জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
এই দুনিয়ায় কেউই পারফেক্ট না আমি নিজেও না তবে কিছু গুন/বৈশিষ্ট্য না বললে কুফু মেলানো সম্ভব না আর বিয়ের ক্ষেত্রে কুফু মেলানো খুব জরুরি। ফরজ পালনে স্ট্রিক, স্পষ্টভাষী,সাহসী ,কর্মঠ, গাইরত সম্পন্ন হালাল ইনকাম করেন এবং হালাল-হারাম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখেন ইনশাআল্লাহ।একজন বিনয়ী, তাকওয়াবান, ধৈর্যশীল এবং স্ট্রং পার্সোনালিটির। যিনি আল্লাহকে,আল্লাহর রাসূলকে, দ্বিনকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসবেন,আমাকেও রবের জন্য ভালোবাসবেন, সম্মান করবেন। দ্বীন পালনে উৎসাহিত করবেন। একজন ত্বলীবে ইলম চাই যিনি নিজে ইলম তলবের পাশাপাশি আমাকেও সার্পোট করবেন।ফারজে আ'ইন পরিমান ইলম থাকতে হবে। সহিশুদ্ধ ভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন। অধিক গায়রত সম্পন্ন হবেন। নন মাহরাম থেকে অধিক দূরত্ব বজায় রাখবে হোক অনলাইন অধবা অফলাইন, আত্নীয় বা অনাত্মীয়। সামাজিককতার নামে স্ত্রী কে ফর্মালিটিজ মেইনটেনের উসিলায় গুনাহের ভাগিদার করবেন, এমন কারো থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই। আমি সামাজিকতা এবং মানুষের মন রক্ষা করে-এমন পর্দা করতে ইচ্ছুক নই।পর্দা করেও সবকিছু করা যায় এমন মানসিকতার মানুষ যেনো না হোন। পরিপূর্ণ পর্দায় রাখবেন। মিশুক প্রকৃতির হবেন। ধনী-গরিব ভেদাভেদ করবেন না,সবাইকে যথেষ্ট সম্মান করবেন। নম্র এবং ভদ্র ভাবে কথা বলবেন। অবশ্যই নিজেকে জিহাদের ময়দানে উৎসর্গ করার মানসিকতা রাখবেন, জরুরতে পূর্ণ ই'দাদ গ্রহণ করবেন। দাওয়াতি কাজকে জীবনের ধ্যান ধারণা হিসেবে রাখবেন। অগণতান্ত্রিক মানসিকতা লালন করবেন। গণতান্ত্রিক, সেক্যুলারিজম -এসব নিয়ে সুশিলতা দেখাবেন না। জামায়াতে সালাত আদায় করবেন। প্রকৃত গায়রতসম্পন্ন এবং দায়িত্ববান ব্যক্তি হবেন। নববিআদর্শ অনুসরণ করবেন। নিজের জীবনকে যে পরিপূর্ণরুপে শরীয়াহ রাসুল(স) এর সুন্নাহ মোতাবেক চালাবেন।দাওয়াহ’র কাজ করবে। যে কোন কবিরাজ,তাবিয এসবে কোন বিশ্বাসী হবেন না, বরং প্রয়োজন পরলে রুকইয়াহ করবেন, রুকইয়াহ তে বিশ্বাসী, রুকইয়াহ নিয়ে জ্ঞান আছে।(রুকইয়াহ বিষয়ে বিশেষভাবে বলার কারণ হল এদেশের অধিকাংশ মানুষের প্যারানরমাল জাতীয় সমস্যা বিষয়ে সঠিক জ্ঞান নেই, অনেক আলেম, মুফতিও এ বিষয়ে জ্ঞান রাখে না,তাদেরও রুকইয়াহ বিষয় কোন জ্ঞান নেই, এ বিষয় তাদের বোঝাতে চাইলেও তারা এসব জানতে ও মানতে নারাজ,উল্টো তারা নিজেরাই এইধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতকেউ যদি এসব তাবিয, কবিরাজে বিশ্বাসী হন, বা পরিবারে কেউ এধরনের কাজের সাথে জড়িত থাকে তাহলে দয়া করে যোগাযোগ করবেন না।) আমাকে দ্বীন পালনের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন,আমার অপূর্ণতা গুলোকে মানিয়ে নিবেন, শেখার ক্ষেত্রে আমার ওস্তাদ হবেন,আমার অনুপ্রেরণা হবেন, তাকে দেখে আমি শিখব আমার কমতি গুলো পূরণের চেষ্টা করবেন, যে কোন বিষয়ে আন্ডারস্ট্যান্ডিং,ধৈর্য/সহ্য ক্ষমতা রাখতে হবে,সংসারে দুঃখ কষ্ট ঝড় ঝাপটা আসবে এইসব মোকাবেলা করার মত মন মানসিকতা রাখাবেন, আত্মীয়তার এবং প্রতিবেশীর হক আদায় করবেন ইং শা আল্লাহ। বর্তমানে নারীদের অফলাইনে দ্বীনি ইলম অর্জন সুযোগ নেই, যে মাদ্রাসাগুলো আমাদের আশেপাশে আছে সেখানে দ্বীন শেখার নাম দুনিয়া নিয়ে মত্ত থাকা হয় বলাই চলে ( অন্য কোথাও ভালো মাদরাসা থাকতে পারে)। তবে অনলাইনে দ্বীন শিখার রাস্তা যেহেতু আছে তাই সেখানে দ্বীনি ইলম শিখতে সবদিকে থেকে সাপোর্ট চাই। আমার লেখা গুলো পরে মনে করবেন না যে আমি একেবারে খাস দ্বীনদার, সবার মধ্যে সকল বৈশিষ্ট্য নাও থাকতে পারে।
|