জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
আমি চাই, তিনি হোন দ্বীনের পথে চলা একজন মুমিনা নারী। আমি চাই, সর্বপ্রথম যেটা, সব থেকে বেশি আল্লাহ ও তার রাসূল কে ভালবাসতে হবে, সবার থেকে বেশি আল্লাহকে যে পারবে না, তাকে চাইনা, কেমন আছে আল্লাহ আর রাসূলকে সবথেকে বেশি ভালবাসতে পারবে, সে স্বামীকে ভালবাসতে পারবে, আল্লাহর আল্লাহর রাসূল সুন্নতকে আকরাইয়া রাখতে পারবে, এমন কাউকে চাই নামাজ কায়েম করেন, কুরআন তিলাওয়াত ভালোবাসেন, আল্লাহর ভয় হৃদয়ে ধারণ করেন। আমি চাই, যিনি হায়া ও পর্দার প্রতি যত্নশীল, নিজের ইজ্জত-আবরুকে সুরক্ষিত রাখেন। আমি চাই, যিনি আল্লাহভীরু, শির্ক-বেদআত থেকে দূরে, সুন্নাহ অনুযায়ী চলার চেষ্টা করেন। আমি চাই, যিনি স্বামীকে সম্মান করেন, তার হক আদায় করেন এবং তাকে নেক আমলে উৎসাহিত করেন। আমি চাই, যিনি রাগ সংযমী, কোমল আচরণকারী, ঘরে শান্তি ও সৌন্দর্য আনতে পারেন। আমি চাই, যিনি পরিবারের সাথে উত্তম আচরণ করেন, বৃদ্ধদের সম্মান করেন, আত্মীয়তার সম্পর্ক জোরদার রাখেন। আমি চাই, যিনি দুনিয়ার সৌন্দর্যের চেয়ে আখিরাতের সফলতাকে বেশি মূল্য দেন। আমি চাই, যিনি চোখ, জিহ্বা আর চরিত্রকে পবিত্র রাখেন, গিবত-শিকায়েত থেকে দূরে থাকেন। আমি চাই, সুন্নাহর আলোয় গড়ে তুলতে চান।দ্বীনদার , আল্লাহু ওয়ালা, খাস পর্দাশীল, এবং পদ্মাশীল হওয়ার আগ্রহ, তাকওয়া অবলম্বনকারী, উত্তম চরিত্রের অধিকারী, আল্লাহর হুকুম, ও নবীর সুন্নাতের অনুসরণকারী, এবং আগ্রহী হতে হবে। এমন কাউকে চাই যে আমার স্বপ্ন আশা কে, তার আশা স্বপ্ন মনে করবে, যে আমার মাকে মা মনে করবে, সম্মান করবে, তোমার মার সাথে মিলে থাকতো হবে। এমন কাউকে চাই না যার টাকা পয়সা ধন দৌলত সৌন্দর্য, জায়গা জমি চান, এবং এইগুলা পাওয়ার লোভ ও দুনিয়ার প্রতি আসক্তি, এবং বিয়ের পর তার নিজের মা-বাবার কথা, এবং উস্কানি শুনে, এমন কাউকে চাই , যাদের এগুলোর প্রতি আসক্ত নেই , তারাই স্বামীর সুখে দুখে, আল্লাহর পরীক্ষা মনে করেৎআল্লাহর জন্য স্বামীর পাশে থাকতে পারেন। এমন কাউকে চাই, নরম ভদ্র সৎ চরিত্র বান, কথা বলার আওয়াজ ছোট , তাহাজ্জুদ গুজারি ,ও আল্লাহর প্রতি তাকওয়া অবলম্বনকারী হতে হবে,আর যার এগুলো হওয়ার ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা এবং চেষ্টা থাকবে, সেও গ্রহণযোগ্য হবে। (অনেকে বলতে পারেন, এত লম্বা ডিটেলস ইচ্ছা আকাঙ্খা কেউ কি বলে বোকা নাকি, বা বুজুর্গ নাকি,) ভাই আমি কোন বুজুর্গও না, বোকাও না। তাদের জন্য কিছু কথা, বিয়েটা হল সারা জীবনের একটা বন্ধন, এটাকে অনেক সেলে খেলা মনে করে, সৌন্দর্য টাকা-পয়সা ওয়ালা পেলে বিয়ে করে ফেলে, এদের বেশিরভাগই শেষে পস্তাতে হয়, আমি এটাকে সিলে খেলা মনে করি না, যারে বিয়ে করবো তার সাথে সারা জীবন থাকার জন্য বিয়ে করবো, বিয়ের পর-আমাকে পাওয়াটা যেন তার কাছে আফসোসের কারণ মনে না হয়, এবং তাকে পাওয়াটা আমার কাছে যেন কোনদিন আফসোসের কারণ মনে না হয়। (ফর এক্সাম্পল) দেখেন সাধারণত, আমরা অসুস্থ হলে, চিকিৎসকের কাছে যাই, আমাদের সব সমস্যার কথা এ টু জেড খুলে বলি। তারপর সে সব শুনে যাবতীয় মেডিসিন দেন,পরামর্শ দেন, তারপর আমরা আল্লাহর রহমতে সুস্থ হোই। আর দেখেন বিয়ে হল সারা জীবনের একটা সম্পর্ক। তার ব্যাপারে তেমন ভাবে যাচাই বাছাই করি না। মেয়ের দিক থেকে, টাকা পয়সা ধন সম্পদ উচ্চশিক্ষিত সরকারি চাকরি, থাকলে আমাদের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেই, আমার ছেলের দিক থেকে, মেয়ে সুন্দর মেয়ে্র বাবা টাকা ওয়ালা সম্পদশীল, উচ্চশিক্ষিত হলে, বিয়ে করে ফেলি। আগে দেখা উচিত ছিল, ছেলে মেয়ের দ্বীনদারিতা আল্লাহ ওয়ালা, নামাজি, তাকওয়া অবলম্বন কারি, মাহরাম নন মাহারাম ইত্যাদি, (এগুলো যাচাই করার জন্য অর্ধেকদিন ডট কম সেরা প্ল্যাটফরম)
|