| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ। ২০২২ এর ডিসেম্বর থেকে পড়ি আলহামদুলিল্লাহ। |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
খুব বেশি জরুরত হলে ১/২ ওয়াক্ত। সচারচর হয়না আলহামদুলিল্লাহ |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
মোটামোটি,,ছোট বেলায় শিখেছি। কিছুটা ভুলে যাওয়ায় নতুন করে আবার শিখছি,এখনো শেখা অবস্থায় আছি আলহামদুলিল্লাহ।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আমার জানা মতে নেই। তবে (-) পাওয়ারের চশমা পরি। হালকা একটু জয়েন্ট পেইন এর সমস্যা আছে।এলার্জির সমস্যা আছে।সব কিছুই কন্ট্রল। তেমন বড় কিছু এখনো মনে হয়নি আলহামদুলিল্লাহ।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
মাজার সিজদা বিশ্বাস করিনা,শিরক্
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
মোটামোটি অনেকগুলো পড়ার তৌফিক আল্লাহ দিয়েছেন। সেখান থেকে তিনটা সিলেক্ট করে বলা কঠিন। ১.রাহে বেলায়েত(ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর)২.ইনজয় ইউর লাইফ, ৩.ঈমান-আকিদা(মাওলানা সাঈদ আহমদ),৪.রেইনড্রপসের সিরাহ ২ খন্ড, ৫.সাহাবায়ে কেরামের ঈমানদীপ্ত জীবনী,৬.কাশগড় কতনা অশ্রুজল,৭.লস্ট ঈসলামিক হিস্ট্রি। এর বাহিরেও অনেক আছে লিস্টে সিরাহ সহ।
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
চেষ্টা করি একটু হকের পথে থাকা আলেমদের লেকচার শুনতে। তবে স্বল্প জ্ঞানে সেটা বুঝে উঠতে পারিনা খুব একটা যে কারা হকের পথে আছেন,যদি কারো কথা হকের বাহিরে মনে হয় বা বুঝতে পারি তবে তাকে এভয়েড করার চেষ্টা করি। এমনিতে শায়খ আহমদুল্লাহ, ,ড.আব্দুল্লাহ জাহহাঙ্গীর স্যারের লেকচার গুলো শোনা হয়ে থাকে বেশি। তবে বর্তমানে IOM এর প্রতিষ্ঠাতা, যুবায়ের উস্তাযের থেকে পরামর্শ গ্রহণের চেষ্টা করি। শায়েখ হারুন ইজহার উস্তাযের লেকচার গুলোও শুনি। আগেকার রাইটারদের বই পড়ার চেষ্টা করি বেশি।আর মাসাআলাগত বিষয়ের জন্য এখন IOM-এর আই ফতোয়াতে একটু বেশি ডিপেন্ড করি যেহেতু এখন পর্যন্ত এখানে খারাপ কিছু দেখিনি আলহামদুলিল্লাহ।
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
বিস্তারিত লিখতে বলা হয়েছে, তাই চেষ্টা করছি একটু ধারণা দিতে, প্রথমেই বলবো আমি প্রচুর কথা প্রিয় একজন মানুষ। তবে একটু সিলেক্টিভ। কমফোর্ট জোন হলে অত্যাধিক কথা বলে ফেলি। একটু ছেলেমানুষীও করি। তবে সহজে মিশিনা তেমন। নিজে থেকে মিশতে পারি একটু কম।কেউ নিজে এসে মিশলে আমার জন্য সহজ হয়। এবং তখন আমি মিশতে পারি। বই পড়তে পছন্দ করি। একটু চুপচাপ পরিবেশ পছন্দ করি। কখনো একা থাকতে পছন্দ করি আবার কখনো অনেকের সাথে,ক্ষেত্রবিশেষে নির্ভর করে।বাচ্চাদের অনেক পছন্দ করি। ওদের সাথে টাইম কাটাতে ভালো লাগে। একটু ইমোশনাল। অল্পতেই কষ্ট পাই, অল্পতেই পাহাড় সমান অভিমান গলে পানি হয়ে যায়। ঘুরতে পছন্দ করি(মাহরামের সাথে-বাবা,মামা,চাচা)। নলেজ গেইনে একটু আগ্রহ আছে। নতুন কিছু শিখতে ভালোই লাগে।দ্বীনে ফেরার পর উম্মাহর জন্য অনেক কিছু করতে ইচ্ছে করে। অনেক প্ল্যানও আছে আলহামদুলিল্লাহ। এখানে বলতে চাচ্ছিনা। জানিয়ে রাখা ভালো, প্র্যাক্টিসিং মুসলিম আগে না থাকলেও উশখুশ স্বভাবের বা ওয়েস্টার্ন কালচার ফলোকারী মেয়ে ছিলাম না আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ হেফাজত করেছেন। তবে শতভাগ ভালোও ছিলাম না এবং এখনো নই। চেষ্টা করছি। ছোট থেকেই একা বড় হওয়ার কারণে একটু লোনলিনেস কাজ করে,তাই আমি চাই যে পরিবারে যাবো সেখানে সবাইকে আপন করে নিয়ে মিলেমিশে থাকবো ইনশআল্লাহ,পরিবারের সবাই যেনো হাসিখুশি হয় আর আমাকে অনেক স্নেহ করে আল্লাহর জন্য এটাই চাওয়া। তবে প্রত্যেকেরই কিছু পার্সনাল স্পেস,রুম এবং জিনিসের প্রয়োজন হয়(যতটুকু না হলেই না) এইটুকুও মাথায় রাখা জরুরি। ইসলামেও হাজবেন্ড-ওয়াইফকে আলাদা থাকার স্পেস দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আমি সবকিছু ব্যালেন্স করে থাকতে চাই ইনশআল্লাহ। আগেই উল্লেখ করেছি আমার পরিবারে বাবা মা প্র্যাক্টিসিং মুসলিম না। এমনকি নানা,দাদার পরিবারও তেমন প্র্যাক্টিসিং না, তবে নামাজ রোজা পালনের ক্ষেত্রে আমার নানা বাড়ির লোকজন কনসার্ন অনেকটাই। মনে হতে পারে এমন একটা জায়গা থেকে আমরা তিনবোন কীভাবে চেঞ্জ হয়েছি। সত্যি বলতে রব যাকে ইচ্ছে হিদায়াত দেন। হিদায়াত পেয়েছি তা বলবোনা তবে পিছনের কিছু সিচুয়েশন,ধাক্কা আমাকে অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছি, তার মধ্যে "ইসলাম" একটা, এভাবেই আস্তে আস্তে আমার রবের দিকে কিছুটা ফিরে আসা পুরোপুরি তো পারিনি। তবে চেষ্টারত আছি। যতদিনে আমি বিষয়গুলো বুঝেছি ততদিনে আমি জেনারেলে এতোদূর এগিয়ে এসেছি যে সাহস করে আর সহশিক্ষা থেকে বের হতে পারলাম না। যেহেতু জেনারেলে পড়ছি আমার পর্দা নিয়ে অনেক সমস্যা ফেস করতে হয়। আমার অনেক ইচ্ছে যে আমি খুব দ্রুতই এমন পরিবেশের দিকে মুভ করবো যেনো আমার দেহের পর্দার সাথে অন্তর এবং কন্ঠের পর্দাও সহজ হবে।চেষ্টা এখনো চালিয়েই যাচ্ছি বর্তমান সিচুয়েশন থেকে বের হতে। কিছু ইচ্ছে আছে আমার, আনসার-মুহাজিইর উভয়ই হতে চাই। একবছর আল্লহর ঘর এবং অন্যবছর আল্লাহর রাস্তায় কাটাতে চাই। যদি আমাকে ঘর থেকে বের হতে হয় তবে শুধু রবের জন্যই বের হবো,আল্লাহর রাস্তায় বের হবো,অন্যথায় না। এমন অনেক ইচ্ছেই আছে।একটু আবেগী লাগতে পারে এবং বড় বড় স্বপ্ন মনে হতে পারে, তবে নিয়্যাত করেছি,সবই আল্লাহর হাতে। এই আরকি। আর যিনি নক করবেন তার কাছে আবেদন থাকবে, দ্বীনের বিষয়ে আমার পরিবাবের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু আশা না করার এখনই। আমি আশাবাদী আমার আব্বু আম্মু একদিন পরিপূর্ণ হিদায়াত পাবেন ইনশআল্লাহ। তবে তার জন্য আমি আমার বাড়িতে মাহরাম,নন মাহরাম মেনে চলার পরিবেশ দিতে পারবো ইনশআল্লাহ। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেকে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর রাস্তায় উৎসর্গ করতে প্রস্তুত আছি। (ছবি চাওয়া যাবেনা,দেখার বিষয়টা সরাসরি হবে,তার আগে কোপো প্রকার ছবি চাওয়া যাবেনা)
|