| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন কি? কবে থেকে পড়ছেন?
|
হ্যাঁ। আলহামদুলিল্লাহ ৯ বছর ধরে (২০১৬ থেকে) (জামায়তে নামাজ পড়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি) |
| সাধারণত সপ্তাহে কত ওয়াক্ত নামায আপনার কাযা হয়?
|
আলহামদুলিল্লাহ কাযা হয় না, মাঝে মাঝে ঘুমের কারনে ফজরের নামাজ কাযা হয়। জেগে উঠার সাথে সাথে আবার পড়ে নিই। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন?
|
আলহামদুলিল্লাহ পারি ! সকল প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার, তিনি দয়া করেছেন।
|
| আপনার মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে?
|
আলহামদুলিল্লাহ আমার জানা মতে নেই।
|
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি?
|
শুধু মাত্র কবর
|
| আপনার পড়া হয়েছে এমন অন্তত ৩ টি ইসলামি বই এর নাম লিখুন
|
সীরাহ (রেইন ড্রপস মিডিয়া), হারাম থেকে বেঁচে থাকো, এভাবে আল্লাহর ইবাদত করো
|
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন
|
শাইখ আহমাদুল্লাহ, খন্দকার ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর, ড. জাকির নায়েক, আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, মুফতী হারুন ইজহার, মুফতী নজরুল ইসলাম কাসেমী আরো অনেকে
|
| নিজের শখ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচিবোধ, স্বপ্ন ইত্যাদি বিষয়ে লিখুন |
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। রিয়া হওয়ার ভয়ে নিজের ব্যপারে কিছু বলতে সংকোচ বোধ হয়। তার পরও তথ্যের জন্য কিছু লিখলাম আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে ক্ষমা করুন। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু আমি আল্লাহর দেওয়া সেই সম্মান রাখতে পারিনি ।আমি আল্লাহর জমিনে সব চেয়ে নিকৃষ্ট এক অধম গুনাহগার বান্দা। দয়াকরে আমাকে পরিপূর্ণ দ্বীনদার ভাববেন না। আল্লাহর বিধান গুলো নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে মানার চেষ্টা করছি। ইং-শা-আল্লাহ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চেষ্টা করবো। আমি মানুষকে অল্পতেই বিশ্বাস করে ফেলি। কিন্তু একবার বিশ্বাস ভাংলে সেটা সহজে জোড়া লাগাতে পারিনা। আমি কারো কাছে হাত পাততে পছন্দ করি না। পছন্দ: পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ও গোছানো কাজ করা পছন্দ করি, নিজেকে সবসময় পবিত্র রাখতে পছন্দ করি, যারা অহংকার করে তাদের থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করি । কোরআন তেলাওয়াত করা, ইসলামীক বই পড়া, ইসলামীক আলোচনা শুনা, কুরআন তেলাওয়াত শুনা, মাঝে মধ্যে ঘুরতে যাওয়া, সকল প্রকার হালাল কাজ ইত্যাদি পছন্দ করি। অপছন্দ: দ্বীনের বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা, কৃপণতা, গালিগালাজ, ধোঁকাবাজি, অন্যের ক্ষতি করা, সকল প্রকার হারাম কাজ ইত্যাদি অপছন্দ করি। স্বপ্ন: আল্লাহর রাসূল (সাঃ) দেওয়া ভবিষ্যত বাণী গাজওয়াতুল হিন্দ যুদ্ধে অংশ নিব, আল্লাহর দ্বীনের জন্য নিজের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই করবো এবং শাহাদাতের স্বাদ নিব ইং-শা-আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা একজন পবিত্র, দ্বীনদার, চক্ষু শিতলকারিনী স্ত্রী দিবেন ইং-শা-আল্লাহ। উনি আমাকে গুনাহ থেকে বাঁচতে সাহায্য করবে, আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে সাহায্য করবে। আমাকে এবং আমার অনাগত সন্তানদের মুজাহিদ হতে সাহায্য করবে। যদি আল্লাহ তাওফিক দেন দুইজন একসাথে উমরাহ পালন করবো ইং-শা-আল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা (চিরস্থায়ী) জান্নাতে আমাদের একসাথে করে দিবেন ইং-শা-আল্লাহ । এটাই আমার স্বপ্ন
|