জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করে, সর্বক্ষেত্রে হালাল-হারামের ব্যপারে সচেতন,উত্তম আখলাক ওয়ালা,রুচিশীল, দায়িত্বশীল- কর্তব্যপরায়ণ, ইলম অনুযায়ী আমল করে,সর্বাবস্থায় আল্লাহকে ভয় করে,সবচেয়ে বেশি আল্লাহকে তারপর রাসূল(সা.) কে ভালোবাসে। দ্বীন-দুনিয়া জাগতিক ও আখিরাত বিষয়ে সুশিক্ষিত, শুদ্ধভাবে ভাবে কুরআন পড়তে জানে এবং প্রতিদিন তিলাওয়াত করে/করার চেষ্টা করে, দ্বীনী ইলমের প্রতি আগ্রহ আছে। জীবনের সকলক্ষেত্রে আল্লাহর সন্তুষ্টির কথা চিন্তা করে। অহেতুক ও অপ্রাসঙ্গিক কথা বলেন না।আল্লাহ এবং আল্লাহর সকল সৃষ্টির হকের ব্যাপারে, নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। মানুষের ব্যাপারে কুধারণা করে না।সাধারণ ও শোকরগুজার। ঘরে বাইরে সকলের সাথে সদাচরণ করেন।অভিযোগ করেন না,নিজের ভুল স্বীকার করে ও শুধরানোর চেষ্টা করে, ইগোইস্টিক নয়,আত্মকেন্দ্রিক মানুষ নয়।। সত্যবাদী,বিচক্ষণ,চিন্তাশীল, মেধাবী,কর্মোদ্যম,পরিশ্রম করার মানসিকতা আছে,বিনয়ী,উদার, হিংসা ,বিদ্বেষ ও ক্ষোভ পুষে রাখে না। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন কিন্তু দাম্ভিক ও অহংকারী নয়, খুঁতখুতে নয় ,খোটা দেয় না, নিজেকে জাহির করার প্রবণতা নেই(সবকিছুই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করে)। যেকোনো প্রকার অশ্লীলতা,গালাগালী, অশালিন ভাষা পছন্দ করেন না। শান্ত ও রাগ নিয়ন্ত্রন রাখেন, গুছানো ও পরিচ্ছন্ন। প্রয়োজন ও কাজ ছাড়া এবং ঘরে/পরিবারে থাকলে স্ক্রীন থেকে দূরে থাকে। নারীদের ঘরসংসার সামলানো, সন্তান লালন পালনকে অর্থ উপার্জনের মতোই কন্ট্রিবিউশন হিসেবে সম্মান করেন,যেভাবে আল্লাহ তায়ালা ও রাসূল(সা.) মর্যাদা দিয়েছেন। আমার কাছ থেকে নিজের পরিবার ও আত্মীয়দের জন্য যেমন আচরণ ও সম্মান আশা করেন, আমার পরিবার ও আত্মীয়দের প্রতিও তেমন আচরণ ও সম্মান করবে। যিনি মা-বাবা, ভাইবোন ও স্ত্রী-সন্তান প্রত্যেক সম্পর্কের হক ও দায়িত্বের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল, সম্পর্ককে একটি অপরটির প্রতিদ্বন্দ্বী না বানিয়ে ব্যালেন্স করার মানসিকতা রাখে । ইনশাআল্লাহ্ আমাকে যেখানেই রাখুক পরিপূর্ন মাহরাম গায়রে মাহরাম মেনে শরয়ী পর্দা নিশ্চিত করতে হবে,প্রাইভেসি নিশ্চিত করতে হবে এবং নিজেও মাহরাম-গায়রে মাহরাম স্ট্রিকটলি মেনে চলতে হবে। যেখানেই রাখুক সর্বাবস্থায় স্ত্রী-সন্তানদের নিজের সাথে রাখার মানসিকতা থাকতে হবে ইনশাআল্লাহ্।আমি সংসারের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে, শরই সীমা ও পর্দার মধ্যে আমাকে পড়াশুনার সুযোগ ও সহযোগিতা দেয়ার মানসিকতা থাকবে। পরিপূর্ন মার্জিত,মৃদু ও স্বল্পভাষী। যিনি বিশ্বাস করেন ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, সাথে বর্তমান আধুনিক যুগেও এবং কেয়ামত পর্যন্ত ইসলাম রাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি ও শাসনব্যবস্থায় পরিপূর্ণ। সর্বোপরি যিনি নিজের দায়িত্ব-কর্তব্যে, নীতি-নৈতিকতা, সততা,আর্দশ,কথাবার্তায়, আচার আচরণে,সকল প্রকার অভ্যাসে শরীয়া বিধান তথা কুরআন ও রাসূল(সাঃ) এর সুন্নাহ ও আদর্শ কে মানদণ্ড মেনে চলেন।
|