জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন:
ইসলামের বিধি নিষেধগুলো মানতে যার কষ্ট হয় না বরং সেগুলো মানতে পারলে খুশী হয় ৷ আল্লাহ এবং তাঁর দ্বীন ইসলামকে ভালোবেসে বেশী বেশী আমল করে ৷ জানার সাথে সাথে মানে৷আল্লাহকে ভয় করে ৷ আল্লাহর সাথে সর্বদা সম্পর্ক রাখে জিহ্বা ও অন্তরে আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে ৷সংসারের কাজের মধ্যেও আল্লাহকে ভুলবে না৷হালাল হারামের ব্যাপারে সতর্ক ৷কঠোর পর্দা করবে, কন্ঠেরও, দৃষ্টির হেফাজত করবে, নন মাহরামকে চোখ তুলে দেখবে না ৷ বেশ কিছু সুন্নত আমলের প্রতিদান ও তাগিদ বেশী এসেছে, সেগুলো পালনে অগ্রগামী ৷অধিক পরিমানে ইবাদাতকারীনী, বেশী বেশী নফল স্বালাত, সাওম, দান সদকা করবে ৷ স্বামীর অনুগত ৷ স্বামীকে অভিভাবক, আমির হিসেবে খুশি মনে মানবে ৷ হালাল কাজে অবশ্যই অনুগত থাকবে ৷দ্বীন পালনে সহযোগী হবে, বাধা নয় ৷ পরিবারে উত্তম আচরণের মাধ্যেমে সুন্দর ইসলামী পরিবেশ তৈরি করতে সচেষ্ট হতে হবে ৷ উত্তম আচরণ, উত্তম চরিত্র, ক্ষমা, ধৈর্য, তাওয়াক্কুল, সহনশীল, কষ্টসহিষ্ণু, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ করা, অহংকারকে ভয় পাওয়া, বিনয়ী, কোমল, নম্র, ভদ্র প্রভৃতি গুণাবলী থাকতে হবে ৷ মিলে মিশে থাকা, ছোটখাট সমস্যা হলে নিজেই সমাধান করার যোগ্যতা থাকতে হবে ৷ জানতে হবে কোথায় চুপ থাকা কল্যাণকর ৷ আমরা জীবন চলার পথে এমন কিছু পরিস্থিতে পড়ি যেখানে প্রতিউত্তর না করে থাকা যায় না, কিন্তু প্রতিউত্তর করলে পরিস্থিতি আরও নষ্ট হয় ৷ এজন্য চুপ থাকা, জীহ্বার হেফাজত ও সবর করে প্রতিদান আশা করার মানষিকতা থাকা ৷মানুষকে কষ্ট দিয়ে কথা বলবে না, ছোট করে দেখবে না ৷ সবার হক সম্পর্কে সচেতন এবং হকদারকে হক পরিপূর্ণভাবে দিবে ৷ প্রেমময়ী, মমতাময়ী ও অধিক সন্তানের জননী হতে আগ্রহী৷নিজের দ্বায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন৷মিথ্যা, ধোকা, হিংসা, গীবত, অহংকার, লোভ, রাগ, খোটা দেওয়া, চোগলখুরী প্রভৃতি থেকে সতর্ক থাকা ৷ অল্পে তুষ্ট, সাদামাটা জীবন যাপন, দুনিয়াবিমুখ, দুনিয়াত্যাগী হবে ৷ আইয়ুব আঃ এর মত পরিস্থিতেও যেন মুখে সন্তুষ্টির হাসি নিয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়কারীণী হয় ৷ এই গুণটা বেশী জরুরী ৷ আখিরাতই যার একমাত্র লক্ষ্য ৷এক কথায় আল্লাহর প্রিয় দাসী হবে সে ৷ স্ত্রী হিসেবে তার হক পূর্ণরুপে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ ৷ কোনো জুলুম করা হবে না ৷ তাকে দ্বীন পালনে সহযোগী ও অনন্তকালের সঙ্গী হিসেবে চাই ৷ (তার অতীতে হারাম সম্পর্ক না থাকা)
|