| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যা, ১০ বছর বয়স থেকেই পড়ার চেষ্টা করি,২০১৪ সাল থেকে বেশি পড়া হয়।আল্লাহর রহমতে। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
১-২ ওয়াক্ত মাঝে মধ্যে। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
চেষ্টা করতেছি।পুরো পুরি এখন ও শুদ্ধ হয় না।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
না, আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
না। এটি শিরক।
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
প্রডাক্টিভ মুসলিম, প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ, আত্মশুদ্ধি।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
মাওলানা তারিক জামিল, মিজানুর রহমান আজহারী, ডক্টর লুৎফর রহমান, মাওলানা নজরুল ইসলাম, আবু তহা আদনান।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি একজন সাধারণ জেনারেল পড়ুয়া মুসলিম। আলহামদুলিল্লাহ, দীন ইসলামের প্রতি আমার অন্তরে গভীর ভালোবাসা ও টান রয়েছে। খুব সাধারণ ও সংযত জীবনযাপন করতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। প্রয়োজন পূরণ হলেই আলহামদুলিল্লাহ বলেই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করি। আমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত বিলাসিতা ও দুনিয়াবি মোহ মানুষকে ধীরে ধীরে লোভ, অহংকার, হিংসা ও হারামের দিকে নিয়ে যায়। তাই সবসময় নিজেকে এসব থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমার রব আমাকে আমার নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসেন। তাই তিনি যদি আমার জন্য কোনো কিছু কল্যাণকর মনে করেন, তাহলে অবশ্যই হালাল ও উত্তম উপায়ে তা দান করবেন। আর যদি না দেন, তবে বুঝে নিই সেটার প্রয়োজন আমার জন্য নেই। তাই হতাশ না হয়ে প্রতিদিন চেষ্টা, দোয়া ও শুকরিয়ার মাধ্যমে নিজেকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আমাকে না চাইতেই অনেক নিয়ামত দান করেছেন, যার যোগ্যতাও হয়তো আমার ছিল না। আল্লাহর অশেষ রহমতে মুসলিম হিসেবে পরিপূর্ণ ইসলামের উপর চলার আন্তরিক চেষ্টা করছি। নিজের অনেক কমতি ও অপূর্ণতা আছে—তা আমি জানি। তবে জীবনের বাকি সময়টুকু কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কাটানোর ইচ্ছা রাখি, ইনশাআল্লাহ। জীবনসঙ্গী হিসেবে এমন একজন দীনদার, চরিত্রবান, আল্লাহভীরু ও চক্ষুশীতলকারী মানুষ প্রত্যাশা করি, যিনি দুনিয়ার চেয়ে আখিরাতকে বেশি ভালোবাসবেন। যাকে দেখলে হৃদয়ে প্রশান্তি আসবে, মনে হবে—এই বুঝি দুনিয়ার জান্নাত। যিনি নিজেকে হেফাজত করেছেন, আমানতের হক আদায় করেছেন, এবং দ্বীনের পথে চলাকে জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ফিতনাময় এই যুগে এমন একজন মানুষকে পাওয়া সত্যিই অনেক বড় নিয়ামত ও স্বপ্ন। আমি অহেতুক কথা কম বলতে পছন্দ করি, অল্প হালাল রিজিকেও সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করি। হারাম কোনো সুখ বা প্রাচুর্যের প্রতি আগ্রহ নেই। আমি বিশ্বাস করি, হকের পথে চলতে গেলে পরীক্ষা, কষ্ট ও অভাব আসতেই পারে—এটাই নবীদের সুন্নাহ। আর আল্লাহ তাআলা তো বলেছেন, তিনি অবশ্যই আমাদের পরীক্ষা করবেন। তাই এমন একজন সঙ্গী চাই, যিনি ধৈর্য, তাকওয়া ও আল্লাহর উপর ভরসা রেখে জীবনের এই পথ একসাথে অতিক্রম করতে প্রস্তুত থাকবেন, ইনশাআল্লাহ।
|