং আল্লাহর পথে চলার আন্তরিকতাকেই অগ্রাধিকার দিই। তবে যেহেতু তাকে আমার সঙ্গে ভিন্ন একটি দেশে বসবাস করতে হবে, তাই দৈনন্দিন যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় কাজ পরিচালনার জন্য ন্যূনতম ইংরেজি ভাষায় কথা বলতে পারার সক্ষমতা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করি।
জেলা বগুড়া জেলা অথবা বগুড়া সংলগ্ন কোনো জেলা (যেমন রাজশাহী, জয়পুরহাট, নওগাঁ বা সিরাজগঞ্জ) হলে ভালো হয়। এতে করে পারিবারিক যোগাযোগ, আত্মীয়তা এবং সংস্কৃতিগত মিল সহজে রক্ষা করা যায়।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা ছাত্রী
অর্থনৈতিক অবস্থা মধ্যেবিত্ত বা উচ্চ মধ্যেবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি, যিনি আল্লাহভীরু ও দ্বীনদার হবেন, নম্র স্বভাবের হবেন এবং পর্দা ও শালীনতার বিষয়ে সচেতন থাকবেন। যিনি আল্লাহ তাআলাকে ভয় করবেন এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করার আন্তরিক চেষ্টা করবেন। আমি কামনা করি, তিনি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারী হবেন, ইসলামী আদব ও শালীনতা রক্ষা করবেন এবং পারিবারিক জীবনে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। আমি চাই তিনি সহজ ও সংযত জীবনযাপন পছন্দ করুন, দুনিয়ার চাকচিক্য বা অহংকারে আসক্ত না হন, বরং ক্বানাআত ও তাকওয়ার উপর জীবন পরিচালনা করেন। একজন ধৈর্যশীল শ্রোতা ও সহানুভূতিশীল মানুষ হওয়া আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, যাতে স্বামী–স্ত্রীর মাঝে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সম্মান ও রহমত বজায় থাকে। শিক্ষিত ও সচেতন হলে ভালো, তবে আমার কাছে একাডেমিক ডিগ্রির চেয়ে সহিহ দ্বীনি উপলব্ধি, উত্তম আখলাক ও নৈতিক চরিত্র অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উত্তম চরিত্রই একটি ইসলামী পরিবারের ভিত্তি। সবশেষে, আমি এমন একজন সঙ্গী কামনা করি, যিনি আমার দ্বীনি পথচলায় সহযাত্রী হবেন, আমাকে ভালো আমলের দিকে উৎসাহ দেবেন এবং যাঁর সাথে আমরা দুজনেই আল্লাহর সন্তুষ্টিকে আমাদের দাম্পত্য জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করব। আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় আমাদের পরিবার যেন একটি শান্তিপূর্ণ, তাকওয়াভিত্তিক ও ইসলামী আদর্শে গড়ে ওঠা পরিবারে পরিণত হয়। আমিন।
অঙ্গীকারনামা
ওয়েবসাইটে বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন, তা আপনার অভিভাবক জানেন? হ্যাঁ
আল্লাহর শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সব সত্য? হ্যাঁ
কোনো মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে দুনিয়াবী আইনগত এবং আখিরাতের দায়ভার কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি সম্মত? হ্যাঁ
যোগাযোগের তথ্য

শিবগঞ্জ এলাকার আরও পাত্রের বায়োডাটা

Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #7100

বয়স
27 বছর
উচ্চতা
৫′ ৪″
পেশা
শিক্ষার্থী
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
শিবগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #6782

বয়স
25 বছর
উচ্চতা
৫′ ৫″
পেশা
শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
শিবগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #9035

বয়স
29 বছর
উচ্চতা
৫′ ৩″
পেশা
পেশা নেই
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
শিবগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী
Profile

পাত্রের বায়োডাটা

বায়োডাটা নং #10741

বয়স
26 বছর
উচ্চতা
৫′ ৬″
পেশা
শিক্ষক
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
স্থায়ী ঠিকানা
শিবগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহী
বগুড়া জেলার সব পাত্রের বায়োডাটা দেখুন